নীলফামারী-৪ আসনে জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী মোঃ সিদ্দিুকুল আলম সন্ত্রাসবিরোধী মামলার আসামী ও আওয়ামী লীগ নেতা ফারুক হোসেনকে সঙ্গে নিয়ে নির্বাচনী প্রচারে নেমেছে।
জাপা প্রার্থী হেঁটে হেঁটে নির্বাচনী প্রচার প্রচারণার সময় সামনের কাতারে থাকা সন্ত্রাসবিরোধী মামলার আসামী, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা ফারুক হোসেন জনগণকে হাত তুলে ভোট চেয়েছেন। ফারুক হোসেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য, ইউপি আওয়ামী লীগ সভাপতি ও কিশোরগঞ্জ থানার সন্ত্রাসী মামলার ৩৮ নং আসামী।
উপজেলা জামায়াতের আমীর মোঃ আব্দুর রশিদ শাহ্ বলেন, আমরা প্রথম থেকেই লক্ষ্য করছি জাপা প্রার্থীর নির্বাচনী প্রচার প্রচারণায় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করছে।
এ বিষয়ে কিশোরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ লুৎফর রহমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, বিষয়টি আমার জানা নেই। সন্ত্রাসবিরোধী মামলার আসামী নির্বাচনী প্রচারণায় থাকলে তার কপালে তো সে সন্ত্রাসবিরোধী মামলার আসামী সেটি লেখা নেই। তথ্য দিন আমরা তথ্য উপাত্ত’র ভিত্তিতে গ্রেফতার করবো।
উল্লেখ্য যে, রাষ্ট্র ও সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ ছড়ানোর পাশাপাশি প্রধান উপদেষ্টার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও মানহানিকর তথ্য প্রচার ও রাষ্ট্র বিরোধী ঘড়যন্ত্রে লিপ্ত থাকার অভিযোগে গত ৪ জুন ২০২৫ তারিখ কিশোরগঞ্জ থানায় ৪৪ জনের নাম উল্লেখ্য করে ও আরও অজ্ঞাত ১৫০ থেকে ২০০ জনের নামে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা দায়ের হয়। সেই মামলার ৩৮ নম্বর আসামী এই আওয়ামীলীগ নেতা ফারুক হোসেন।
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম মন্তব্য করেছেন, বিএনপি জাতীয় সংসদ কার্যক্রম শুরু করেছে জুলাই সনদ ভঙ্গের মাধ্যমে। তিনি বলেন, “জুলাই সনদ অনুযায়ী সংসদে স্পিকার সরকারি দল থেকে হলেও ডেপুটি স্পিকার বিরোধীদল থেকে হওয়া উচিত ছিল। কিন্তু ডেপুটি স্পিকার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে ব্যারিস্টার কায়সার কামালকে, যিনি বিএনপি সমর্থিত এমপি।” সারজিস আলম আরও বলেন, “আজকে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারকে শপথ করিয়েছেন সরকারের রাষ্ট্রপতি। এটি আমাদের জন্য মর্মাহত করার মতো ঘটনা। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় আমাদের যে সীমাবদ্ধতা ছিল, তা বিবেচনায় রেখে এই পরিস্থিতি অনেক বেশি উদ্বেগজনক।” এদিন পঞ্চগড় সরকারি অডিটোরিয়ামে কিশোরকন্ঠ ফাউন্ডেশনের আয়োজনে মেধাবৃত্তী পরীক্ষায় বিজয়ীদের হাতে ল্যাপটপ, বাইসাইকেল, ক্রেস্ট ও সনদ বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির, জেলা ছাত্রশিবির ও কিশোরকন্ঠ ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
রাজধানীর এভার কেয়ার হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস। বুধবার (১১ মার্চ) ইফতারের সময় হঠাৎ অচেতন হয়ে পড়লে পারিবারিক সূত্রে তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়। মির্জা আব্বাসের সহধর্মিণী এবং জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভানেত্রী আফরোজা আব্বাস গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি দেশবাসীর কাছে তার সুস্থতার জন্য দোয়া কামনা করেছেন।
দলীয় নীতিমালা ও নির্দেশনা লঙ্ঘনের অভিযোগে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমিরের পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. মাহমুদুল হাসানকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তার স্থলে নতুন উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ঢাকা-১৪ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মীর আহমদ বিন কাসেম আরমান। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) এ বিষয়ে এক বিবৃতিতে দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, দলীয় আমির শফিকুর রহমান-এর নির্দেশনা অনুযায়ী নির্দিষ্ট বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একটি চিঠি পাঠানোর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল অধ্যাপক মাহমুদুল হাসানকে। তবে ওই চিঠিতে এমন কিছু বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়, যা আমিরের অনুমোদিত নির্দেশনার অন্তর্ভুক্ত ছিল না। এ কারণেই গত ২ মার্চ তাকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, পরবর্তীতে ওই পদে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ব্যারিস্টার মীর আহমদ বিন কাসেম আরমান-কে। দলটির দাবি, সিদ্ধান্তটি সাংগঠনিক শৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে গৃহীত হয়েছে। জানা গেছে, গত ২২ ফেব্রুয়ারি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো একটি চিঠিতে বিরোধী দলের পক্ষ থেকে অধ্যাপক মাহমুদুল হাসানকে পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার প্রস্তাব রাখা হয়েছিল। চিঠিতে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তার অভিজ্ঞতার কথাও উল্লেখ করা হয়। তবে বিরোধী দলের পক্ষ থেকে এমন প্রস্তাব আসায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কিছু কর্মকর্তা বিস্ময় প্রকাশ করেছেন বলে গণমাধ্যমে জানা গেছে। বর্তমানে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে দায়িত্বে আছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান, প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ এবং প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির। বিবৃতিতে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী দায়িত্বশীল ও জবাবদিহিমূলক রাজনৈতিক আচরণে বিশ্বাসী। কোনো বিষয়ে বিভ্রান্তি বা ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হলে তা দ্রুত সংশোধনের নীতিতেই দলটি পদক্ষেপ নেয়।