বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) নিশ্চিত করেছে, নিরাপত্তা সংক্রান্ত সকল উদ্বেগ সমাধানের মাধ্যমে আগামী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দলের পূর্ণাঙ্গ ও নিরাপদ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হবে। বিসিবির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) বোর্ডের উত্থাপিত উদ্বেগগুলো গভীর মনোযোগের সঙ্গে বিবেচনা করছে এবং টুর্নামেন্টের বিস্তারিত নিরাপত্তা পরিকল্পনা প্রণয়নের ক্ষেত্রে বিসিবির পরামর্শকে গুরুত্বসহকারে গ্রহণ করবে। বিসিবি স্পষ্ট করেছে, কিছু গণমাধ্যমে প্রকাশিত ‘আলটিমেটাম’ সংক্রান্ত খবর সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, বানোয়াট এবং অসত্য। বোর্ডের লক্ষ্য জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হিসেবে রাখা এবং নিশ্চিত করা, যাতে ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ সুষ্ঠু, নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়। বিসিবি আরও জানিয়েছে, এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে তারা আইসিসি ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে পেশাদার, সহযোগিতামূলক ও গঠনমূলক আলোচনা অব্যাহত রাখবে। বোর্ড আশা প্রকাশ করেছে, আলোচনার মাধ্যমে একটি বাস্তবসম্মত ও সন্তোষজনক সমাধান দ্রুত পাওয়া সম্ভব হবে এবং বাংলাদেশের জাতীয় দল বিশ্বকাপের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত অবস্থায় অংশগ্রহণ করতে পারবে।
আইপিএল ২০২৬ মৌসুমে বাংলাদেশের পেসার মুস্তাফিজুর রহমানকে দলে না রাখার নির্দেশ পেয়েছে কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর)। সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও ভারত–বাংলাদেশ সম্পর্কের প্রেক্ষাপট বিবেচনায় ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানা গেছে। বিসিসিআই সূত্র জানিয়েছে, কেকেআরকে মুস্তাফিজকে স্কোয়াড থেকে ছাড়ার পাশাপাশি তার পরিবর্তে নতুন খেলোয়াড় নেওয়ার অনুমতিও দেওয়া হয়েছে। বোর্ডের সেক্রেটারি দেবজিত সাইকিয়া ভারতীয় বার্তা সংস্থা এএনআইকে বলেন, বর্তমান সামগ্রিক পরিস্থিতির কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গত ১৬ ডিসেম্বর আইপিএলের মিনি নিলামে ৯ কোটি ২০ লাখ রুপিতে মুস্তাফিজকে দলে ভেড়ায় কেকেআর, যা ছিল কোনো বাংলাদেশি ক্রিকেটারের সর্বোচ্চ মূল্য। তবে নিলামের পর থেকেই বিষয়টি ঘিরে ভারতে রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে বিতর্ক তৈরি হয়। বিভিন্ন রাজনৈতিক ও ধর্মীয় নেতার সমালোচনার মুখে শেষ পর্যন্ত বিসিসিআই হস্তক্ষেপ করে। সব মিলিয়ে রাজনৈতিক চাপ ও কূটনৈতিক বাস্তবতার মধ্যেই আইপিএল ২০২৬-এ মুস্তাফিজুর রহমানের কেকেআর অধ্যায়ের ইতি ঘটছে।
ফরাসি মিডফিল্ডার পল পগবা দীর্ঘ ১৮ মাস ধরে চলা ডোপিং-বানের পর ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছেন এবং চূড়ান্তভাবে তিনি যুক্ত হতে চলেছেন ফরাসি ক্লাব AS মোনাকো'-তে। ⏯️ ফেরার সময়রেখা জুলাই ২০২২-এ জুভেন্টাসে ফিরে দুর্দান্ত শুরুর পরই ২০২৩ সালের আগস্টে ডোপ পরীক্ষায় পজিটিভ আসে, যা ৪ বছরের নিষেধাজ্ঞা দেয় ইটালিয়ান অ্যান্টিডোপিং ট্রাইব্যুনাল thesun.co.uk+15en.wikipedia.org+15footballtransfers.com+15। কিন্তু তারা সেই শাস্তি ১৮ মাসে কমিয়ে দেয়, যার ফলে মার্চ ২০২৫ থেকে পগবা আবার মাঠে নামতে পারবেন । আর এখন, জুন ২০২৫-এ জানা যাচ্ছে, তিনি মোনাকো-র সঙ্গে দুই বছরের চুক্তি করতে চলেছেন, যা আগামী জুন ২০২৭ পর্যন্ত থাকবে । 📝 চুক্তির বিবরণ গণমাধ্যম “লা প্যারিসিয়েন” এবং BBC জানিয়েছে পগবা মোনাকোর সঙ্গে দুই বছরের চুক্তিতে মৌখিকভাবে একমত হয়েছেন । Guardian আরও পরিষ্কারভাবে জানাচ্ছে: ২০২৩ সালের শেষ থেকে প্রতিযোগিতা থেকে দূরে থাকলেও, তিনি অবশেষে মোনাকোতে ফিরছেন, যেখানে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের প্লে-অফ অনুরূপ জায়গা নিশ্চিত রয়েছে । পরবর্তী সপ্তাহে তাকে মেডিক্যাল পরীক্ষা দিতে হবে ও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসার কার প যন । 🎯 মোনাকোর পরিকল্পনা মোনাকো ২০২৪–২৫ মৌসুমে ফ্রেঞ্চ লিগে তৃতীয় স্থান অধিকার করেছে এবং চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ফিরছে — সেখানে পগবার অভিজ্ঞতা তাঁদের মসৃণ অন্তর্ভুক্তি ও তরুণদের জন্য নেতৃত্বের প্রাধান্য জোগাবে । The Guardian লিখেছে, 'তাঁর যোগদানে মোনাকোর মিডফিল্ডে দৃঢ়তা বাড়তে পারে' । €৬–৭ মিলিয়ন পরিসরে বার্ষিক বেতন পার হওয়া সম্ভাবনা রয়েছে, যা ফ্রি ট্রান্সফার হলেও প্রতিযোগিতামূলক এক ডিল । 🔄 অন্য ক্লাবের আগ্রহ পগবা ছিলেন মার্সেইয়েল, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, রিয়েল মাদ্রিদ, গোল্ডন বিৎস্য চাইকার সঙ্গে সুসংলগ্ন । তবে সে-সব আগ্রহ এখন মিথ্যা বা অনিশ্চিত — তবে জুভেন্টাস ছাড়ার পর তিনি এলএফসি, মাইয়ামি ও স울 লিগের দিকে তাকিয়েছিলেন । অবশেষে, ইউরোপে থেকে ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়ে এখন মোনাকোই তাঁর প্রথম পছন্দ । 🌍 জাতীয় দলের আশাবাদের সাথে সম্পর্ক পগবা তার ৯১টি জাতীয় দলের ক্যাপ ও ২০১৮ সালের বিশ্বকাপ জয়ী দলের সদস্য । তিনি চান আগামী ২০২৬ সালের বিশ্বকাপের জন্য ফ্রান্স দলে জায়গা করতে পারেন, কিন্তু ফর্ম আর ম্যাচ ফুটবল পাওয়া জরুরি । Didier Deschamps খেলোয়াড় হিসেবে তাঁর মান পুনঃস্থাপনের সুযোগে আশাবাদী, যদিও ফর্মই শেষ বিচারক । ✅ সারসংক্ষেপ বিষয় অবস্থা নিষেধাজ্ঞা সমাপ্তি মার্চ ২০২৫ চুক্তি ক্লাব AS মোনাকো (২০২৫–২০২৭) চুক্তির ধরণ দুই বছর, ফ্রি ট্রান্সফার প্রতিযোগিতা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ, Ligue 1 অন্যান্য ক্লাব আগ্রহ ছিল মার্সেইয়েল, ম্যান ইউ, রিয়েল মাদ্রিদ; MLS/সৌদি আগ্রহী ছিল জাতীয় দলের স্বপ্ন ২০২৬ বিশ্বকাপ-এ ফেরা পগবার এই মোনাকো-ফেরা প্রমাণ করে, তিনি এখনো বড় মঞ্চে খেলার ক্ষমতা নিয়ে দৃঢ় মনোভাবী। চ্যাম্পিয়ন্স লিগ এবং প্রিমিয়ারের চাইতে একটি সম্ভাবনাময় পরিবেশ চেয়েছেন। ফ্রান্স জাতীয় দলে ফেরার জন্য মাঝপথে পা ফেলতে চান। তবে, ১৮ মাসের পার্থিব জার্নি এবং শরীরচর্চার খোলিকতা এখনো সমঝোতা প্রয়োজন — সেটাই আসল পরীক্ষা।