যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আদালত ট্রাম্পের একতরফাভাবে বিশ্বব্যাপী শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্তকে অবৈধ ঘোষণা করেছে। শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) প্রকাশিত রায়ে আদালত স্পষ্ট করে দিয়েছে, সংবিধান অনুযায়ী শুল্ক নির্ধারণের একমাত্র ক্ষমতা কংগ্রেসের হাতে রয়েছে, প্রেসিডেন্টের নয়।
আদালত বলেছে, ট্রাম্পের পদক্ষেপ ফেডারেল আইন লঙ্ঘন করেছে এবং পররাষ্ট্রনীতি ও অর্থনীতিতে গুরুতর প্রভাব ফেলতে পারে।
একই দিনে ট্রাম্প নতুনভাবে ‘সেকশন ১২২’-এর আওতায় ১০ শতাংশ বৈশ্বিক শুল্ক আরোপের নির্বাহী আদেশে সই করেন, যা মঙ্গলবার থেকে কার্যকর হবে। এই আদেশে কিছু কৃষি ও শিল্পপণ্য, ওষুধ ও ইলেকট্রনিকসের উপর ছাড় রাখা হয়েছে। আদালতের রায় ট্রাম্পের শুল্কনীতির বিরুদ্ধে মামলা করা অঙ্গরাজ্য ও ব্যবসায়ীদের জন্য বড় সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে।
প্রধান বিচারপতি জন রবার্টসসহ ছয়জন বিচারক ট্রাম্পের শুল্কের বিপক্ষে ভোট দেন। রায়ের পর ওয়াল স্ট্রিটে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে, এসঅ্যান্ডপি ৫০০ সূচক প্রায় ০.৭ শতাংশ বেড়ে দিন শেষ করেছে। তবে শুল্ক ফেরত এবং অর্থের বাস্তবায়ন এখনও অনিশ্চিত।
যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ আদালতের রায় এবং ট্রাম্পের প্রতিক্রিয়া আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে নতুন অনিশ্চয়তার ইঙ্গিত দিচ্ছে, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের বৈদেশিক ও অভ্যন্তরীণ অর্থনীতির ভারসাম্য পরীক্ষায় পড়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আদালত ট্রাম্পের একতরফাভাবে বিশ্বব্যাপী শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্তকে অবৈধ ঘোষণা করেছে। শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) প্রকাশিত রায়ে আদালত স্পষ্ট করে দিয়েছে, সংবিধান অনুযায়ী শুল্ক নির্ধারণের একমাত্র ক্ষমতা কংগ্রেসের হাতে রয়েছে, প্রেসিডেন্টের নয়। আদালত বলেছে, ট্রাম্পের পদক্ষেপ ফেডারেল আইন লঙ্ঘন করেছে এবং পররাষ্ট্রনীতি ও অর্থনীতিতে গুরুতর প্রভাব ফেলতে পারে। একই দিনে ট্রাম্প নতুনভাবে ‘সেকশন ১২২’-এর আওতায় ১০ শতাংশ বৈশ্বিক শুল্ক আরোপের নির্বাহী আদেশে সই করেন, যা মঙ্গলবার থেকে কার্যকর হবে। এই আদেশে কিছু কৃষি ও শিল্পপণ্য, ওষুধ ও ইলেকট্রনিকসের উপর ছাড় রাখা হয়েছে। আদালতের রায় ট্রাম্পের শুল্কনীতির বিরুদ্ধে মামলা করা অঙ্গরাজ্য ও ব্যবসায়ীদের জন্য বড় সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে। প্রধান বিচারপতি জন রবার্টসসহ ছয়জন বিচারক ট্রাম্পের শুল্কের বিপক্ষে ভোট দেন। রায়ের পর ওয়াল স্ট্রিটে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে, এসঅ্যান্ডপি ৫০০ সূচক প্রায় ০.৭ শতাংশ বেড়ে দিন শেষ করেছে। তবে শুল্ক ফেরত এবং অর্থের বাস্তবায়ন এখনও অনিশ্চিত। যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ আদালতের রায় এবং ট্রাম্পের প্রতিক্রিয়া আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে নতুন অনিশ্চয়তার ইঙ্গিত দিচ্ছে, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের বৈদেশিক ও অভ্যন্তরীণ অর্থনীতির ভারসাম্য পরীক্ষায় পড়েছে।
নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত একটি আন্তর্জাতিক সেমিনারে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে শান্তি, আস্থা ও পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে। ভারতীয় বিদ্যাপীঠ এডুকেশনাল কমপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত “দক্ষিণ এশীয় দেশগুলোতে শান্তি রক্ষা ও সহযোগিতায় সাংবাদিকতার ভূমিকা” শীর্ষক সম্মেলনে সার্কভুক্ত দেশগুলোর সাংবাদিক, গবেষক, মানবাধিকার কর্মী ও শিক্ষাবিদ অংশগ্রহণ করেন। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সার্ক জার্নালিস্ট ফোরাম বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের ভাইস প্রেসিডেন্ট আসিফ হাসান নবী। তিনি বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক সহযোগিতা স্থবির হলেও সাংবাদিকদের দায়িত্বশীল ভূমিকা জনমানুষের মধ্যে আস্থার সেতু গড়ে তুলতে এবং শান্তি নির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ। আলোচকরা উল্লেখ করেন, দায়িত্বহীন সাংবাদিকতা উত্তেজনা ও বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে, অথচ সংযত ও যাচাইপ্রাপ্ত তথ্যভিত্তিক রিপোর্টিং আঞ্চলিক সংলাপ ও সহযোগিতা জোরদারে সহায়ক। বিশেষ করে ডিজিটাল যুগে ভুয়া খবর ও অপপ্রচার আঞ্চলিক শান্তির জন্য বড় হুমকি, যা প্রতিহত করতে সাংবাদিকদের নৈতিকতা ও পেশাগত মান বজায় রাখা প্রয়োজন। সেমিনার থেকে পিস জার্নালিজম চর্চা জোরদার করা এবং সাংবাদিকদের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি দীর্ঘ ৩৭ বছরের এক ঐতিহ্যভঙ্গ করে বার্ষিক বিমান বাহিনী বৈঠক এ বছর সরাসরি এড়িয়ে গেছেন। মার্কিন সামরিক হুমকির প্রেক্ষাপটে এবং পারস্য উপসাগরে উত্তেজনা ক্রমবর্ধমান থাকার কারণে খামেনির পরিবর্তে সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান আবদুর রহিম মুসাভি বিমান বাহিনীর কমান্ডারদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। সাধারণত প্রতি ৮ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত এই বৈঠকটি ১৯৭৯ সালের ঐতিহাসিক ঘটনার স্মরণে আয়োজন করা হয়। তবে এবার শীর্ষ নেতার অনুপস্থিতি ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, তিনি বা জাতীয় নিরাপত্তা বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ কর্মকাণ্ডে ব্যস্ত আছেন। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, মার্কিন রণতরি ‘ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন’ এবং জর্ডানে উচ্চপ্রযুক্তির বিমান ও ড্রোন মোতায়েনের পর সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কায় খামেনি জনসমক্ষে এড়িয়ে চলছেন। ইরান-মার্কিন সম্পর্কের চলমান উত্তেজনা, ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি ও আঞ্চলিক প্রভাব নিয়ে মতবিরোধ নতুন করে উস্কে দিয়েছে। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, খামেনির এই পদক্ষেপ কূটনৈতিক কৌশল বা সম্ভাব্য সামরিক প্রস্তুতির ইঙ্গিত হিসেবে দেখা যেতে পারে। উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাপক সামরিক উপস্থিতি ও নজরদারি ক্রমবর্ধমান থাকায়, ইরানের অভ্যন্তরীণ ও বহির্বিশ্বে এই অনুপস্থিতি নতুন রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা আলোচনা উস্কে দিয়েছে।