বিদেশে অবস্থানরত স্বামীর সাথে লেনদেন সংক্রান্ত বিষয়ে বসতবাড়িতে অনধিকার প্রবেশ, শ্লীলতাহানি, মারধর, ভাঙচুর ও মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারী) বিকাল ৩টা টার সময় মডেল প্রেসক্লাব চাঁপাইনবাবগঞ্জ এর হল রুমে মোসা: মর্জিনা খাতুন (৩৮) নামে এক নারী এই সংবাদ সম্মেলন করেন।
মোসা: মর্জিনা খাতুন চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর এলাকার পোলাডাঙ্গা গ্রামের মোঃ তহুরুলের স্ত্রী। এক লিখিত বক্তব্যে মোসা: মর্জিনা খাতুন বলেন, গত ৫-৬ মাস আগে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার ১৪ নং ওয়ার্ডের ধাপাপাড়া গ্রামের মৃত গোলাম কিবরিয়া ছেলে মোঃ শরিফ আলী।
আমার বাবার বাড়িতে এসে বলেন, তোমার স্বামী তহুরুলের কাছে ২০ লক্ষ টাকা পাবো, তুমি বাড়ি বিক্রায় করে হোক, জমি বিক্রির করে হোক যেমন করে পারো আমার টাকা পরিশোধ করো। তখন আমি তাকে জানায়, আমার স্বামী আমাদের কোন খোঁজ খবর রাখে না এবং খরচ পাতিও দেই না, আমি বাবার বাড়িতে খেয়ে না খেয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছি। আপনারা তহুরুলের সাথে ঝামেলা তহুরুলের সাথেই মারেন। আমি এ ব্যাপারে কোন কিছুই করতে পারবোনা, তখন সে আমাকে নানা রকম হুমকি ধামকি দিয়ে চলে যায়, এরপরও শরিফ বিভিন্ন সময় আমাকে আমার বাবার বাড়িসহ বিভিন্ন জায়গায় টাকার দাবী করে অপমান অপদস্থ করেন। গত ২ জানুয়ারি ২০২৬ আমার বাবার বাড়িতে এসে একটি ৫০০ হাজার বান্ডিল আমার হাতে ধরিয়ে দিয়ে বলে কত টাকা আছে গুন, আমি টাকা গুনতে থাকলে শরিফ কৌশলে ভিডিও ধারণ করে এবং আবারও ২০ লক্ষ টাকা দাবি করে বলে এই যে ভিডিও দেখ তুমি টাকা নিচ্ছো তোমাকেই টাকা দিতে হবে। এরপর গত ১৫ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে কোটে আমার নামে মামলা করেন, আমি আদালতে হাজির হয়ে ৫ ফেব্রুয়ারী জামিন নেই। শরিফ আলী মামলা করেও ক্ষান্ত হননি গত ১৮ ফেব্রুয়ারী বিকেল আনুমানিক ৩ ঘটিকার সময় আমার বাবার বসতবাড়িতে অনধিকার প্রবেশ করে, আমার শ্লীলতাহানি করে, মারধর ও আসবাবপত্র ভাঙচুর করে আলমারি থেকে জোরপূর্বক ৭০ হাজার টাকা ও ৪ ভরি সোনা নিয়ে চলে যায়। আমি আহত অবস্থায় ঘরের মেঝেতে পড়ে থাকলে পরবর্তীতে আমার বড় বোন ও ভাগ্নী আমাকে উদ্ধার করে ২৫০ শয্যা চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসা নেই।
আমি আপনাদের জ্ঞাতার্থে জানাচ্ছি আমার বিরুদ্ধে করা মিথ্যা মামলার প্রত্যাহার করা হোক এবং আমাকে শ্লীলতাহানি, মারধর, ভাঙচুর ও মিথ্যা মামলার করার তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ভুক্তভোগী বড় বোন হাফিজা খাতুন সহ ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা। অভিযুক্ত শরিফের সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
দেওয়ানগঞ্জের যমুনা নদীতে আমিনুল ইসলাম খোকা নামের এক বৃদ্ধের লাশ ভেসে উঠে শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায়। দেওয়ানগঞ্জ মডেল থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে। নিহত উপজেলার চর আমখাওয়া ইউনিয়নের মোল্লারচর গ্রামের বাসিন্দা। থানা সূত্র জানায়, গত ১০ ফেব্রুয়ারি বৃদ্ধ আমিনুল ইসলাম খোকা (৭৩) অসুস্থ স্ত্রীকে দেখতে গাইবান্ধার উদ্দেশ্যে মোল্লারচর এলাকা থেকে যাত্রীবাহী নৌকাযোগে রওনা দেয়। মাঝ নদীতে পৌঁছালে নৌকা থেকে নদীতে পড়ে যায়। স্রোত ডুবে গিয়ে নিখোঁজ হয়ে যান। বহু খোঁজাখুঁজির পর অবশেষে শুক্রবার সন্ধ্যায় তার মৃত লাশ দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার চুকাইবাড়ি ইউনিয়নের যমুনা নদীর ফুটানিবাজার ঘাটে ভেসে উঠে। খবর পেয়ে স্বজনরা এবং পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ শনাক্ত করে। দেওয়ানগঞ্জ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মনসুর আহম্মেদ জানান, দুর্ঘটনার ঘটনাটি অবগত হয়েছি। বাহাদুরাবাদ নৌথানা পুলিশ এই বিষয়টি তদারকি করছে। স্বজনদের অভিযোগ না থাকায় লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার একটি পূকুর থেকে অজ্ঞাত পরিচয় এক যুবক(৪০) এর ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করেছে কালিয়াকৈর থানা পুলিশ। কালিয়াকৈর হাসপাতাল রোড সংলগ্ন পুকুর থেকে আজ রোববার(২২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৭টার দিকে স্থানীয়রা একটি মরদেহ পুকুরে ভাসতে দেখে কালিয়াকৈর থানায় খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ অজ্ঞাত ওই যুবকের মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। নিহতের পরিধানে কলার ওয়ালা হাফ হাতা নেভি ব্লু রংয়ের পলো শার্ট ছিল। নিহতের মুখে হাল্কা দাড়ি ও গোফ ছিল। কালিয়াকৈর থানার পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মনির হোসেন জানান নিহতের পরিচয় জানা যায়নি। পরিচয় জানতেও ময়নাতদন্তের জন্য মৃতদেহ গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
ফকিরহাট উপজেলার মানসা বাজারে তানভীর টেলিকম এন্ড ইলেকট্রিক্স দোকানে ভয়াবহ এক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে নগদ টাকাসহ দোকানের সকল মালামাল ও জিনিসপত্র পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়রা জানান, শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) রাত ১১টার দিকে বন্ধ দোকানের ভেতর আগুন লাগে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্সের সদস্য ঘটনাস্থলে এসে প্রায় এক ঘণ্টা চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ততক্ষণে দোকানে থাকা নগদ টাকাসহ সকল মালামাল ও জিনিসপত্র পুড়ে ছাই হয়ে যায়। দোকান মালিক তানভীর আহম্মেদ জানান, এদিন রাত ১০টার দিকে দোকান বন্ধ করে তিনি বাড়ি চলে যান। রাত ১১টার দিকে খবর পেয়ে দ্রুত দোকানে চলে আসেন। কীভাবে আগুন লেগেছে তা সঠিকভাবে তিনি বলতে পারেনি। আগুনে তার প্রায় ৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানান। ফকিরহাট ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্সের ভারপ্রাপ্ত স্টেশন কর্মকর্তা মো: শাহাজাহান মিয়া বলেন, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে আগুন নেভাতে সক্ষম হয়েছে। দোকানের সবকিছু পুড়ে ভস্মীভূত হয়ে গেছে। কীভাবে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে তা সঠিকভাবে বলা যাচ্ছেনা। তবে বৈদু্যুতিক শর্ট সার্কিটের কারণে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। অপরদিকে, শনিবার দুপুর ১২টার দিকে মানসা পশ্চিমপাড়া এলাকায় নিমাই নামে এক পানচাষীর লিজ নেয়া জমিতে একটি পানের বরজে আগুন লাগে। এতে লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানান। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ওই জমির মালিক মিজান হালদারসহ স্থানীয়রা।