বিশ্ব

যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক মজুত সংকটে: পেন্টাগনের সতর্কবার্তা

Icon
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশঃ মার্চ ৪, ২০২৬

ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনা যদি আরও দশ দিন স্থায়ী হয়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেপণাস্ত্র ও সমরাস্ত্র মজুত বিপজ্জনক পর্যায়ে নেমে আসতে পারে বলে সতর্ক করেছে পেন্টাগন। আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুদ্ধের চতুর্থ দিনে সেন্ট কম্যান্ডের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সম্ভাব্য সংকটের বিষয়ে অবহিত করেছেন।
প্রসঙ্গত, দীর্ঘমেয়াদী সংঘাত শুধু অস্ত্রের মজুত কমাবে না, বরং ফুরিয়ে যাওয়া গোলাবারুদ পুনরায় সংগ্রহ করতে মার্কিন বাজেটে বিশাল বোঝা তৈরি হবে। যদিও ট্রাম্প সামাজিক মাধ্যমে দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রভাণ্ডার ইতিহাসের সর্বোত্তম অবস্থায় আছে এবং ‘চিরকাল’ যুদ্ধ চালানোর সক্ষমতা রয়েছে।
পেন্টাগনের তথ্য অনুযায়ী, বিশেষ করে ইন্টারসেপ্টর বা ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধী ব্যবস্থা সবচেয়ে বেশি সংকটের মুখে। জয়েন্ট চিফস অফ স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন উল্লেখ করেছেন, ইসরায়েল ও ইউক্রেনকে দেওয়া সামরিক সহায়তার ফলে আমেরিকার নিজস্ব মজুত ইতিমধ্যেই সংকুচিত। গত বছরের ইরান সংঘাতের সময় থাড ইন্টারসেপ্টরের প্রায় ২৫ শতাংশ ব্যবহার হয়ে গেছে।
এছাড়া, ইরান মাসে প্রায় ১০০টি ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করছে, যেখানে যুক্তরাষ্ট্র মাত্র ৬–৭টি ইন্টারসেপ্টর মাসে উৎপাদন করতে সক্ষম। আর্থিক দিক থেকেও উদ্বেগ বাড়ছে; একটি এয়ারক্রাফট ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপ পরিচালনায় প্রতিদিন প্রায় ৬৫ লাখ ডলার খরচ হয়। যুদ্ধের প্রথম ২৪ ঘণ্টায় খরচ হয়েছে ৭৭ কোটি ৯০ লাখ ডলার। বিশেষজ্ঞদের হিসাব অনুযায়ী, দীর্ঘস্থায়ী সংঘাত কয়েক সপ্তাহ স্থায়ী হলে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ২১০ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা উল্লেখ করেছেন, জেডিএএম বোমা বা নৌ থেকে উৎক্ষেপণযোগ্য এসএম-৩ ইন্টারসেপ্টরও এখন সীমিত। মূল কারণ হিসেবে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহী ও ইরানের বিরুদ্ধে বারবার সামরিক অভিযান চালানোকে দায়ী করা হচ্ছে। পেন্টাগনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মূলত সংক্ষিপ্ত ও তীব্র সংঘাত মোকাবিলার জন্য তৈরি হলেও, ইরানের মতো দীর্ঘমেয়াদী এবং কম ব্যয়বহুল হামলা সামলানোতে তা অর্থনৈতিকভাবে চাপ সৃষ্টি করছে। এই ভারসাম্যহীনতা দীর্ঘমেয়াদে জাতীয় নিরাপত্তাকে ঝুঁকিতে ফেলতে পারে।

ইরানের মিসাইল সক্ষমতা এখনও ‘উল্লেখযোগ্য’: ইসরায়েল

ইসরায়েলি সেনাবাহিনী ইরানের কয়েক ডজন ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চার ধ্বংসের দাবি জানালেও, তেহরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা এখনও উদ্বেগজনক মাত্রায় রয়েছে।  ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এফি ডিফ্রিন এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে বলেন, “আমরা ফ্রন্টলাইনে বড় ধরনের হুমকি হিসেবে কাজ করা কয়েক ডজন লঞ্চার ধ্বংস করেছি। হামলা অব্যাহত থাকবে এবং ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কমানোর চেষ্টা করা হবে। তবে ইরানের উল্লেখযোগ্য নিক্ষেপ ক্ষমতা এখনও অক্ষত।”  তিনি আরও উল্লেখ করেন, ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এত শক্তিশালী যে তা অতিক্রম করা প্রায় অসম্ভব।  

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ৪, ২০২৬ 0

খামেনির রাষ্ট্রীয় জানাজা স্থগিত

মোহাম্মদ মোখবার

আলোচনা নয়, যতদিন প্রয়োজন যুদ্ধ চালাতে প্রস্তুত ইরান: খামেনির শীর্ষ সহযোগী

যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক মজুত সংকটে: পেন্টাগনের সতর্কবার্তা

ইরান অভিযানে সেনা ও যুদ্ধফোর্সের সংখ্যা জানাল যুক্তরাষ্ট্র

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের প্রধান ব্র্যাড কুপার জানিয়েছেন, ইরানে চলমান সামরিক অভিযানে যুক্তরাষ্ট্র প্রায় ৫০ হাজার সেনা মোতায়েন করেছে। এছাড়া অভিযানে ২০০টি যুদ্ধবিমান, দুটি বিমানবাহী রণতরী এবং কয়েকটি বোমারু বিমান অংশগ্রহণ করছে। কুপারের মতে, এটি মধ্যপ্রাচ্যে গত কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে ব্যাপক সামরিক প্রস্তুতি। তিনি বলেন, লক্ষ্যবস্তু ধ্বংসে সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে, বিশেষ করে যেসব থেকে হামলার আশঙ্কা রয়েছে। ইরানের নৌবাহিনীর কার্যক্ষমতা সীমিত করা হয়েছে এবং তাদের প্রধান সাবমেরিন ধ্বংস করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, এখন পর্যন্ত ১৭টি ইরানি জাহাজ ধ্বংসের দাবি করা হয়েছে। সমুদ্র, আকাশ ও সাইবার স্পেস—তিনটি ক্ষেত্রেই অব্যাহত অভিযান চলছে। সেন্টকম প্রধানের ভাষ্য, যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য ইরানকে কার্যকরভাবে প্রতিহত করা এবং আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা রক্ষা করা।  

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ৪, ২০২৬ 0
ইসরায়েল কাৎজ

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতাকে হত্যার হুঁশিয়ারি ইসরায়েলের

ইরানের আইআরজিসি’র নিয়ন্ত্রণে পুরো হরমুজ প্রণালি

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা এবার ভারত মহাসাগরে মার্কিন ডেস্ট্রয়ারে

সৌদিতে সিআইএ স্থাপনায় ড্রোন হামলা

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সামরিক উত্তেজনার মধ্যে রিয়াদে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস প্রাঙ্গণে ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে। আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্স বুধবার (৪ মার্চ) একটি অবগত সূত্রের বরাতে এ তথ্য জানায়। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, হামলায় ব্যবহৃত ড্রোনটি সম্ভাব্যভাবে ইরান থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়ে থাকতে পারে। তবে এটি নিশ্চিত নয় যে দূতাবাস চত্বরে অবস্থিত সিআইএ-এর স্টেশনটি সরাসরি লক্ষ্যবস্তু ছিল কিনা। এ বিষয়ে সংস্থাটির পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি। বিশ্লেষকরা বলছেন, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল জোটের মধ্যে সাম্প্রতিক সংঘাতের প্রেক্ষাপটে এ ধরনের হামলা আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। ঘটনার পর সংশ্লিষ্ট কূটনৈতিক এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে বলে কূটনৈতিক সূত্র জানিয়েছে।  

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ৪, ২০২৬ 0

ইরান যুদ্ধের পূর্ণ দায়ভার স্বীকার করলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

মোজতবা খামেনি

খামেনির পুত্র মোজতবা হলেন ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা

পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ

জায়নবাদ মানবতার জন্য হুমকি, ইরান যুদ্ধ আরোপিত: পাকিস্তান

0 Comments