দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলায় এক নবজাতক শিশুকে ইচ্ছাকৃতভাবে পঙ্গু করার চেষ্টা এবং শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগে এক দম্পতির বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, মাদকাসক্ত ওই দম্পতি শিশুটিকে ভিক্ষাবৃত্তিতে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে তার শরীরে নৃশংস নির্যাতন চালায়।
সোমবার (৩০ মার্চ) সন্ধ্যায় হিলি পৌর এলাকার চুড়িপট্টি থেকে পুলিশ শিশুটিকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জন্মের পর থেকেই শিশুটির ওপর নির্যাতন চলছিল। অভিযোগ রয়েছে, শিশুটির হাতের আঙুল কেটে ফেলা এবং শরীরে আগুনের ছ্যাকা দেওয়া হয়। পরবর্তীতে আলামত গোপনের উদ্দেশ্যে বিচ্ছিন্ন অঙ্গ ফেলে দেওয়ারও চেষ্টা করা হয়।
হাকিমপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জাকির হোসেন জানান, ঘটনাটি জানার পরপরই পুলিশ শিশুটিকে উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। সমাজসেবা অধিদপ্তর শিশুটির দায়িত্ব গ্রহণ করেছে।
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, শিশুটির শরীরে গুরুতর আঘাত ও সংক্রমণের লক্ষণ রয়েছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে।
দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলায় এক নবজাতক শিশুকে ইচ্ছাকৃতভাবে পঙ্গু করার চেষ্টা এবং শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগে এক দম্পতির বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, মাদকাসক্ত ওই দম্পতি শিশুটিকে ভিক্ষাবৃত্তিতে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে তার শরীরে নৃশংস নির্যাতন চালায়। সোমবার (৩০ মার্চ) সন্ধ্যায় হিলি পৌর এলাকার চুড়িপট্টি থেকে পুলিশ শিশুটিকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জন্মের পর থেকেই শিশুটির ওপর নির্যাতন চলছিল। অভিযোগ রয়েছে, শিশুটির হাতের আঙুল কেটে ফেলা এবং শরীরে আগুনের ছ্যাকা দেওয়া হয়। পরবর্তীতে আলামত গোপনের উদ্দেশ্যে বিচ্ছিন্ন অঙ্গ ফেলে দেওয়ারও চেষ্টা করা হয়। হাকিমপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জাকির হোসেন জানান, ঘটনাটি জানার পরপরই পুলিশ শিশুটিকে উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। সমাজসেবা অধিদপ্তর শিশুটির দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, শিশুটির শরীরে গুরুতর আঘাত ও সংক্রমণের লক্ষণ রয়েছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে।
নীলফামারীর সৈয়দপুরে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর শনিবার (২৮ মার্চ) রাতে ৪ হাজার ৮শ’ ইয়াবা ট্যাবলেটসহ মোহাম্মদ খালেকুল (২৩) নামের এক যুবককে গ্রেফতার করেছে। জেলা শহরের ওয়াপদা এলাকায় পঞ্চগড়গামী একটি যাত্রীবাহি বাস থেকে তাকে আটক করা হয়। খালেকুল ঠাঁকুরগাঁও জেলার বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার বড় পলাশবাড়ি নয়া দলুয়া এলাকার মোহাম্মদ আসলামের ছেলে। মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের নীলফামারী জেলা কার্যালয় জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে প্রিয়ম বাসে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় তার স্কুল ব্যাগে রাখা ৪৮০০ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। নীলফামারী ‘খ’ সার্কেলের উপ-পরিদর্শক সাকিব সরকার জানান, এ ঘটনায় সৈয়দপুর থানায় মামলা (নং-২১) দায়ের করা হয়েছে।
বরিশাল নগরীতে ভূয়া ডায়াগনস্টিক সেন্টারের এক দালালকে রোগীদের প্রতারণার দায়ে ছয় মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকালে সদর রোড থেকে আটক করা মাসুম হাওলাদার নামের ওই দালালকে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করলে বিচারক তাকে সাজা দেন। বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানা সূত্রে জানা গেছে, নগরীতে বিভিন্ন প্রবেশদ্বার—নথুল্লাবাদ, লঞ্চঘাট ও রূপাতলী বাসস্ট্যান্ড—থেকে অসুস্থ মানুষদের ডাক্তার দেখানোর উদ্দেশ্যে ধরে এনে ভূয়া ডায়াগনস্টিক সেন্টারের দালালদের হাতে তুলে দেওয়ার একটি চক্র সক্রিয় ছিল। এতে রিক্সা ও অটো চালকরা দালালদের সঙ্গে অংশীদার হয়ে মোটা কমিশন অর্জন করত। এ চক্রের মাধ্যমে গ্রামীণ রোগীদের কাছ থেকে ভূয়া টেস্টের নামে অর্থ হাতিয়ে নেওয়া হতো। বৃহস্পতিবার সদর রোডস্থ বিবির পুকুরপারে সাউথ ইবনে সিনা ডায়াগনস্টিকের দালাল মাসুম হাওলাদারকে স্থানীয়রা আটক করে। খবর পেয়ে কোতয়ালী থানার এসআই রুহুল আমীন তাকে থানায় নিয়ে যান। মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সামারী ট্রায়ালের মাধ্যমে মামলার বিচার শেষে মাসুম হাওলাদারকে ছয় মাসের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। এ ঘটনায় আরও এক ব্যক্তিকে স্বাক্ষী হিসেবে গ্রহন করা হয়েছে, যিনি নিজেও অন্য একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারের দালাল।