বিএনপি চেয়ারপারসন তারেক রহমান বলেছেন, রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে বিএনপিকে দমন করা সম্ভব নয়। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) রাজধানীর চীন-মৈত্রী আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে গুম-খুনের শিকার পরিবারের সঙ্গে আয়োজিত ‘আমরা বিএনপি পরিবার’ ও ‘মায়ের ডাক’ আলোচনায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
তারেক বলেন, ‘দেড় দশকের বেশি সময় ধরে ফ্যাসিবাদী শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলন করতে গিয়ে নেতাকর্মীরা গুম, খুন ও হয়রানির শিকার হলেও কেউ রাজপথ ছাড়েনি। এক ভাই গুম হয়েছেন, আরেকজন রাস্তায় নেমেছেন। বিএনপির কর্মীরা কৌশলের আড়ালে লুকোছাপা করে চলেনি।’
তিনি আরও জানান, ‘হাজার হাজার নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মিথ্যা মামলা দায়ের হয়েছে। অনেককে দেশের বাইরে থাকতে হয়েছে। তবে নেতাকর্মীদের প্রতি আমাদের আন্তরিকতা ছিল এবং থাকবে।’
তিনি আশা প্রকাশ করেন, ‘বিভীষিকাময় সেই সময় অতীত, বাংলাদেশ গণতন্ত্রের পথে এগোচ্ছে। যারা স্বজন হারিয়েছেন, তাদের প্রতি আমরা সর্বোচ্চ সহমর্মিতা দেখাচ্ছি।’
বগুড়া-৬ আসনের উপনির্বাচনে বিএনপি চূড়ান্তভাবে প্রার্থী হিসেবে বগুড়া জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশাকে মনোনয়ন দিয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দলীয় সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এই আসনটি বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ছেড়ে দেওয়ার পর শূন্য ছিল। বগুড়া-৪ আসনের বিএনপি সংসদ সদস্য মো. মোশারফ হোসেন এবং দলের মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান নিশ্চিত করেছেন, মনোনয়ন প্রদান করা হয়েছে এবং তা দলীয় প্রধান কার্যালয় থেকে ঘোষণা করা হয়েছে।
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী-এর একটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পোস্টকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) রাত ৭টা ৪০ মিনিটে ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া স্ট্যাটাসে তিনি লেখেন, ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ! চাঁদাবাজ মুর্দাবাদ!’—যা প্রকাশের পরপরই দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পোস্টটিতে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক প্রতিক্রিয়া, মন্তব্য ও শেয়ার দেখা গেছে। এর আগে একই দিন সন্ধ্যা ৬টা ১৬ মিনিটে হাসনাত আব্দুল্লাহ তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ শীর্ষক সংক্ষিপ্ত স্ট্যাটাস দেন। পোস্টটি অল্প সময়ের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলে এবং বিপুলসংখ্যক ব্যবহারকারীর সম্পৃক্ততা লক্ষ্য করা যায়। দুই নেতার ধারাবাহিক পোস্টকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমর্থন ও সমালোচনার মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি মেঘমল্লার বসু আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন বলে চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গেছে। শুক্রবার দুপুরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। খবরটি ছড়িয়ে পড়ার পর ছাত্র রাজনীতির অঙ্গনে এবং বিশ্ববিদ্যালয় পাড়ায় গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। কেন তিনি এমন চরম পথ বেছে নিলেন, তা নিয়ে এখনও রহস্য কাটেনি। বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর সাধারণ সম্পাদক জাবির আহমেদ জুবেল এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়েছেন যে, মেঘমল্লার বসু বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী তার শারীরিক অবস্থা এখন কিছুটা স্থিতিশীল। তবে ঠিক কী কারণে তিনি এই মর্মান্তিক পদক্ষেপ নিয়েছেন, সে বিষয়ে তার সহকর্মী বা সংগঠন থেকে সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ এখনও জানানো হয়নি।