আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন-২০২৬-এ বিএনপি সমর্থিত এমপি প্রার্থীদের সার্বিক সহায়তা করার জন্য বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম-এর চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটি গঠন করা হয়েছে।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম-এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মহিউদ্দিন কে-চেয়ারম্যান, মোঃ জয়নাল আবেদীন চৌধুরী রবিন কে- সদস্য সচিব করে ১২ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়। এতে আব্দুল মালেককে- প্রধান সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়। এছাড়া উক্ত টিমের প্রধান করা হয় লেখক আসাদ পারভেজকে। শনিবার বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম- এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেনের ও সদস্য সচিব এ্যাড. কে এম কামরুজ্জামান নান্নু এ কমিটি অনুমোদন করেন। কমিটির অন্যান্যরা হলেন ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হোসেন নওশাদ, শান্তা সিকদার, গোলাম মঈন উদ্দিন, মো আবদুল মান্নান, সদস্য অহিদুর রহমান, বদিউল আলম (অপু), মোহাম্মদ মিল্টন, মোঃ বাবুল, মোহাম্মদ ইয়াছিন। এতে বলা হয় উক্ত টিম আগামী ৩ কর্মদিবসের মধ্যেই থানা জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন এবং ওয়ার্ড কমিটি পূর্ণাঙ্গ করবেন। প্রয়োজনে বিভাগীয় কমিটিতে সদস্য অন্তর্ভুক্ত করা যাবে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম'র সকল পর্যায়ের নেতৃবৃন্দকে ধানের শীষ তথা বিএনপির সমর্থিত প্রার্থীকে বিজয়ের জন্য সর্বোচ্চ সহযোগিতা করার নির্দেশ প্রদান করেছেন আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন এবং সদস্য সচিব এড. কে এম, কামরুজ্জামান নান্নু।
এর আগে গত ১৩ জানুয়ারি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম- এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেনের নির্দেশনায় এ্যাড. কে এম কামরুজ্জামান নান্নুকে চেয়ারম্যান এবং সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ড. কে এম আই মন্টিকে প্রধান সমন্বয়ক করে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন-২০২৬ পরিচালনার লক্ষ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম'র কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠিত হয়।
উল্লেখ্য, গত বছরের ১৯ ডিসেম্বর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান(বর্তমান চেয়ারম্যান) তারেক রহমান-এর অনুমতিক্রমে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল কর্তৃক জনাব তারেক রহমানকে(চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল)১ নং সদস্য, ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেনকে আহ্বায়ক, এ্যাড. কে এম কামরুজ্জামান নান্নুকে সদস্য সচিব ও ড. কে এম আই মন্টিকে সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক করে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের ১৫১ (আংশিক) ১০১ সদস্য বিশিস্ট কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করেন জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি ইশতিয়াক আজিজ উলফাত। উক্ত কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটিতে ৬৬ নং সদস্য মহিউদ্দিন এবং ৮৯ নং সদস্য মোঃ জয়নাল আবেদীন চৌধুরী রবিন দুইজনই চট্টগ্রাম এর সন্তান।
সাতক্ষীরার শ্যামনগর প্রেসক্লাবে সভাপতি সামিউল আযম মনির-এর ওপর ঢুকে হামলার ঘটনায় সংশ্লিষ্ট চার যুবদল নেতাকে দল থেকে বহিস্কার করা হয়েছে। বহিস্কৃতরা হলেন: • সদস্য সচিব আনোয়ারুল ইসলাম আঙুর • যুগ্ম আহবায়ক হাফিজ আল আসাদ • বাবলুর রহমান • মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়ন সদস্য আব্দুর রহিম তাদের প্রাথমিক সদস্য পদসহ দল থেকে বহিস্কার করা হয়েছে। তথ্যটি নিশ্চিত করেছে কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ দপ্তর সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূইয়া। এ ঘটনায় প্রতিবাদে পৃথক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। • সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব আয়োজন করে নিউ মার্কেট মোড়ে মানববন্ধন, সভাপতিত্ব করেন প্রেসক্লাব সভাপতি আবুল কাশেম। বক্তারা ছিলেন সিনিয়র সাংবাদিক কল্যাণ ব্যানার্জি, সাবেক সভাপতি মমতাজ আহমেদ বাপী, আসাদুজ্জামান, দেশ টিভির স্টাফ রিপোর্টার শরীফুল্লাহ কায়সার সুমনসহ অনেকে। • শ্যামনগর প্রেসক্লাবের উদ্যোগে সাংবাদিক মনিরের প্রতি সহানুভূতি জানিয়ে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সভাপতিত্ব করেন সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা কামাল। বক্তারা বলেন, নদী থেকে বালু উত্তোলনের সংবাদ প্রকাশের পর হামলা চালানো হয়েছে। এটি মেনে নেওয়া যায় না। অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানানো হয়। শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. খালেদুর রহমান জানান, হামলায় জড়িত বাবলুর রহমান ও আব্দুর রহমান গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
পিরোজপুরের নেছারাবাদে চুরির অভিযোগে ইউনিয়ন পরিষদে ডেকে নিয়ে মারধরের পর আব্দুল্লাহ আল মামুন সবুজ (৩৩) নামের এক অটোচালক বিষপান করে আত্মহত্যা করেছেন। সোমবার (২ মার্চ) রাতে শেরে-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। নিহত সবুজ উপজেলার সুটিয়াকাঠী ইউনিয়নের বালিয়ারী গ্রামের স্থানীয় ও অটোরিকশা চালক ছিলেন। পরিবারের অভিযোগ, রোববার (২ মার্চ) তাকে দুই দোকান থেকে চুরির অভিযোগে ইউনিয়ন পরিষদে ডেকে আনা হয় এবং বেদম মারধর করা হয়। বাড়িতে ফেরার পর মানসিক লজ্জায় সবুজ বিষ পান করেন। স্ত্রী সুমি বেগম বলেন, তার স্বামী চোর নয়, মিথ্যা অভিযোগ চাপিয়ে তাকে মারধর করা হয়েছে। ওয়ার্ড চৌকিদার ও ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ দাবি করেছেন, সবুজ স্বেচ্ছায় চুরির কথা স্বীকার করেছিলেন। নেছারাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মেহেদী হাসান জানিয়েছেন, বিষপানের বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ঘটনার পর এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে, নিহতের পরিবার দায়িত্বশীলদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছে।
টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল-সখীপুর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম-এর জানাজা শেষে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন হয়েছে। সোমবার (২ মার্চ) বিকেলে টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার যাদবপুর ইউনিয়নের বেরবাড়ি গ্রামে তাকে দাফন করা হয়। এর আগে সোমবার ভোরে ভারত থেকে তার মরদেহ টাঙ্গাইলে পৌঁছায়। গত শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে ভারতের কলকাতার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৭০ বছর বয়সে তিনি ইন্তেকাল করেন। রবিবার রাতে বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে তার মরদেহ দেশে আনা হয়। সোমবার দুপুর ১২টায় টাঙ্গাইল জেলা সদর হেলিপ্যাডে প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে বিকেল ৩টায় সখীপুরের বেরবাড়ি জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে দ্বিতীয় জানাজা শেষে স্থানীয় সামাজিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। জানাজায় বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তমসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী, জেলা আইনজীবী সমিতির নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, বার্ধক্যজনিত জটিলতা, মাল্টি অর্গান ফেইলিওর ও হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি মারা যান। মৃত্যুর তিন দিন আগে তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছিল। কলকাতায় অবস্থিত বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন থেকে প্রয়োজনীয় অনাপত্তিপত্র (এনওসি) পাওয়ার পর মরদেহ দেশে আনা হয়। অ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম টাঙ্গাইল আদালতের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ছিলেন। তিনি করটিয়া সরকারি সা’দত কলেজ ছাত্র সংসদের দুইবারের ভিপি ও জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলেন। ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি টাঙ্গাইল-৮ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর তিনি ভারতে অবস্থান করছিলেন। তার বিরুদ্ধে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন সংশ্লিষ্ট একাধিক মামলা বিচারাধীন রয়েছে।