টাঙ্গাইলের গোপালপুরে অবৈধভাবে ঘোড়া জবাই করে মাংস প্রস্তুত করার অভিযোগে সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত গভীর রাতে চারজনকে পুলিশ আটক করেছে।
ধোপাকান্দি ইউনিয়নের চরের ভিটা গ্রামের একটি বসতবাড়িতে ১২টি ঘোড়া জবাইয়ের জন্য আনা হয়েছিল, যাদের মধ্যে আটটি ঘোড়া জবাই হয়ে মাংস প্রস্তুত করা হচ্ছিল।

স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে গিয়ে চারজনকে আটক করে এবং পুলিশ খবর পেয়ে তাদের হেফাজতে নেয়। গোপালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আনোয়ার হোসেন জানান, আটককৃতদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে, তবে বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।
টাঙ্গাইলের গোপালপুরে অবৈধভাবে ঘোড়া জবাই করে মাংস প্রস্তুত করার অভিযোগে সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত গভীর রাতে চারজনকে পুলিশ আটক করেছে। ধোপাকান্দি ইউনিয়নের চরের ভিটা গ্রামের একটি বসতবাড়িতে ১২টি ঘোড়া জবাইয়ের জন্য আনা হয়েছিল, যাদের মধ্যে আটটি ঘোড়া জবাই হয়ে মাংস প্রস্তুত করা হচ্ছিল। স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে গিয়ে চারজনকে আটক করে এবং পুলিশ খবর পেয়ে তাদের হেফাজতে নেয়। গোপালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আনোয়ার হোসেন জানান, আটককৃতদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে, তবে বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।
বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলায় পূর্ববিরোধের জেরে রহমত শেখ নামে এক যুবককে ডেকে নিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করার অভিযোগ উঠেছে। ধারালো অস্ত্রের আঘাতে তার দুই হাতের কব্জি ও একটি পা শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। গুরুতর আহত রহমত শেখ (২৮) একই গ্রামের মতিয়ার রহমান শেখের ছেলে। রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারী) সকালে বাগেরহাট জেলার কচুয়া উপজেলার মঘিয়া ইউনিয়নের সন্মানকাঠী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারী) সকালে রহমত শেখ একই গ্রামের বাসিন্দা ইসরাফিল ও ইয়াছিনের বাড়িতে গিয়ে তর্কে জড়ান। সেখান থেকে বের হওয়ার পর ইসরাফিল ও ইয়াছিনসহ আরও কয়েকজন মিলে রহমতকে ধরে একটি কলাবাগানে নিয়ে গিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে। ধারালো অস্ত্রের আঘাতে তার দুই হাতের কব্জি সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন ও একটি পা দুইটি শরীর থেকে প্রায় বিচ্ছিন্ন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে গুরুতর আহত অবস্থায় রহমতকে প্রথমে কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান হয়। আরো উন্নত চিকিৎসার জন্য রহমতকে ঢাকা পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে। কচুয়া থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ শফিকুল ইসলাম জানান, পূর্ব শত্রুতা জের ধরে মঘিয়ার সম্মান কাঠি গ্রামে থেকে রহমত নামে একজনকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ ভর্তি করা হয় অবস্থার অবনতি হলে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। আহত রহমতের দুই হাতের কব্জি শরীর থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন এবং দুইটি পা প্রায় বিচ্ছিন্ন। এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তবে আহত রহমত এ ঘটনায় জড়িত কয়েকজনের নাম বলেছে, তার দেয়া নাম অনুযায়ী এলাকায় অভিযান চলছে।
নরসিংদীর ঘোড়াশাল পলাশ সার কারখানা (GPFPLC) পিএলসি-তে দীর্ঘদিন ধরে সংঘবদ্ধ চুরির ঘটনা ঘটছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, পূর্বে স্থানীয় কাউন্সিলর কবির হোসেনের নেতৃত্বে এ চক্র সক্রিয় ছিল। সরকার পরিবর্তনের পর তিনি আত্মগোপনে গেলেও নতুন একটি চক্র কারখানায় নিয়মিত চুরি চালিয়ে যাচ্ছে। অনুসন্ধানে জানা গেছে, কারখানার কিছু অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারী ও নিরাপত্তাকর্মী চক্রটির সঙ্গে জড়িত থাকতে পারেন। ২০২৪ সালের ১ জুলাই থেকে এ পর্যন্ত থানায় ৫টি চুরির মামলা ও ৩টি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। এসব ঘটনায় ৮-১০ জনকে আটক করা হলেও পরবর্তীতে তারা জামিনে মুক্তি পেয়েছেন বলে জানা গেছে। আটককৃত চোর কারখানার পশ্চিম পাশে শীতলক্ষা নদী সংলগ্ন অংশে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও সিসিটিভি না থাকায় তামার তার, ইয়ার কালেক্টর ও প্ল্যান্টে ব্যবহৃত বিভিন্ন যন্ত্রাংশ চুরির ঘটনা ঘটছে বলে অভিযোগ রয়েছে। গত ১৫ ফেব্রুয়ারি কারখানার ৩০২ নম্বর সাব-স্টেশনে চুরির সময় প্যানেল বোর্ডের বৈদ্যুতিক কেবল কেটে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। বাধা দিতে গেলে নিরাপত্তাকর্মী শাহ মোহাম্মদ আরিফকে প্যানেল বোর্ডের ওপর ফেলে আগুনে দগ্ধ করা হয় বলে অভিযোগ। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট-এ ভর্তি করা হয়েছে। আহত নিরাপত্তা কর্মী শাহ মোহাম্মদ আরিফ। এ বিষয়ে কারখানার জিএম ফকরুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে তাকে নিষেধ করা হয়েছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শনের বিষয়ে তিনি জানান, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে লিখিত আবেদন সাপেক্ষে অনুমতি পেলে তা সম্ভব হবে। ফখরুল ইসলাম, জিএম,ঘোড়াশাল পলাশ ফার্টিলাইজার পিএলসি ঘটনাগুলো তদন্তে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করছে বলে জানা গেছে।