জামালপুর র্যাব-১৪ এর অভিযানে জাল টাকা ও জাল নোট তৈরির সরঞ্জামসহ মোঃ মুর্শিদুল হক (৩৩) নামে এক প্রতারক চক্রের সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন র্যাব-১৪ জামালপুর কোম্পানি কমান্ডার মেজর লাবিদ আহমেদ।
র্যাব সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১১টার দিকে শেরপুর সদর থানার চাপাতলী এলাকায় ভাড়া বাসায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি জাল টাকার ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন।
তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী অভিযানে ৬,৮০০ টাকা জাল নোট, একটি মনিটর, তিনটি প্রিন্টার, একটি পাওয়ার ক্যাবল ও একটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। তিনি ১ লাখ জাল টাকার বিপরীতে ৩০ হাজার টাকা নেওয়ার বিষয়টিও স্বীকার করেছেন বলে জানায় র্যাব।
র্যাব জানায়, অভিযুক্ত দীর্ঘদিন ধরে জাল টাকা তৈরি করে শেরপুরসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করে প্রতারণা করে আসছিল। এ ঘটনায় তাকে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য শেরপুর সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
এছাড়া চক্রের অন্যান্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব।
জামালপুর র্যাব-১৪ এর অভিযানে জাল টাকা ও জাল নোট তৈরির সরঞ্জামসহ মোঃ মুর্শিদুল হক (৩৩) নামে এক প্রতারক চক্রের সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন র্যাব-১৪ জামালপুর কোম্পানি কমান্ডার মেজর লাবিদ আহমেদ। র্যাব সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১১টার দিকে শেরপুর সদর থানার চাপাতলী এলাকায় ভাড়া বাসায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি জাল টাকার ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন। তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী অভিযানে ৬,৮০০ টাকা জাল নোট, একটি মনিটর, তিনটি প্রিন্টার, একটি পাওয়ার ক্যাবল ও একটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। তিনি ১ লাখ জাল টাকার বিপরীতে ৩০ হাজার টাকা নেওয়ার বিষয়টিও স্বীকার করেছেন বলে জানায় র্যাব। র্যাব জানায়, অভিযুক্ত দীর্ঘদিন ধরে জাল টাকা তৈরি করে শেরপুরসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করে প্রতারণা করে আসছিল। এ ঘটনায় তাকে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য শেরপুর সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এছাড়া চক্রের অন্যান্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব।
শেরপুরের শ্রীবরদীতে উদ্ধার হওয়া অজ্ঞাত এক নারীর অর্ধগলিত মরদেহের রহস্য ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে উদঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। এ ঘটনায় দম্পতিসহ তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ জানায়, ১ এপ্রিল সকালে শ্রীবরদী থানা পুলিশ উপজেলার একটি এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে। পরে পিবিআই তদন্তে নেমে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নিহতের পরিচয় শনাক্ত করে। নিহত ডলি আক্তার (নেত্রকোনা, মোহনগঞ্জ) বলে নিশ্চিত হয় পরিবার। এ ঘটনায় নিহতের ভাই বাদী হয়ে হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্তের একপর্যায়ে একটি পিকআপের সূত্র ধরে ৩ এপ্রিল চালক আশরাফ আলীকে আটক করা হয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ৪ এপ্রিল ভোরে শেরপুর-ময়মনসিংহ মহাসড়কের ভাতশালা এলাকা থেকে নিয়ামুর নাহিদ (২৬) ও তার স্ত্রী রিক্তা মনিকে গ্রেফতার করা হয়। তারা আদালতে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। পিবিআই জানায়, ব্যক্তিগত বিরোধের জেরে ৩০ মার্চ রাতে নাহিদ নিজ বাসায় ডলি আক্তারকে শ্বাসরোধে হত্যা করে। পরে স্ত্রীর সহায়তায় মরদেহ ট্রাংকে ভরে শ্রীবরদী এলাকায় ফেলে রেখে গাজীপুরে পালিয়ে যায়। পিবিআই জামালপুরের পুলিশ সুপার পঙ্কজ দত্ত বলেন, প্রযুক্তির সহায়তায় দ্রুত সময়ের মধ্যে ঘটনার রহস্য উদঘাটন সম্ভব হয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে এবং তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলায় জুস খাইয়ে চালককে অজ্ঞান করে ইজিবাইক ছিনতাইয়ের অভিযোগে দুই নারীসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন কিশোরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লুৎফর রহমান। গ্রেফতারকৃতরা হলেন—সৈয়দপুর পৌরসভার মুন্সিপাড়ার নিরব ইসলাম (৩৮), তার স্ত্রী রুপা আক্তার (৩৫) এবং রেশমা বেগম (২০)। বুধবার (১ এপ্রিল) রাতে উপজেলার মাগুড়া ইউনিয়নের দক্ষিণ সিঙ্গেরগাড়ী এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। পুলিশ জানায়, তারা যাত্রীবেশে ইজিবাইকে উঠে চালককে জুস ও অন্যান্য পানীয় খাইয়ে অজ্ঞান করে যানবাহন ছিনতাইয়ের চেষ্টা করছিল। এ সময় স্থানীয়রা চালককে অচেতন অবস্থায় দেখে সন্দেহ হলে তাদের আটক করে পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ এসে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে। পুলিশের দাবি, গ্রেফতারকৃতরা দীর্ঘদিন ধরে ‘অজ্ঞান পার্টি’ চক্রের সঙ্গে জড়িত। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।