পদোন্নতি নীতিমালা ও শিক্ষক সংকট নিরসনের দাবিতে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকদের ‘কমপ্লিট শাটডাউন’-এ অচল হয়ে পড়েছে ক্যাম্পাস, বন্ধ রয়েছে সব একাডেমিক কার্যক্রম।
বুধবার (২২ এপ্রিল) সকাল থেকে শুরু হওয়া এ কর্মসূচির ফলে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়-এ ক্লাস, পরীক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম পুরোপুরি স্থবির হয়ে পড়ে। শিক্ষক অনুপস্থিতিতে ক্যাম্পাসে নেমে আসে নীরবতা, যার সরাসরি প্রভাব পড়ে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনে।
আন্দোলনরত শিক্ষকদের দাবি, ২০১৫ সালের বিধিমালা অনুযায়ী পদোন্নতি কার্যকর করতে হবে এবং দীর্ঘদিনের শিক্ষক সংকট দ্রুত সমাধান করতে হবে। দাবি পূরণ না হলে লাগাতার শাটডাউনের হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তারা।
এর আগে আন্দোলনের অংশ হিসেবে একজন অধ্যাপক আমরণ অনশনে গেলে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। পরে অন্যান্য শিক্ষকরা একদিনের কর্মবিরতি পালন করে বুধবার থেকে পূর্ণাঙ্গ শাটডাউন কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
শিক্ষক প্রতিনিধিরা জানান, বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রয়োজনীয় সংখ্যক শিক্ষকের ঘাটতি থাকায় একাধিক বিভাগে সীমিত জনবল দিয়ে একাডেমিক কার্যক্রম চলছে, ফলে একেকজন শিক্ষককে অতিরিক্ত কোর্সের চাপ নিতে হচ্ছে।
অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, সরকারি নীতিমালা ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের নির্দেশনার আলোকে নতুন পদোন্নতি কাঠামো নিয়ে আলোচনা চলছে এবং দ্রুত সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে।
এ অবস্থায় শিক্ষার্থীরা দ্রুত সংকট নিরসন করে স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম চালুর দাবি জানিয়েছেন।
পঞ্চগড় সদর উপজেলায় সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতীয় ভূখণ্ডে প্রবেশের অভিযোগে দুই বাংলাদেশি কিশোরকে আটক করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। বুধবার (২২ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার গড়িনাবাড়ী ইউনিয়নের মিস্ত্রিপাড়া পাটশিরি সীমান্ত এলাকায় বিএসএফের ১৩২ ব্যাটালিয়নের মরিচা ক্যাম্পের টহল দল তাদের আটক করে নিয়ে যায়। আটক দুই কিশোর হলেন আটোয়ারী উপজেলার শিবু চন্দ্র রায়ের ছেলে ইন্দ্র (১৪) এবং সমারু চন্দ্র রায়ের ছেলে উদয় (১৪)। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তারা সীমান্ত পিলার ৪১৭-এর নিকটবর্তী এলাকা দিয়ে আনুমানিক ১৫০ গজ ভারতের অভ্যন্তরে প্রবেশ করলে মীরগঞ্জ এলাকায় বিএসএফ তাদের আটক করে। ঘটনার পর স্থানীয়দের মাধ্যমে বিষয়টি জানার পর বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) বিএসএফের সঙ্গে যোগাযোগ করে। দুই দেশের সীমান্তবর্তী এলাকায় বিকেলে কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। পঞ্চগড় ১৮ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ কায়েস জানান, বিষয়টি জানার পরপরই বিএসএফের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে এবং দুই কিশোরকে ফেরত আনার বিষয়ে আলোচনা চলছে।
পদোন্নতি নীতিমালা ও শিক্ষক সংকট নিরসনের দাবিতে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকদের ‘কমপ্লিট শাটডাউন’-এ অচল হয়ে পড়েছে ক্যাম্পাস, বন্ধ রয়েছে সব একাডেমিক কার্যক্রম। বুধবার (২২ এপ্রিল) সকাল থেকে শুরু হওয়া এ কর্মসূচির ফলে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়-এ ক্লাস, পরীক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম পুরোপুরি স্থবির হয়ে পড়ে। শিক্ষক অনুপস্থিতিতে ক্যাম্পাসে নেমে আসে নীরবতা, যার সরাসরি প্রভাব পড়ে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনে। আন্দোলনরত শিক্ষকদের দাবি, ২০১৫ সালের বিধিমালা অনুযায়ী পদোন্নতি কার্যকর করতে হবে এবং দীর্ঘদিনের শিক্ষক সংকট দ্রুত সমাধান করতে হবে। দাবি পূরণ না হলে লাগাতার শাটডাউনের হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তারা। এর আগে আন্দোলনের অংশ হিসেবে একজন অধ্যাপক আমরণ অনশনে গেলে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। পরে অন্যান্য শিক্ষকরা একদিনের কর্মবিরতি পালন করে বুধবার থেকে পূর্ণাঙ্গ শাটডাউন কর্মসূচি ঘোষণা করেন। শিক্ষক প্রতিনিধিরা জানান, বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রয়োজনীয় সংখ্যক শিক্ষকের ঘাটতি থাকায় একাধিক বিভাগে সীমিত জনবল দিয়ে একাডেমিক কার্যক্রম চলছে, ফলে একেকজন শিক্ষককে অতিরিক্ত কোর্সের চাপ নিতে হচ্ছে। অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, সরকারি নীতিমালা ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের নির্দেশনার আলোকে নতুন পদোন্নতি কাঠামো নিয়ে আলোচনা চলছে এবং দ্রুত সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে। এ অবস্থায় শিক্ষার্থীরা দ্রুত সংকট নিরসন করে স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম চালুর দাবি জানিয়েছেন।
নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলায় এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা-২০২৬-এর প্রথম দিন মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নিয়মিত পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলার ছয়টি কেন্দ্রে বাংলা বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। কোনো কেন্দ্রেই অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, বিভিন্ন কেন্দ্রে মোট ২৮ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল। কেন্দ্রভিত্তিক ফলাফলে দেখা যায়— • সৈয়দপুর ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ৯৪৪ জনের মধ্যে ৯৪১ জন উপস্থিত। • সৈয়দপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে ৫৪৬ জনের মধ্যে ৫৪৫ জন উপস্থিত। • সৈয়দপুর সরকারি বিজ্ঞান কলেজ কেন্দ্রে ৭৯৩ জনের মধ্যে ৭৮৩ জন উপস্থিত। • লায়ন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে ৪৬৭ জনের মধ্যে ২ জন অনুপস্থিত। • সানফ্লাওয়ার স্কুল অ্যান্ড কলেজ (ভেন্যু কেন্দ্র) দাখিল পরীক্ষায় ৩৬৩ জনের মধ্যে ৩৫১ জন উপস্থিত। • সৈয়দপুর সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ কেন্দ্রে ভোকেশনাল পরীক্ষায় সকল পরীক্ষার্থী উপস্থিত ছিল। উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, পরীক্ষা সম্পূর্ণ সুশৃঙ্খলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সব কেন্দ্র সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় রাখা হয়েছে এবং কঠোর নজরদারি বজায় রয়েছে।