রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) বিকেলে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বিএনপি চেয়ারপারসন তারেক রহমানের সাক্ষাৎ নির্ধারিত হয়েছে।
প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, যমুনায় অবস্থিত প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবনেই এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। বৈঠকের এজেন্ডা ও আলোচ্য বিষয় সম্পর্কে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।
রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) বিকেলে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বিএনপি চেয়ারপারসন তারেক রহমানের সাক্ষাৎ নির্ধারিত হয়েছে। প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, যমুনায় অবস্থিত প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবনেই এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। বৈঠকের এজেন্ডা ও আলোচ্য বিষয় সম্পর্কে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।
রাজশাহী হযরত শাহ মখদুম কেন্দ্রীয় ঈদগা মাঠে অনুষ্ঠিত রাজশাহী বিভাগীয় ইমাম সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক আলী রিয়াজ বলেছেন, গণভোট শুধুমাত্র আগামী পাঁচ বছরের জন্য নয়, বরং ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের রাষ্ট্রব্যবস্থা ও গণতন্ত্রের পূর্ণ প্রতিষ্ঠার জন্য অপরিহার্য। সোমবার (১২ জানুয়ারি) বেলা ১১টায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনা, বিচার বিভাগ, নির্বাচন কমিশন ও দুর্নীতি দমন কমিশনের স্বাধীনতা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত জনগণের ম্যান্ডেটের মাধ্যমে নেওয়া উচিত। এজন্য নাগরিক হিসেবে সবার দায়িত্ব গণভোটকে সফল করা এবং ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়া। অধ্যাপক আলী রিয়াজ উল্লেখ করেন, জাতীয় সনদে স্বাক্ষরের বিষয়ে রাজনৈতিক দলের মধ্যে কিছু ভিন্নমত থাকলেও, গণভোট বিষয়ে সব দল একমত। তিনি এটিকে জনগণের প্রত্যক্ষ মতামত গ্রহণের একটি ঐতিহাসিক সুযোগ হিসেবে আখ্যায়িত করেন। সম্মেলনে বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার আরও একজন বিশেষ সহকারী মনির হায়দার, রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান এবং রাজশাহী নগর পুলিশের কমিশনার ড. মো. জিল্লুর রহমান। ইসলামী ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক আব্দুস ছালাম খান সম্মেলনের সভাপতিত্ব করেন।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে ফেব্রুয়ারির ১২ তারিখে অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ৭ লাখের বেশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দায়িত্ব পালন করবে। নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণভাবে আয়োজনের জন্য ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মাঠে থাকবে পুলিশ, র্যাব, বিজিবি, কোস্ট গার্ড, আনসার-ভিডিপি ও স্থানীয় প্রশাসনের হাজার হাজার সদস্য। ৩০০ আসনের প্রায় ৪৩ হাজার ভোটকেন্দ্রে প্রতিটি কেন্দ্রে ১৩ থেকে ১৮ জন আইনশৃঙ্খলা রক্ষা সদস্য দায়িত্বে থাকবেন। মেট্রোপলিটন এলাকার গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে পুলিশ অস্ত্রসহ দায়িত্ব পালন করবে, মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে বিজিবি ও র্যাব হেলিকপ্টার, ড্রোন ও ডগ স্কোয়াড ব্যবহার করতে পারবে। ভোটের চার দিন আগে ও দুই দিন পর পর্যন্ত বিশেষ অভিযান চালানো হবে, অবৈধ অস্ত্র ও সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারের ব্যবস্থা থাকবে। ভোটের আগে ও দিনে মোটরসাইকেল, ট্যাক্সি, মাইক্রোবাস ও ট্রাক চলাচলে সীমাবদ্ধতা আরোপ করা হবে এবং লাইসেন্সধারীদের জন্য অস্ত্র বহন ও প্রদর্শন নিষিদ্ধ থাকবে। এই নিরাপত্তা ব্যবস্থা প্রধান নির্বাচন কমিশনারের তফশিল ঘোষণার পর বাস্তব পরিস্থিতি এবং নির্বাচনি সহিংসতার পূর্ব অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে গৃহীত।