ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ঝিনাইদহ ও মাগুরা জেলার ১০টি উপজেলায় ১৫ প্লাটুন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) মোতায়েন করা হবে। নির্বাচনী নিরাপত্তা নিশ্চিতে এসব এলাকায় ১০টি অস্থায়ী বেইজ ক্যাম্প স্থাপন করা হবে।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) দুপুরে মহেশপুর ব্যাটালিয়ন (৫৮ বিজিবি) সদরে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রফিফুল আলম। তিনি জানান, ঝিনাইদহ ও মাগুরার ৬টি সংসদীয় আসনে বিজিবি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে। সেনাবাহিনী, পুলিশ, র্যাব ও আনসারের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করবে বিজিবি।
আগামী ২৯ থেকে ৩১ জানুয়ারির মধ্যে দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় বিজিবি মোতায়েনের পর দুই জেলার গুরুত্বপূর্ণ ৫৫টি স্থানে অস্থায়ী চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি কার্যক্রম চালানো হবে। পাশাপাশি ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তায় নিয়মিত টহল জোরদার করা হবে।
প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, তফসিল ঘোষণার পর গত ১১ ডিসেম্বর থেকেই অস্থায়ী বেইজ ক্যাম্প স্থাপনের জন্য রেকি কার্যক্রম সম্পন্ন করেছে ৫৮ বিজিবি। এ সময় সীমান্ত এলাকায় অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং ভোটারদের সচেতনতামূলক কার্যক্রমও চলমান রয়েছে।
বিজিবির অভিযানে ২০২৫ সালে মহেশপুর ব্যাটালিয়নের চোরাচালানবিরোধী অভিযানে ৪১ জন আসামিসহ প্রায় ৩৮ কোটি ২৭ লাখ টাকার মালামাল জব্দ করা হয়। একই সময়ে মাদকবিরোধী অভিযানে ৯ কোটি ৬২ লাখ টাকার মাদক উদ্ধার এবং ২৮ জনকে আটক করা হয়েছে।
লেফটেন্যান্ট কর্নেল রফিফুল আলম বলেন, নির্বাচন চলাকালে দেশের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ রক্ষায় বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক থাকবে। এ কাজে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, সাংবাদিক ও সাধারণ মানুষের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
ইসলামিক বিধান অনুযায়ী, সুদভিত্তিক ব্যাংক ঋণ গ্রহণ করা শারীয়ত দ্বারা বৈধ নয়। যারা এমন ঋণ নিয়েছেন, তাদের জন্য জরুরি হলো দ্রুত ঋণ পরিশোধের মাধ্যমে সুদ থেকে আল্লাহর কাছে তওবা করা। ঋণের ধরণ অনুযায়ী জাকাত হিসাব পরিবর্তিত হয়। দীর্ঘমেয়াদী বা কিস্তিতে পরিশোধযোগ্য ঋণের ক্ষেত্রে, সেই বছরের মধ্যে যেটুকু টাকা/সম্পদ পরিশোধ করা হয়েছে, সেটুকুই জাকাতযোগ্য সম্পদ থেকে বাদ দিতে হবে। সম্পূর্ণ ঋণকে একবারে বাদ দিয়ে জাকাত হিসাব করা সঠিক নয়। জাকাত ইসলামের পঞ্চস্তম্ভের অন্যতম এবং সম্পদের সুষম বণ্টন নিশ্চিত করার মূল উপায়। নিসাব (স্বর্ণ ৭.৫ ভরি বা রূপা ৫২.৫ ভরি) পরিমাণ সম্পদ যদি এক বছরের জন্য সঞ্চিত থাকে, তবে তার ২.৫% বা ৪০ ভাগের ১ ভাগ জাকাত প্রদান ফরজ। এই নিয়ম সম্পদকে পবিত্র রাখে এবং সমাজে ন্যায্য বিতরণ নিশ্চিত করে।
সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সিনিয়র সাংবাদিক মোহাম্মদ আবদুল বাছির (বাছির জামাল)। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রকাশিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বাছির জামালকে এক বছরের মেয়াদে চুক্তিভিত্তিক এই দায়িত্বে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তিনি বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) সিনিয়র সহকারী মহাসচিব এবং দৈনিক আমার দেশের চিফ রিপোর্টার হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট আইন, ২০১৪-এর ধারা ১০(২) অনুযায়ী অন্যান্য প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের সাথে কর্ম-সম্পর্ক শেষ করার শর্তে বাছির জামাল এই পদে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। নিয়োগের অন্যান্য শর্তাবলী চুক্তিপত্র অনুযায়ী নির্ধারিত হবে। বাছির জামাল পূর্বে ট্রাস্টের দায়িত্ব সামলানো জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক এম আব্দুল্লাহ-এর স্থলাভিষিক্ত হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, এ পদে নিয়োগ জনস্বার্থে বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
সাতক্ষীরার শ্যামনগরে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর নিজস্ব অভিযোজন কৌশল ও উদ্ভাবনী জীবনসংগ্রাম তুলে ধরতে এক ব্যতিক্রমধর্মী স্থানীয় অভিযোজন মেলা ও জলবায়ু সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (৯ মার্চ) ঈশ্বরীপুর ইউনিয়নের ধুমঘাট পাইকের মোড় বিলে গবেষণা প্রতিষ্ঠান বারসিক ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর যৌথ উদ্যোগে এ আয়োজন করা হয়। মেলায় উপকূলীয় জীবন, কৃষি, মাছধরা, স্থানীয় বীজ, বনজীবী জীবিকা, হস্তশিল্প এবং পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহার প্রদর্শিত হয়েছে। এছাড়া শুকনা খাবার প্রদর্শনী, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান মেলায় ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছে। প্রধান অতিথি সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম উপস্থিত থেকে মেলার উদ্বোধন করেন। বারসিকের পরিচালক ও প্রাণবৈচিত্র্য গবেষক পাভেল পার্থ বলেন, “উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর অভিজ্ঞতা ও উদ্ভাবনী উদ্যোগকে জাতীয় নীতিতে অন্তর্ভুক্ত করলে টেকসই জলবায়ু অভিযোজন নিশ্চিত করা সম্ভব।” বক্তারা আরও বলেন, প্রতিকূলতার মধ্যেও গ্রামীণ জনগোষ্ঠী দেশীয় বীজ, প্রাকৃতিক সম্পদ ও নিজস্ব কৌশল দিয়ে টিকে থাকার চেষ্টা চালাচ্ছে। তবে স্থানীয় জলবায়ু অর্থায়ন ও পরিকল্পনার সঙ্গে জনগণের সরাসরি সংযুক্তি না থাকলে অভিযোজন কার্যক্রম সীমিত থাকবে।