অন্তর্বর্তী সরকারের হাতে মাত্র তিন কর্মদিবস। শেষ পর্যায়ে এসে ১ হাজার ৭১৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করার তোড়জোড় শুরু হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত করতে অর্থ মন্ত্রণালয়ের কাছে ৬৭০ কোটি টাকা বরাদ্দ চেয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
এত স্বল্প সময়ে বিশালসংখ্যক প্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত করার প্রক্রিয়া ঘিরে শিক্ষা প্রশাসনে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এই প্রক্রিয়ায় অস্বাভাবিক গতি এবং বড় ধরনের আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে।অর্থ মন্ত্রণালয়ের সূত্রমতে, গত ৩ ফেব্রুয়ারি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে নিম্ন মাধ্যমিক থেকে স্নাতকোত্তর পর্যন্ত ৭টি স্তরের ১ হাজার ৭১৯টি প্রতিষ্ঠানের জন্য অর্থ বিভাগের কাছে ৬৭০ কোটি টাকা বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে। এর মধ্যে চলতি অর্থবছরের শেষ তিন মাসের জন্য প্রয়োজন হবে প্রায় ১৬৭ কোটি টাকা।
একজন অতিরিক্ত সচিব সাংবাদিকদের বলেন, ‘অর্থ মন্ত্রণালয়ের সবুজ সংকেত পেলেই চূড়ান্ত ঘোষণা আসবে। তবে শেষ পর্যন্ত এই এমপিওভুক্তি সফল হবে, নাকি আটকে যাবে, তা পুরোটাই নির্ভর করছে অর্থ মন্ত্রণালয়ে সিদ্ধান্তের ওপর। কারণ এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে দরকার অর্থ। সেই অর্থ ছাড়ে ছাড়পত্র না দিলে সেটি থমকে যাবে।’
সর্বশেষ ২০২১ সালে ২ হাজার ৭০০-এর বেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা হয়। এরপর নীতিমালার বাইরে রাজনৈতিক বিবেচনায় আরও ৭১টি প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা হলে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়। পরে আর নতুন কোনো প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত হয়নি। এর আগে প্রায় ১০ বছর বন্ধ থাকার পর ২০১৯ সালের অক্টোবরে তৎকালীন সরকার ২ হাজার ৭৩০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির ঘোষণা দেয়। চূড়ান্ত যাচাই শেষে ২ হাজার ৬১৫টি প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির অনুমোদন পায়।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ ও ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে বাংলাদেশগামী জ্বালানি চালানের নিরাপত্তা রক্ষায় বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। হরমুজ প্রণালীর ঝুঁকিপূর্ণ পথ অতিক্রমের সময় জাহাজগুলো যাতে নিরাপদে ঢাকাগামী হতে পারে, সেজন্য বাংলাদেশ ইরানের কাছে কূটনৈতিক সহায়তার জন্য অনুরোধ পাঠিয়েছে। এর প্রেক্ষিতে তেহরান বাংলাদেশের জ্বালানি চালানের বিস্তারিত তথ্য চেয়ে একটি অফিসিয়াল চিঠি প্রেরণ করে। জ্বালানি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (২৫ মার্চ) ঢাকার পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় তথ্যাবলি ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। তালিকায় বাংলাদেশগামী ছয়টি জাহাজের বিস্তারিত বিবরণ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে প্রায় ৫ লাখ টন তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) এবং ৭৯ হাজার টন অপরিশোধিত তেল। তথ্যাবলিতে জাহাজগুলোর লোডিং তারিখ, কার্গো ধারণক্ষমতা, লোডিং বন্দর ও উৎস, এবং আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থা (আইএমও) শনাক্তকরণ নম্বর উল্লেখ রয়েছে। এই ছয়টি জাহাজের মধ্যে পাঁচটি কাতার থেকে এলএনজি এবং একটি সৌদি আরব থেকে অপরিশোধিত তেল পরিবহন করবে। ভৌগোলিক ও কৌশলগত কারণে এসব জাহাজকে হরমুজ প্রণালী অতিক্রম করতে হবে। চলমান মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত ও অস্থিরতার কারণে রুটটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। সামান্যতম বিঘ্ন হলেও দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা বিপন্ন হওয়ার আশঙ্কা থাকায় তেহরানের সঙ্গে সমন্বয় জরুরি বলে মনে করছে ঢাকা।
নভীন ফ্যাশন বুধবার তাদের ফেসবুক পেজে ঘোষণা দিয়েছে, মগবাজার শাখা ব্যতীত দেশের অন্যান্য সব শাখা ১৫ দিনব্যাপী ঈদ উৎসবের আয়োজন চলবে। প্রতিষ্ঠানটি জানায়, এই সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হয়েছে এনসিপি নেতা ও সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহর হস্তক্ষেপের মাধ্যমে। এ সময় ক্রেতাদের জন্য থাকবে নানা আকর্ষণীয় ছাড় ও বিশেষ আয়োজন। নবীন ফ্যাশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক চীনের সঙ্গে সংযোগ রেখে ফেসবুক লাইভের মাধ্যমে উৎসবকালীন অফার ও শুভেচ্ছা জানাবেন। এর আগে মঙ্গলবার রাতে এনামুল হাসান নবীন তার ফেসবুক আইডিতে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে একটি স্ট্যাটাস প্রদান করেছিলেন।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মামলার রায়দানকারী বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের ব্যক্তিগত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্ট হ্যাকের ঘটনা মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) রাজধানীর শাহবাগ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) দাখিলের মাধ্যমে প্রকাশ পেয়েছে। প্রসিকিউটর তানভীর হাসান জোহা জানান, ১৮ মার্চ অজ্ঞাত হ্যাকাররা বিচারপতির ফেসবুক ও হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্টের নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করে। এই ঘটনায় ভুয়া তথ্য প্রচার বা প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। অপরাধ প্রতিরোধে ইতোমধ্যে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)-কে অবহিত করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, অসাবধানতাবশত কোনো প্রতারণামূলক লিংকে ক্লিক বা অননুমোদিত অ্যাপ ইনস্টল করাই এই হ্যাকিংয়ের মূল কারণ। তবে মোবাইল ফোনটি নিরাপদ করা সম্ভব হলেও অ্যাকাউন্টগুলো পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনা এখনো সম্ভব হয়নি। ১৭ মার্চ থেকে ফোনে অস্বাভাবিক কার্যক্রম ধরা পড়েছিল; ২২ মার্চ প্রসিকিউটর ও ডিজিটাল ফরেনসিক বিশেষজ্ঞের সহায়তায় সন্দেহজনক সফটওয়্যার দূর করা হয়েছে।