অপরাধ

রাজশাহী মহানগরীতে ভুয়া সিআইডি পরিচয়ে প্রতারণা চেষ্টার অভিযোগে ১ যুবক গ্রেফতার

Icon
রাজশাহী ,রাজশাহী
প্রকাশঃ জানুয়ারী ৩, ২০২৬
ছবি: প্রতিনিধি
ছবি: প্রতিনিধি

রাজশাহী মহানগরীতে ভুয়া পুলিশ কর্মকর্তা পরিচয়ে প্রতারণার চেষ্টার অভিযোগে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) রাজপাড়া থানা পুলিশ।
গ্রেফতারকৃত যুবকের নাম মো. কাওসার হোসেন তমাল (২৫)। তিনি রাজশাহী মহানগরীর কর্ণহার থানা এলাকার দারুশা গ্রামের মো. কামরুজ্জামানের ছেলে।
থানা সূত্র জানায়, নওগাঁ জেলার মহাদেবপুর উপজেলার বাসিন্দা নাসরিন জাহানের সঙ্গে ফেসবুকের মাধ্যমে পরিচয়ের পর শুক্রবার (২ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজশাহী চিড়িয়াখানার গেটের সামনে সাক্ষাৎ করেন তমাল। এ সময় তিনি নিজেকে সিআইডির এসআই ও ৪৯তম বিসিএস ক্যাডার পরিচয় দেন।
কথাবার্তায় সন্দেহ হলে স্থানীয়রা জিজ্ঞাসাবাদ করেন। একপর্যায়ে অভিযুক্ত ভুয়া পরিচয়ের বিষয়টি স্বীকার করেন। পরে ভুক্তভোগী রাজপাড়া থানায় লিখিত অভিযোগ দিলে পুলিশ তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে।
এ ঘটনায় নিয়মিত মামলা দায়ের করে অভিযুক্তকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

ছবি: প্রতিনিধি
রাজশাহী মহানগরীতে ভুয়া সিআইডি পরিচয়ে প্রতারণা চেষ্টার অভিযোগে ১ যুবক গ্রেফতার

রাজশাহী মহানগরীতে ভুয়া পুলিশ কর্মকর্তা পরিচয়ে প্রতারণার চেষ্টার অভিযোগে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) রাজপাড়া থানা পুলিশ। গ্রেফতারকৃত যুবকের নাম মো. কাওসার হোসেন তমাল (২৫)। তিনি রাজশাহী মহানগরীর কর্ণহার থানা এলাকার দারুশা গ্রামের মো. কামরুজ্জামানের ছেলে। থানা সূত্র জানায়, নওগাঁ জেলার মহাদেবপুর উপজেলার বাসিন্দা নাসরিন জাহানের সঙ্গে ফেসবুকের মাধ্যমে পরিচয়ের পর শুক্রবার (২ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজশাহী চিড়িয়াখানার গেটের সামনে সাক্ষাৎ করেন তমাল। এ সময় তিনি নিজেকে সিআইডির এসআই ও ৪৯তম বিসিএস ক্যাডার পরিচয় দেন। কথাবার্তায় সন্দেহ হলে স্থানীয়রা জিজ্ঞাসাবাদ করেন। একপর্যায়ে অভিযুক্ত ভুয়া পরিচয়ের বিষয়টি স্বীকার করেন। পরে ভুক্তভোগী রাজপাড়া থানায় লিখিত অভিযোগ দিলে পুলিশ তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে। এ ঘটনায় নিয়মিত মামলা দায়ের করে অভিযুক্তকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

রাজশাহী জানুয়ারী ৩, ২০২৬ 0

মানিকগঞ্জ পৌর আওয়ামী লীগ নেতা আনন্দ কুমার সাহা গ্রেপ্তার

টিকটককে কেন্দ্র করে কিশোর গ্যাংয়ের সংঘর্ষ, এক কিশোর নিহত

অনলাইনে প্রশ্ন ফাঁসের চক্র সক্রিয়, ডিজিটাল অপরাধ দমন শাখায় অভিযান

গোপনে ভিডিও করে ব্ল্যাকমেইল: যুবক গ্রেপ্তার, মামলা রুজু
গোপনে ভিডিও করে ব্ল্যাকমেইল: যুবক গ্রেপ্তার, মামলা রুজু

রাজধানীর একটি আবাসিক হোটেল থেকে গোপনে ভিডিও করে ব্ল্যাকমেইল করার অভিযোগে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ভুক্তভোগী তরুণীর করা মামলার ভিত্তিতে অভিযুক্তকে শনিবার গভীর রাতে আটক করা হয়। পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারকৃত যুবক দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নারীদের সঙ্গে পরিচয় গড়ে তোলে। পরে কৌশলে তাদের হোটেল বা ভাড়া বাসায় নিয়ে গিয়ে গোপনে ভিডিও ধারণ করত। সেই ভিডিও পরে ভুক্তভোগীদের হুমকি দিয়ে অর্থ আদায় বা বিভিন্ন অনৈতিক দাবির চেষ্টা করত সে। ভুক্তভোগী তরুণী জানান, অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রথমে বন্ধুত্বের সম্পর্ক গড়ে তোলে। এরপর এক পর্যায়ে দেখা করার প্রস্তাব দেয়। তিনি জানান, তার অজান্তেই ঘরে গোপনে ভিডিও ধারণ করা হয়। পরবর্তীতে সামাজিকভাবে হেয় করার ভয় দেখিয়ে ব্ল্যাকমেইল করা হয় এবং মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করে। ঘটনার পরপরই ভুক্তভোগী থানায় অভিযোগ করলে, পুলিশ প্রযুক্তির সহায়তায় অভিযুক্তের অবস্থান শনাক্ত করে। রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকার একটি আবাসিক হোটেল থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের সময় তার মোবাইল ফোন ও ল্যাপটপ থেকে একাধিক নারীর গোপন ভিডিও ও ছবি উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এই ধরনের ঘটনা সমাজে ভয়াবহ বার্তা দেয়। বিশেষ করে তরুণীরা সোশ্যাল মিডিয়ায় অপরিচিত কারো সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে আরও সতর্ক না হলে এমন ঘটনার শিকার হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তারা জানান, এই চক্রের সঙ্গে আরও কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযুক্ত যুবকের বিরুদ্ধে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনে এবং ব্ল্যাকমেইলের ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গোপনে ভিডিও ধারণ এবং ব্ল্যাকমেইলের মতো অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর নজরদারি ও দ্রুত বিচারের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি নাগরিকদের ডিজিটাল নিরাপত্তা বিষয়ে আরও সচেতন হওয়া জরুরি। সাইবার অপরাধের এই ধারা রোধে প্রযুক্তিনির্ভর আইন প্রয়োগ, সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে মনিটরিং এবং ভুক্তভোগীদের সহজে আইনি সহায়তা পাওয়ার ব্যবস্থা করতে না পারলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

আয়ান তাহরিম জুন ২৮, ২০২৫ 0
সাইবার অপরাধ বাড়ছে: টার্গেটে তরুণ ও শিক্ষার্থী

সাইবার অপরাধ বাড়ছে: টার্গেটে তরুণ ও শিক্ষার্থী

রাজধানীতে দিনের বেলায় ছিনতাই বেড়েছে: আতঙ্কে পথচারীরা

রাজধানীতে দিনের বেলায় ছিনতাই বেড়েছে: আতঙ্কে পথচারীরা

চাকরির প্রতারণার ফাঁদে শতাধিক যুবক-যুবতী

চাকরির প্রতারণার ফাঁদে শতাধিক যুবক-যুবতী

ইন্টারনেট প্রতারণা বেড়েছে ৬৫%: টার্গেটে তরুণরা
ইন্টারনেট প্রতারণা বেড়েছে ৬৫%: টার্গেটে তরুণরা

ইন্টারনেট প্রতারণা বেড়েছে ৬৫%: টার্গেটে তরুণরা ডিজিটাল যুগে বসবাস আমাদের জীবনকে যেমন সহজ করে তুলেছে, তেমনি নতুন এক ধরনের অপরাধও নিয়ে এসেছে—ইন্টারনেটভিত্তিক প্রতারণা। সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, বাংলাদেশে গত এক বছরে অনলাইন প্রতারণার হার বেড়েছে প্রায় ৬৫ শতাংশ। উদ্বেগজনক বিষয় হলো, এই প্রতারণার মূল লক্ষ্য এখন দেশের তরুণ জনগোষ্ঠী। সাধারণত ১৮ থেকে ৩০ বছর বয়সী তরুণরাই বেশি অনলাইন অ্যাকটিভ। তারা ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, টিকটক থেকে শুরু করে ফ্রিল্যান্সিং, অনলাইন শপিং, ওয়ার্ক ফ্রম হোম—বিভিন্ন কাজে ইন্টারনেট ব্যবহার করে। আর এই সুযোগটিই নিচ্ছে প্রতারক চক্র। প্রতারণার ধরন বর্তমানে সবচেয়ে বেশি দেখা যাচ্ছে ফেক অফার ও চাকরির বিজ্ঞাপন। “বাড়িতে বসে আয় করুন”, “বিনা মূল্যে আইফোন জিতুন” বা “মাত্র ৫০০ টাকায় বিদেশে চাকরি”—এমন প্রলোভনমূলক বিজ্ঞাপন দিয়ে অনেক তরুণকে ফাঁদে ফেলা হচ্ছে। এছাড়া ভুয়া ওয়েবসাইট বা ফিশিং লিংক পাঠিয়ে ব্যক্তিগত তথ্য চুরি হচ্ছে। কেউ নিজের পরিচয় লুকিয়ে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে, পরে ব্ল্যাকমেইল করে অর্থ আদায় করছে। সবচেয়ে বেশি ভয়ংকর হচ্ছে মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস (MFS) ভিত্তিক প্রতারণা। অপরিচিত নম্বর থেকে “আপনার বিকাশ নম্বরে টাকা এসেছে”, “OTP বলুন”, বা “আপনার অ্যাকাউন্ট ব্লক হয়ে গেছে”—এই ধরনের মেসেজের মাধ্যমে হাজার হাজার টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে প্রতারক চক্র। কেন তরুণরাই টার্গেট? তরুণরা প্রযুক্তিতে সক্রিয় হলেও অনেকেই নিরাপত্তা নিয়ে সচেতন নয়। বিশ্বাস করে দ্রুত ফলাফল বা আয় পাওয়ার প্রতিশ্রুতি। অনেকে নিজের ব্যক্তিগত তথ্য, ছবি, ব্যাংক ডিটেইলস সহজেই শেয়ার করে ফেলে। ফলে সহজেই প্রতারণার শিকার হন। তাছাড়া, তারা অনেক সময় প্রতারিত হলেও সামাজিকভাবে অপমানের ভয় বা আইনি ঝামেলার কারণে বিষয়টি গোপন রাখেন। এতে প্রতারকরা বারবার একই কৌশলে অন্যদেরও টার্গেট করে। কী করা উচিত? অনলাইন নিরাপত্তা নিয়ে এখনই সচেতন হওয়া জরুরি। অপরিচিত লিংকে ক্লিক নয় OTP বা পাসওয়ার্ড কাউকে বলা যাবে না দ্বৈত যাচাইকরণ (Two-Factor Authentication) চালু রাখা যেকোনো আর্থিক লেনদেনের আগে যাচাই করা ভুয়া অফারে ক্লিক না করে সন্দেহজনক পোস্ট রিপোর্ট করা পাশাপাশি, সরকার ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উচিত সাইবার অপরাধ নিয়ে আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া। অনলাইন প্রতারণার ঘটনা দ্রুত তদন্ত করে অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে হবে। সচেতনতা বাড়াতে স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘সাইবার সিকিউরিটি’ বিষয়ক ওয়ার্কশপ ও প্রশিক্ষণের আয়োজনও সময়ের দাবি। সবশেষে বলা যায়, ইন্টারনেট আমাদের দরজা খুলে দিয়েছে এক নতুন সম্ভাবনার জগতে। কিন্তু সেই দরজা দিয়ে যেন প্রতারকরা ঢুকে না পড়ে, সে দায়িত্ব আমাদেরই নিতে হবে। বিশেষ করে তরুণদের হতে হবে আরও বেশি সতর্ক, সচেতন এবং প্রযুক্তি বিষয়ে অভিজ্ঞ। কারণ সচেতন ব্যবহারকারীর প্রতারণার শিকার হওয়ার সম্ভাবনা অনেকটাই কম।

আয়ান তাহরিম জুন ২৮, ২০২৫ 0
রাজধানীতে দিনে-দুপুরে ছিনতাই: নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন

রাজধানীতে দিনে-দুপুরে ছিনতাই: নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন

0 Comments