পিরোজপুরের জিয়ানগরে উপজেলা পরিষদের পুকুর থেকে অনুমতি ছাড়া মাছ ধরার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা কে এম মামুনুর রহমানের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় উদ্ধার করা প্রায় ২০ কেজি মাছ নিলামে ১ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি করেছে উপজেলা প্রশাসন।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) দুপুরে মাছগুলো নিলামে তোলা হলে স্থানীয় হোটেল ব্যবসায়ী জাকির হোসেন সর্বোচ্চ দর দিয়ে তা কিনে নেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার বিকেলে উপজেলা পরিষদের পুকুরে বড়শি দিয়ে রুই, কাতলাসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ধরেন কে এম মামুনুর রহমান। পরে রাতের দিকে মাছগুলো ককসিটে করে বাড়িতে নেওয়ার সময় স্থানীয়দের সন্দেহ হয়। তাঁরা মাছসহ ওই কর্মকর্তাকে আটক করে পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মাছগুলো জব্দ করে উপজেলা প্রশাসনের হেফাজতে রাখে।
শুক্রবার রাত ১২টার দিকে উপজেলা খাদ্য গুদাম থেকে মাছগুলো উদ্ধার করা হয় বলে জানা গেছে। এ সময় সংবাদ সংগ্রহ করতে যাওয়া স্থানীয় সংবাদকর্মীদের সঙ্গেও অভিযুক্ত কর্মকর্তার অসদাচরণের অভিযোগ উঠেছে।
এ বিষয়ে পিরোজপুর জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) সেলিম মাহমুদ সাগর বলেন, ‘আমি ট্রেনিংয়ে আছি। এ ব্যাপারে খোঁজ নিতে হবে। ঘটনার সত্যতা পেলে আইন অনুযায়ী আমরা ব্যবস্থা নেব।’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. ওয়ালিউর রহমান রুবেল বলেন, ‘খাদ্য কর্মকর্তা অবশ্যই অন্যায় করেছেন। তাঁর বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং মাছগুলো নিলামে বিক্রির অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হবে।’
অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা কে এম মামুনুর রহমানের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।