শিরোনাম

অনিয়ম-দুর্নীতিকেই নিয়ম বানিয়েছেন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাহাবুব

অনিয়ম-দুর্নীতিকেই নিয়ম বানিয়েছেন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাহাবুব

ভোলার মনপুরা উপজেলার মনোয়ারা বেগম মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাহবুবের বিরুদ্ধে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২৫ উপেক্ষা করে এক শিক্ষককে সহকারী অধ্যাপক পদে সুপারিশ করার অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগে বলা হয়েছে, কলেজের ইংরেজি বিষয়ের প্রভাষক আবুল বাশার নিয়মিত অনলাইন ক্লাস না নেওয়া, অনুমতি ছাড়া অনুপস্থিত থাকা, বিলম্বে কলেজে আসা, অনুমতি ছাড়া কলেজ ত্যাগ, প্রশাসনিক কাজে বাধা ও অসদাচরণের অভিযোগে একাধিকবার কারণ দর্শানোর নোটিশ পেয়েছেন। এসব ঘটনায় তার মোট ১১ দিনের বেতনও কর্তন করা হয়।

এ বিষয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বোর্ড, বরিশালের চেয়ারম্যানের কাছে লিখিত অভিযোগও দেওয়া হয়েছে।

অভিযোগকারী দাবি করেন, বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (স্কুল ও কলেজ) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২৫-এর ১১.৪ ধারা অনুযায়ী এমপিওভুক্ত প্রভাষকদের সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতির ক্ষেত্রে সন্তোষজনক চাকরি, নির্ধারিত মূল্যায়ন ও পদের সীমা সংক্রান্ত শর্ত রয়েছে। কিন্তু এসব বিষয় বিবেচনা না করেই আবুল বাশারকে সহকারী অধ্যাপক পদে সুপারিশ করা হয়েছে।

অভিযোগে আরও দাবি করা হয়, কলেজে অর্থের বিনিময়ে বিভিন্ন অনিয়মকে নিয়মে পরিণত করার সুযোগ রয়েছে। তবে এ অভিযোগের পক্ষে কোনো নির্দিষ্ট আর্থিক লেনদেনের প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি।

অভিযোগের বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাহবুব বলেন, “বিষয়গুলো ডিডির মাধ্যমে সমাধান হয়েছে। আমার কাছে চিঠি আছে।” তবে চিঠি দেখতে চাইলে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে দেখাতে পারেননি।

বরিশাল আঞ্চলিক মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের পরিচালক অধ্যাপক মো. জাকির হোসেন বলেন, তিনি সদ্য দায়িত্ব নিয়েছেন এবং বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন। নথিপত্র দেখে বিষয়টি যাচাই করার পর বক্তব্য দিতে পারবেন।

নীতিমালা উপেক্ষা করে পদোন্নতির সুপারিশ করা হয়েছে কি না এবং অভিযোগে উত্থাপিত অনিয়মের সত্যতা কতটুকু—তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তেই পরিষ্কার হবে।

আপনার মতামত লিখুন
সর্বশেষ সব খবর
জনপ্রিয় সব খবর