এতদ্বারা সর্ব সাধারণ এবং সম্পত্তি সম্পর্কিত ওয়ারিশগণের উদ্দেশ্যে জানানো যাইতেছে যে, নিন্ম তফশীল বর্ণিত সম্পত্তির এস.এ রেকর্ডীয় মালিক ছিলেন আকবার হোসেন। উক্ত রেকর্ডীয় মালিক আকবার হোসেন বিগত ১৬/০৫/২০০২ইং তারিখে ৬৭৩৯ নং দলিল মূলে আব্দুল মান্নান বরাবর হস্তান্তর করেন। উক্ত আব্দুল মান্নান ভোগদখল থাকাবস্থায় গত ১৪/০৩/২০১০ইং তারিখে ৪৫৯১ নং দলিল মূলে রকিব মাহমুদ বরাবর হস্তান্তর করেন। উক্ত রকিব মাহমুদের নিকট হইতে গত ২৯/০৫/২০১৬ইং তারিখে ৮৮২২ নং দলিল মূলে ১। আনজারুল জুয়েল, পিতা- তোফাজ্জল হোসেন, ২। নাহিদ আখতার, স্বামী- আনজারুল জুয়েল, উভয়ের সাং- মাস্টারপাড়া, ইটাখোলা, ডাকঘর- নীলফামারী, উপজেলা + জেলা- নীলফামারী বরাবর হস্তান্তর করেন। উক্ত দলিল মূলে আমরা প্রাপ্ত হইয়া স্থানীয় ভূমি অফিস হইতে পূর্ব নাম খারিজে আমাদের নিজ নিজ নামে নামজারি করতঃ দখল ভোগ করিয়া আসিতেছি। যাহার খারিজ কেস নং ৪০৭০/২০২২-২০২৩। উক্ত জমি বিক্রয়ের প্রস্তাব করিলে আপনি বায়না পত্র দলিল গ্রহিতা মোঃ সাদাকাতুল বারী, পিতা- শাহ মোঃ ফজলুল হক, সাং- ঠাকুড়াদহ, ডাকঘর: উত্তর পানাপুকুর- ৫৪১০, থানা- গংগাচড়া, জেলা- রংপুর ক্রয় করিতে ইচ্ছুক হইলে নিন্ম লিখিত জমির মূল্য ৪৮,০০,০০০/- টাকা নির্ধারণ পূর্বক বায়না বাবদ সাক্ষীগণের মোকাবেলায় ৭,০০,০০০/- টাকা বুঝিয়া পাইয়া বায়না পত্র দলিল প্রদান করেন। অবশিষ্ট টাকা পরিশোধান্তে রেজিস্ট্রি দলিল করিয়া দিতে অঙ্গীকার করিয়াছেন। উক্ত জমিতে কোন ওয়ারিশের কোন প্রকার দাবী দাওয়া থাকিলে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের ১ মাসের মধ্যে নিন্ম স্বাক্ষরকারীর বরাবর অভিযোগ দাখিল করার জন্য বিশেষ ভাবে বলা হইল। অন্যথায়, উক্ত সময়ের পর উক্ত জমি নিঃকন্ঠক বলিয়া গন্য হইবে। উক্ত তারিখের পর দাবী দাওয়া থাকিলে উহার আইনগত ভিত্তি থাকিবে না।
বায়নাকৃত জমরি তফশীল
জেল: রংপুর, থানা-কোতয়ালী মধ্যে রংপুর সিটি র্কপোরশেন ভুক্ত, মৌজা- কেল্লাবন্দ, যাহার জে, এল নং- ৬০, সি.এস খতয়িান নং ২৯৬, এস.এ খতয়িান নং ৩০৫, বুজারত খতিয়ান নং ১৯৪, আর.এস খতিয়ান নং ৪৫, খারজি খতিয়ান নং ২৬২৩, হোল্ডিং নং: ৩২৯৮, সি.এস/এস.এ দাগ নং ১৬৯২, আর.এস দাগ নং- ৩২৭ (তনিশত সাতাশ), জমি রেকর্ড সুত্রে ৩৪ শতক মধ্যে ১২ শতক মধ্যে খারিজ সুত্রে চৌহদ্দী ও হাত নকশা মোতাবকে ০৫ (পাঁচ) শতক জমি বায়নাকৃত বটে।
ধন্যবাদান্তে
মোঃ মওদুদ হাসান
অ্যাডভোকেট, জজ কোর্ট, রংপুর।