শিরোনাম
Ad Image

ইরানের সমর্থনে দেশে দেশে বিক্ষোভ

ইরানের সমর্থনে দেশে দেশে বিক্ষোভ

ইরানের সমর্থনে দেশে দেশে বিক্ষোভ

বিশ্ববেলা ডেস্ক 8 ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিমান হামলায় দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হওয়ার খবরে বিশ্বজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র, পাকিস্তান, ইরাক, ভারত ও তুরস্কসহ বিভিন্ন দেশে বিক্ষোভ হয়েছে। কোথাও যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক স্থাপনায় হামলা, কোথাও যুদ্ধবিরোধী সমাবেশ হয়েছে। ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যুতে পাকিস্তানের করাচিতে মার্কিন কনস্যুলেটে বিক্ষোভকারীরা হামলা চালিয়েছেন। সবশেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংঘর্ষে অন্তত ৯ জন নিহত এবং ২০ জন আহত হয়েছেন। নিহতদের বেশিরভাগের শরীরে গুলির চিহ্ন রয়েছে বলে জানা গেছে। তেহরানে বিমান হামলায় খামেনি নিহত হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রেও বিক্ষোভ হয়েছে। যুদ্ধবিরোধী বিক্ষোভকারীরা ওয়াশিংটনে হোয়াইট হাউসের বাইরে এবং নিউইয়র্কের টাইমস স্কয়ারে জড়ো হন। এদিকে ইরাকের রাজধানী বাগদাদেও যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসের বাইরে বিক্ষোভকারীরা জড়ো হন। তবে এ সংঘর্ষে হতাহতের কোনো ঘটনা ঘটেনি। ভারতের জম্মু ও কাশ্মীরের রামবান, শ্রীনগরসহ একাধিক এলাকায়ও বিক্ষোভ হয়েছে। সেখানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কুশপুত্তলিকা পোড়ানো হয়। তুরস্ক তুরস্কের ইজমিরে অবস্থিত ন্যাটো ঘাঁটির বাইরে বিক্ষোভ করেছে দেশটির সাধারণ নাগরিকরা। এ সময় তারা ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি হামলার নিন্দা জানান। একই সময় তারা পশ্চিমাবিরোধী স্লোগান দেন। ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি বাহিনীর ধারাবাহিক হামলার পর লন্ডনে বিক্ষোভকারীরা জড়ো হন। তবে লন্ডনে ইরানের বর্তমান শাসনের সমর্থনে যেমন সমাবেশ হয়েছে, তেমনি হামলার পক্ষেও রাস্তায় লোকদের জড়ো হতে দেখা গেছে। অন্যদিকে, জার্মানির রাজধানী বার্লিনে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস এবং আর্মেনিয়া ইয়েরেভান শহরে ইরানের দূতাবাসের সামনে হামলার সমর্থনে সমাবেশ করেন একদল ইরানি। এ সময় তারা ইরানের সরকারবিরোধী বিভিন্ন স্লোগান দেন। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ইরানে হামলার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। অবিলম্বে সব পক্ষকেই যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছে। রাশিয়া যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরায়েলের সমালোচনা করেছে। রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লেভরভ বলেন, ওয়াশিংটন এবং তেল আবিব আবারও একটি বিপজ্জনক অভিযান শুরু করেছে যা দ্রুত এই অঞ্চলকে একটি মানবিক, অর্থনৈতিক এবং সম্ভবত তেজস্ক্রিয় বিপর্যয়ের দিকে নিয়ে যাচ্ছে।

সম্পাদক : সন্তোষ শর্মা
প্রকাশক: মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু

আপনার মতামত লিখুন
Ad Image
সর্বশেষ সব খবর
জনপ্রিয় সব খবর