শিরোনাম
Ad Image

হেলায় হেরেছে জাতীয় পার্টি সুযোগ নিয়েছে বিএনপি

হেলায় হেরেছে জাতীয় পার্টি সুযোগ নিয়েছে বিএনপি

হেলায় হেরেছে জাতীয় পার্টি সুযোগ নিয়েছে বিএনপি

: শেষ পৃষ্ঠার পর প্রতীকে পান ৫৫ হাজার ৩৮৭ ভোট। ৮৪ হাজার ৭১৮ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়ে দুলু নতুন সরকারের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের ক্যাবিনেট মন্ত্রী হন। এ আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী জাহিদ হাসান লিমন ২ হাজার ১৫০ ভোট পেয়ে চতুর্থ হয়ে জামানত হারান। লালমনিরহাট-২ আসনে জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য মজিবুর রহমান টানা ছয়বার এমপি ছিলেন। তার মৃত্যুর পর আসনটি আওয়ামী লীগের দখলে যায়। আওয়ামী লীগের নুরুজ্জামান আহমেদ দুইবার এমপি হয়ে সমাজকল্যাণমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। গণঅভ্যুত্থানের পর আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা আত্মগোপনে গেলে মাঠ দখলে নেয় বিএনপি ও জামায়াত। দুই দলই নিয়মিত সভা-সেমিনার করে সাংগঠনিক শক্তি বাড়ায়। আসাদুল হাবিব দুলুও এ আসনে জনসভা করে দলীয় অবস্থান মজবুত করেন। ১৫৫টি কেন্দ্রের ফলে বিএনপির প্রার্থী রোকন উদ্দিন বাবুল ১ লাখ ১৮ হাজার ৩৫৯ ভোট পেয়ে জয়ী হন। জামায়াতের ফিরোজ হায়দার লাভলু দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পান ১ লাখ ৭ হাজার ৮৮৬ ভোট। দীর্ঘদিন জাতীয় পার্টির ঘাঁটি থাকা এ আসনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হলেও শেষ পর্যন্ত জয় পায় বিএনপি। জাতীয় পার্টির প্রার্থী এলাহান উদ্দিন ৮১০ ভোট পেয়ে চতুর্থ হয়ে জামানত হারান। লালমনিরহাট-১ আসনে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোতাহার হোসেন টানা পাঁচবার এমপি ছিলেন। গণঅভ্যুত্থানের পর আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা আত্মগোপনে গেলে এখানে বিএনপি ও জামায়াত সক্রিয় হয়ে ওঠে। এ আসনে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের মশিউর রহমান রাঙ্গাকে মনোনয়ন দেন। তার বিরুদ্ধে ১ কোটি ৭০ লাখ টাকা ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ, আওয়ামী লীগ সরকারের মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন, নিজ জন্মস্থান থেকে নির্বাচন করেও স্থানীয় মানুষের সঙ্গে যোগাযোগের অভাব এবং একাধিক বডিগার্ড নিয়ে জমিদারি ভাবধারায় প্রচারণা চালানো জনসমর্থন কমিয়ে দেয়। ফলে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয় বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে। বিএনপির প্রার্থী হাসান রাজিব প্রধান ১ লাখ ৩৮ হাজার ৬৮৬ ভোট পেয়ে জয়ী হন। জামায়াতের মো. আনোয়ারুল ইসলাম রাজু পান ১ লাখ ২৯ হাজার ৫৭২ ভোট। ৯ হাজার ১১৪ ভোটের ব্যবধানে জয় নিশ্চিত হয়। স্বতন্ত্র প্রার্থী শিহাব আহমেদ ঘোড়া প্রতীকে ৭ হাজার ৯৫৯ ভোট পেয়ে তৃতীয় হন। জাতীয় পার্টির প্রার্থী মশিউর রহমান রাঙ্গা ৫ হাজার ১৫২ ভোট পেয়ে চতুর্থ হয়ে জামানত হারান। এ বিষয়ে তার মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের ব্যাপারে আমি আর কোনো মন্তব্য করতে চাচ্ছি না। এমপি ছিলাম, মন্ত্রী ছিলাম, আমার আর কোনো চাওয়া-পাওয়া নেই।’

সম্পাদক : সন্তোষ শর্মা
প্রকাশক: মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু

আপনার মতামত লিখুন
Ad Image
সর্বশেষ সব খবর
জনপ্রিয় সব খবর