শিরোনাম
রাজধানীতে আজ কোথায় কী
রাজধানীতে আজ কোথায় কী

রাজধানীতে প্রতিনিয়ত সড়কে বের হয়ে নানা ধরনের বিড়ম্বনায় পড়তে হয়। বিভিন্ন কর্মসূচির কারণে স্থবির হয়ে পড়ে নানা সড়ক। তাই সকালে বের হওয়ার আগে আজ কোথায় কোন কর্মসূচি তা জেনে নিন।

রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) উল্লেখযোগ্য কর্মসূচির মধ্যে যা যা রয়েছে।

শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর কর্মসূচি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৩ আসনের সহিংস ঘটনায় আহতদের দেখতে সকাল ১০টায় জাপান বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতালে যাবেন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। সেখানে গণমাধ্যমের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন এবং প্রাসঙ্গিক বিষয়ে আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেবেন।

রাজধানীতে আজ কোথায় কী

বড় দুঃসংবাদ পেলেন বিএনপির ৩ নেতা

জাপার কর্মসূচি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে মূল্যায়ন এবং করণীয় বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন করবে জাতীয় পার্টি (জাপা)। বিকেল ৩টায় ঢাকা রিপোটার্স ইউনিটির শফিকুল কবির মিলনায়তনে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। এতে জাপা মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারী ছাড়াও কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত থাকবেন।

পিবিআইয়ের ব্রিফিং

বেলা ১১টায় পশ্চিম আগারগাঁওয়ে পিবিআই কার্যালয়ে গৃহকর্মী আয়শা হত্যার রহস্য উদ্‌ঘাটন বিষয়ে ব্রিফ করবেন অতিরিক্ত ডিআইজি মো. এনায়েত হোসেন মান্নান।

২২ ফেব্রুয়ারি : আজকের নামাজের সময়সূচি
২২ ফেব্রুয়ারি : আজকের নামাজের সময়সূচি

ইসলামের ৫টি রুকনের মধ্যে নামাজ অন্যতম। পঞ্চস্তম্ভের মধ্যে এটি দ্বিতীয়। ইমান বা বিশ্বাসের পর নামাজই ইসলামের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ। কিয়ামতের দিন প্রথম হিসাব নেওয়া হবে নামাজের। পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজের বাইরে ওয়াজিব, সুন্নত ও কিছু নফল নামাজ রয়েছে। যতই ব্যস্ততা থাকুক না কেন, ওয়াক্তমতো ফরজ নামাজ আদায় করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) ২০২৬ ইংরেজি, ০৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বাংলা, ৪ রমজান ১৪৪৭ হিজরি।

ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো-

জোহর- ১২টা ১৬ মিনিট

 

আসর- ৪টা ১৭ মিনিট

মাগরিব- ৫টা ৫৯ মিনিট

এশা- ৭টা ১৪ মিনিট

ফজর (আগামীকাল সোমবার)- ৫টা ১৩ মিনিট।

উল্লিখিত সময়ের সঙ্গে যেসব বিভাগের সময় যোগ-বিয়োগ করতে হবে, সেগুলো হলো-

বিয়োগ করতে হবে

চট্টগ্রাম : ০৫ মিনিট

সিলেট : ০৬ মিনিট

যোগ করতে হবে

খুলনা : ০৩ মিনিট

রাজশাহী : ০৭ মিনিট

রংপুর : ০৮ মিনিট

বরিশাল : ০১ মিনিট

১৬ ফেব্রুয়ারি : ইতিহাসের এই দিনে যা ঘটেছিল
১৬ ফেব্রুয়ারি : ইতিহাসের এই দিনে যা ঘটেছিল

একটি নির্দিষ্ট দিনে ঘটে যাওয়া ঘটনা ও উন্নয়নকে কেন্দ্র করে রচিত হয় ইতিহাস। সেই সঙ্গে উন্মোচিত হয় পৃথিবীর নতুন নতুন দিগন্ত। পেছন ফিরে তাকালে জানা যায়, আজকের এই দিনে এমন অনেক আলোচিত-সমালোচিত ব্যক্তির জন্ম-মৃত্যু হয়েছে।

বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য ঘটনার কারণে ইতিহাসে আজ সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দিনটিও অনেক গুরুত্বপূর্ণ। তাই চলুন, একনজরে দেখা নেওয়া যাক ইতিহাসের আজকের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনের জন্ম-মৃত্যুদিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

ঘটনাবলি :

১২৪৯ - ফ্রান্সের রাজা নবম লুই কর্তৃক এন্ড্রু দা লংজুমেওকে মোঙ্গল সাম্রাজ্যের খাগানের কাছে দূত হিসেবে প্রেরণ করা হয়। ১৭০৪ - অবিভক্ত বাংলায় পুলিশি ব্যবস্থার প্রচলন হয়।

১৮০৮ - ফরাসিদের স্পেন দখল।

১৮৬২ - আমেরিকান গৃহযুদ্ধ: জেনারেল উলিসেস এস. গ্রান্ট টেনেসির ফোর্ট‌ ডনেলসন দখল করেন।

১৮৭৩ - স্পেনকে প্রজাতন্ত্র ঘোষণা।

১৯১৮ - কাউন্সিল অব লিথুনিয়ার সর্বসম্মতিক্রমে স্বাধীনতা আইন গৃহীত হয় এবং লিথুনিয়া স্বাধীন রাষ্ট্র ঘোষিত হয়।

১৯২৩ - হাওয়ার্ড কার্টার ফারাও সম্রাট তুতানখামেনের সমাধি উন্মুক্ত করেন।

১৯৩০ - যুক্তরাষ্ট্রের নামকরা কোম্পানি ডু পন্টের গবেষণাগারে প্রথম নাইলন তৈরি করা হয়।

১৯৩৪ - সোশ্যাল ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকানিশজার স্কাটজবান্ডদের পরাজয়ের মাধ্যমে অস্ট্রীয় গৃহযুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে।

১৯৩৬ - পপুলার ফ্রন্টের বিজয়। স্পেনে বামপন্থি রিপাবলিকান সরকার প্রতিষ্ঠা।

১৯৪৩ - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ: লাল ফৌজ খারকোভে পুনরায় প্রবেশ করে।

১৯৪৬ - সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন প্রথম জাতিসংঘে ভেটো ক্ষমতা প্রয়োগ করে।

১৯৫৯ - ১ জানুয়ারি একনায়ক ফুলিজেনসো বাতিস্তা উৎখাত হওয়ার পর ফিদেল কাস্ত্রো কিউবার প্রধানমন্ত্রী হন।

১৯৬১ - এক্সপ্লোরার প্রোগ্রাম: এক্সপ্লোরার ৯ উৎক্ষেপণ করা হয়।

১৯৭২ - বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় সিঙ্গাপুর। ১৯৭৪ - পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী জুলফিকার আলী ভুট্টো বলেন, বাংলাদেশ যদি ১৯৫ জন পাকিস্তানি যুদ্ধাপরাধীর বিচার কার্য স্থগিত করে তবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেওয়া হবে।

১৯৮৫ - হিজবুল্লাহ গঠিত হয়।

১৯৮৬ - পর্তুগালের প্রথম অসামরিক রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন ড. মারিও সোরেস।

১৯৯২ - দক্ষিণ লেবাননে ইহুদিবাদী ইসরাইলের বিমান হামলায় লেবাননের হিজবুল্লার মহাসচিব সাইয়্যেদ আব্বাস মুসাভি শহীদ হন।

২০০৫ - কিয়েটো প্রটোকল কার্যকর হয়।

জন্ম :

১৭৩২ - আমেরিকার প্রথম প্রেসিডেন্ট জর্জ ওয়াশিংটন জন্মগ্রহণ করেন।

১৮১২ - হেনরি উইলসন, মার্কিন কর্নেল ও রাজনীতিবিদ, যুক্তরাষ্ট্রের ১৮তম উপরাষ্ট্রপতি।

১৮২২ - রাজেন্দ্রলাল মিত্র, আধুনিক ভারততত্ত্ববিদ ও বিজ্ঞানসম্মত ইতিহাস চর্চার অন্যতম পথিকৃৎ ও প্রাবন্ধিক।

১৮৩১ - নিকোলাই লেসকভ, রুশ লেখক ও সাংবাদিক।

১৮৩৮ - হেনরি অ্যাডাম্‌স, মার্কিন ইতিহাসবিদ, সাংবাদিক ও ঔপন্যাসিক।

১৮৬৮ - আলবার্ট রোজ-ইন্স, দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটার।

১৯০৪ - ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের কর্মী অন্নদাপ্রসাদ চক্রবর্তী।

১৯১১ - অমিতা ঠাকুর রবীন্দ্র সংগীত শিল্পী ও কবি।

১৯২৭ - শহীদুল্লাহ কায়সার, বাঙালি লেখক ও বুদ্ধিজীবী।

১৯৩৫ - ব্রেডফোর্ড‌ পার্কি‌ন্সন, মার্কিন প্রকৌশলী ও উদ্ভাবক, জিপিএস-এর জনক।

১৯৩৬ - রাজিয়া খান, বাংলাদেশি সাহিত্যিক।

১৯৩৭ - অরুণ মুখোপাধ্যায়, ভারতীয় বাঙালি মঞ্চ ও চল চিত্রাভিনেতা ও নাট্যকার।

১৯৩৯ - বিংশ শতাব্দীর শেষভাবে আবির্ভূত ভারতীয় বাঙালি চিত্রকর যোগেন চৌধুরী।

১৯৪৮ - নীলুফার ইয়াসমীন, বাংলাদেশি কণ্ঠশিল্পী।

১৯৫৩ - অলিভিয়া, বাংলাদেশি চলচ্চিত্র অভিনেত্রী।

১৯৫৪ - মাইকেল হোল্ডিং, জ্যামাইকান ক্রিকেটার।

১৯৫৯ - জন ম্যাকেনরো, মার্কিন টেনিস খেলোয়াড়।

১৯৮৮ - ডেনিলসন পেরেইরা নেভেস, ব্রাজিলীয় ফুটবল খেলোয়াড়।

মৃত্যু :

১২৭৯ - দ্বিতীয় অলফেন্সো, পর্তুগালের রাজা।

১৩৯১ - পঞ্চম জন পেলাইওলোগস, বাইজেন্টাইন সম্রাট।

১৪৫৯ - আকশামসাদ্দিন, উসমানীয় ধর্মীয় পণ্ডিত, কবি, সুফি ও দ্বিতীয় মুহাম্মদের উপদেষ্টা।

১৭৫৪ - রিচার্ড‌ মিড, ইংরেজ চিকিৎসক।

১৮৩৪ - লাইফবোট-এর উদ্ভাবক লিওনেল লুকিন মৃত্যুবরণ করেন।

১৮৯৯ - ফেলিক্স ফাওরি, ফরাসি ব্যবসায়ী ও রাজনীতিবিদ, ফ্রান্সের ৭ম রাষ্ট্রপতি।

১৯০৭ - জোযুয়ে কার্দুচ্চি, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ইতালীয় কবি ও শিক্ষক।

১৯৩২ - ফার্ডিনেন্ড বুইসন, ফরাসি অ্যাকাডেমিক ও রাজনীতিবিদ, নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী।

১৯৩৩ - কালীপদ মুখোপাধ্যায় ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের একজন অন্যতম ব্যক্তিত্ব এবং অগ্নিযুগের বিপ্লবী।

১৯৩৬ - টমি ওয়ার্ড, দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটার।

১৯৪৪ - দাদাসাহেব ফালকে, ভারতীয় চলচ্চিত্রের জনক।

১৯৫৬ - মেঘনাদ সাহা, বাঙালি পদার্থবিদ।

১৯৬২ - প্রখ্যাত সাংবাদিক ও সাহিত্যসেবী হেমেন্দ্রপ্রসাদ ঘোষ।

১৯৮১ - সাহিত্যিক খান মুহম্মদ মইনুদ্দীন মৃত্যুবরণ করেন।

১৯৮২ - শিক্ষাবিদ, গবেবষক ড. মুহম্মদ এনামুল হক মৃত্যুবরণ করেন।

১৯৮৪ - মুহাম্মদ আতাউল গণি ওসমানী, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় মুক্তিবাহিনী ও সেনাবাহিনীর সর্বাধিনায়ক।

১৯৮৯ - নাট্যকার নূরুল মোমেন মৃত্যুবরণ করেন।

১৯৯০ - নুরুল মোমেন একজন বাংলাদেশি অধ্যাপক, শিক্ষাবিদ, নাট্যকার ও নির্দেশক, এবং প্রাবন্ধিক।

১৯৯৯ - কাজী আরেফ আহমেদ (রাজনীতিবিদ), বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক।

২০১৬ - বুত্রোস বুত্রোস গালি, জাতিসংঘের ৬ষ্ঠ মহাসচিব।

২০২৩ - তুলসীদাস বলরাম, ভারতের প্রখ্যাত ফুটবলার।

শপথ নিলেন বিএনপির সংসদ সদস্যরা
শপথ নিলেন বিএনপির সংসদ সদস্যরা

প্রথম ধাপে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা (এমপি) শপথগ্রহণ করেছেন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন সংসদ সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করান।

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বেলা পৌনে ১১টার দিকে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের শপথকক্ষে এই শপথ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।

শপথ অনুষ্ঠানে দেশি ও বিদেশি অতিথিরা অংশ নেন।

 

অনুষ্ঠানে শুরুতে নতুন আইনপ্রণেতাদের সামনে কথা বলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি সংবিধান সংস্কার পরিষদের বিষয়ে দলীয় সিদ্ধান্ত জানান। শপথ নেওয়ার পর সংসদ সদস্যরা শপথপত্রে সই করেন।

সূচি অনুযায়ী, এমপি হিসেবে শপথের পর বিএনপির সংসদীয় দলের বৈঠকে তারেক রহমানকে আনুষ্ঠানিকভাবে সংসদ নেতা নির্বাচিত করা হবে। এরপর বিকেল ৪টায় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত বিশেষ অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান ও নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ নেবেন।

শপথ নিলেন বিএনপির সংসদ সদস্যরা
শপথ নিলেন বিএনপির সংসদ সদস্যরা

প্রথম ধাপে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা (এমপি) শপথগ্রহণ করেছেন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন সংসদ সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করান।

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বেলা পৌনে ১১টার দিকে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের শপথকক্ষে এই শপথ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।

শপথ অনুষ্ঠানে দেশি ও বিদেশি অতিথিরা অংশ নেন।

 

অনুষ্ঠানে শুরুতে নতুন আইনপ্রণেতাদের সামনে কথা বলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি সংবিধান সংস্কার পরিষদের বিষয়ে দলীয় সিদ্ধান্ত জানান। শপথ নেওয়ার পর সংসদ সদস্যরা শপথপত্রে সই করেন।

সূচি অনুযায়ী, এমপি হিসেবে শপথের পর বিএনপির সংসদীয় দলের বৈঠকে তারেক রহমানকে আনুষ্ঠানিকভাবে সংসদ নেতা নির্বাচিত করা হবে। এরপর বিকেল ৪টায় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত বিশেষ অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান ও নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ নেবেন।