শিরোনাম
সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টার বিরুদ্ধে মুশফিকুল আনসারীর গুরুতর অভিযোগ
সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টার বিরুদ্ধে মুশফিকুল আনসারীর গুরুতর অভিযোগ

জাতিসংঘের গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেনের বিরুদ্ধে অসহযোগিতা ও প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন মেক্সিকোতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মুশফিকুল ফজল আনসারী।

রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে তিনি এ অভিযোগ করেন।

ফেসবুক পোস্টে মুশফিকুল ফজল আনসারী জানান, কোনো এক নিউজ ফিডে দেখলাম সদ্য বিদায়ী পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন নাকি জাতিসংঘে চাকরি খুঁজছেন। খবরটির সত্যতা যাচাই করার সুযোগ আমার হয়নি, আর সত্যি বলতে এতে আমার ব্যক্তিগত আগ্রহও নেই। তবে আমার আগ্রহের জায়গা অন্যত্র, কারণ শুরু থেকেই তিনি আমার পথচলায় ছাই দিয়ে এসেছেন। মেক্সিকোতে আমাকে পাঠানো থেকে শুরু করে জাতিসংঘের অধিবেশনে অংশগ্রহণ, ভোটের আগে দেশে আসতে বারণসহ নানা ইস্যুতে প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়েছে।

সেদিকে না গিয়ে বরং জাতিসংঘের প্রসঙ্গেই আসি। জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক সহকারী মহাসচিব পদে আবেদন করার জন্য আমাকে উৎসাহিত করেছিলেন জাতিসংঘেরই এক ভিনদেশি সহকর্মী। লাটভিয়ার মিস ব্র্যান্ডস কেহরিস এই পদে তার মেয়াদ শেষ করায় পদটি শূন্য হয়। বিষয়টি আমি যথারীতি সরকারপ্রধান প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসকে জানাই। তিনি আমাকে পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে যোগাযোগের পরামর্শ দেন। পররাষ্ট্র উপদেষ্টাও প্রাথমিকভাবে আমাকে আবেদন করতে সবুজ সংকেত দেন।

সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টার বিরুদ্ধে মুশফিকুল আনসারীর গুরুতর অভিযোগ

মোহাম্মদপুরে চুরি-ছিনতাই রোধে ববি হাজ্জাজের নতুন পদক্ষেপ

এ ধরনের পদে সদস্য রাষ্ট্রের আনুষ্ঠানিক সমর্থন এবং নোট ভারবাল প্রয়োজন হয়। যুক্তরাষ্ট্রও আমাকে সহযোগিতা করতে আগ্রহী ছিল। কিন্তু আমার প্রত্যাশা ছিলো নিজের দেশ, বাংলাদেশ সরকারের সমর্থন নিয়েই এগোবো। কারণ এই কঠিন সময়ে জাতিসংঘে আমাদের দৃশ্যমান প্রতিনিধিত্ব থাকা জরুরি। মানবাধিকার রক্ষার সংগ্রামে আমি নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করেছি। মহাসচিব থেকে শুরু করে ইউএন বিল্ডিংয়ের অনেকেই আমাকে জানেন।

আমি যথানিয়মে আবেদন পাঠাই। আবেদন পাঠানোর পরপরই পররাষ্ট্র উপদেষ্টার কাছ থেকে একটি বার্তা পাই- ‘not to proceed।’ আমি জবাবে জানাই, আবেদন ইতোমধ্যেই পাঠানো হয়েছে। তারপর থেকে আজ পর্যন্ত তিনি আমার ফোন ধরেননি।

আবেদন করলেই যে জাতিসংঘ মনোনীত করবে, এমন নিশ্চয়তা নেই। কিন্তু আমার কষ্ট অন্য জায়গায়। দেশের গণতন্ত্র ও মানবাধিকার রক্ষায় নিজেকে নিবেদন করলাম, অন্তর্বর্তী সরকার গঠনে সামান্য হলেও ভূমিকা রাখলাম- আর ঘুম থেকে উঠে হঠাৎ উপদেষ্টা বনে যাওয়ারা এমন অবস্থান নিলেন, আমাকে ন্যূনতম সমর্থনটুকুও জানালেন না!

এই হতাশার কথা আমি নবনির্বাচিত মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গেও শেয়ার করেছিলাম। তিনিও বিস্ময় প্রকাশ করেছিলেন। তবে সে সময় তাকে বিব্রত করতে চাইনি বলেই তার সরাসরি হস্তক্ষেপ কামনা করিনি।

বিএনপি মহাসচিব জনাব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর একবার এ বিষয়ে জানতে চাইলে তাকে জানানো হয়- মুশফিক জিততে পারবে না, তাই সমর্থন দেওয়া হয়নি। অথচ এখানে কোনো ভোটাভুটি নেই। সদস্য রাষ্ট্র একজন প্রার্থী মনোনয়ন দিলে জাতিসংঘ সেখান থেকে শর্টলিস্ট করে মহাসচিবসহ সংশ্লিষ্ট টিম সাক্ষাৎকার নেন। যোগ্য বিবেচিত ব্যক্তিকেই স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় নিয়োগ দেওয়া হয়।

দুর্ভাগ্য আমার- নিজ দেশের সমর্থনটাই জোটেনি। আর আজ দেখছি, কেউ কেউ বিভিন্ন জায়গায় পদ পাওয়ার জন্য দৌড়ঝাঁপ করছেন। কেউ আবার নির্বাচিত সরকারের চারপাশে তোষামোদে ব্যস্ত, যদি কোনোভাবে সুযোগ মেলে। অথচ এদের মধ্যেই কয়েকজন সেসময় বিএনপির নাম শুনলেই নাক সিটকাতেন।

দায়িত্ব ও কর্তব্যবোধের কারণে এখনই সব খোলাসা করছি না। তবে সময় এলে সত্য প্রকাশ পাবে। লিখছি একটি বই।

প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের ২১ অক্টোবর মুশফিকুল ফজল আনসারীকে মেক্সিকোতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ দেয় তৎকালীন অন্তর্বর্তী সরকার। সেই থেকে তিনি এই দায়িত্বে রয়েছেন।

রাজধানীতে নব্য জেএমবির সহযোগী সদস্য গ্রেপ্তার
রাজধানীতে নব্য জেএমবির সহযোগী সদস্য গ্রেপ্তার

নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জামায়াতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশ (জেএমবি)-এর নব্য ধারার একজন এহসার (সহযোগী) সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট (সিটিটিসি)। গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম আহসান জহীর খান (৫০)।

সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) উপ-পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগ) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।

এর আগে রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) রাতে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের জিয়া উদ্যান লেকের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশ থেকে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

সিটিটিসির বরাতে তালেবুর রহমান জানান, গ্রেপ্তার আহসান জহীর খান নব্য জেএমবির সক্রিয় সদস্য। তিনি ও তাঁর অন্যান্য পলাতক সহযোগীরা নব্য জেএমবির উগ্রবাদী আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে প্রজাতন্ত্রের সম্পত্তির ক্ষতি সাধনের লক্ষ্যে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনা ও প্রস্তুতির উদ্দেশ্যে ঘটনাস্থলে সমবেত হয়েছিলেন।

তিনি আরও জানান, ফেসবুক, মেসেঞ্জার, হোয়াটসঅ্যাপ ও টেলিগ্রামসহ বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে ভিন্ন ভিন্ন ছদ্মনামে গ্রুপ চ্যাট, ব্যক্তিগত চ্যাট ও চ্যানেলের মাধ্যমে যোগাযোগ করে উগ্রবাদী লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে তারা কার্যক্রম পরিচালনা করতেন।

ডিসি তালেবুর রহমান জানান, আহসান জহীর খানের বিরুদ্ধে ময়মনসিংহ জেলার ফুলবাড়ীয়া থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা রয়েছে। গ্রেপ্তারের পর তাকে শেরেবাংলা নগর থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা মামলায় বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।

নতুন প্রধানমন্ত্রীকে জি এম কাদেরের অভিনন্দন
নতুন প্রধানমন্ত্রীকে জি এম কাদেরের অভিনন্দন

নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করায় তারেক রহমান ও তার মন্ত্রীসভাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের। আজ মঙ্গলবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তিনি প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানান।

বার্তায় তারেক রহমানের প্রতি শুভেচ্ছা জ্ঞাপন ও সাফল্য কামনা করে জিএম কাদের বলেন, জনগণ তাকে ও তার দলের প্রতি যে দায়িত্বভার দিয়েছে তা পালন করতে তিনি সর্বোত্তভাবে সমর্থ হবেন।

জিএম কাদের বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে দ্রুত দেশের আইনের শাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হবে। সাংবিধানিক ধারা ফিরে আসবে এবং সংবিধানে বর্ণিত মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, মানবাধিকার, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠী ও ক্ষুদ্র জাতিসত্তার নিরাপত্তা, নারী অধিকার সহ সকল সাংবিধানিক অধিকার মানুষ যথাযথভাবে ভোগ করতে পারবে। আইনের শাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠার মাধ্যমে মানুষ তার সকল রকম আইনি অধিকার ফিরে পাবে।

জাপা চেয়ারম্যান বলেন, নানান ঘাত প্রতিঘাতের ভেতর দিয়ে দেশের অর্থনীতির যে ক্ষতি হয়েছে তারেক রহমানের নেতৃত্বে তা আবার পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হবে।

নতুন আইজিপি-ডিএমপি কমিশনার পদে আলোচনায় যারা
নতুন আইজিপি-ডিএমপি কমিশনার পদে আলোচনায় যারা

তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর পুলিশ প্রশাসনের শীর্ষ পর্যায়ে বড় ধরনের পরিবর্তনের জোরালো গুঞ্জন শুরু হয়েছে। বিশেষ করে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ও ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনারের মতো গুরুত্বপূর্ণ দুটি পদে নতুন কারা আসছেন, তা নিয়ে প্রশাসনের অন্দরমহলে চলছে ব্যাপক আলোচনা।

পুলিশসহ নির্ভরযোগ্য সূত্রগুলো বলছে, নতুন আইজিপি হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার বিষয়ে কয়েকজনের নাম আলোচনায় রয়েছে। তাদের মধ্যে ১২তম ব্যাচের কর্মকর্তা হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (অতিরিক্ত আইজিপি) দেলোয়ার হোসেন মিঞা, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক আলী হোসেন ফকির, পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি মো. ছিবগাত উল্লাহ এবং র‍্যাবের মহাপরিচালক এ কে এম শহিদুর রহমানের নাম নতুন আইজিপি হতে পারেন বলে আলোচনা রয়েছে।

চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের পর র‍্যাবের ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য পুলিশের চৌকস কর্মকর্তা শহিদুর রহমানকে র‍্যাবের মহাপরিচালক পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেয় অন্তর্বর্তী সরকার। আগামী ১৫ মার্চ তার চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের মেয়াদ শেষ হবে।

আইজিপি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত আইজিপি মতিউর রহমান শেখের নামও আলোচনায় রয়েছে। এছাড়া আইজিপির আলোচনায় রয়েছেন পুলিশের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার সমন্বয়ক (কো-অর্ডিনেটর, গ্রেড-১) আনসার উদ্দিন খান পাঠান। ২০২২ সালে তিনি অবসরে যান।

নতুন আইজিপি-ডিএমপি কমিশনার পদে আলোচনায় যারা

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানালেন সৌ‌দি যুবরাজ

পুলিশ সদর দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, আইজিপি বাহারুল আলমকে ২০২৪ সালে ২০ নভেম্বর দুই বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেয় অন্তর্বর্তী সরকার। চুক্তি অনুযায়ী তার মেয়াদ আছে আরও প্রায় ৯ মাস।

ডিএমপি কমিশনার হওয়ার আলোচনায় আছেন চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ (সিএমপি) কমিশনার হাসিব আজিজ, অতিরিক্ত আইজিপি (লজিস্টিকস অ্যান্ড অ্যাসেট অ্যাকুইজিশন) মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ। এছাড়া র‍্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক ফারুক আহমেদের নাম নতুন ডিএমপি কমিশনার পদে আলোচনায় রয়েছে। বর্তমান ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলীর চুক্তিভিত্তিক মেয়াদ শেষ হবে চলতি বছরের ২১ নভেম্বর।

একাধিক সূত্র আরও জানায়, বিএনপি সরকার গঠন করায় এখন পুলিশ, র‍্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীতে ব্যাপক রদবদল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

নতুন আইজিপি-ডিএমপি কমিশনার পদে আলোচনায় যারা
নতুন আইজিপি-ডিএমপি কমিশনার পদে আলোচনায় যারা

তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর পুলিশ প্রশাসনের শীর্ষ পর্যায়ে বড় ধরনের পরিবর্তনের জোরালো গুঞ্জন শুরু হয়েছে। বিশেষ করে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ও ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনারের মতো গুরুত্বপূর্ণ দুটি পদে নতুন কারা আসছেন, তা নিয়ে প্রশাসনের অন্দরমহলে চলছে ব্যাপক আলোচনা।

পুলিশসহ নির্ভরযোগ্য সূত্রগুলো বলছে, নতুন আইজিপি হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার বিষয়ে কয়েকজনের নাম আলোচনায় রয়েছে। তাদের মধ্যে ১২তম ব্যাচের কর্মকর্তা হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (অতিরিক্ত আইজিপি) দেলোয়ার হোসেন মিঞা, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক আলী হোসেন ফকির, পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি মো. ছিবগাত উল্লাহ এবং র‍্যাবের মহাপরিচালক এ কে এম শহিদুর রহমানের নাম নতুন আইজিপি হতে পারেন বলে আলোচনা রয়েছে।

চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের পর র‍্যাবের ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য পুলিশের চৌকস কর্মকর্তা শহিদুর রহমানকে র‍্যাবের মহাপরিচালক পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেয় অন্তর্বর্তী সরকার। আগামী ১৫ মার্চ তার চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের মেয়াদ শেষ হবে।

আইজিপি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত আইজিপি মতিউর রহমান শেখের নামও আলোচনায় রয়েছে। এছাড়া আইজিপির আলোচনায় রয়েছেন পুলিশের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার সমন্বয়ক (কো-অর্ডিনেটর, গ্রেড-১) আনসার উদ্দিন খান পাঠান। ২০২২ সালে তিনি অবসরে যান।

নতুন আইজিপি-ডিএমপি কমিশনার পদে আলোচনায় যারা

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানালেন সৌ‌দি যুবরাজ

পুলিশ সদর দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, আইজিপি বাহারুল আলমকে ২০২৪ সালে ২০ নভেম্বর দুই বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেয় অন্তর্বর্তী সরকার। চুক্তি অনুযায়ী তার মেয়াদ আছে আরও প্রায় ৯ মাস।

ডিএমপি কমিশনার হওয়ার আলোচনায় আছেন চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ (সিএমপি) কমিশনার হাসিব আজিজ, অতিরিক্ত আইজিপি (লজিস্টিকস অ্যান্ড অ্যাসেট অ্যাকুইজিশন) মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ। এছাড়া র‍্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক ফারুক আহমেদের নাম নতুন ডিএমপি কমিশনার পদে আলোচনায় রয়েছে। বর্তমান ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলীর চুক্তিভিত্তিক মেয়াদ শেষ হবে চলতি বছরের ২১ নভেম্বর।

একাধিক সূত্র আরও জানায়, বিএনপি সরকার গঠন করায় এখন পুলিশ, র‍্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীতে ব্যাপক রদবদল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

নতুন আইজিপি-ডিএমপি কমিশনার পদে আলোচনায় যারা
নতুন আইজিপি-ডিএমপি কমিশনার পদে আলোচনায় যারা

তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর পুলিশ প্রশাসনের শীর্ষ পর্যায়ে বড় ধরনের পরিবর্তনের জোরালো গুঞ্জন শুরু হয়েছে। বিশেষ করে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ও ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনারের মতো গুরুত্বপূর্ণ দুটি পদে নতুন কারা আসছেন, তা নিয়ে প্রশাসনের অন্দরমহলে চলছে ব্যাপক আলোচনা।

পুলিশসহ নির্ভরযোগ্য সূত্রগুলো বলছে, নতুন আইজিপি হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার বিষয়ে কয়েকজনের নাম আলোচনায় রয়েছে। তাদের মধ্যে ১২তম ব্যাচের কর্মকর্তা হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (অতিরিক্ত আইজিপি) দেলোয়ার হোসেন মিঞা, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক আলী হোসেন ফকির, পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি মো. ছিবগাত উল্লাহ এবং র‍্যাবের মহাপরিচালক এ কে এম শহিদুর রহমানের নাম নতুন আইজিপি হতে পারেন বলে আলোচনা রয়েছে।

চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের পর র‍্যাবের ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য পুলিশের চৌকস কর্মকর্তা শহিদুর রহমানকে র‍্যাবের মহাপরিচালক পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেয় অন্তর্বর্তী সরকার। আগামী ১৫ মার্চ তার চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের মেয়াদ শেষ হবে।

আইজিপি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত আইজিপি মতিউর রহমান শেখের নামও আলোচনায় রয়েছে। এছাড়া আইজিপির আলোচনায় রয়েছেন পুলিশের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার সমন্বয়ক (কো-অর্ডিনেটর, গ্রেড-১) আনসার উদ্দিন খান পাঠান। ২০২২ সালে তিনি অবসরে যান।

নতুন আইজিপি-ডিএমপি কমিশনার পদে আলোচনায় যারা

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানালেন সৌ‌দি যুবরাজ

পুলিশ সদর দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, আইজিপি বাহারুল আলমকে ২০২৪ সালে ২০ নভেম্বর দুই বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেয় অন্তর্বর্তী সরকার। চুক্তি অনুযায়ী তার মেয়াদ আছে আরও প্রায় ৯ মাস।

ডিএমপি কমিশনার হওয়ার আলোচনায় আছেন চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ (সিএমপি) কমিশনার হাসিব আজিজ, অতিরিক্ত আইজিপি (লজিস্টিকস অ্যান্ড অ্যাসেট অ্যাকুইজিশন) মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ। এছাড়া র‍্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক ফারুক আহমেদের নাম নতুন ডিএমপি কমিশনার পদে আলোচনায় রয়েছে। বর্তমান ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলীর চুক্তিভিত্তিক মেয়াদ শেষ হবে চলতি বছরের ২১ নভেম্বর।

একাধিক সূত্র আরও জানায়, বিএনপি সরকার গঠন করায় এখন পুলিশ, র‍্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীতে ব্যাপক রদবদল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

নতুন আইজিপি-ডিএমপি কমিশনার পদে আলোচনায় যারা
নতুন আইজিপি-ডিএমপি কমিশনার পদে আলোচনায় যারা

তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর পুলিশ প্রশাসনের শীর্ষ পর্যায়ে বড় ধরনের পরিবর্তনের জোরালো গুঞ্জন শুরু হয়েছে। বিশেষ করে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ও ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনারের মতো গুরুত্বপূর্ণ দুটি পদে নতুন কারা আসছেন, তা নিয়ে প্রশাসনের অন্দরমহলে চলছে ব্যাপক আলোচনা।

পুলিশসহ নির্ভরযোগ্য সূত্রগুলো বলছে, নতুন আইজিপি হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার বিষয়ে কয়েকজনের নাম আলোচনায় রয়েছে। তাদের মধ্যে ১২তম ব্যাচের কর্মকর্তা হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (অতিরিক্ত আইজিপি) দেলোয়ার হোসেন মিঞা, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক আলী হোসেন ফকির, পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি মো. ছিবগাত উল্লাহ এবং র‍্যাবের মহাপরিচালক এ কে এম শহিদুর রহমানের নাম নতুন আইজিপি হতে পারেন বলে আলোচনা রয়েছে।

চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের পর র‍্যাবের ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য পুলিশের চৌকস কর্মকর্তা শহিদুর রহমানকে র‍্যাবের মহাপরিচালক পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেয় অন্তর্বর্তী সরকার। আগামী ১৫ মার্চ তার চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের মেয়াদ শেষ হবে।

আইজিপি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত আইজিপি মতিউর রহমান শেখের নামও আলোচনায় রয়েছে। এছাড়া আইজিপির আলোচনায় রয়েছেন পুলিশের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার সমন্বয়ক (কো-অর্ডিনেটর, গ্রেড-১) আনসার উদ্দিন খান পাঠান। ২০২২ সালে তিনি অবসরে যান।

নতুন আইজিপি-ডিএমপি কমিশনার পদে আলোচনায় যারা

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানালেন সৌ‌দি যুবরাজ

পুলিশ সদর দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, আইজিপি বাহারুল আলমকে ২০২৪ সালে ২০ নভেম্বর দুই বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেয় অন্তর্বর্তী সরকার। চুক্তি অনুযায়ী তার মেয়াদ আছে আরও প্রায় ৯ মাস।

ডিএমপি কমিশনার হওয়ার আলোচনায় আছেন চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ (সিএমপি) কমিশনার হাসিব আজিজ, অতিরিক্ত আইজিপি (লজিস্টিকস অ্যান্ড অ্যাসেট অ্যাকুইজিশন) মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ। এছাড়া র‍্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক ফারুক আহমেদের নাম নতুন ডিএমপি কমিশনার পদে আলোচনায় রয়েছে। বর্তমান ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলীর চুক্তিভিত্তিক মেয়াদ শেষ হবে চলতি বছরের ২১ নভেম্বর।

একাধিক সূত্র আরও জানায়, বিএনপি সরকার গঠন করায় এখন পুলিশ, র‍্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীতে ব্যাপক রদবদল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।