শিরোনাম
পরিবেশ ও জলবায়ু সংকটে গুরুতর চ্যালেঞ্জের মুখে বিশ্ব : এরদোয়ান
পরিবেশ ও জলবায়ু সংকটে গুরুতর চ্যালেঞ্জের মুখে বিশ্ব : এরদোয়ান

পরিবেশ ও জলবায়ু সংকট নিয়ে পুরো বিশ্ব গুরুতর চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান। ইস্তাম্বুলে ‘জেমরে ফাউন্ডেশন’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

এরদোয়ান বলেন, শিল্পকারখানার বর্জ্য, স্প্রে ও ধোঁয়া, তেল ও ওষুধের বর্জ্য, প্লাস্টিক পণ্য, নতুন সার, আবর্জনা ও বিভিন্ন রাসায়নিক বর্জ্য দ্রুত পরিবেশ দূষিত করছে। এর ফলে বায়ু, পানি ও মাটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

তিনি সতর্ক করে বলেন, অসচেতনভাবে ফেলে দেওয়া একটি প্লাস্টিকের বোতল প্রায় চার শতাব্দী পর্যন্ত পরিবেশ দূষণ করতে পারে। জলবায়ু পরিবর্তন ও প্রকৃতির ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার কারণে বন্যা, ঘূর্ণিঝড় ও অস্বাভাবিক আবহাওয়ার মতো দুর্যোগ বাড়ছে, যা মানবসহ সব জীবের জন্য হুমকি তৈরি করছে।

প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান বলেন, এখন আর জলবায়ু ও পরিবেশ সংকটকে উপেক্ষা করার সুযোগ নেই। পরিবেশ রক্ষায় আরও জোরালো উদ্যোগ নিতে হবে এবং বিশেষ করে তরুণদের সম্পৃক্ত করতে হবে।

তিনি জানান, তরুণদের স্বেচ্ছাসেবী উদ্যোগ হিসেবে ‘জেমরে ফাউন্ডেশন’ গঠন করা হয়েছে, যা পরিবেশ রক্ষায় সচেতনতা ও দায়িত্ববোধ বাড়াতে কাজ করবে।

বৃষ্টি ও তাপমাত্রা নিয়ে আগামী ৫ দিনের পূর্বাভাস
বৃষ্টি ও তাপমাত্রা নিয়ে আগামী ৫ দিনের পূর্বাভাস

গত কয়েক দিন ধরে শীতের তীব্রতা কিছুটা কম। তবে সকালের দিকে এখনো অনুভূত হচ্ছে ঠাণ্ডা। এরই মধ্যে তিন বিভাগে শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার বৃষ্টি নিয়ে পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, বিষবীয় ভারত মহাসাগর ও তৎসংলগ দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপটি বর্তমানে দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বিষবীয় ভারত মহাসাগর এলাকায় অবস্থান করছে। এটি পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর ও ঘনীভূত হতে পারে। উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ বিহার ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে।

এ অবস্থায় শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। এ সময় সারা দেশে রাত ও দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। সারা দেশে রাত ও দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।

বৃষ্টি ও তাপমাত্রা নিয়ে আগামী ৫ দিনের পূর্বাভাস

রমজানেই ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানী দেবে সরকার

সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রাজশাহী, ঢাকা ও খুলনা বিভাগের দু’এক জায়গায় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ ছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। এ সময় সারা দেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে ও দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।

মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রাজশাহী, ঢাকা ও খুলনা বিভাগের দু’এক জায়গায় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। এ সময় সারা দেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। সারা দেশে রাত ও দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

বর্ধিত ৫ (পাঁচ) দিনের আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, এ সময়ে রাতের তাপমাত্রা কমতে পারে।

স্কুলের মাঠে পর্যাপ্ত গাছপালা আছে কি, যা বলছে ইউরোপীয় গবেষণা
স্কুলের মাঠে পর্যাপ্ত গাছপালা আছে কি, যা বলছে ইউরোপীয় গবেষণা

স্কুলের মাঠ ও আশপাশে বেশি গাছপালা লাগালে শহরের তাপমাত্রা কমানো যায়। এতে শিশুদের স্বাস্থ্য ভালো থাকে। একই সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলাও সহজ হয়। সম্প্রতি ইউরোপের একদল গবেষক এসব তথ্য জানিয়েছেন।

তিন বছর ধরে পরিচালিত ‘কুলস্কুলস’ নামে একটি গবেষণা থেকে এই তথ্য জানা গেছে। প্রকল্পটির নেতৃত্ব দেয় স্পেনের উনিভার্সিতাত ওবেরতা দে কাতালুনিয়া ও উনিভার্সিতাত পলিতেকনিকা দে কাতালুনিয়া। গবেষণার ফল প্রকাশিত হয়েছে আন্তর্জাতিক সাময়িকী ন্যাচার ক্লাইমেট চেঞ্জে।

গবেষকেরা বলেন, অনেক স্কুলের মাঠ পুরোপুরি কংক্রিটে তৈরি। এসব মাঠে গাছ বা ছায়া কম থাকে। ফলে গরমের সময় সেখানে তাপমাত্রা দ্রুত বেড়ে যায়। এতে শিশুরা বেশি তাপের ঝুঁকিতে পড়ে। তারা অসুস্থও হতে পারে।

 

গবেষণায় দেখা গেছে, ইউরোপের শহরাঞ্চলের প্রায় ৪০ শতাংশ স্কুল ‘হিট আইল্যান্ড’ প্রভাবের মধ্যে আছে। অর্থাৎ শহরের কংক্রিট ও পাকা অবকাঠামোর কারণে এসব এলাকায় তাপমাত্রা বেশি থাকে। আবার প্রায় ৯০ শতাংশ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আশপাশে ৩০০ মিটারের মধ্যে পর্যাপ্ত সবুজ জায়গা নেই।

স্কুলের মাঠে পর্যাপ্ত গাছপালা আছে কি, যা বলছে ইউরোপীয় গবেষণা

এ বছর কপ৩১ আয়োজন করবে তুরস্ক

বিশেষজ্ঞরা বলেন, স্কুলের মাঠে গাছ লাগানো, ছায়া, বাগান ও প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করলে পরিবেশ ঠান্ডা থাকে। এতে বায়ুদূষণও কমে। শিশুরা প্রকৃতির কাছাকাছি থাকতে পারে। তাদের মানসিক স্বাস্থ্য ভালো হয়। তারা পরিবেশ সম্পর্কে সচেতন হয়ে ওঠে।

 

গবেষকেরা স্কুলকে ‘প্রকৃতিনির্ভর জলবায়ু আশ্রয়স্থল’ হিসেবে গড়ে তোলার পরামর্শ দিয়েছেন। তাদের মতে, স্কুল শুধু পড়াশোনার জায়গা নয়। এটি একটি সামাজিক কেন্দ্রও। তাই স্কুলে সবুজায়ন বাড়ালে আশপাশের এলাকাও উপকৃত হবে।

তারা সতর্ক করে বলেছেন, তাপপ্রবাহ দিন দিন দীর্ঘ ও তীব্র হচ্ছে। এখনই ব্যবস্থা না নিলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম আরও বড় ঝুঁকিতে পড়বে। তাই শহর পরিকল্পনায় গাছপালা ও উন্মুক্ত প্রাকৃতিক স্থানকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।

গবেষকেরা স্কুলের মাঠ ও নগর এলাকায় সবুজায়নের জন্য পর্যাপ্ত বাজেট ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তাদের মতে, এখনই উদ্যোগ নিলে ভবিষ্যতে আরও বাসযোগ্য, নিরাপদ ও জলবায়ু-সহনশীল শহর গড়ে তোলা সম্ভব।

শুরু হলো কনকা ও হাইকোর বিশেষ প্রমোশনাল ক্যাম্পেইন ‘ঘষা দিলেই গোল্ড’
শুরু হলো কনকা ও হাইকোর বিশেষ প্রমোশনাল ক্যাম্পেইন ‘ঘষা দিলেই গোল্ড’

ঈদুল আজহা উপলক্ষে খুচরা ও পাইকারি ক্রেতাদের জন্য বিশেষ প্রমোশনাল ক্যাম্পেইন ‘ঘষা দিলেই গোল্ড’ শুরু করেছে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় ব্র্যান্ড কনকা ইলেকট্রনিক্স ও হাইকো। দেশের বাজারে ব্র্যান্ড দুটি বিপণন করছে ইলেক্ট্রো মার্ট গ্রুপ।

প্রমোশনাল অফারের আওতায় কনকা ও হাইকো ব্র্যান্ডের ফ্রিজ, এলইডি টিভি, মাইক্রোওয়েভ ওভেন ও ওয়াশিং মেশিন কিনলে ক্রেতারা পাবেন একটি স্ক্র্যাচকার্ড। কার্ড ঘষলেই জেতার সুযোগ থাকছে স্বর্ণালংকার, নগদ টাকা ও আকর্ষণীয় নানা পুরস্কার।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ইলেক্ট্রো মার্ট লিমিটেড গ্রুপের ডিএমডি মো. নুরুল আফছার বলেন, তিন দশকের বেশি সময় ধরে কনকা ইলেকট্রনিকস ও হোম অ্যাপ্লায়েন্স পণ্য দেশের গ্রাহকদের আস্থা ও নির্ভরতার প্রতীক হয়ে উঠেছে। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলেও এখন কনকা পণ্য সহজলভ্য।

তিনি জানান, কনকা ও হাইকো ব্র্যান্ডের বিশেষ বৈশিষ্ট্য, গুণগত মান, বিক্রয়োত্তর সেবা এবং সাশ্রয়ী মূল্যের কারণে গ্রাহকদের প্রথম পছন্দে পরিণত হয়েছে। শিগ্‌গিরই বাজারে যুক্ত হবে নতুন মডেলের রেফ্রিজারেটর ও ফ্রিজার।

শুরু হলো কনকা ও হাইকোর বিশেষ প্রমোশনাল ক্যাম্পেইন ‘ঘষা দিলেই গোল্ড’

এপেক্স স্টাইলে No.1, ঈদ ট্রেন্ডে ফ্যামিলি ফান

সম্মেলনে জানানো হয়, বিশ্বের বহু দেশে সমাদৃত কনকা রেফ্রিজারেটর, ফ্রিজার ও সিলিং ফ্যান এখন বাংলাদেশেই উৎপাদিত হচ্ছে। পণ্যগুলো পরিবেশবান্ধব, ব্যবহার উপযোগী ও গ্রাহকবান্ধব ডিজাইনে তৈরি।

কনকা রেফ্রিজারেটরে ব্যবহৃত ব্লুজোন ও ভিটামিন ফ্রেশ টেকনোলজি, অ্যাক্টিভেটেড কার্বন ডিওডোরাইজার, হিউমিডিটি কন্ট্রোলার, অ্যান্টিফাঙ্গাল ডোর গ্যাসকেট এবং ডিজিটাল ইনভার্টার প্রযুক্তি বাজারে আলাদা অবস্থান তৈরি করেছে। অ্যাক্টিভেটেড কার্বন ডিওডোরাইজার ব্যাকটেরিয়া ৯৯.৯% পর্যন্ত নিষ্ক্রিয় করে খাবারের গুণগত মান বজায় রাখতে সহায়তা করে বলে জানানো হয়।

ইনভার্টার প্রযুক্তি বিদ্যুৎ সাশ্রয় নিশ্চিত করার পাশাপাশি পণ্যের স্থায়িত্ব বাড়ায়। ট্রিপল মোড ডিজিটাল টেম্পারেচার কন্ট্রোল একই সঙ্গে রেফ্রিজারেটর, ফ্রিজার ও সুপারকুল সুবিধা দেয়।

কনকার হোম অ্যাপ্লায়েন্স পণ্যের মধ্যে রয়েছে এলইডি টিভি, ওয়াশিং মেশিন, মাইক্রোওয়েভ ওভেন, মিক্সচার গ্রাইন্ডার, ইলেকট্রিক কেটলি, গ্যাস স্টোভ, ইনফ্রারেড কুকার, প্রেসার কুকার, রাইস কুকার ও ইলেকট্রিক আয়রনসহ নানা পণ্য। কিছু যন্ত্রাংশ আমদানি করে দেশে সংযোজন ও উৎপাদন করা হয়।

অনুষ্ঠানে গ্রুপের ডিএমডি মোহাম্মদ নুরুচ্ছাফা বাবু, পরিচালক মোহাম্মদ সাজ্জাদ-উন-নেওয়াজ, বিক্রয় ও বিপণন জিএম মাহমুদুন নবী চৌধুরী, এনএসএম জুলহাক হোসাইনসহ অন্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ঈদ উপলক্ষে আকর্ষণীয় পুরস্কার ও আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয়ে ক্রেতাদের জন্য বিশেষ অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করবে ‘ঘষা দিলেই গোল্ড’ ক্যাম্পেইন— এমনটাই প্রত্যাশা আয়োজকদের।

প্রবাসীদের সুযোগ-সুবিধার জন্য সব কিছু করব : মন্ত্রী আরিফুল হক
প্রবাসীদের সুযোগ-সুবিধার জন্য সব কিছু করব : মন্ত্রী আরিফুল হক

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেছেন, রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের টাকায় আমরা মন্ত্রণালয়ে বসে থাকি। তাই তাদের সুযোগ-সুবিধার জন্য যা যা প্রয়োজন সব করব। এ ছাড়া প্রবাসীদের লাশ কোনো খরচ ছাড়া দেশে নিয়ে আসার সর্বোচ্চ ব্যবস্থা করব।

মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টায় ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডে নতুন যুক্ত হওয়া দুটি ফ্রিজিং অ্যাম্বুলেন্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য এসব কথা বলেন তিনি। প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় প্রাঙ্গণে এ অনুষ্ঠান হয়।

মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, আমাদের প্রবাসীরা যখন বিদেশে থাকেন তখন তারা বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেন। প্রত্যেকেই বাংলাদেশের একেকটি পতাকা হয়ে কাজ করেন, বিষয়টির স্বীকৃতি প্রয়োজন। প্রবাসীরা ফেরত আসার পর দেশে যে ইতিবাচক ভূমিকা রাখেন সেগুলোও হিসাবের মধ্যে থাকা বাঞ্চনীয়। স্বাস্থ্য সেবা, শিক্ষার চাহিদা, সামাজিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে তাদের অবদানকে মূল্যায়ন করা উচিত। এক্ষেত্রে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড প্রবাসী কর্মী ও তাদের পরিবারের সার্বিক কল্যাণে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, আমরা নতুন দায়িত্বে এসেছি এখন সব কিছু জানি না। তবে আগামী ১৮০ দিনের মধ্যে প্রবাসীদের জন্য দেওয়া আমাদের নির্বাচনী ইস্তেহার বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। তাই অন্তত কিছুদিন পর সব বিষয়ে জানতে চাইলে ভালো হয়। এ ছাড়া কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ে জানার থাকলে আমার জনসংযোগ কর্মকর্তার মাধ্যমে জানাতে পারেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক বলেন, বিদেশে অনেকে বিএমইটি রেজিস্ট্রেশন ছাড়াই যান এতে তারা সুবিধাবঞ্চিত হন। রেজিস্ট্রেশন করে গেলে সবার জন্য ভালো। নতুন দুই অ্যাম্বুলেন্স কিছুটা চাহিদা মেটাবে। আগামীতে আরও অনেক কিছু যুক্ত করা হবে। এ ছাড়া বিদেশের বিভিন্ন মার্কেটপ্লেস উন্মুক্ত করতে সবার সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

নতুন সংযোজিত ফ্রিজিং অ্যাম্বুলেন্সগুলোরর সুবিধা হলো— মরদেহ সংরক্ষণে আন্তর্জাতিক মান নিশ্চিত করা সম্ভব হবে; বিমানবন্দর থেকে নিজ নিজ গন্তব্যে মরদেহ পরিবহন আরও সুশৃঙ্খল ও সম্মানজনক হবে; প্রবাসী পরিবারগুলোর ভোগান্তি কমবে এবং জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সেবা প্রদান নিশ্চিত হবে।

মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. নেয়ামত উল্যাহ ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের মহাপরিচালক ব্যারিস্টার মো. গোলাম সারোয়ার ভূঁইয়া, সহকারী পরিচালক মো. নাজমুল হকসহ মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

‘হাসনাত কই, লীগ তো দোকান খোলা শুরু করছে’
‘হাসনাত কই, লীগ তো দোকান খোলা শুরু করছে’

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ দেশের বিভিন্ন স্থানে তাদের কার্যালয় খোলা নিয়ে প্রশ্ন তুলে সংস্কার আর জুলাই গণঅভ্যুত্থানে হতাহতের ঘটনায় দায়ীদের বিচার হবে কিনা তা জানতে চাইলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।

সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ও এনসিপির মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহর ফেসবুক অ্যাকাউন্টে ট্যাগ করে একটি পোস্টে এ প্রসঙ্গ তোলেন তিনি।

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী লিখেছেন, ‘হাসনাত আব্দুল্লাহ কই? লীগ তো দোকান খোলা শুরু করছে। নির্বাচন তো হইলো, এইবার সংস্কার আর বিচার হইব্বে।’

এর আগে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হয় শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকার। এরপর ৮ আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেয়।

‘হাসনাত কই, লীগ তো দোকান খোলা শুরু করছে’

ওসিকে হুমকির অভিযোগে সেই বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে মামলা

অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় আসে বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার। এই নির্বাচনে হাসনাত কুমিল্লা থেকে জয়ী হলেও ঢাকা-৮ আসনে লড়ে হেরে যান নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।

 

 

নিপাহ ভাইরাসে নারীর মৃত্যু, এশিয়ার বিমানবন্দরগুলোতে উচ্চ সতর্কতা
নিপাহ ভাইরাসে নারীর মৃত্যু, এশিয়ার বিমানবন্দরগুলোতে উচ্চ সতর্কতা

চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে উত্তরাঞ্চলের এক নারী নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) এক বিবৃতিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

এ ঘটনায় এশিয়ার বিভিন্ন দেশের বিমানবন্দরগুলোতে জোরদার করা হয়েছে স্বাস্থ্য পরীক্ষার ব্যবস্থা।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, বাংলাদেশে আক্রান্ত ওই নারী ৪০ থেকে ৫০ বছর বয়সী ছিলেন। তিনি ২১ জানুয়ারি এই ভাইরাসের উপসর্গ নিয়ে অসুস্থ হন। শুরুতে জ্বর ও মাথাব্যথা দেখা দেয়, পরে অতিরিক্ত লালা নিঃসরণ, দিকভ্রান্তি ও খিঁচুনির মতো গুরুতর উপসর্গ দেখা দেয়। এক সপ্তাহ পর তার মৃত্যু হয় এবং মৃত্যুর একদিন পর পরীক্ষায় নিপাহ ভাইরাস সংক্রমণ নিশ্চিত করা হয়।

এ ঘটনায় আক্রান্ত নারীর সংস্পর্শে আসা ৩৫ ব্যক্তিকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং তাদের সবার পরীক্ষার ফল নিপাহ ভাইরাসের জন্য নেগেটিভ এসেছে। এখন পর্যন্ত নতুন কোনো সংক্রমণ শনাক্ত হয়নি।

সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, বাংলাদেশে প্রায় প্রতি বছরই নিপাহ ভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হয়। সম্প্রতি প্রতিবেশী দেশ ভারতেও দুটি নিপাহ ভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হয়। এর ফলে এশিয়ার বিভিন্ন দেশের বিমানবন্দরগুলোতে জোরদার করা হয়েছে স্বাস্থ্য পরীক্ষার ব্যবস্থা।

উল্লেখ্য, নিপাহ ভাইরাস সাধারণত বাদুড় দ্বারা দূষিত ফল বা খাদ্যপণ্যের মাধ্যমে ছড়ায়। এ ভাইরাসে আক্রান্ত হলে মৃত্যুর হার সর্বোচ্চ ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে। তবে এটি সংক্রামক রোগ নয়। ভারতের পশ্চিমবঙ্গে নিপাহ ভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হওয়ার পর মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া ও পাকিস্তানসহ কয়েকটি দেশ বিমানবন্দরে তাপমাত্রা পরীক্ষা চালু করেছে। তবে এ কারণে কোনো ধরনের ভ্রমণ বা বাণিজ্যিক নিষেধাজ্ঞার সুপারিশ করা হয়নি।

সূত্র : আরব নিউজ

গুলশানে ফ্ল্যাট জালিয়াতি টিউলিপ সিদ্দিকের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
গুলশানে ফ্ল্যাট জালিয়াতি টিউলিপ সিদ্দিকের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

রাজধানীর গুলশান-২ এলাকায় অবৈধভাবে একটি ফ্ল্যাট গ্রহণের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভাগনি টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিকসহ দুজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ দুদকের দেওয়া চার্জশিট গ্রহণ করে এ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন। দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর মীর আহম্মেদ সালাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হওয়া অপর আসামি হলেন- রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)-এর সাবেক সহকারী আইন উপদেষ্টা সরদার মোশাররফ হোসেন। আসামিদের গ্রেপ্তারসংক্রান্ত তামিল প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ৮ মার্চ দিন ধার্য করা হয়েছে।

অবৈধ সুবিধা নিয়ে ঢাকার গুলশানে ইস্টার্ন হাউজিং লিমিটেডের ফ্ল্যাট নেওয়ার অভিযোগে গত বছরের ১৫ এপ্রিল রিজওয়ানা সিদ্দিক, রাজউকের সাবেক সহকারী আইন উপদেষ্টা শাহ মো. খসরুজ্জামান ও সাবেক সহকারী আইন উপদেষ্টা-১ সরদার মোশারফ হোসেনের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়, তারা পরস্পর যোগসাজশে ক্ষমতার অপব্যবহার করে কোনো টাকা পরিশোধ না করেই অবৈধভাবে ইস্টার্ন হাউজিং লিমিটেডের গুলশান-২ এর ফ্ল্যাট দখল নেন ও পরে রেজিস্ট্রি করেন। 

চলতি বছরের জুলাই মাসে আসামি শাহ খসরুজ্জামান হাইকোর্টে একটি রিট করেন। রিটের পরিপ্রেক্ষিতে তার তদন্ত তিন মাসের জন্য স্থগিত করা হয়। পরে চেম্বার আদালতে গেলেও দুদক ‘নো অর্ডার’ আদেশ পায়।

গত ১১ ডিসেম্বর তদন্ত শেষে দণ্ডবিধির ১৬১/১৬৫(ক)/৪৬৭/৪৬৮/৪৭১/১০৯ ধারায় এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিক ও সরদার মোশাররফ হোসেনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন দুদক।

ডেস্কে বসে কাজ করে ওজন বাড়ছে? যেসব লক্ষণ দেখলে সতর্ক হবেন
ডেস্কে বসে কাজ করে ওজন বাড়ছে? যেসব লক্ষণ দেখলে সতর্ক হবেন

সারাদিন ডেস্কে বসে কাজ করেন, অথচ খাওয়াদাওয়া তেমন না বদলালেও কি হঠাৎ ওজন বাড়তে শুরু করেছে? শরীর ভারী লাগে, ক্লান্তি পিছু ছাড়ে না? অনেকেই ভাবেন, শুধু ব্যায়াম করলেই সব ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু আসল সমস্যা লুকিয়ে আছে দিনের বেশিরভাগ সময় একই ভঙ্গিতে বসে থাকার মধ্যেই।

কেন ডেস্কে বসে কাজ করলে ওজন বাড়ে?

ডায়েটিশিয়ান ও ডায়াবেটিস এডুকেটর কানিকা মালহোত্রা বলেন, দীর্ঘসময় বসে থাকলে শরীরের মেটাবলিজম ধীর হয়ে যায়। ফলে শরীর কম ক্যালরি পুড়ায়, ফ্যাট জমতে থাকে, আর শক্তির ব্যবহার কমে যায়।

ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকলে শরীরের ‘মেটাবলিক ফ্লেক্সিবিলিটি’ কমে- মানে শরীর কার্বোহাইড্রেট আর ফ্যাটের মধ্যে শক্তির উৎস বদলাতে পারে না। এর ফলে-

ডেস্কে বসে কাজ করে ওজন বাড়ছে? যেসব লক্ষণ দেখলে সতর্ক হবেন

কিডনি পরিষ্কার রাখে যে ৭ খাবার 

- রক্তে শর্করার ভারসাম্য নষ্ট হয়

- ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স বাড়ে

- হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ে

তাই তিনি পরামর্শ দেন, ২০-৩০ মিনিট পর পর কয়েক মিনিট দাঁড়িয়ে থাকা বা হাঁটা খুব জরুরি।

ডেস্কে বসে কাজেই ওজন বাড়ছে, এটা বুঝবেন যেভাবে

বিশেষজ্ঞরা জানান, নিচের ৬টি লক্ষণ দেখলে সতর্ক হোন—

পেটের চারপাশে চর্বি জমছে

সারাদিন বসে থাকার কারণে ক্যালরি পোড়ে কম, আর ফ্যাট জমে পেটের আশপাশে।

রক্তচাপ বাড়ছে

অনেকক্ষণ এক ভঙ্গিতে বসলে রক্তপ্রবাহ ব্যাহত হয়, রক্তচাপ বাড়তে পারে।

রক্তে শর্করা বেড়ে যাচ্ছে

নড়াচড়া কম হলে শরীর গ্লুকোজ ঠিকভাবে ব্যবহার করতে পারে না—ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ে।

কোলেস্টেরল বৃদ্ধি

লম্বা সময় বসে থাকা খারাপ কোলেস্টেরল ও ট্রাইগ্লিসারাইড বাড়ায়, হৃদরোগের সম্ভাবনা বাড়ে।

সবসময় ক্লান্তি লাগে

ধীর মেটাবলিজমের কারণে সারাদিন শরীর ভারী লাগে, শক্তি কমে যায়।

মাংসপেশি দুর্বল হয়ে পড়া

পা ও কোমরের পেশি ব্যবহার না হলে সেগুলো দুর্বল হয় - ফলাফল, আরও ধীর বিপাকক্রিয়া।

সমাধান : ছোট অভ্যাসেই বড় পরিবর্তন

কানিকা মালহোত্রার মতে, ডেস্ক জব থাকলেই যে অসুস্থ হতেই হবে, তা নয়—অল্প কিছু অভ্যাস পাল্টালেই অনেক সুবিধা :

- প্রতি ঘণ্টায় ৫ মিনিট হাঁটুন বা স্ট্রেচ করুন

- রাতের ভারী খাবার কমান, সকালে পুষ্টিকর খাবার খান

- ঠিক ভঙ্গিতে বসুন, পিঠ সোজা রাখুন

ডেস্কারসাইজ করুন : চেয়ার স্কোয়াট, সিটেড লেগ লিফট, হালকা হ্যান্ড এক্সারসাইজ

আজকের কর্মজীবনে দীর্ঘসময় ডেস্কে বসে থাকা এড়ানো কঠিন। কিন্তু সচেতন থাকলে এই অভ্যাসের ক্ষতি কমানো সম্ভব। দিনের মাঝে ছোট হাঁটা, নিয়মিত ব্যায়াম, সঠিক খাবার আর ভালো ঘুম - এগুলোই আপনার শরীরের বিপাক ঠিক রাখবে, আর ওজনও থাকবে নিয়ন্ত্রণে।

সূত্র : ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

ভোটের মাঠে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় সেনাবাহিনীর সফলতা
ভোটের মাঠে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় সেনাবাহিনীর সফলতা

একটি নির্বাচন কেবল ব্যালট বাক্সে ভোট প্রদান বা ফলাফল ঘোষণার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; এটি একটি জাতির রাজনৈতিক পরিপক্বতা, সামাজিক সহনশীলতা এবং প্রশাসনিক সক্ষমতারও পরীক্ষা। সাম্প্রতিক জাতীয় নির্বাচন সেই পরীক্ষারই একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হয়ে থাকবে। নানা আশঙ্কা, রাজনৈতিক উত্তাপ ও গুজবের ভেতর দিয়ে দেশ যখন ভোটের দিনে উপনীত হয়, তখন সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা ছিল একটাই—নিরাপদ, শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্ন ভোটগ্রহণ। সেই প্রত্যাশা পূরণে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ভূমিকা ছিল লক্ষণীয়।

নির্বাচনের আগে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছিল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার, সম্ভাব্য সহিংসতার আশঙ্কা এবং অতীতের অভিজ্ঞতা ভোটারদের মধ্যে শঙ্কা তৈরি করেছিল। এ প্রেক্ষাপটে সেনাবাহিনীর মোতায়েন কেবল প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত ছিল না; এটি ছিল জনআস্থার বার্তা। ভোটকেন্দ্রের আশপাশে তাদের দৃশ্যমান উপস্থিতি ভোটারদের আশ্বস্ত করেছে যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং কোনো অপশক্তি অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে পারবে না।

বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য, সেনাবাহিনীর পেশাদারিত্ব। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনসহ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা তাদের দক্ষতাকে আরও পরিণত করেছে। দেশের ভেতরে দুর্যোগ মোকাবিলা, অবকাঠামো নির্মাণ ও জরুরি পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার ক্ষেত্রেও তাদের সাফল্য রয়েছে। ফলে নির্বাচনকালীন দায়িত্ব পালন ছিল সুসংগঠিত ও শৃঙ্খলাবদ্ধ প্রয়াসের ধারাবাহিকতা।

ভোটের দিন ভোর থেকে বিভিন্ন কেন্দ্রে দেখা গেছে, সেনাসদস্যরা নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রেখে দায়িত্ব পালন করছেন। কোথাও অযথা হস্তক্ষেপ নয়, আবার প্রয়োজনীয় মুহূর্তে দ্রুত উপস্থিতি—এই ভারসাম্যই ছিল কার্যক্রমের বৈশিষ্ট্য। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী অন্যান্য বাহিনীর সঙ্গে সমন্বিতভাবে তারা নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলেন, যা ভোটারদের নির্ভয়ে কেন্দ্রে আসতে সহায়তা করেছে। বিশেষ করে প্রত্যন্ত ও সংঘাতপ্রবণ এলাকায় তাদের উপস্থিতি স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে কার্যকর ছিল।

গুজব প্রতিরোধ ছিল আরেকটি বড় চ্যালেঞ্জ। ভিত্তিহীন তথ্য মুহূর্তেই আতঙ্ক ছড়াতে পারে। সেনাবাহিনীর টহল ও নজরদারি গুজব-প্রসূত বিশৃঙ্খলা প্রতিরোধে সহায়ক হয়েছে। কোথাও বিচ্ছিন্ন উত্তেজনা দেখা দিলেও দ্রুত তা নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে, যা পরিকল্পনা ও প্রস্তুতির সমন্বয়কে নির্দেশ করে।

তবে এই সাফল্যের বড় দিক হলো নিরপেক্ষতা বজায় রাখা। একটি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সশস্ত্র বাহিনীর ভূমিকা সহায়ক—প্রভাব বিস্তারকারী নয়। ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়ায় প্রত্যক্ষ সম্পৃক্ত না হয়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা গণতান্ত্রিক চর্চাকে শক্তিশালী করে। এবারের নির্বাচন সেই সীমারেখা রক্ষার একটি দৃষ্টান্ত হতে পারে।

নির্বাচন নিয়ে ভিন্নমত থাকতেই পারে—এটাই গণতন্ত্রের স্বাভাবিক রূপ। তবে নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলার ক্ষেত্রে ইতিবাচক পরিবেশ তৈরি হয়েছে—এ কথা অনস্বীকার্য। নির্বাচন-পরবর্তী বড় ধরনের সহিংসতা না হওয়াও একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক। এর পেছনে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, নির্বাচন-সংশ্লিষ্ট সংস্থা এবং সেনাবাহিনীর সমন্বিত প্রচেষ্টা কাজ করেছে।

ভবিষ্যতের জন্য এ অভিজ্ঞতা তাৎপর্যপূর্ণ। নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা, জনআস্থা অর্জন এবং বাহিনী মোতায়েনের যৌক্তিকতা—এসব প্রশ্নের উত্তরে এবারের অভিজ্ঞতা দৃষ্টান্ত হয়ে থাকতে পারে। তবে দীর্ঘমেয়াদে বেসামরিক প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা বৃদ্ধিই টেকসই সমাধান। সংবেদনশীল সময়ে সেনাবাহিনীর সহায়ক ভূমিকা কার্যকর হলেও গণতন্ত্রের ভিত্তি মজবুত হয় বেসামরিক কাঠামোর উন্নয়নে।

সবশেষে বলা যায়, নির্বাচন একটি সামষ্টিক প্রয়াস। সেই প্রয়াসে সেনাবাহিনী শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে। তাদের পেশাদার আচরণ, সংযম ও দায়িত্ববোধ একটি ইতিবাচক বার্তা দিয়েছে—রাষ্ট্রের নিরাপত্তা কাঠামো গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করতে সক্ষম। এবারের নির্বাচনে সেনাবাহিনীর ভূমিকা একটি বাস্তব উদাহরণ হয়ে থাকবে—এমনটাই প্রত্যাশা।

লেখক : আব্দুল্লাহ আল মামুন

(সাংবাদিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক)

১৩২ কোটি প্রেফারেন্স শেয়ার ইস্যুর সম্মতি পেল পাওয়ার গ্রিড
১৩২ কোটি প্রেফারেন্স শেয়ার ইস্যুর সম্মতি পেল পাওয়ার গ্রিড

রাষ্ট্রায়ত্ত বিদ্যুৎ সঞ্চালন প্রতিষ্ঠান পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ লিমিটেড (পিজিসিবি) ১৩২ কোটি ৪২ লাখ ৯৪ হাজার ৭৬৪টি অগ্রাধিকারমূলক (প্রেফারেন্স) শেয়ার ইস্যুর চূড়ান্ত সম্মতি পেয়েছে।

নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) কোম্পানিটিকে এ সংক্রান্ত সম্মতিপত্র প্রদান করেছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের এই শেয়ারগুলো বিদ্যুৎ বিভাগের অনুকূলে ‘শেয়ার মানি ডিপোজিট’-এর বিপরীতে ইস্যু করা হবে। বিদ্যুৎ বিভাগের কাছ থেকে ইক্যুইটি হিসেবে নেওয়া ১ হাজার ৩২৪ কোটি ২৯ লাখ ৪৭ হাজার ৬৪০ টাকার বিপরীতে এই শেয়ারগুলো বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে। ২০২৪ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত এই অর্থ কোম্পানিটির হিসাবে ‘ডিপোজিট ফর শেয়ার’ হিসেবে জমা ছিল।

এর আগে, ২০২২-২৩ অর্থবছর পর্যন্ত জমাকৃত ২ হাজার ৫০৫ কোটি ৪০ লাখ টাকার বিপরীতে ২৫০ কোটি ৫৪ লাখের বেশি প্রেফারেন্স শেয়ার ইস্যুর জন্য বিএসইসির অনুমোদন পেয়েছিল পাওয়ার গ্রিড।

আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের প্রথমার্ধে পাওয়ার গ্রিডের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৫ টাকা ২২ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ১ টাকা ৫৫ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৪৮ টাকা ৩৬ পয়সায়।

সবশেষ সমাপ্ত ২০২৪-২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য কোনো লভ্যাংশ ঘোষণা করেনি কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে পাওয়ার গ্রিডের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ২ টাকা ৩০ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৬ টাকা ৬৯ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৩৯ টাকা ২৯ পয়সায়।

সমাপ্ত ২০২৩-২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে পাওয়ার গ্রিডের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৫ টাকা ১ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১০ টাকা ১১ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৩২ টাকা ৬১ পয়সায়।

সমাপ্ত ২০২২-২৩ হিসাব বছরে উদ্যোক্তা পরিচালক বাদে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে পাওয়ার গ্রিডের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৮ টাকা ৮৯ পয়সা। আগের হিসাব বছরে ইপিএস ছিল ১ টাকা ৭০ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৫৯ টাকা ৪৭ পয়সায়।

২০০৬ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত পাওয়ার গ্রিডের অনুমোদিত মূলধন ১৫ হাজার কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৯১৩ কোটি ৮০ লাখ ৭০ হাজার টাকা। পুঞ্জীভূত লোকসানের পরিমাণ ১ হাজার ৪৮৭ কোটি ৬৫ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৯১ কোটি ৩৮ লাখ ৬ হাজার ৯৯১। এর ৫৮ দশমিক ৫০ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া সরকারের কাছে ২২, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ১৪ দশমিক ৫৬, বিদেশি বিনিয়োগকারী দশমিক শূন্য ১ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৪ দশমিক ৯৩ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

শপথ নিলেন বিএনপির সংসদ সদস্যরা
শপথ নিলেন বিএনপির সংসদ সদস্যরা

প্রথম ধাপে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা (এমপি) শপথগ্রহণ করেছেন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন সংসদ সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করান।

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বেলা পৌনে ১১টার দিকে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের শপথকক্ষে এই শপথ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।

শপথ অনুষ্ঠানে দেশি ও বিদেশি অতিথিরা অংশ নেন।

 

অনুষ্ঠানে শুরুতে নতুন আইনপ্রণেতাদের সামনে কথা বলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি সংবিধান সংস্কার পরিষদের বিষয়ে দলীয় সিদ্ধান্ত জানান। শপথ নেওয়ার পর সংসদ সদস্যরা শপথপত্রে সই করেন।

সূচি অনুযায়ী, এমপি হিসেবে শপথের পর বিএনপির সংসদীয় দলের বৈঠকে তারেক রহমানকে আনুষ্ঠানিকভাবে সংসদ নেতা নির্বাচিত করা হবে। এরপর বিকেল ৪টায় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত বিশেষ অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান ও নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ নেবেন।

শপথ নিলেন বিএনপির সংসদ সদস্যরা
শপথ নিলেন বিএনপির সংসদ সদস্যরা

প্রথম ধাপে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা (এমপি) শপথগ্রহণ করেছেন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন সংসদ সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করান।

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বেলা পৌনে ১১টার দিকে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের শপথকক্ষে এই শপথ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।

শপথ অনুষ্ঠানে দেশি ও বিদেশি অতিথিরা অংশ নেন।

 

অনুষ্ঠানে শুরুতে নতুন আইনপ্রণেতাদের সামনে কথা বলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি সংবিধান সংস্কার পরিষদের বিষয়ে দলীয় সিদ্ধান্ত জানান। শপথ নেওয়ার পর সংসদ সদস্যরা শপথপত্রে সই করেন।

সূচি অনুযায়ী, এমপি হিসেবে শপথের পর বিএনপির সংসদীয় দলের বৈঠকে তারেক রহমানকে আনুষ্ঠানিকভাবে সংসদ নেতা নির্বাচিত করা হবে। এরপর বিকেল ৪টায় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত বিশেষ অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান ও নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ নেবেন।

মন্ত্রিপরিষদে ডাক পাচ্ছেন নুরুল হক নুর
মন্ত্রিপরিষদে ডাক পাচ্ছেন নুরুল হক নুর

গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও পটুয়াখালী-৩ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) নুরুল হক নুর নতুন সরকারের মন্ত্রিসভায় ডাক পাচ্ছেন।

নুরকে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বলে সংবাদমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন গণঅধিকার পরিষদের উচ্চতর পরিষদ সদস্য ও গণমাধ্যম সমন্বয়ক আবু হানিফ।

তিনি বলেন, তিনি (নুর) মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে শপথ নেবেন। তাকে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে।

 

নুরুল হক নুর জাতীয় রাজনীতিতে পরিচিতি পান ২০১৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের মাধ্যমে। দীর্ঘ ২৮ বছর পর অনুষ্ঠিত ওই নির্বাচনে তিনি কোটা সংস্কার আন্দোলনের নেতা হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে তৎকালীন ছাত্রলীগ সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভনকে পরাজিত করে সহ-সভাপতি (ভিপি) নির্বাচিত হন। এরপর থেকেই তিনি ভিপি নুর নামে পরিচিতি পান।

মন্ত্রিপরিষদে ডাক পাচ্ছেন নুরুল হক নুর
মন্ত্রিপরিষদে ডাক পাচ্ছেন নুরুল হক নুর

গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও পটুয়াখালী-৩ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) নুরুল হক নুর নতুন সরকারের মন্ত্রিসভায় ডাক পাচ্ছেন।

নুরকে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বলে সংবাদমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন গণঅধিকার পরিষদের উচ্চতর পরিষদ সদস্য ও গণমাধ্যম সমন্বয়ক আবু হানিফ।

তিনি বলেন, তিনি (নুর) মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে শপথ নেবেন। তাকে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে।

 

নুরুল হক নুর জাতীয় রাজনীতিতে পরিচিতি পান ২০১৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের মাধ্যমে। দীর্ঘ ২৮ বছর পর অনুষ্ঠিত ওই নির্বাচনে তিনি কোটা সংস্কার আন্দোলনের নেতা হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে তৎকালীন ছাত্রলীগ সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভনকে পরাজিত করে সহ-সভাপতি (ভিপি) নির্বাচিত হন। এরপর থেকেই তিনি ভিপি নুর নামে পরিচিতি পান।