- রাতে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড় হতে পারে যেসব অঞ্চলে
- রাতে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড় হতে পারে যেসব অঞ্চলে
- রাতে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড় হতে পারে যেসব অঞ্চলে
- রাতে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড় হতে পারে যেসব অঞ্চলে
- test title
- নেতানিয়াহুর আহ্বান ইরানিরা ইসলামী শাসনব্যবস্থা উৎখাত করুক
- ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি ইরানে এমন হামলা চালাব, যা আগে কেউ দেখেনি
- শীর্ষ নেতাদের মধ্যে নিহত যারা যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলা
- ইরানের সমর্থনে দেশে দেশে বিক্ষোভ
- বিপ্লবের মাধ্যমে উত্থান যেভাবে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হয়ে উঠেছিলেন খামেনি
- খামেনিকে হত্যা করাচিতে মার্কিন কনস্যুলেটে বিক্ষোভ সংঘর্ষে নিহত ৯
- পুতিনের বন্ধুত্বেরও সীমা আছে খামেনিকে হত্যা
- তেল-গ্যাস সরবরাহ স্থগিত হরমুজ প্রণালি বন্ধ, ট্যাঙ্কারে হামলা কী প্রভাব পড়বে অর্থনীতিতে
- ওয়াশিংটন পোস্ট ইরানে হামলায় ট্রাম্পকে প্ররোচিত করে ইসরায়েল ও সৌদি আরব
- ইরানে মেয়েদের স্কুলে হামলায় নিহত বেড়ে ১৪৮
- স্ট্যান্ডার্ড ইসলামী ব্যাংক।
- পূবালী ব্যাংক
- মেটলাইফ
- জনতা ব্যাংকের
- ইসলামী ব্যাংক
- ইএফআইসি ব্যাংকে
- ঢাকা কাস্টমস এজেন্ট
- আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকে
- রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ রাজউক ভবন ঢাকা।
- ডিএপি ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিমিটেড
- বিকাশে রেমিট্যান্স পাঠানো ও গ্রহণে রমজানজুড়ে থাকছে আকর্ষণীয় অফার
- মার্চ মাসে জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত থাকছে
- ব্র্যাক ব্যাংকের হেড অব ট্রেজারি হলেন নাজমুল আহসান
- পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া সরিষা ও গমের বাম্পার ফলনে মুখে হাসি কৃষকের
- ময়মনসিংহের ২ বন্দর দিয়ে ভারতীয় কয়লা আমদানি শুরু
- ঈদে গীত আখড়ার লালন গান
- হলিউড সিরিজ থেকে সরে দাঁড়ালেন দীপিকা
- এক রাতের ট্রেন জার্নির প্রচারে ভিন্নতা
- শুভেচ্ছাদূত হলেন মুনমুন
- ওটিটিতে মুক্তি পাওয়া নতুন কনটেন্ট
- ওটিটিতে মুক্তি পাওয়া নতুন কনটেন্ট
- ওটিটিতে মুক্তি পাওয়া নতুন কনটেন্ট
- ওটিটিতে উপেক্ষিত সিনেমার শিল্পীরা
- আলভীর স্ত্রী ইকরার রহস্যজনক মৃত্যু
- যেসব কারণে যুদ্ধ করছে পাকিস্তান-আফগানিস্তান
- সিএনএনকে বিশ্লেষক ইরানের দ্রুত প্রতিক্রিয়া পরীক্ষায় ফেলেছে মার্কিন প্রতিরক্ষাকে
- নতুন যুদ্ধের খবরে তোলপাড় বিশ্ব, নিন্দা-সংযমের আহ্বান
- আলজাজিরার এক্সপ্লেইনার খামেনি কেন মার্কিন হামলার লক্ষ্যবস্তু
- ইরানকে উদ্ধারে কি এগিয়ে আসবে চীন
- ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ ছড়াচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যে
- মধ্যপ্রাচ্যে বিমান চলাচল ব্যাহত বন্ধ আকাশসীমা
- মায়ার এক্সপেরিয়েন্স জোন
- কাশিনাথপুর সোসাইটি
- ইসলামী ব্যাংক
- ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি
- e-Tender (LTM) Notice No : 02/2025-2026
- ব্যাংকার্স ক্লাবের নতুন সভাপতি রাশেদ আকতার সাধারণ সম্পাদক রশীদ-উন-নবী
- মিউচুয়াল ফান্ডে শৃঙ্খলা ফেরাতে কাস্টডিয়ান হচ্ছে সিডিবিএল
- ইসরায়েল-ইরান উত্তেজনা
- চাঁদাবাজি রোধে সামাজিক আন্দোলনের ডাক ডিসিসিআই সভাপতির
- সরকার গঠনের প্রথম সপ্তাহ
- স্বর্ণের দাম ভরিতে বেড়েছে ৪৩৭৪ টাকা
- বরিশালে বিচারক-আইনজীবী বিরোধ সমঝোতার পথে
- তথ্য প্রতিমন্ত্রী সাংবাদিকদের সমস্যা সমাধান ছাড়া গণমাধ্যম বিকশিত হবে না
- রাজধানীতে দোকানে ঢুকে পিস্তল ঠেকিয়ে ছিনতাইচেষ্টা
- ভোলায় এবার বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের সিদ্ধান্ত
- মানুষ কেন ৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে আর চাঁদে যায়নি?
- মানুষের ভাগ্য বদলে কর্মচারীদের কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
- স্থানীয় সরকারমন্ত্রী দুর্নীতিকে কখনো প্রশ্রয় দিইনি দেব না
- সম্পাদক : সন্তোষ শর্মা
- নারিন্দায় গ্যাস লিকেজ থেকে আগুনে দগ্ধ একজনের মৃত্যু
- বারবার বাচ্চা নষ্ট: কারণ প্রতিকার ও চিকিৎসা
- বাংলা ভাষার বিকাশে ঐক্যবদ্ধ প্রয়াস প্রয়োজন
- বাজার ব্যবস্থায় নৈতিকতার সংকট
- নাজির আফজাল মুসলিমবিদ্বেষ ও সহাবস্থানের বাস্তবতা
- স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ
- ব্যয়ের পাহাড়, ফল শূন্য
- তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী গণমাধ্যমের সর্বোচ্চ স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হবে
- মির্জা ফখরুল স্থানীয় সরকার নির্বাচন যথাসময়ে
- ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিল গ্রেপ্তার ৮
- জরায়ুমুখের ক্যানসারের লক্ষণ ও চিকিৎসা
- শিশুপ্রহরের উচ্ছ্বাসে মুখর প্রাঙ্গণ
- তৃণমূল মজবুত করেই স্থানীয় ভোটে নজর দিবে বিএনপি
- এক সারিতে দেখা যাবে ৬ গ্রহ ও চাঁদ
- তৃণমূলের ঐক্যে দুটি আসনেই বিএনপি
- বগুড়ায় শুরু ফ্যামিলি কার্ড প্রধানমন্ত্রী যাচ্ছেন ১০ মার্চ
- আফগানিস্তানে সিরিজ বিমান হামলা পাকিস্তানের
- বিএনপির ঘাঁটিতে এবার নতুন নেতৃত্বে আস্থা
- সাংগঠনিক দুর্বলতায় একটিতে বিএনপির হার
- আঙ্কেল আপনি রোজা রাখেন, প্রধানমন্ত্রীকে প্রশ্ন শিশুর
- হেলায় হেরেছে জাতীয় পার্টি সুযোগ নিয়েছে বিএনপি
- নির্বাচনে আমাদের হক কেড়ে নেওয়া হয়েছে
- পিটিয়ে পানিতে নামিয়ে অজু করাচ্ছেন এমপির নাতি
- বললেন জামায়াত আমির নির্বাচনে আমাদের হক কেড়ে নেওয়া হয়েছে
- আফগানিস্তানে সিরিজ বিমান হামলা পাকিস্তানের
- ঝরঝর করে ভেঙে পড়ল কাঁচা ঘরের টালি
- ফের কাঁপল দেশ, ১১ ভূমিকম্প এক মাসে
- আঙ্কেল আপনি রোজা রাখেন, প্রধানমন্ত্রীকে প্রশ্ন শিশুর
- সম্পাদক : সন্তোষ শর্মা
- অতিষ্ঠ জনজীবন
- বড় ধরনের ঝড় ও বৃষ্টিপাত না হলে মশার উপদ্রব সহজে কমবে না
- তৃণমূল মজবুত করেই স্থানীয় ভোটে নজর দেবে বিএনপি
- উষ্ণ সুপ মসলাদার পুর আর সুগন্ধি দম
- পরিবেশ ও জলবায়ু সংকটে গুরুতর চ্যালেঞ্জের মুখে বিশ্ব : এরদোয়ান
- এ বছর কপ৩১ আয়োজন করবে তুরস্ক
- বৃষ্টি ও তাপমাত্রা নিয়ে আগামী ৫ দিনের পূর্বাভাস
- আজ ঢাকার বাতাস ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’, দূষিত শহরের শীর্ষে লাহোর
- স্কুলের মাঠে পর্যাপ্ত গাছপালা আছে কি, যা বলছে ইউরোপীয় গবেষণা
- এপেক্স স্টাইলে No.1, ঈদ ট্রেন্ডে ফ্যামিলি ফান
- শুরু হলো কনকা ও হাইকোর বিশেষ প্রমোশনাল ক্যাম্পেইন ‘ঘষা দিলেই গোল্ড’
- সোসাইটি ফর স্বরূপকাঠী স্কুল অ্যালামনাই’র দ্বিতীয় ত্রৈ-বার্ষিক সভা অনুষ্ঠিত
- বনভূমির নীরবতায় বিলাসের ঠিকানা
- গ্র্যান্ড ইফতার বাজার-স্বাদ ও সম্প্রীতির এক অনন্য উদযাপন
- সবচেয়ে বড় সুপারমুন দেখা যাবে আজ
- শেষকৃত্য সেরে বাড়ি ফিরে দেখলেন উঠোনে বসে হাসছেন মৃত
- পাখিরা কেন বৈদ্যুতিক তারে বসতে পছন্দ করে, কেন তারা শক খায় না?
- প্রেমিক বিবাহিত, সন্তানও আছে! গোপন তথ্য ফাঁস করল চ্যাটজিপিটি
- মোবাইল ফোনের আসক্তি দূর করার উপায়
- সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য জরুরি নির্দেশ
- বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ আসনে ভোট ৯ এপ্রিল
- ঈদে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রির তারিখ ঘোষণা
- বিএনপি গণতন্ত্র ও আইনের শাসনে বিশ্বাসী : মঈন খান
- প্রবাসীদের সুযোগ-সুবিধার জন্য সব কিছু করব : মন্ত্রী আরিফুল হক
- কিছু মন্ত্রীদের মুখে দয়া করে টেপ লাগিয়ে দিতে বলুন
- সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টার বিরুদ্ধে মুশফিকুল আনসারীর গুরুতর অভিযোগ
- ‘হাসনাত কই, লীগ তো দোকান খোলা শুরু করছে’
- এনসিপির জন্য মেঘনা আলমের ফ্রি কোর্স
- ইফতারের আগে ছাত্রদল সভাপতির জন্য দোয়া চাইলেন ডাকসুর জুমা
- সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামানের ৩ সহযোগী ১০ দিনের রিমান্ডে
- ফারইস্টের সাবেক চেয়ারম্যান খালেক ৩ দিনের রিমান্ডে
- টাকার বিনিময়ে অবৈধ ভ্রমণ, ৩ রেলকর্মী বরখাস্ত
- রাজধানীতে নব্য জেএমবির সহযোগী সদস্য গ্রেপ্তার
- ৬ মাস ধরে বেতন না পাওয়ার অভিযোগ সৌদি প্রবাসীর
- শিশু বারবার ঘামছে? চিন্তার কারণ নয়, তবে সতর্ক থাকা জরুরি
- রুবি গজনবী পুরস্কার-২০২৪ পেল ‘মোনঘর’
- আপনার শিশুকে সবজি খাওয়ানোর সহজ কিছু উপায়
- মেন্টরশিপ, তৃণমূল সংযোগ ও পারিবারিক বাধা : চ্যালেঞ্জের মুখে নারীর রাজনীতি
- নিখোঁজ সেই তরুণীর সন্ধান চায় পিবিআই
- চট্টগ্রাম বন্দরের ১৫ কর্মচারীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা
- অচলাবস্থা কাটিয়ে আবার অপারেশনে ফিরল চট্টগ্রাম বন্দর
- দ্রুত স্থানীয় সরকার নির্বাচন চাইলেন চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন
- বন্দরে কনটেইনার জট, রমজানে পণ্য সরবরাহ নিয়ে শঙ্কা
- বিএনপি-জামায়াত তুমুল সংঘর্ষ
- দায়িত্ব বুঝে নিলেন নতুন চিফ প্রসিকিউটর
- ৪ জেলায় নিয়োগ দিচ্ছে ট্রান্সকম গ্রুপ
- ৪ জেলায় নিয়োগ দিচ্ছে ট্রান্সকম গ্রুপ
- চাকরি দিচ্ছে এসিআই, থাকছে না বয়সসীমা
- মধুমতি ব্যাংকে চাকরি, নেই বয়সসীমা
- বিভিন্ন গ্রেডে নিয়োগ দেবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়
- জনবল নিচ্ছে আবুল খায়ের গ্রুপ
- ব্যাপক বিভ্রাটে ইউটিউব, ভোগান্তিতে ব্যবহারকারীরা
- সিটিজের সভাপতি জাকির, মহাসচিব সাইফ
- রবিন রাফানের ‘এআই মাস্টারক্লাসে’ ১০ হাজারেরও বেশি আন্তর্জাতিক অংশগ্রহণকারী
- এনইআইআর পরীক্ষার জন্য সাময়িক বন্ধ হতে পারে মোবাইল সংযোগ
- দায়িত্ব বুঝে নিলেন নতুন চিফ প্রসিকিউটর
- দেশে সাশ্রয়ী বাজেটের স্মার্ট ২০ ফোন আনল ইনফিনিক্স
- দিশার বাড়িতে গুলিবর্ষণ: লরেন্স বিষ্ণোই চক্রের সদস্য গ্রেপ্তার
- ইতালি ভিসা কেলেঙ্কারি: দুই বাংলাদেশি দালালের কারাদণ্ড
- ইতালিতে বাংলাদেশ দূতাবাসে বিএনপির শুভেচ্ছা ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
- রাশিয়ায় বাংলাদেশিদের আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন
- সৌদিতে পৃথক দুর্ঘটনায় দুই বাংলাদেশির মৃত্যু
- প্যারিসে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত
- তমিজ উদ্দীন লোদীর কবিতা- গোলাপ কুঁড়ি মেলে ফুল হয়ে ফোটে
- রহমান মৃধার কবিতা ‘বেইমান’
- দয়াল দত্তের একুশের অগ্নিশপথ...
- নতুন সরকারের সামনে ‘ভিসি সমীকরণ’
- শহিদুল ইসলাম নিরবের গুচ্ছ গুচ্ছ কবিতা...
- কৌশিক আজাদ প্রণয়ের প্রতীক্ষা
- দেশের ৬ সিটি করপোরেশনে প্রশাসক নিয়োগ
- লাগেজে এয়ারগান, বিমানবন্দর থেকে নূর হোসেন আটক
- মোহাম্মদপুরে থানা ঘেরাও করে জনতার বিক্ষোভ
- রাজধানীতে আজ কোথায় কী
- যাত্রাবাড়ীতে লেগুনা ও বাস সংঘর্ষে নিহত ২
- রোজার জরুরি মাসায়েলে
- ইফতারে খেজুর রাখুন
- অপবিত্র অবস্থায় সেহরি খাওয়া যাবে কি না?
- ২২ ফেব্রুয়ারি : আজকের নামাজের সময়সূচি
- নীরব ঘাতক থাইরয়েড ক্যানসার, এই ৬ লক্ষণ দেখলেই সতর্ক হোন
- নীরবে শরীরে ছড়াচ্ছে ক্যানসার, সকালে এই একটি লক্ষণ দেখা দিলেই সতর্ক হোন
- ফুসফুস ক্যানসারের এই ৫ উপসর্গ সাধারণ অসুখ ভেবে এড়িয়ে যাচ্ছেন না তো?
- নিপাহ ভাইরাসে নারীর মৃত্যু, এশিয়ার বিমানবন্দরগুলোতে উচ্চ সতর্কতা
- দীর্ঘমেয়দি রোগে আক্রান্ত রোগীদের রোজা
- জামায়াত আমিরের অ্যাকাউন্ট হ্যাক, মধ্যরাতে মতিঝিলে ডিবির অভিযান
- রাষ্ট্রপতি কার্যালয়ের সেই প্রোগ্রামার গ্রেপ্তার
- যাত্রাবাড়ীতে দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে মাদ্রাসাছাত্র নিহত
- নেশার টাকার জন্য বাবাকে কুপিয়ে হত্যা করল ছেলে
- নিকেতনে জোর করে ফ্ল্যাট দখলের চেষ্টা, বাসা তছনছ
- গুলশানে ফ্ল্যাট জালিয়াতি টিউলিপ সিদ্দিকের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
- রিজার্ভ চুরি মামলার তদন্ত প্রতিবেদন পেছাল ৯৩ বার
- বিচার চলাকালে আদালতে পাথর নিক্ষেপ
- বোনকে হত্যার ৩১ বছর পর ভাই গ্রেফতার
- সালমান-আনিসুলের প্রথম সাক্ষ্য গ্রহণ আজ
- সামরিক স্থাপনার সুরক্ষায় ইরানের অভিনব পরিকল্পনা
- গণভোটের কোনো আইনগত ভিত্তি নেই : মেজর হাফিজ
- ঈদের আগেই ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণে কমিটি, দায়িত্বে আছেন যারা
- কী ঘটেছিল ইতিহাসের এই দিনে
- ১৬ ফেব্রুয়ারি : ইতিহাসের এই দিনে যা ঘটেছিল
- ডেস্কে বসে কাজ করে ওজন বাড়ছে? যেসব লক্ষণ দেখলে সতর্ক হবেন
- ভোটের মাঠে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় সেনাবাহিনীর সফলতা
- রোজা-ঈদ-বড়দিন উপলক্ষে সারা বিশ্বে চলে মূল্যহ্রাস, আর বাংলাদেশে...
- সংঘাতমুক্ত অবাধ জাতীয় নির্বাচন : পর্যবেক্ষণ থেকে বিশ্লেষণ
- নাসিরউদ্দীন পাটোয়ারী : স্পষ্টভাষিতা, বিতর্ক এবং নতুন রাজনীতির রূপরেখা
- কী কথা ছিল, আর কী হলো
- রোজা-ঈদ-বড়দিন উপলক্ষে সারা বিশ্বে চলে মূল্যহ্রাস, আর বাংলাদেশে...
- কী কথা ছিল, আর কী হলো
- ভোটের মাঠে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় সেনাবাহিনীর সফলতা
- আইনের শাসনই হবে রাষ্ট্র পরিচালনার শেষ কথা : প্রধানমন্ত্রী
- আইনের শাসনই হবে রাষ্ট্র পরিচালনার শেষ কথা : প্রধানমন্ত্রী
- আইনের শাসনই হবে রাষ্ট্র পরিচালনার শেষ কথা : প্রধানমন্ত্রী
- আইনের শাসনই হবে রাষ্ট্র পরিচালনার শেষ কথা : প্রধানমন্ত্রী
- আইনের শাসনই হবে রাষ্ট্র পরিচালনার শেষ কথা : প্রধানমন্ত্রী
- আইনের শাসনই হবে রাষ্ট্র পরিচালনার শেষ কথা : প্রধানমন্ত্রী
- আইনের শাসনই হবে রাষ্ট্র পরিচালনার শেষ কথা : প্রধানমন্ত্রী
- আইনের শাসনই হবে রাষ্ট্র পরিচালনার শেষ কথা : প্রধানমন্ত্রী
- আইনের শাসনই হবে রাষ্ট্র পরিচালনার শেষ কথা : প্রধানমন্ত্রী
- আইনের শাসনই হবে রাষ্ট্র পরিচালনার শেষ কথা : প্রধানমন্ত্রী
- ‘ভেন্টিলেটর সাপোর্টে’ সেলিম খান, হাসপাতালে বিমর্ষ সালমান
- এই লোক কি জিনিস আইডিয়া নাই : ইরফান
- নায়িকাদের চেয়ে নায়কদের সঙ্গেই স্বচ্ছন্দ জন
- বাবাকে হারালেন চিত্রনায়িকা মৌমিতা মৌ
- ‘ঘরোয়া ইফতার’ নিয়ে পর্দায় হাজির নিরব-বর্ষা-আশরাফুলরা
- ১৩২ কোটি প্রেফারেন্স শেয়ার ইস্যুর সম্মতি পেল পাওয়ার গ্রিড
- ১৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত রেমিট্যান্স প্রবাহ ২১.২ শতাংশ বৃদ্ধি
- পৃষ্ঠপোষকতার অর্থনীতি চলতে দেওয়া হবে না : নতুন অর্থমন্ত্রী
- বড় পতনের পর আজ থেকে নতুন দামে স্বর্ণ বিক্রি শুরু
- রেমিট্যান্সে বইছে সুবাতাস, বেড়েছে রিজার্ভও
- চবিতে হল সংসদের নামে জোড়া রুম বরাদ্দের অভিযোগ
- ছাত্ররাজনীতি উন্মুক্তের দাবি করল পাবিপ্রবিতে ছাত্রদল
- কলেজে ঈদের ছুটি শুরু, স্কুলে কবে থেকে
- শিক্ষাব্যবস্থাকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করাই আমার লক্ষ্য : শিক্ষামন্ত্রী মিলন
- নকল, প্রশ্নফাঁস আর ফিরে আসবে না : শিক্ষামন্ত্রী
- অস্ট্রেলিয়াকে উড়িয়ে সুপার এইটে শ্রীলঙ্কা
- কানাডাকে উড়িয়ে সুপার এইটে নিউজিল্যান্ড
- অস্ট্রেলিয়াকে বিদায় করে সুপার এইটে জিম্বাবুয়ে
- সাকিব-মাশরাফিকে নিয়ে চাওয়া জানালেন নতুন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী
- গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়েই সেমিফাইনালে বাংলাদেশ
- যুক্তরাষ্ট্রের হাইস্কুলে বন্দুকধারীর হামলা, নিহত ২
- প্রকাশ্যে মাছ-মাংস বিক্রি বন্ধ ভারতের বিহারে
- যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করতে জেনেভায় আব্বাস আরাগচি
- সৌদিতে রমজানের চাঁদ দেখা গেছে, রোজা শুরু বুধবার
- বাংলাদেশের উদাহরণ টেনে ভারতের নির্বাচন কমিশনকে কটাক্ষ মমতার
- দুটি কারখানার অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন
- দুটি কারখানার অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন
- শ্রমিক নেতাকে মারধরের অভিযোগ
- শ্রমিক নেতাকে মারধরের অভিযোগ
- বসন্তের প্রকৃতি রাঙাতে ফুটেছে ভাঁট
- বসন্তের প্রকৃতি রাঙাতে ফুটেছে ভাঁট
- বিদ্যুৎস্পর্শে প্রাণ গেল মা-ছেলের
- বিদ্যুৎস্পর্শে প্রাণ গেল মা-ছেলের
- সৈকতে ভেসে এলো তরুণ-তরুণীর মরদেহ
- সৈকতে ভেসে এলো তরুণ-তরুণীর মরদেহ
- নতুন প্রধানমন্ত্রীকে জি এম কাদেরের অভিনন্দন
- সাতসকালে ঝাড়ু হাতে রাস্তা পরিষ্কারে জামায়াত আমির
- রাস্তা পরিষ্কারের মাধ্যমে জাতিকে যে বার্তা দিলেন জামায়াত আমির
- সংস্কার পরিষদের শপথ না নেওয়া জুলাইকে অপমানের শামিল
- জাতীয় স্মৃতিসৌধে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
- তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী পদে নিয়োগ করে প্রজ্ঞাপন জারি
- নতুন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের মন্ত্রণালয় বণ্টন করে প্রজ্ঞাপন জারি
- বিকেলে নতুন মন্ত্রিপরিষদের প্রথম বৈঠক
- সবচেয়ে বেশি ও কম মন্ত্রী পেল যে বিভাগ
- প্রধান উপদেষ্টার ফেসবুক পেজ বন্ধের ঘোষণা
- ই-অরেঞ্জের সোনিয়াসহ ৬ জনের বিচার শুরু
- ধানমন্ডিতে ফুল দিয়ে গ্রেপ্তার ৩ শিক্ষার্থী আড়াই মাস আগের মামলায় কারাগারে
- সিলেট জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি ইয়াহইয়া, সম্পাদক জোবায়ের
- এমপিদের শপথ পাঠের পর রহস্যময় স্ট্যাটাস মামুনুল হকের
- গণভোটের ফল বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে রিট
- কবে হচ্ছে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন?
- কবে হচ্ছে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন?
- কবে হচ্ছে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন?
- কবে হচ্ছে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন?
- প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানালেন সৌদি যুবরাজ
- প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানালেন সৌদি যুবরাজ
- প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানালেন সৌদি যুবরাজ
- প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানালেন সৌদি যুবরাজ
- নতুন আইজিপি-ডিএমপি কমিশনার পদে আলোচনায় যারা
- নতুন আইজিপি-ডিএমপি কমিশনার পদে আলোচনায় যারা
- নতুন আইজিপি-ডিএমপি কমিশনার পদে আলোচনায় যারা
- নতুন আইজিপি-ডিএমপি কমিশনার পদে আলোচনায় যারা
- শেরপুরে জামায়াতের সহস্রাধিক নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা
- শেরপুরে জামায়াতের সহস্রাধিক নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা
- শেরপুরে জামায়াতের সহস্রাধিক নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা
- শেরপুরে জামায়াতের সহস্রাধিক নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা
- বড় পতনের পর আজ থেকে নতুন দামে স্বর্ণ বিক্রি শুরু
- বড় পতনের পর আজ থেকে নতুন দামে স্বর্ণ বিক্রি শুরু
- বড় পতনের পর আজ থেকে নতুন দামে স্বর্ণ বিক্রি শুরু
- বড় পতনের পর আজ থেকে নতুন দামে স্বর্ণ বিক্রি শুরু
- বিএনপির যেসব হেভিওয়েট নেতার মন্ত্রিসভায় জায়গা হয়নি
- বিএনপির যেসব হেভিওয়েট নেতার মন্ত্রিসভায় জায়গা হয়নি
- বিএনপির যেসব হেভিওয়েট নেতার মন্ত্রিসভায় জায়গা হয়নি
- সপরিবারে মা-বাবার কবর জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী
- সপরিবারে মা-বাবার কবর জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী
- সপরিবারে মা-বাবার কবর জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী
- সপরিবারে মা-বাবার কবর জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী
- সপরিবারে মা-বাবার কবর জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী
- সপরিবারে মা-বাবার কবর জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী
- নতুন সংসদ সদস্যদের শপথ সকাল ১০টায়
- স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে যাচ্ছেন মির্জা ফখরুল
- ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি ও সরকারি প্লট নেবেন না বিএনপির এমপিরা
- মন্ত্রিসভায় আরও ডাক পেলেন যারা
- ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নেতা নির্বাচিত হলেন তারেক রহমান
- বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে যাচ্ছেন আবদুল আউয়াল মিন্টু
- বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে যাচ্ছেন আবদুল আউয়াল মিন্টু
- স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে যাচ্ছেন খন্দকার মোশাররফ
- স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে যাচ্ছেন খন্দকার মোশাররফ
- শপথ নিলেন বিএনপির সংসদ সদস্যরা
- শপথ নিলেন বিএনপির সংসদ সদস্যরা
- মন্ত্রিসভায় ডাক পেয়েছেন ববি হাজ্জাজ
- মন্ত্রিসভায় ডাক পেয়েছেন ববি হাজ্জাজ
- মন্ত্রিসভায় ডাক পেলেন হাবিবুর রশিদ
- মন্ত্রিসভায় ডাক পেলেন হাবিবুর রশিদ
- শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ঢাকায় মালদ্বীপের প্রধানমন্ত্রী
- সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে আজ শপথ নেবে না বিএনপি
- ফের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাচ্ছেন এহসানুল হক মিলন
- ফের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাচ্ছেন এহসানুল হক মিলন
- ফের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাচ্ছেন এহসানুল হক মিলন
- ফের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাচ্ছেন এহসানুল হক মিলন
- সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী মনোনীত হলেন তারেক রহমান
- সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী মনোনীত হলেন তারেক রহমান
- সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী মনোনীত হলেন তারেক রহমান
- সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী মনোনীত হলেন তারেক রহমান
- সেই ‘আইকনিক’ জার্সি গায়েই শপথ নিলেন হাসনাত আব্দুল্লাহ
- সেই ‘আইকনিক’ জার্সি গায়েই শপথ নিলেন হাসনাত আব্দুল্লাহ
- সেই ‘আইকনিক’ জার্সি গায়েই শপথ নিলেন হাসনাত আব্দুল্লাহ
- সেই ‘আইকনিক’ জার্সি গায়েই শপথ নিলেন হাসনাত আব্দুল্লাহ
- মন্ত্রিপরিষদে ডাক পাচ্ছেন নুরুল হক নুর
- মন্ত্রিপরিষদে ডাক পাচ্ছেন নুরুল হক নুর
- মন্ত্রিপরিষদে ডাক পাচ্ছেন নুরুল হক নুর
- মন্ত্রিপরিষদে ডাক পাচ্ছেন নুরুল হক নুর
- শপথ নিলেন জামায়াত ও স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যরা
- শপথ নিলেন জামায়াত ও স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যরা
- শপথ নিলেন জামায়াত ও স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যরা
- শপথ নিলেন জামায়াত ও স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যরা
ডেস্কে বসে কাজ করে ওজন বাড়ছে? যেসব লক্ষণ দেখলে সতর্ক হবেন
সারাদিন ডেস্কে বসে কাজ করেন, অথচ খাওয়াদাওয়া তেমন না বদলালেও কি হঠাৎ ওজন বাড়তে শুরু করেছে? শরীর ভারী লাগে, ক্লান্তি পিছু ছাড়ে না? অনেকেই ভাবেন, শুধু ব্যায়াম করলেই সব ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু আসল সমস্যা লুকিয়ে আছে দিনের বেশিরভাগ সময় একই ভঙ্গিতে বসে থাকার মধ্যেই।
কেন ডেস্কে বসে কাজ করলে ওজন বাড়ে?
ডায়েটিশিয়ান ও ডায়াবেটিস এডুকেটর কানিকা মালহোত্রা বলেন, দীর্ঘসময় বসে থাকলে শরীরের মেটাবলিজম ধীর হয়ে যায়। ফলে শরীর কম ক্যালরি পুড়ায়, ফ্যাট জমতে থাকে, আর শক্তির ব্যবহার কমে যায়।
ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকলে শরীরের ‘মেটাবলিক ফ্লেক্সিবিলিটি’ কমে- মানে শরীর কার্বোহাইড্রেট আর ফ্যাটের মধ্যে শক্তির উৎস বদলাতে পারে না। এর ফলে-
কিডনি পরিষ্কার রাখে যে ৭ খাবার
- রক্তে শর্করার ভারসাম্য নষ্ট হয়
- ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স বাড়ে
- হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ে
তাই তিনি পরামর্শ দেন, ২০-৩০ মিনিট পর পর কয়েক মিনিট দাঁড়িয়ে থাকা বা হাঁটা খুব জরুরি।
ডেস্কে বসে কাজেই ওজন বাড়ছে, এটা বুঝবেন যেভাবে
বিশেষজ্ঞরা জানান, নিচের ৬টি লক্ষণ দেখলে সতর্ক হোন—
পেটের চারপাশে চর্বি জমছে
সারাদিন বসে থাকার কারণে ক্যালরি পোড়ে কম, আর ফ্যাট জমে পেটের আশপাশে।
রক্তচাপ বাড়ছে
অনেকক্ষণ এক ভঙ্গিতে বসলে রক্তপ্রবাহ ব্যাহত হয়, রক্তচাপ বাড়তে পারে।
রক্তে শর্করা বেড়ে যাচ্ছে
নড়াচড়া কম হলে শরীর গ্লুকোজ ঠিকভাবে ব্যবহার করতে পারে না—ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ে।
কোলেস্টেরল বৃদ্ধি
লম্বা সময় বসে থাকা খারাপ কোলেস্টেরল ও ট্রাইগ্লিসারাইড বাড়ায়, হৃদরোগের সম্ভাবনা বাড়ে।
সবসময় ক্লান্তি লাগে
ধীর মেটাবলিজমের কারণে সারাদিন শরীর ভারী লাগে, শক্তি কমে যায়।
মাংসপেশি দুর্বল হয়ে পড়া
পা ও কোমরের পেশি ব্যবহার না হলে সেগুলো দুর্বল হয় - ফলাফল, আরও ধীর বিপাকক্রিয়া।
সমাধান : ছোট অভ্যাসেই বড় পরিবর্তন
কানিকা মালহোত্রার মতে, ডেস্ক জব থাকলেই যে অসুস্থ হতেই হবে, তা নয়—অল্প কিছু অভ্যাস পাল্টালেই অনেক সুবিধা :
- প্রতি ঘণ্টায় ৫ মিনিট হাঁটুন বা স্ট্রেচ করুন
- রাতের ভারী খাবার কমান, সকালে পুষ্টিকর খাবার খান
- ঠিক ভঙ্গিতে বসুন, পিঠ সোজা রাখুন
ডেস্কারসাইজ করুন : চেয়ার স্কোয়াট, সিটেড লেগ লিফট, হালকা হ্যান্ড এক্সারসাইজ
আজকের কর্মজীবনে দীর্ঘসময় ডেস্কে বসে থাকা এড়ানো কঠিন। কিন্তু সচেতন থাকলে এই অভ্যাসের ক্ষতি কমানো সম্ভব। দিনের মাঝে ছোট হাঁটা, নিয়মিত ব্যায়াম, সঠিক খাবার আর ভালো ঘুম - এগুলোই আপনার শরীরের বিপাক ঠিক রাখবে, আর ওজনও থাকবে নিয়ন্ত্রণে।
সূত্র : ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস
ভোটের মাঠে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় সেনাবাহিনীর সফলতা
একটি নির্বাচন কেবল ব্যালট বাক্সে ভোট প্রদান বা ফলাফল ঘোষণার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; এটি একটি জাতির রাজনৈতিক পরিপক্বতা, সামাজিক সহনশীলতা এবং প্রশাসনিক সক্ষমতারও পরীক্ষা। সাম্প্রতিক জাতীয় নির্বাচন সেই পরীক্ষারই একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হয়ে থাকবে। নানা আশঙ্কা, রাজনৈতিক উত্তাপ ও গুজবের ভেতর দিয়ে দেশ যখন ভোটের দিনে উপনীত হয়, তখন সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা ছিল একটাই—নিরাপদ, শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্ন ভোটগ্রহণ। সেই প্রত্যাশা পূরণে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ভূমিকা ছিল লক্ষণীয়।
নির্বাচনের আগে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছিল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার, সম্ভাব্য সহিংসতার আশঙ্কা এবং অতীতের অভিজ্ঞতা ভোটারদের মধ্যে শঙ্কা তৈরি করেছিল। এ প্রেক্ষাপটে সেনাবাহিনীর মোতায়েন কেবল প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত ছিল না; এটি ছিল জনআস্থার বার্তা। ভোটকেন্দ্রের আশপাশে তাদের দৃশ্যমান উপস্থিতি ভোটারদের আশ্বস্ত করেছে যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং কোনো অপশক্তি অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে পারবে না।
বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য, সেনাবাহিনীর পেশাদারিত্ব। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনসহ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা তাদের দক্ষতাকে আরও পরিণত করেছে। দেশের ভেতরে দুর্যোগ মোকাবিলা, অবকাঠামো নির্মাণ ও জরুরি পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার ক্ষেত্রেও তাদের সাফল্য রয়েছে। ফলে নির্বাচনকালীন দায়িত্ব পালন ছিল সুসংগঠিত ও শৃঙ্খলাবদ্ধ প্রয়াসের ধারাবাহিকতা।
ভোটের দিন ভোর থেকে বিভিন্ন কেন্দ্রে দেখা গেছে, সেনাসদস্যরা নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রেখে দায়িত্ব পালন করছেন। কোথাও অযথা হস্তক্ষেপ নয়, আবার প্রয়োজনীয় মুহূর্তে দ্রুত উপস্থিতি—এই ভারসাম্যই ছিল কার্যক্রমের বৈশিষ্ট্য। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী অন্যান্য বাহিনীর সঙ্গে সমন্বিতভাবে তারা নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলেন, যা ভোটারদের নির্ভয়ে কেন্দ্রে আসতে সহায়তা করেছে। বিশেষ করে প্রত্যন্ত ও সংঘাতপ্রবণ এলাকায় তাদের উপস্থিতি স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে কার্যকর ছিল।
গুজব প্রতিরোধ ছিল আরেকটি বড় চ্যালেঞ্জ। ভিত্তিহীন তথ্য মুহূর্তেই আতঙ্ক ছড়াতে পারে। সেনাবাহিনীর টহল ও নজরদারি গুজব-প্রসূত বিশৃঙ্খলা প্রতিরোধে সহায়ক হয়েছে। কোথাও বিচ্ছিন্ন উত্তেজনা দেখা দিলেও দ্রুত তা নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে, যা পরিকল্পনা ও প্রস্তুতির সমন্বয়কে নির্দেশ করে।
তবে এই সাফল্যের বড় দিক হলো নিরপেক্ষতা বজায় রাখা। একটি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সশস্ত্র বাহিনীর ভূমিকা সহায়ক—প্রভাব বিস্তারকারী নয়। ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়ায় প্রত্যক্ষ সম্পৃক্ত না হয়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা গণতান্ত্রিক চর্চাকে শক্তিশালী করে। এবারের নির্বাচন সেই সীমারেখা রক্ষার একটি দৃষ্টান্ত হতে পারে।
নির্বাচন নিয়ে ভিন্নমত থাকতেই পারে—এটাই গণতন্ত্রের স্বাভাবিক রূপ। তবে নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলার ক্ষেত্রে ইতিবাচক পরিবেশ তৈরি হয়েছে—এ কথা অনস্বীকার্য। নির্বাচন-পরবর্তী বড় ধরনের সহিংসতা না হওয়াও একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক। এর পেছনে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, নির্বাচন-সংশ্লিষ্ট সংস্থা এবং সেনাবাহিনীর সমন্বিত প্রচেষ্টা কাজ করেছে।
ভবিষ্যতের জন্য এ অভিজ্ঞতা তাৎপর্যপূর্ণ। নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা, জনআস্থা অর্জন এবং বাহিনী মোতায়েনের যৌক্তিকতা—এসব প্রশ্নের উত্তরে এবারের অভিজ্ঞতা দৃষ্টান্ত হয়ে থাকতে পারে। তবে দীর্ঘমেয়াদে বেসামরিক প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা বৃদ্ধিই টেকসই সমাধান। সংবেদনশীল সময়ে সেনাবাহিনীর সহায়ক ভূমিকা কার্যকর হলেও গণতন্ত্রের ভিত্তি মজবুত হয় বেসামরিক কাঠামোর উন্নয়নে।
সবশেষে বলা যায়, নির্বাচন একটি সামষ্টিক প্রয়াস। সেই প্রয়াসে সেনাবাহিনী শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে। তাদের পেশাদার আচরণ, সংযম ও দায়িত্ববোধ একটি ইতিবাচক বার্তা দিয়েছে—রাষ্ট্রের নিরাপত্তা কাঠামো গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করতে সক্ষম। এবারের নির্বাচনে সেনাবাহিনীর ভূমিকা একটি বাস্তব উদাহরণ হয়ে থাকবে—এমনটাই প্রত্যাশা।
লেখক : আব্দুল্লাহ আল মামুন
(সাংবাদিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক)
নাসিরউদ্দীন পাটোয়ারী : স্পষ্টভাষিতা, বিতর্ক এবং নতুন রাজনীতির রূপরেখা
আমি দূরপরবাসে থাকলেও তাকে আমি চিনি, যদিও কখনো চোখে দেখিনি। জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানে আমার লিখালিখির সক্রিয় অংশগ্রহণের সময় আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত যারা ছিল তাদের মধ্যেই নাসিরউদ্দীন পাটোয়ারী আমাকে আলাদাভাবে নজর কেড়েছিল। তার অদম্য সাহস, দৃঢ় সংকল্প এবং মানুষের কল্যাণের প্রতি আন্তরিক দৃষ্টিভঙ্গি তখনই স্পষ্ট হয়ে উঠেছিল। সেই দিনের মুহূর্ত থেকে সে আমার চোখে শুধুই একজন রাজনৈতিক নেতা নয়; সে এক অনন্য চরিত্র, যার প্রভাব কেবল আমার ব্যক্তিগত উপলব্ধিতে সীমাবদ্ধ নয়, বরং দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে সময়ের সঙ্গে প্রতিফলিত হয়েছে।
বাংলাদেশের রাজনীতিতে স্পষ্টভাষী নেতা বিরল। নাসিরউদ্দীন পাটোয়ারী সেই অদ্বিতীয় কণ্ঠ, যে সরাসরি, দৃঢ় এবং প্রায়শই বিতর্কিত বক্তব্য দেয়। তার ভাষা সমালোচনার জন্ম দেয়, সমর্থনও জন্মায়। কিন্তু সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, এটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতির ঘাটতি ও সম্ভাবনার উভয়ই প্রতিফলন। এই প্রতিবেদনে আমি বিশ্লেষণ করেছি সে কীভাবে রাজনৈতিক অঙ্গনে প্রভাব ফেলছে, নতুন প্রজন্ম তাকে কীভাবে দেখছে এবং তার নেতৃত্ব কীভাবে নতুন মানদণ্ড স্থাপন করতে পারে।
বাংলাদেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক অঙ্গনে নাসিরউদ্দীন পাটোয়ারী একটি আলোচিত নাম। তাকে কেউ দেখে দুর্নীতিবিরোধী আপসহীন কণ্ঠ হিসেবে, কেউ দেখে বিতর্কপ্রবণ রাজনীতিক হিসেবে। কিন্তু তাকে ঘিরে যে আলোচনা, তা কেবল ব্যক্তিকে নিয়ে নয়। এটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ভাষা, সংস্কৃতি ও কাঠামোগত সীমাবদ্ধতার গভীর প্রশ্নকে সামনে আনে।
স্পষ্টভাষিতা না অশ্লীলতা
পাটোয়ারীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে অশ্লীলতার অভিযোগ উঠেছে। সমালোচকদের বক্তব্য, তার ভাষা প্রায়ই তীব্র। সমর্থকদের দাবি, সে কেবল অপ্রিয় সত্য উচ্চারণ করে। এখানে একটি মৌলিক প্রশ্ন সামনে আসে। কঠোর ভাষা ও অশালীনতা কি একই বিষয়? নাকি আমরা এমন এক রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে অভ্যস্ত, যেখানে তোষামোদ স্বাভাবিক এবং সরাসরি সমালোচনা অস্বস্তিকর?
বাংলাদেশের রাজনৈতিক বাস্তবতায় ব্যক্তিকেন্দ্রিক আনুগত্য প্রায়ই নীতিগত বিতর্ককে ছাপিয়ে যায়। ফলে শক্ত সমালোচনা সহজেই ব্যক্তিগত আক্রমণ হিসেবে ব্যাখ্যা পায়। এই প্রেক্ষাপটে পাটোয়ারীর ভাষা বিতর্ক সৃষ্টি করলেও তা রাজনৈতিক সংস্কৃতির অন্তর্নিহিত সংকটকেই উন্মোচন করে।
নতুন প্রজন্মের চোখে
নতুন প্রজন্ম তাকে একমুখীভাবে দেখছে না। এক অংশ তার স্পষ্টভাষিতাকে সাহস ও সততার প্রতীক মনে করে। দীর্ঘদিনের আপসকামী রাজনীতির মধ্যে তারা সরাসরি বক্তব্যে স্বস্তি খুঁজে পায়। বিশেষ করে সামাজিক মাধ্যমে তার বক্তব্য দ্রুত সাড়া তোলে।
অন্য অংশ মনে করে ভাষার তীব্রতা কখনো কখনো মূল নীতিগত আলোচনাকে আড়াল করে দেয়। তারা বক্তৃতার চেয়ে সুস্পষ্ট কর্মপরিকল্পনা, সময়সীমা ও বাস্তবায়ন কাঠামো দেখতে চায়। এই প্রজন্ম ফলাফলমুখী। তারা জানতে চায় পরিবর্তন কীভাবে মাপা হবে।
রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের দ্বিমুখী বাস্তবতা
পাটোয়ারীর স্পষ্টভাষিতা তার শক্তি, আবার ঝুঁকিও।
ইতিবাচক দিক হলো, সে আলাদা রাজনৈতিক পরিচিতি গড়ে তুলেছে। দুর্নীতিবিরোধী অবস্থান তাকে দৃশ্যমান করেছে। তরুণদের একটি অংশ তার মধ্যে প্রতিবাদী নয়, সম্ভাব্য সংস্কারকের প্রতিচ্ছবি দেখে।
নেতিবাচক দিক হলো, যদি ভাষাই আলোচনার কেন্দ্রে থাকে তবে নীতিগত গভীরতা আড়ালে পড়তে পারে। জোটভিত্তিক রাজনীতিতে সমঝোতার প্রয়োজন থাকে। অতিরিক্ত তীব্রতা রাজনৈতিক সমীকরণকে কঠিন করে তুলতে পারে। আইনি ও প্রশাসনিক চাপের ঝুঁকিও থেকে যায়।
কাঠামোগত সংস্কারের প্রয়োজন
এই বিতর্ক ব্যক্তি নির্ভর নয়; এটি কাঠামোগত। কয়েকটি সংস্কার জরুরি।
প্রথমত, রাজনৈতিক আচরণবিধির স্পষ্ট সংজ্ঞা প্রয়োজন, যাতে কঠোর সমালোচনা ও ব্যক্তিগত অশালীনতার পার্থক্য নির্ধারিত হয়। দ্বিতীয়ত, প্রমাণভিত্তিক বক্তব্যের সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা জরুরি। অভিযোগের সঙ্গে দলিল যুক্ত হলে ভাষা নয়, তথ্য আলোচনার কেন্দ্রে আসে। তৃতীয়ত, স্বাধীন তথ্য যাচাই কাঠামো শক্তিশালী করা দরকার, যাতে গুজব ও বিকৃত বক্তব্য দ্রুত সংশোধিত হয়। চতুর্থত, নির্বাচিত প্রতিনিধিদের জন্য রাজনৈতিক যোগাযোগ ও নৈতিক ভাষা ব্যবহারের প্রশিক্ষণ প্রয়োজন। পঞ্চমত, সমালোচনার পাশাপাশি লিখিত নীতিপত্র ও বাস্তবায়ন রূপরেখা প্রকাশ করতে হবে।
সংসদে নতুন মানদণ্ডের প্রত্যাশা
বাংলাদেশের সংসদকে অনেক সময় নীতিগত গভীরতার ঘাটতির জন্য সমালোচনা করা হয়। এই প্রেক্ষাপটে পাটোয়ারীর মতো স্পষ্টভাষী ও কাঠামোগত পরিবর্তনের দাবি তোলা একজন নেতাকে সংসদে দেখতে চাওয়া ব্যক্তিপ্রশংসা নয়, বরং রাজনৈতিক সংস্কারের প্রত্যাশা।
সংসদে তার উপস্থিতি তাৎপর্যপূর্ণ হতে পারে যদি সে তিনটি বিষয় নিশ্চিত করতে পারে।
জবাবদিহিমূলক বিতর্কের সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা। আইন প্রণয়নের পাশাপাশি বাস্তবায়ন কাঠামো নিয়ে সুস্পষ্ট আলোচনা। তরুণ প্রজন্মকে দেখানো যে রাজনীতি সৃজনশীল, নীতিনির্ভর এবং মানুষের কল্যাণমুখী হতে পারে।
আমরা তাকে সংসদে দেখতে চাই যদি সে প্রমাণভিত্তিক রাজনীতি চর্চা করে, ভাষায় দৃঢ়তা ও শালীনতার ভারসাম্য বজায় রাখে এবং ব্যক্তিকেন্দ্রিক রাজনীতির বদলে প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারকে অগ্রাধিকার দেয়।
বাংলাদেশের জন্য তার বার্তা
তার বক্তব্যে যে বার্তাগুলো ধারাবাহিকভাবে উঠে আসে তা হলো তোষামোদ নয়, জবাবদিহি; আইন প্রয়োগই রাষ্ট্রের শক্তি; দুর্নীতির বিরুদ্ধে আপসহীনতা; নাগরিক সাহসের চর্চা।
এই বার্তা যদি কেবল বক্তৃতায় সীমাবদ্ধ না থেকে প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোয় রূপ পায়, তবে তা রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিবর্তনে ভূমিকা রাখতে পারে।
নাসিরউদ্দিন পাটোয়ারীকে ঘিরে বিতর্ক আসলে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিপক্বতার পরীক্ষা। সে একই সঙ্গে আশার প্রতীক, বিতর্কের কেন্দ্র এবং সম্ভাব্য সংস্কারক। তার সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো সাহসকে কৌশলে রূপান্তর করা, ভাষাকে নীতিতে রূপান্তর করা এবং আবেগকে প্রাতিষ্ঠানিক পরিবর্তনে রূপান্তর করা।
আজ বাংলাদেশের রাজনীতি একটি সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। জনগণ ক্লান্ত প্রতিশ্রুতির পুনরাবৃত্তিতে, ক্লান্ত তোষামোদে, ক্লান্ত গুজবনির্ভর চরিত্রহননে। তারা এমন রাজনীতি দেখতে চায় যেখানে যোগ্যতা সম্মান পায়, সৃজনশীলতা মূল্য পায় এবং জবাবদিহি বাধ্যতামূলক হয়।
বাংলাদেশের রাজনীতিতে বহুবার দেখা গেছে অরাজনৈতিক, অপরিপক্ষ, পুঁজিবাদী, শিল্পপতি, ভ্যানগার্ড বা পরিবারভিত্তিক নেতারা, কখনো কখনো অবসরপ্রাপ্ত ব্যক্তিরাও রাজনীতিতে প্রবেশ করে। যেহেতু যোগ্য ব্যক্তি প্রায়শই রাজনীতিতে আসে না, তাই তারা আমলাতন্ত্রের কাছে হেরে যায়, প্রশাসনের বিরুদ্ধে কঠিন পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয় এবং নেতৃত্বের অভাব দেশের নীতি নির্ধারণ ও বাস্তবায়নে প্রভাব ফেলে। কিন্তু যদি শুরু থেকেই যোগ্য, ত্যাগী এবং দূরদর্শী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব প্রবেশ করে, যেমন নাসিরউদ্দীন পাটোয়ারীর উদাহরণ, তবে দেশের নীতি নির্ধারণে রাজনৈতিক দূরদর্শিতা তৈরি হয় এবং মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন সম্ভব হয়। তার স্পষ্টভাষিতা, শালীন দৃঢ়তা এবং সমালোচনাকে সুসংগঠিত নীতিতে রূপান্তর করার ক্ষমতা যদি প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের সঙ্গে মিলিত হয়, তবে সে কেবল আরেকজন বিতর্কিত নেতা নয়, বরং নতুন প্রজন্মের জন্য এক রাজনৈতিক মানদণ্ড হয়ে উঠতে পারে। এটি শেখাবে যে রাজনীতি মানে ক্ষমতা নয়, দায়িত্ব; ব্যক্তিপূজা নয়, প্রতিষ্ঠান; আবেগ নয়, প্রমাণ; এবং ব্যক্তিগত উচ্চাকাঙ্ক্ষা নয়, মানুষের কল্যাণ।
শেষ পর্যন্ত প্রশ্নটি একজন ব্যক্তিকে ঘিরে নয়। প্রশ্ন হলো আমরা কি সত্য গ্রহণ করার সাহস রাখি এবং আমরা কি এমন এক রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্মাণের জন্য প্রস্তুত, যেখানে সততা ও সৃজনশীলতা কেবল স্লোগান নয়, রাষ্ট্রচর্চার ভিত্তি।
ব্যক্তিগতভাবে আমি বেশ কিছু দিন ধরেই ভেবেছি বাংলাদেশের জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য জাতীয় নির্বাচন একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ। নির্বাচনের পর একটি শক্তিশালী বিরোধী দল থাকবে। তারা যদি সঠিকভাবে তাদের দায়িত্ব পালন করে, তবে এবারের নির্বাচন আমাদের জন্য ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হয়ে উঠতে পারে। আর সেটি আরও কার্যকর হবে যদি বিরোধী দলগুলো ঐক্যবদ্ধ হয়ে একটি ছায়া মন্ত্রিসভা গঠন করে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে।
গত কয়েক মাসে নাসিরউদ্দীনের নির্বাচন ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে আমরা সেই দায়িত্বশীল রাজনৈতিক চর্চার একটি আভাস দেখেছি। এখন প্রশ্ন, সেই চর্চা কি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পাবে? ইতিহাসের এই সন্ধিক্ষণে সেটিই হবে আসল পরীক্ষা।
রহমান মৃধা, গবেষক ও লেখক, প্রাক্তন পরিচালক, ফাইজার, সুইডেন
নায়িকাদের চেয়ে নায়কদের সঙ্গেই স্বচ্ছন্দ জন
বলিউডের জনপ্রিয় অ্যাকশন হিরো জন আব্রাহাম পর্দায় রোমান্সেও কম যান না। তবে সম্প্রতি এই অভিনেতা জানালেন এক ভিন্ন কথা। তিনি সাফ জানিয়ে দিলেন, বলিউডে কাজ করার ক্ষেত্রে তিনি নারী অভিনেত্রীদের চেয়ে পুরুষ সহ-অভিনেতাদের সঙ্গেই বেশি স্বচ্ছন্দ বোধ করেন।
জনের মতে, পর্দায় পুরুষ তারকাদের সঙ্গে তার যে রসায়ন তৈরি হয়, তা দর্শকদের নজর কাড়ে। বিষয়টি বোঝাতে গিয়ে মজার ছলে তিনি তার সুপারহিট সিনেমা ‘দোস্তানা’র প্রসঙ্গ টানেন। তিনি বলেন, “দোস্তানা সিনেমায় আমি অভিষেক বচ্চনকে চুম্বনও করেছিলাম এবং সেই অভিজ্ঞতা আমার বেশ ভালো ছিল।”
অক্ষয় কুমার, শাহরুখ খান কিংবা বরুণ ধাওয়ানের মতো তারকাদের তিনি কখনো প্রতিদ্বন্দ্বী ভাবেন না। জনের বিশ্বাস, তারা সবাই সতীর্থ। একে অপরের ছবির ব্যবসায়িক সাফল্য নিয়ে ঈর্ষা না করে বরং একসঙ্গে এগিয়ে যাওয়াতেই তিনি বিশ্বাসী।
২০০৩ সালে যখন জন বলিউডে পা রাখেন, তখন শাহরুখ খান ও অক্ষয় কুমার ছাড়া তেমন কোনো প্রভাবশালী ‘আউটসাইডার’ বা বহিরাগত ছিল না। জন মনে করেন, ইন্ডাস্ট্রি তাকে বরাবর আলাদা করে রেখেছে। আক্ষেপ করে তিনি বলেন, “আমার মতো এত সমালোচনা আর কেউ সহ্য করেনি।”
প্রচুর সমালোচনা সত্ত্বেও জন কখনো দমে যাননি। তিনি নিজেকে চোখে ঠুলি পরা ঘোড়ার সঙ্গে তুলনা করেছেন, যিনি ডানে-বাঁয়ে না তাকিয়ে শুধু নিজের লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যান। কোনো পিআর বা লবিং ছাড়াই কেবল নিজের সততা দিয়ে তিনি দর্শকদের মনে জায়গা করে নিয়েছেন বলে দাবি করেন এই অভিনেতা।
