শিরোনাম
সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য জরুরি নির্দেশ
সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য জরুরি নির্দেশ

নির্ধারিত সময়ে অফিসে উপস্থিতি ও অফিস ত্যাগের নির্দেশনা দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা-স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের সব কর্মকর্তা-কর্মচারীদের এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগীয় কমিশনার এবং জেলা প্রশাসককে এ নির্দেশনার চিঠি পাঠানো হয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদের চিঠিতে বলা হয়, ‘সরকারি কর্মচারী (নিয়মিত উপস্থিতি) বিধিমালা, ২০১৯’ এবং ‘সচিবালয় নির্দেশমালা, ২০২৪’ এর নির্দেশ মোতাবেক সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা-স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা/কর্মচারীর নির্ধারিত সময় অনুযায়ী অফিসে উপস্থিতি ও প্রস্থানের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং অধীন দপ্তর/সংস্থাকে এ বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়ার জন্য অনুরোধ জানিয়ে চিঠিতে বলা হয়েছে।‌

চিঠিতে আরও বলা হয়, মাঠ পর্যায়ের সব অফিসের কর্মকর্তা/কর্মচারীদেরকে সাপ্তাহিক বা অন্যান্য ছুটির দিনে স্ব স্ব কর্তৃপক্ষের অনুমতি গ্রহণক্রমে কর্মস্থল ত্যাগ করতে হবে।

রোজার জরুরি মাসায়েলে
রোজার জরুরি মাসায়েলে

রোজা সম্পর্কে কিছু বিষয় জেনে রাখা জরুরি। এমন কিছু কাজ রয়েছে যেগুলো রোজাবস্থায় করার কারণে রোজা ভেঙে যায়। আবার এমনও কিছু কাজ রয়েছে যেগুলো করার দ্বারা রোজা ভাঙে না। কিন্তু অনেকেই মনে করেন এসব করার কারণে রোজা নষ্ট হয়ে গেছে। তাই খাওয়া-দাওয়া করে ফেলেন। ফলে তার রোজা ভেঙে যায় এবং কাযা ওয়াজিব হয়। আবার কিছু কাজ আছে যেগুলো করলে রোজা ভাঙে না তবে মাকরুহ হয়। জেনে নেওয়া যাক কী কারণে রোজা ভাঙে, কী কারণে ভাঙে না। আর কী কারণে মাকরুহ হয়।

ইফতার ও সেহরির টাইম জানতে ক্লিক করুন..

যেসব কারণে রোজা ভেঙে যায়—

১. নাক বা কানে ওষুধ প্রবেশ করানো। ২. ইচ্ছাকৃতভাবে মুখ ভরে বমি করা। ৩. কুলি করার সময় গলার মধ্যে পানি চলে যাওয়া। ৪. নারী স্পর্শ বা এ-সংক্রান্ত কোনো কারণে বীর্য বের হওয়া। ৫. খাদ্য বা খাদ্য হিসেবে গণ্য নয়, এমন কোনো বস্তু গিলে ফেলা। ৬. আগরবাতির ধোঁয়া ইচ্ছা করে গলা বা নাকের মধ্যে প্রবেশ করানো। ৭. বিড়ি-সিগারেট পান করা। ৮. ভুলে খেয়ে ফেলার পর ইচ্ছা করে ফের খাওয়া। ৯. সুবেহ সাদিকের পর খাবার খাওয়া। ১০. বুঝে হোক বা না বুঝে, সূর্য ডোবার আগে ইফতার করা। ১১. ইচ্ছা করে স্ত্রী সহবাস করা।

যেসব কারণে রোজা ভাঙে না—

১. মিসওয়াক করা। ২. মাথায় বা শরীরে তেল লাগানো। ৩. চোখে ওষুধ বা সুরমা লাগানো। ৪. গরমের কারণে পিপাসায় গোসল করা। ৫. সুগন্ধি ব্যবহার করা। ৬. ইনজেকশন বা টিকা দেওয়া। ৭. ভুলে পানাহার করা। ৮. ইচ্ছা ছাড়াই ধুলাবালি বা মাছি ইত্যাদি প্রবেশ করা। ৯. কানে পানি প্রবেশ করা। ১০. দাঁতের গোড়া থেকে রক্ত বের হওয়া।

যেসব কারণে রোজা মাকরুহ হয়—

১. বিনা কারণে জিনিস চিবিয়ে বা লবণ কিংবা কোনো বস্তুর স্বাদ গ্রহণ করা। যেমন— টুথপেস্ট, মাজন, কয়লা ইত্যাদি দিয়ে দাঁত মাজা। ২. গোসল ফরজ অবস্থায় সারা দিন গোসল না করে থাকা। ৩. শরীরের কোথাও শিঙা ব্যবহার করা বা রক্ত দান করা। ৪. পরনিন্দা করা। ৫. ঝগড়া করা। ৬. রোজাদার নারী ঠোঁটে রঙিন কোনো বস্তু লাগানো, যা মুখের ভেতর চলে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ৭. রোজা অবস্থায় দাঁত ওঠানো বা দাঁতে ওষুধ ব্যবহার করা; তবে একান্ত প্রয়োজনে তা জায়েজ।