শিরোনাম
বন্দরে কনটেইনার জট, রমজানে পণ্য সরবরাহ নিয়ে শঙ্কা
বন্দরে কনটেইনার জট, রমজানে পণ্য সরবরাহ নিয়ে শঙ্কা

আসন্ন পবিত্র রমজানকে সামনে রেখে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের আমদানিতে স্বস্তির চিত্র দেখা গেলেও সরবরাহ ব্যবস্থার জটিলতায় বাজারে নতুন করে দুশ্চিন্তা তৈরি হয়েছে। আমদানি বেড়ে ছোলাসহ কয়েকটি পণ্যের দাম কমলেও চট্টগ্রাম বন্দরের জাহাজ জট, ধীরগতির খালাস ও পরিবহন সংকট বাজারে অস্থিরতার আশঙ্কা বাড়াচ্ছে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর তথ্য বলছে, গত ১ নভেম্বর থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে ২ লাখ ২ হাজার টন ছোলা আমদানি হয়েছে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ২২ শতাংশ বেশি। আমদানিকৃত ছোলার প্রায় ৯৮ শতাংশই এসেছে অস্ট্রেলিয়া থেকে।

বাজারে এর ইতিবাচক প্রভাবও পড়েছে। গত বছর যেখানে ছোলার দাম কেজিপ্রতি ৯২ থেকে ১০৫ টাকার মধ্যে ছিল, বর্তমানে পাইকারি বাজারে তা ৭৫ থেকে ৮২ টাকায় স্থিতিশীল। ব্যবসায়ীরা বলছেন, বড় কোনো অস্বাভাবিকতা না ঘটলে রমজানজুড়ে ছোলার দামে বড় ধরনের ঊর্ধ্বগতি হওয়ার সম্ভাবনা কম।

শুধু ছোলা নয়, ভোজ্যতেল, চিনি ও ডালের আমদানিতেও প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে। ডিসেম্বর থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রায় ৫ লাখ ৭৪ হাজার টন সয়াবিন ও পাম তেল আমদানি হয়েছে। চিনির আমদানি বেড়েছে প্রায় ৩৯ শতাংশ, যা দাঁড়িয়েছে ৪ লাখ ৭৩ হাজার টনে। মসুর ডাল আমদানি বেড়েছে ৪৩ শতাংশ এবং মটর ডাল ৮১ শতাংশ। খেজুরের আমদানি কিছুটা কমলেও হিমাগারে আগের বছরের মজুত থাকায় বড় সংকটের আশঙ্কা দেখছেন না সংশ্লিষ্টরা।

বন্দরে কনটেইনার জট, রমজানে পণ্য সরবরাহ নিয়ে শঙ্কা

নিবন্ধন ছাড়া স্কুল পরিচালনা করা যাবে না : শিক্ষামন্ত্রী

তবে সরবরাহ ব্যবস্থায় বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে চট্টগ্রাম বন্দরের বর্তমান পরিস্থিতি। বন্দর সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে প্রায় ১১০টি পণ্যবাহী জাহাজ নোঙর করে আছে। এর মধ্যে অর্ধশতাধিক জাহাজে রয়েছে রমজানের নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী। সময়মতো খালাস না হওয়ায় বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরির ঝুঁকি বাড়ছে।

নির্বাচন উপলক্ষে ১১ ফেব্রুয়ারি থেকে ৪৮ ঘণ্টা কার্যত স্থবির ছিল বন্দরের কার্যক্রম। স্বাভাবিক সময়ে যেখানে দিনে প্রায় ৫ হাজার কন্টেইনার খালাস হয়, কর্মবিরতির সময় তা নেমে আসে গড়ে ১ হাজার ৪৭৬টিতে। বর্তমানে জেটিতে কন্টেইনারের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪১ হাজার ৭২৫টি-যা স্বাভাবিক ধারণক্ষমতার তুলনায় অনেক বেশি।

পরিবহন শ্রমিক সংকট ও পূর্ববর্তী কর্মবিরতির প্রভাব পুরোপুরি কাটিয়ে উঠতে না পারায় পণ্য সরবরাহে ধীরগতি তৈরি হয়েছে। এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে দেশের অন্যতম বৃহৎ পাইকারি বাজার খাতুনগঞ্জে। বিপুল আমদানি সত্ত্বেও সরবরাহ ঘাটতির কারণে কয়েক দিনে দেশি পেঁয়াজের দাম কেজিপ্রতি ৩৬ থেকে ৪২ টাকায় উঠেছে। রসুন বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকা পর্যন্ত। আদা ও মসুর ডালের দামেও ঊর্ধ্বগতি লক্ষ্য করা গেছে।

ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, কিছু আমদানিকারক পণ্য বন্দরে বা জাহাজে আটকে রাখায় সরবরাহ শৃঙ্খলে বিঘ্ন ঘটছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক খাতুনগঞ্জের এক ব্যবসায়ী বলেন, চাহিদা ও আমদানির মধ্যে ভালো সামঞ্জস্য রয়েছে। তবে দ্রুত জট না কাটলে এর নেতিবাচক প্রভাব সরাসরি ভোক্তাদের ওপর পড়বে।

বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রমজানের পণ্য খালাসে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, আগামী ৭ থেকে ১০ দিনের মধ্যে জট কমিয়ে পণ্য দ্রুত বাজারে পৌঁছানো গেলে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হবে।

পরিসংখ্যান বলছে, পণ্যের ঘাটতির বাস্তব কারণ নেই। তবে বন্দর থেকে দ্রুত খালাস ও কার্যকর বিতরণ নিশ্চিত করা না গেলে সরবরাহ শৃঙ্খলের দুর্বলতাই রমজানের বাজারে অস্থিরতা ডেকে আনতে পারে। সাধারণ মানুষের স্বস্তি নিশ্চিত করতে এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ-বন্দর সচল রাখা, বাজার তদারকি জোরদার করা এবং সরবরাহ ব্যবস্থাকে নির্বিঘ্ন করা।

বিভিন্ন গ্রেডে নিয়োগ দেবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়
বিভিন্ন গ্রেডে নিয়োগ দেবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় তিনটি পদে ১০ জনকে বিভিন্ন গ্রেডে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। আবেদন করা যাবে আগামী ১৬ মার্চ পর্যন্ত। আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।

প্রতিষ্ঠানের নাম : জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় পদসংখ্যা : ৩টি লোকবল নিয়োগ : ১০ জন

পদের নাম : অধ্যাপক বিভাগ ও পদসংখ্যা : ইংরেজি (১), কম্পিউটার সায়েন্স (১) বেতন : ৫৬,৫০০-৭৪,৪০০ টাকা (গ্রেড-৩)

পদের নাম : সহযোগী অধ্যাপক বিভাগ ও পদ সংখ্যা : আইন (১), ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট (১) বেতন : ৫০,০০০-৭১,২০০ টাকা (গ্রেড-৪)

বিভিন্ন গ্রেডে নিয়োগ দেবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়

মধুমতি ব্যাংকে চাকরি, নেই বয়সসীমা

পদের নাম : সহকারী অধ্যাপক বিভাগ ও পদসংখ্যা : ইংরেজি (১), শিক্ষা (১), হিসাববিজ্ঞান (১), আইন (১), পরিসংখ্যান (১), নিউট্রিশন অ্যান্ড ফুড সায়েন্স (১) বেতন : ৩৫,৫০০-৬৭,০১০ টাকা (গ্রেড-৬)

আবেদন যেভাবে : আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করতে ও বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তিটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন। আবেদনের শেষ সময় : ১৬ মার্চ ২০২৬

সংঘাতমুক্ত অবাধ জাতীয় নির্বাচন : পর্যবেক্ষণ থেকে বিশ্লেষণ
সংঘাতমুক্ত অবাধ জাতীয় নির্বাচন : পর্যবেক্ষণ থেকে বিশ্লেষণ

জন্মের পর থেকে বাংলাদেশের ইতিহাসে ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন হিসেবে বিবেচিত হয়েছে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে। স্বাধীনতার পর থেকে অদ্যাবধি দেশে যত জাতীয় নির্বাচন হয়েছে তারমধ্যে ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন ছিল ঐতিহাসিক ও বস্তুনিষ্ঠ এবং জবাবদিহি নির্ভর অবাধ সুষ্ঠ নিরপেক্ষ নির্বাচন। যেখানে দেশজুড়ে কোথাও সংঘাত দলবাজি কেন্দ্র-দখল বোমাবাজি সন্ত্রাস-যজ্ঞ খুন হত্যা মারামারি কিংবা কোনো প্রকার রক্তপাত ছাড়াই নিরপেক্ষ এবং মুক্ত চিত্তে আতংক ছাড়াই ভোট প্রদান-গ্রহণ ও গণনা প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে; যা বাংলাদেশের ইতিহাসে ঐতিহাসিক তো বটে সাথে ১২ ফেব্রুয়ারি দিনটি গণতন্ত্রের বিজয় দিবস হিসেবে বিবেচনা করছেন বিশিষ্টজনেরা।

চব্বিশের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর প্রথমবারের মতো দেশে ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এবারের ভোটে নতুনত্ব ছিল শুধু সরকার গঠনের প্রতিযোগিতা নয়; সাথে সংবিধান সংশোধন ইস্যুতেও এক ধরনের গণভোট হিসেবে দেখানো হয়েছে।

জাতীয় নাগরিক অধিকার ও নির্বাচন বিশ্লেষক হিসেবে গত ১১ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা ৭টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত ভোট দিবসের প্রথম প্রহরে থেকে ভোটদানের শেষ সময়টুকু ও ভোট গ্রহণ শেষে গণনা প্রক্রিয়া পর্যন্ত চট্টগ্রাম মহানগরী এবং জেলার আওতাভুক্ত সকল সংসদীয় আসনে স্পেশাল দায়িত্বভার নিয়ে বিচরণ করে এবং দেশব্যাপী অনুষ্ঠিত হওয়া নির্বাচন প্রক্রিয়া ও সরকার ইসি এবং রাজনৈতিক দলগুলোর ওপর আমার ক্ষুদ্র অবজারভেশনের সংক্ষিপ্ত বিশ্লেষণের সারাংশ তুলে ধরলাম।

পর্যবেক্ষণে মাঠ থেকে উঠে আসে, বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন শক্তিটি স্পষ্টভাবে এগিয়ে আছে বলে ধারণা করা হলেও ডা. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বাধীন জামায়াতে ইসলামীর উল্লেখযোগ্য কর্মকাণ্ড ভিন্ন চিন্তা করতে ভাবিয়েছে।

ভারতীয় গণমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে গুরুত্বপূর্ণ কিছু হেতু বিন্যাস উল্লেখ করা হয়েছে যা বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের সামগ্রিক ফলাফল ও রাজনৈতিক সমীকরণ বদলের ক্ষেত্রে সর্ব মহলের বিবেচক চিত্তে গবেষণার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে দাঁড়ায়।

আনিত বিশ্লেষণের মধ্যে রয়েছে -

অনিশ্চিত বা ভোটারদের ভূমিকা

বাংলাদেশের একটি বড় অংশের ভোটার কেন্দ্রে যাননি। যার দরুন প্রায় ১৪.৫ শতাংশ ভোটার অনিশ্চিত অবস্থায় রয়েছিল। আওয়ামী লীগ নির্বাচনে অংশ না নেওয়ায় তাদের প্রথাগত ১০-২৫ শতাংশ সমর্থক ভিন্ন রাজনৈতিক শক্তির দিকে ঝুঁকেছেন সেটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের অর্ধেক উত্তর হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিএনপির মতো দল এই বড় ভোটব্যাংক এবং তরুণ ভোটারদের নিজেদের পক্ষে আনার জোর প্রচেষ্টায় সফল হয়েছে। জামায়াত মধ্যে কৌশল অবলম্বন করলেও আধুনিক ভাবধারার প্রজন্মের কাছে পৌঁছাতে পারেনি। বিশ্লেষণ করলে বুঝা যায় এই ‘ফেন্স সিটার’ বা দোদুল্যমান ভোটারদের সিদ্ধান্তই শেষ পর্যন্ত নির্বাচনের ফল নির্ধারণে মুখ্য ভূমিকা রাখে। গবেষণায় উঠে এসেছিল তারা যেদিকে ঝুঁকবেন, বিজয়ের পাল্লা সেদিকেই ভারী হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। সমীক্ষায় ঐ বিশ্লেষণটাই সঠিক: প্রকৃত পক্ষে ফলাফল তাই হয়েছে।

ভোটার উপস্থিতির হার (টার্নআউট)

নির্বাচন কমিশনের মক ভোটিংয়ে দেখা গেছে,সাধারণ নির্বাচনের পাশাপাশি গণভোট হওয়ায় ভোট দিতে স্বাভাবিকের চেয়ে ১০ গুণ বেশি সময় লেগেছে। ভোটার উপস্থিতি কম হলেও সেটি জামায়াতের জন্য সুবিধাজনক হতে পারেনি। বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ডেমোক্রেসি অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট-এর রিপোর্ট বলছে, যদি ভোটার উপস্থিতি ৬৫-৬৮ শতাংশ হয় তবে বিএনপি জোটের একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি হবে। উপস্থিতি কমে ৫৩-৫৮ শতাংশে নামলে ক্যাডার-ভিত্তিক ইসলামি দল হিসেবে জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোট এগিয়ে যেতে পারবে। কিন্তু দৃশ্যপট বহুমূলে অনুকূল প্রবাহিত হয়েছে শুধুই বিএনপির পক্ষে।

নারী ও বয়স্ক ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে যেতে অনীহা

ধীরগতির ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া এবং সংঘাতের আশঙ্কায় নারী ও প্রবীণ ভোটাররা কেন্দ্রবিমুখ হতে দেখা গিয়েছে। নারী ভোটারদের মধ্যে ভোটের উৎসাহ গত কয়েক মাসে কমেছে বলে বিভিন্ন সমীক্ষায় উঠে এলেও সহিংসতার শঙ্কায় সাধারণ মানুষ ঘরে বসে থাকেনি। ক্যাডারভিত্তিক হলেও সুশৃঙ্খল ইসলামি দল হিসেবে জামায়াতের তাদের নিশ্চিত ভোটগুলো সংগ্রহ করে নির্বাচনী ফলাফল নিজেদের পক্ষে নিয়ে আসতে কাঠখড় পোহাতে হয়েছে।

উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি

আওয়ামী লীগ বিহীন এই নির্বাচনে দেশের প্রায় অর্ধেক ভোটকেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল। কেননা ৪২ শতাংশ লাইসেন্সকৃত অস্ত্র জমা পড়েনি, যা সহিংসতার আশঙ্কা বাড়িয়ে দিয়েছিল। এরমধ্যে রাজধানী ঢাকাসহ বিভাগীয় শহর এলাকা প্রায় ফাঁকা হয়ে ঈদের মতো মানুষ নাড়ির টানে বাড়ি ফিরছে ভোট দেওয়ার জন্য। এরকম হওয়ার কারণ ছিল বিগত ১৭ বছরের ক্ষোভ, মুক্তির বিপরীতে ভোটাধিকার প্রাপ্তির উৎসবটা ঈদের আমেজে রূপান্তরিত হয়েছে। যার দরুন বিএনপি তাদের এত বছরের রাজপথ লড়াইয়ের ফসল ঘরে তুলতে খুব একটা বেগ পেতে হয়নি। অপর দিকে সুসংগঠিত জামায়াত ক্ষমতার সমীকরণ বদলে দেবে এমন প্রশ্নের উত্তর মেলাতে গিয়ে ব্যালট যুদ্ধে কৌশলগত পরাজয় স্বীকার করেছে তারা।

পর্যবেক্ষণ থেকে বিশ্লেষণ

নির্বাচনের আগের দিন ১১ ফেব্রুয়ারি তারিখ সন্ধ্যা থেকে যখন আমার টিম সরজমিন অনুসন্ধানরত ছিল, তখন দেখা যায় সমস্ত ভোটকেন্দ্র প্রায় দখলের পাঁয়তারা নিচ্ছে জামায়াতের কর্মী বাহিনী। শুরু হয় নানান ধরনের নাশতা সাথে গুজব ছড়ানো তো আছেই। ঠিক তখনই রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারণী মহল থেকে সার্বিক পরিস্থিতি রাত ১১টার পরে গুছিয়ে নেয়ার সিদ্ধান্ত আসে। ঠিক তখনই সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় যৌথবাহিনী নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেয় সমস্ত কেন্দ্র। নির্দেশনা দেয়া হয়েছে এই মুহূর্তে ধানের শীষ ও দাঁড়িপাল্লা প্রধান ইস্যু নয়। গুরুত্বের বিষয় সরকার এবং সেনাবাহিনীর জন্য চ্যালেঞ্জ হলো, যেকোনো মূল্যে দখলমুক্ত ও নাশকতামুক্ত এবং অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে হবে। কেননা সরকার বদ্ধপরিকর ও চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছে যে, দেশের ইতিহাসে সর্বশ্রেষ্ঠ সুষ্ঠু নির্বাচন হিসেবে এ নির্বাচনকে প্রমাণ করার। কেননা রাজনৈতিক দল গুলোর নাশতা নির্ভর নির্বাচনের জন্য রাষ্ট্রের ও প্রজাতন্ত্রের ভিত্তি নিহিত ‘গণভোট’ কে কোন অবস্থায় প্রশ্নবিদ্ধ করা যাবে না। সুতরাং এ নির্বাচনকে সকল করতে সব বিতর্কের ঊর্ধ্বে রাখতে হবে।

এই কনফিডেন্সটিভ তথ্যগুলোর বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, দেশীয় ও আন্তর্জাতিক মহলে বিতর্ক ঠেকাতে এবং সাংবিধানিক দৃষ্টিকোণ থেকে দীর্ঘ ২ বছরের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ও জুলাই বিপ্লবের সনদকে আইনসিদ্ধ করতে ঐতিহাসিক ‘গণভোট’ নিরপেক্ষ হোক বা না হোক বা ‘না’ ভোট জয়যুক্ত হোক কিন্তু বিশৃঙ্খলা ও নাশতা হতে দেবে না প্রশাসন।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ও সশস্ত্র বাহিনী এবং নির্বাচন কমিশন সকলেই বর্তমান ও ভবিষ্যতে আইনসিদ্ধ এবং সাংবিধানিক বৈধতা নির্ভর বাংলাদেশ দিয়ে যেতে বদ্ধপরিকর ছিলেন। কেননা এ নির্বাচন সুষ্ঠ ও অবাধ না হলে আগামীর পথচলায় বাংলাদেশের যে কোন নির্বাচিত সরকার হাজারো বাঁধার সম্মুখীন হতো দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বিচারালয়ে এবং আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে ফেরার আইনি ও সাংবিধানিক বৈধতা ন্যায় সিদ্ধ হয়ে যেতো। তাই শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সংঘাত মুক্ত ও নিরপেক্ষ রাখা হয়েছে। এই সুষ্ঠ নির্বাচন উপহার দিতে পারার একটি উদাহরণ পরিলক্ষিত করেছে গোটা জাতি। আর তা হলো অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ও বিশ্বনন্দিত নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনুস তার নিজের ভোট দিতে এসে ভোটকেন্দ্রের সামনে উপস্থিত সাংবাদিকদের যে আত্মহারা ও বাঁধভাঙা আনন্দে বিমোহিত হয়ে নাচের ভঙ্গিতে নিজের আত্ম তৃপ্তির বহিঃপ্রকাশ করে বলেছেন ‘আজ বাংলাদেশের জন্মদিন ও গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠার দিন’ তিনি আরও বলেন, ‘আজ মহা খুশির দিন আজ মাহা ঈদের দিন’ সুতরাং বাংলাদেশের আপামর জন সাধারণের জন্য এটি কি মেসেজ বা বার্তা ছিল তা বুঝে উঠাই হলো আগামী বাংলাদেশের মাইলফলক।

সমস্ত পর্যবেক্ষণ থেকে বিশ্লেষণ করে এতটুকুই অনুমান ও বিশ্লেষণ হলো: দরজা বন্ধ নির্বাচন কিংবা রাতের ভোট হয়নি এবং হতে দেয়া হতো না। সুতরাং জনপ্রিয় নির্বাচনী প্রতীক যেটাই ছিল জনগণ ওটাতেই রায় দিবে এবং ঐ দল জয়যুক্ত হবে। কিন্তু কোন প্রকার জাল জালিয়াতির আশ্রয় নিতে দেয়া হবে না। ঠিক এই মুহূর্তেই জনরায়ের পবিত্র আকাঙ্ক্ষার দল বিএনপি ছাড়া বিকল্প কোন পথ ছিল না বাঙালি জাতির কাছে। তাই বাংলাদেশের জনগণ ১২ ফেব্রুয়ারি ভুল সিদ্ধান্ত নেয়নি। ধানের শীষে তাদের রায় দিয়েছেন। অপর দিকে জামায়াত একটি মেধাবী রাজনৈতিক দল হলেও মূলত তারা বড্ড বেকুবি পথে পরিচালিত হয়েছে। এখানেই বিশ্লেষণ বলে: হয়তো জামায়াতের ওপর আল্লাহ রাজি নেই বা ছিল না। গভীর বিশ্লেষণ করে আরও পরিষ্কার হওয়া যায় যে, বাংলাদেশের ইতিহাসে ও স্বাধীনতার প্রায় ৫৪ বছরের মধ্যে এটাই ছিল তাদের জন্য সর্বশেষ এবং একমাত্র সুযোগ। যার বরাত দিয়ে বাংলাদেশের নির্বাহী দায়িত্বে যাওয়ার। তাই তারা এটাকে কাজে লাগাতে সর্বোচ্চ চেষ্টাও করছে কিন্তু তাদের পরিকল্পনায় প্রথম ও বড় ভুল ছিল জোটবদ্ধ নির্বাচন করা। তাদের এই জোট আজ তাদের গলার কাটা হয়ে আটকে গেছে যার দরুন চরম মূল্য দিতে হয়েছে দলটিকে। জোটের মধ্যে শরীক দলগুলো যে সবাই তাদের আপন নয় সেটা বুঝে উঠতে পারেনি দেশের বৃহত্তর ইসলামি রাজনৈতিক দল জামায়াতে ইসলামী। এখানে গবেষণা নিহিত হয়েছে যে, দীর্ঘ এত বছর বিএনপির রাজনীতির ধারা ঐক্য ও জোট এবং নির্বাচন করা সহ আন্দোলন সংগ্রাম এক মঞ্চে করে এসেছে। হঠাৎ আলাদা বা একক নির্বাচন বিএনপি ছাড়া অন্য ছোট দল নিয়ে জোটগত নির্বাচন করা ভোটের মাঠে ঠিকতে নানান প্রশ্নের জন্ম তো দিয়েছে পাশাপাশি নীতিগত ও আদর্শের ভাঙন ক্রমশ বৃদ্ধি পেতে থাকে। রাজনীতির গাণিতিক সূত্রাবলীর সঠিক প্রয়োগের ক্ষেত্র বিন্যাস সাধারণ মানুষের মতো লোভে ও মোহে আক্রান্ত আন্দোলনকারী ছাত্র সমাজের বিচ্ছিন্ন কিছু ছাত্রনেতা বুঝে উঠতে পারেনি বলে আমার ধারণা।

সারাদেশের ৩০০ আসন সার্ভে করে দেখা যায় জামায়াত জোটে প্রাপ্ত সংসদীয় আসনগুলো কীভাবে জমেছে? দেশব্যাপী যেখানে তাদের নারী ভোট আছে ২ শতাংশ আর পুরুষ ভোট আছে ১৫ শতাংশ তাহলে দেশের সর্বমোট ভোটারের ভোটের ওপর আসন প্রতি গড়ে ভোট জমে ৯ শতাংশ। তাহলে তারা কীভাবে আশা করে একক সরকার গঠন করার! এখন প্রশ্ন যদি জোটগত নির্বাচন ও জোট সরকারের আসে তাতেও তাদের সর্বমোট গড় জমে ১১ শতাংশ। দেশের স্বতন্ত্র নির্বাচন বিশ্লেষকদের সার্ভে অনুসারে জামায়াতে ইসলামীর একক অংশগ্রহণে সারা দেশে ভোটের মাঠে জয় লাভ করার নিশ্চিত আসন নির্ধারণ করা হয়েছে ২৭টি। আর জোটগতভাবে নির্ণয় করলে তাদের শিবিরে আসন জমে ৩২টি। কিন্তু ত্রয়োদশ নির্বাচনী ফলাফলে জামায়াত এককভাবে পেয়েছে ৬৮ আর শরীকদের কাছ থেকে ৯টি আসন পেয়েছে। যা তাদের রাজনৈতিক ইতিহাসে বিরল ও সর্বোচ্চপ্রাপ্ত আসন। যেখানে এর পূর্বে সর্বশেষ ২০০৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে মাত্র ২টি আসন পেয়েছিল জামায়াতে ইসলামী। তাহলে এই মাঝে সময়ে তারা কোন আলাদীনের চেরাগ পেয়েছে যে একলাফে এত বিপুল পরিমাণ আসন একাট্টা করতে পেরেছে। অথচ প্রেক্ষাপট অনুবলে জুলাই বিপ্লবের দোহাই দিয়ে আরও নতুন সংযুক্তির ভিত্তিতে সর্বমোট ৩৫ টা আসনে এসে আশ্রয় পাওয়ার কথা আওয়ামী লীগের অনুপস্থিতির কারণে। এর বাহিরে প্রশ্নই তো আসে না। তাহলে কি তাদের দ্বিতীয় ও প্রধান প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক দল হিসেবে বিরোধী দলের ভূমিকা রাখার জন্য সৃষ্টি করা হয়েছে? নাকি রাজনীতির মারপ্যাঁচে কুলিয়ে উঠতে পারেনি বিএনপি। প্রশ্নটা অসম্পূর্ণ রেখে গেলাম !

এবার স্বতন্ত্র ও বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে আরও ১৫টা আসন হাত ছাড়া হওয়ার কথা ছিল বিএনপির। কিন্তু প্রত্যাশিত ২৫০ আসন বিএনপি থেকে চিনিয়ে নেয়া কতটা সহজ হয়ে উঠে প্রতিপক্ষ শিবিরে। এটাই এখন গুরুত্বপূর্ণ গবেষণার বিষয়। তাহলে কি জামায়াতের পরিকল্পিত কূটকৌশল বিএনপির অজানা ছিল না। নাকি নির্বাচন ও গ্রহণ যোগ্যতার প্রশ্নের উত্তর তৈরি করে রেখেছেন তারেক রহমান। যেহেতু জামায়াতের রাজনৈতিক চরিত্র ও নীতি আদর্শ নিয়ে বিএনপি অবগত। বিএনপি এ যাত্রায় নাহয় ঘুরে দাঁড়ালো। তাহলে কি তারেক রহমান জামায়াতে ইসলামীকে দ্বিতীয় ও তৃতীয় কোন সুযোগ বর্তমান অবস্থায় দিবে শুধুমাত্র আওয়ামী লীগের অস্তিত্ব বিনাশ করার জন্য। এখানে জামায়াত কে বিশ্বাস করা উচিৎ হবে? না প্রয়োজনে আওয়ামী লীগের অনুপ্রবেশ ঘটবে বিএনপি?। মনে রাখা তো খুবই জরুরি বাংলাদেশের রাজনৈতিক পালা বদলের পালে বাতাস দেয়ার জন্য বৈদেশিক ও কুটনৈতিক ফায়দা নিতে জামায়াত কে সুযোগ করে দিবে রাজনৈতিক শত্রু ও বহিরাগত কুটনৈতিক শক্তি ও চাল। আবার রাষ্ট্রীয় সুবিধার আওতায় রাখলে বা দিলেও তা আগামীর বাংলাদেশের গতিপথ কোন দিকে মোড় নেবে? রাজনীতির এই উল্টো সমীকরণ বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে দীর্ঘ মেয়াদি ক্ষমতার উৎস সৃষ্টি করাকে প্রমোট করবে না জাতীয় সরকার বা জাতীয় ঐক্যের ডাক দিয়ে নতুন কোন ইতিহাস সৃষ্টি করবে তারেক রহমানের নতুন বাংলাদেশ।

লেখক : এস এম আবুল বরকত আকাশ জাতীয় নাগরিক অধিকার ও নির্বাচন বিশ্লেষক

নতুন প্রধানমন্ত্রীকে জি এম কাদেরের অভিনন্দন
নতুন প্রধানমন্ত্রীকে জি এম কাদেরের অভিনন্দন

নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করায় তারেক রহমান ও তার মন্ত্রীসভাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের। আজ মঙ্গলবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তিনি প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানান।

বার্তায় তারেক রহমানের প্রতি শুভেচ্ছা জ্ঞাপন ও সাফল্য কামনা করে জিএম কাদের বলেন, জনগণ তাকে ও তার দলের প্রতি যে দায়িত্বভার দিয়েছে তা পালন করতে তিনি সর্বোত্তভাবে সমর্থ হবেন।

জিএম কাদের বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে দ্রুত দেশের আইনের শাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হবে। সাংবিধানিক ধারা ফিরে আসবে এবং সংবিধানে বর্ণিত মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, মানবাধিকার, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠী ও ক্ষুদ্র জাতিসত্তার নিরাপত্তা, নারী অধিকার সহ সকল সাংবিধানিক অধিকার মানুষ যথাযথভাবে ভোগ করতে পারবে। আইনের শাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠার মাধ্যমে মানুষ তার সকল রকম আইনি অধিকার ফিরে পাবে।

জাপা চেয়ারম্যান বলেন, নানান ঘাত প্রতিঘাতের ভেতর দিয়ে দেশের অর্থনীতির যে ক্ষতি হয়েছে তারেক রহমানের নেতৃত্বে তা আবার পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হবে।

জাতীয় স্মৃতিসৌধে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
জাতীয় স্মৃতিসৌধে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

মুক্তিযুদ্ধের বীর শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেছেন নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার মন্ত্রিপরিষদ। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টায় সেখানে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তারা।

এরপর প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করার কথা রয়েছে। এ সময় তারা উভয় নেতার মাজার জিয়ারতও করবেন।

মন্ত্রিপরিষদের আগমনকে কেন্দ্র করে স্মৃতিসৌধ এলাকায় তিন স্তরের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। পুলিশ, র‌্যাব ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন সমন্বিতভাবে। মহাসড়কে বাড়ানো হয়েছে গোয়েন্দা নজরদারি। ডগ স্কোয়াড ও বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটের মহড়া চলছে নিয়মিত। পুরো স্মৃতিসৌধ এলাকা আনা হয়েছে সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায়।

 

এর আগে মঙ্গলবার শপথ গ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশের একাদশ প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন তারেক রহমান। দেশ পরিচালনার প্রথম দিন বুধবার সচিবালয়ে প্রথম অফিস করবেন তিনি। সেখানে মধ্যাহ্নভোজ ও বিকেলে মন্ত্রিসভার বৈঠকে অংশ নেয়ারও কথা রয়েছে। বিকেল ৪টায় সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন তিনি। এজন্য সচিবালয়ে বাড়তি নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

জাতীয় স্মৃতিসৌধে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

সংস্কার পরিষদের শপথ না নেওয়া জুলাইকে অপমানের শামিল

কর্মকর্তারা জানান, নির্বাচনের গেজেটের পরই তুমুল ব্যস্ততা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে। নতুন ভবনের ছয়টি লিফটের সবকটিই ছিল ব্যস্ত। কর্মকর্তারা এক ফ্লোর থেকে আরেক ফ্লোরে উঠছেন, নামছেন। সবার হাতেই ফাইল। রেওয়াজ ভেঙে এবার জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় হয়েছে মন্ত্রিসভার শপথ। আর সেই শপথ অনুষ্ঠানের সার্বিক তত্ত্বাবধান করেছেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কর্মকর্তারা।

গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের পর মঙ্গলবার জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিনের কাছ থেকে শপথ নেন নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা।

নতুন সংসদ সদস্যদের শপথ সকাল ১০টায়
নতুন সংসদ সদস্যদের শপথ সকাল ১০টায়

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা আজ সকাল ১০টায় শপথ নেবেন। এদিন তাদের জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের শপথ গ্রহণ কক্ষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন শপথ পাঠ করাবেন।

সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিবকে দেওয়া ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্যদের শপথ পাঠ আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০টা থেকে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের শপথ গ্রহণ কক্ষে পরিচালনা করবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার।

এদিকে, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বেসরকারি ফলাফলে ২৯৭টি আসনের মধ্যে বিএনপি ২০৯টি এবং জামায়াতে ইসলামী ৬৮টি আসনে জয়লাভ করেছে। আর জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ছয়টি এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা সাতটি আসনে জয়ী হয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস দুটি এবং ইসলামী আন্দোলন ও খেলাফত মজলিস একটি করে আসন জয়লাভ করেছে।

সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনকারী বিএনপি ধানের শীষ প্রতীকে ৪৯ দশমিক ৯৭ শতাংশ ভোট পেয়েছে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসন পাওয়া দল জামায়াতে ইসলামী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ৩১ দশমিক ৭৬ শতাংশ ভোট পেয়েছে। এছাড়া এনসিপি শাপলা কলি প্রতীকে ৩ দশমিক ০৫ শতাংশ, ইসলামী আন্দোলন হাতপাখা প্রতীকে ২ দশমিক ৭০ শতাংশ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস রিকশা প্রতীকে ২ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ ভোট পেয়েছে।

অন্য দলগুলোর প্রাপ্ত ভোটের হার ১ শতাংশের নিচে। এসব দলের মধ্যে আছে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ, খেলাফত মজলিস, ইসলামী ঐক্যজোট, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), গণসংহতি আন্দোলন, বাসদ, বাসদ (মার্ক্সবাদী), গণফোরাম ও নাগরিক ঐক্য।

উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট ৫০টি রাজনৈতিক দল ও ২৭৪ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে।

মন্ত্রিসভায় আরও ডাক পেলেন যারা
মন্ত্রিসভায় আরও ডাক পেলেন যারা

সংসদ সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠানের পরপরই নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের আমন্ত্রণ জানানো শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে মন্ত্রিসভার কিছু সদস্যের তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে। আরও কিছু সদস্যদের ব্যাপারে নিশ্চিত হতে পেরেছে কালবেলা।

এর মধ্যে রয়েছে আরিফুল হক চৌধুরী, রেজা কিবরিয়া, জোনায়েদ সাকি, নুরুল হক নুর, মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ এবং শরীফুল আলম। এর মধ্যে কায়কোবাদ ধর্ম মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব সামলানোর দায়িত্ব পেতে পারেন।

আজ মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টার দিকে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ পাঠ অনুষ্ঠিত হবে। সংবিধান অনুযায়ী, মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি।

এর আগে কালবেলার হাতে আসা তথ্য থেকে জানা গেছে, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী কিংবা উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পাচ্ছেন ড. খলিলুর রহমান। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সামলাবেন সালাহউদ্দিন আহমদ। অর্থমন্ত্রী হচ্ছেন আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। খন্দকার মোশাররফ পাচ্ছেন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ে আসবেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বিমানমন্ত্রী হবেন অনিন্দ ইসলাম অমিত। এছাড়া বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে আব্দুল আউয়াল মিন্টু, জ্বালানি ও খনিজ মন্ত্রণালয়ে ইকবাল হাসান টুকু, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ে মির্জা আব্বাস দায়িত্বে আসছেন।

মন্ত্রিসভায় আরও ডাক পেলেন যারা

মন্ত্রিসভায় যাচ্ছেন যারা

এছাড়া নিতাই রায় চৌধুরী, শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, আন্দালিব পার্থ, আসাদুজ্জামান ও এমদাদুল হক মিলনেরও ডাক পড়বে মন্ত্রিসভায়। আর পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পাচ্ছেন হুমায়ন কবির।

উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা বেলা পৌনে ১১টার দিকে শপথ নিয়েছেন। জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের শপথ গ্রহণ কক্ষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন তাদের শপথ পাঠ করান।

সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী মনোনীত হলেন তারেক রহমান
সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী মনোনীত হলেন তারেক রহমান

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করায় বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে সর্বসম্মতিক্রমে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে।

জাতীয় সংসদে বিএনপির নব-নির্বাচিত সদস্যদের শপথ শেষে তারেক রহমানের সভাপতিত্বে সংসদীয় দলের সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানেই সর্বসম্মতিক্রমে তারেক রহমানকে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত করা হয়।

এর আগে মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বেলা পৌনে ১১টার দিকে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের শপথকক্ষে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা (এমপি) শপথগ্রহণ করেন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন সংসদ সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করান।

 

শপথ অনুষ্ঠানে দেশি ও বিদেশি অতিথিরা অংশ নেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে নতুন আইনপ্রণেতাদের সামনে কথা বলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি সংবিধান সংস্কার পরিষদের বিষয়ে দলীয় সিদ্ধান্ত জানান। শপথ নেওয়ার পর সংসদ সদস্যরা শপথপত্রে সই করেন।

সূচি অনুযায়ী, বিকেল ৪টায় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত বিশেষ অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিনের কাছে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান ও নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ নেবেন। আজ সন্ধ্যায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে নতুন মন্ত্রীদের দপ্তর বণ্টন ও আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী মনোনীত হলেন তারেক রহমান
সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী মনোনীত হলেন তারেক রহমান

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করায় বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে সর্বসম্মতিক্রমে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে।

জাতীয় সংসদে বিএনপির নব-নির্বাচিত সদস্যদের শপথ শেষে তারেক রহমানের সভাপতিত্বে সংসদীয় দলের সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানেই সর্বসম্মতিক্রমে তারেক রহমানকে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত করা হয়।

এর আগে মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বেলা পৌনে ১১টার দিকে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের শপথকক্ষে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা (এমপি) শপথগ্রহণ করেন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন সংসদ সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করান।

 

শপথ অনুষ্ঠানে দেশি ও বিদেশি অতিথিরা অংশ নেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে নতুন আইনপ্রণেতাদের সামনে কথা বলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি সংবিধান সংস্কার পরিষদের বিষয়ে দলীয় সিদ্ধান্ত জানান। শপথ নেওয়ার পর সংসদ সদস্যরা শপথপত্রে সই করেন।

সূচি অনুযায়ী, বিকেল ৪টায় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত বিশেষ অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিনের কাছে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান ও নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ নেবেন। আজ সন্ধ্যায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে নতুন মন্ত্রীদের দপ্তর বণ্টন ও আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী মনোনীত হলেন তারেক রহমান
সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী মনোনীত হলেন তারেক রহমান

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করায় বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে সর্বসম্মতিক্রমে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে।

জাতীয় সংসদে বিএনপির নব-নির্বাচিত সদস্যদের শপথ শেষে তারেক রহমানের সভাপতিত্বে সংসদীয় দলের সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানেই সর্বসম্মতিক্রমে তারেক রহমানকে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত করা হয়।

এর আগে মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বেলা পৌনে ১১টার দিকে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের শপথকক্ষে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা (এমপি) শপথগ্রহণ করেন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন সংসদ সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করান।

 

শপথ অনুষ্ঠানে দেশি ও বিদেশি অতিথিরা অংশ নেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে নতুন আইনপ্রণেতাদের সামনে কথা বলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি সংবিধান সংস্কার পরিষদের বিষয়ে দলীয় সিদ্ধান্ত জানান। শপথ নেওয়ার পর সংসদ সদস্যরা শপথপত্রে সই করেন।

সূচি অনুযায়ী, বিকেল ৪টায় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত বিশেষ অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিনের কাছে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান ও নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ নেবেন। আজ সন্ধ্যায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে নতুন মন্ত্রীদের দপ্তর বণ্টন ও আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী মনোনীত হলেন তারেক রহমান
সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী মনোনীত হলেন তারেক রহমান

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করায় বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে সর্বসম্মতিক্রমে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে।

জাতীয় সংসদে বিএনপির নব-নির্বাচিত সদস্যদের শপথ শেষে তারেক রহমানের সভাপতিত্বে সংসদীয় দলের সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানেই সর্বসম্মতিক্রমে তারেক রহমানকে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত করা হয়।

এর আগে মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বেলা পৌনে ১১টার দিকে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের শপথকক্ষে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা (এমপি) শপথগ্রহণ করেন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন সংসদ সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করান।

 

শপথ অনুষ্ঠানে দেশি ও বিদেশি অতিথিরা অংশ নেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে নতুন আইনপ্রণেতাদের সামনে কথা বলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি সংবিধান সংস্কার পরিষদের বিষয়ে দলীয় সিদ্ধান্ত জানান। শপথ নেওয়ার পর সংসদ সদস্যরা শপথপত্রে সই করেন।

সূচি অনুযায়ী, বিকেল ৪টায় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত বিশেষ অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিনের কাছে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান ও নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ নেবেন। আজ সন্ধ্যায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে নতুন মন্ত্রীদের দপ্তর বণ্টন ও আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

মন্ত্রিপরিষদে ডাক পাচ্ছেন নুরুল হক নুর
মন্ত্রিপরিষদে ডাক পাচ্ছেন নুরুল হক নুর

গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও পটুয়াখালী-৩ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) নুরুল হক নুর নতুন সরকারের মন্ত্রিসভায় ডাক পাচ্ছেন।

নুরকে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বলে সংবাদমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন গণঅধিকার পরিষদের উচ্চতর পরিষদ সদস্য ও গণমাধ্যম সমন্বয়ক আবু হানিফ।

তিনি বলেন, তিনি (নুর) মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে শপথ নেবেন। তাকে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে।

 

নুরুল হক নুর জাতীয় রাজনীতিতে পরিচিতি পান ২০১৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের মাধ্যমে। দীর্ঘ ২৮ বছর পর অনুষ্ঠিত ওই নির্বাচনে তিনি কোটা সংস্কার আন্দোলনের নেতা হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে তৎকালীন ছাত্রলীগ সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভনকে পরাজিত করে সহ-সভাপতি (ভিপি) নির্বাচিত হন। এরপর থেকেই তিনি ভিপি নুর নামে পরিচিতি পান।

মন্ত্রিপরিষদে ডাক পাচ্ছেন নুরুল হক নুর
মন্ত্রিপরিষদে ডাক পাচ্ছেন নুরুল হক নুর

গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও পটুয়াখালী-৩ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) নুরুল হক নুর নতুন সরকারের মন্ত্রিসভায় ডাক পাচ্ছেন।

নুরকে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বলে সংবাদমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন গণঅধিকার পরিষদের উচ্চতর পরিষদ সদস্য ও গণমাধ্যম সমন্বয়ক আবু হানিফ।

তিনি বলেন, তিনি (নুর) মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে শপথ নেবেন। তাকে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে।

 

নুরুল হক নুর জাতীয় রাজনীতিতে পরিচিতি পান ২০১৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের মাধ্যমে। দীর্ঘ ২৮ বছর পর অনুষ্ঠিত ওই নির্বাচনে তিনি কোটা সংস্কার আন্দোলনের নেতা হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে তৎকালীন ছাত্রলীগ সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভনকে পরাজিত করে সহ-সভাপতি (ভিপি) নির্বাচিত হন। এরপর থেকেই তিনি ভিপি নুর নামে পরিচিতি পান।

মন্ত্রিপরিষদে ডাক পাচ্ছেন নুরুল হক নুর
মন্ত্রিপরিষদে ডাক পাচ্ছেন নুরুল হক নুর

গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও পটুয়াখালী-৩ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) নুরুল হক নুর নতুন সরকারের মন্ত্রিসভায় ডাক পাচ্ছেন।

নুরকে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বলে সংবাদমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন গণঅধিকার পরিষদের উচ্চতর পরিষদ সদস্য ও গণমাধ্যম সমন্বয়ক আবু হানিফ।

তিনি বলেন, তিনি (নুর) মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে শপথ নেবেন। তাকে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে।

 

নুরুল হক নুর জাতীয় রাজনীতিতে পরিচিতি পান ২০১৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের মাধ্যমে। দীর্ঘ ২৮ বছর পর অনুষ্ঠিত ওই নির্বাচনে তিনি কোটা সংস্কার আন্দোলনের নেতা হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে তৎকালীন ছাত্রলীগ সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভনকে পরাজিত করে সহ-সভাপতি (ভিপি) নির্বাচিত হন। এরপর থেকেই তিনি ভিপি নুর নামে পরিচিতি পান।

মন্ত্রিপরিষদে ডাক পাচ্ছেন নুরুল হক নুর
মন্ত্রিপরিষদে ডাক পাচ্ছেন নুরুল হক নুর

গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও পটুয়াখালী-৩ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) নুরুল হক নুর নতুন সরকারের মন্ত্রিসভায় ডাক পাচ্ছেন।

নুরকে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বলে সংবাদমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন গণঅধিকার পরিষদের উচ্চতর পরিষদ সদস্য ও গণমাধ্যম সমন্বয়ক আবু হানিফ।

তিনি বলেন, তিনি (নুর) মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে শপথ নেবেন। তাকে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে।

 

নুরুল হক নুর জাতীয় রাজনীতিতে পরিচিতি পান ২০১৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের মাধ্যমে। দীর্ঘ ২৮ বছর পর অনুষ্ঠিত ওই নির্বাচনে তিনি কোটা সংস্কার আন্দোলনের নেতা হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে তৎকালীন ছাত্রলীগ সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভনকে পরাজিত করে সহ-সভাপতি (ভিপি) নির্বাচিত হন। এরপর থেকেই তিনি ভিপি নুর নামে পরিচিতি পান।