শিরোনাম
দেশে সাশ্রয়ী বাজেটের স্মার্ট ২০ ফোন আনল ইনফিনিক্স
দেশে সাশ্রয়ী বাজেটের স্মার্ট ২০ ফোন আনল ইনফিনিক্স

ইনফিনিক্স বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মোচন করেছে তাদের নতুন স্মার্টফোন ‘ইনফিনিক্স স্মার্ট ২০’। স্মার্টফোনটি এন্ট্রি-লেভেল সেগমেন্টে যুক্ত করেছে আধুনিক ভয়েস প্রিন্ট নয়েজ রিডাকশন প্রযুক্তি, যা পরিষ্কার ভয়েস কল নিশ্চিত করতে বিশেষভাবে তৈরি। টেকসই, স্মুথ ডিসপ্লে এবং ব্যবহারবান্ধব ডিজাইনের সমন্বয়ে স্মার্ট ২০ তৈরি করা হয়েছে দৈনন্দিন বাস্তব চাহিদার কথা মাথায় রেখে।

বাংলাদেশের ব্যস্ত শহুরে জীবনে কথোপকথন শুধু দুর্বল নেটওয়ার্কের কারণে ব্যাহত হয় না, বরং আশপাশের অতিরিক্ত শব্দ-যেমন যানজটপূর্ণ রাস্তা, ভিড় পূর্ণ ক্যাম্পাস, গণপরিবহন কিংবা বাজারের কারণেও ব্যাহত হয়। বাস্তব সমস্যাটির সমাধান দিতে স্মার্ট ২০ ফোনে রয়েছে পিওর ভয়েস কল প্রযুক্তি, যা ভয়েস প্রিন্ট নয়েজ রিডাকশনের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কণ্ঠ আলাদা করে শনাক্ত করে এবং পেছনের অপ্রয়োজনীয় শব্দ কমিয়ে দেয়।

ফলে নিয়মিত কল, অনলাইন কল কিংবা স্পিকার ব্যবহারের সময়েও কথোপকথন থাকে পরিষ্কার। যেখানে এই দামের স্মার্টফোনে সাধারণত ক্যামেরা বা পারফরম্যান্সকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়, সেখানে স্মার্ট ২০ গুরুত্ব দিয়েছে পরিষ্কার ও নির্ভরযোগ্য ভয়েস কমিউনিকেশনে।

ফোনটিতে রয়েছে ৬.৭৮ ইঞ্চির ১২০ হার্টজ পাঞ্চ-হোল ডিসপ্লে, যা স্ক্রলিং, ভিডিও দেখা ও গেমিংয়ে দেয় আরও মসৃণ অভিজ্ঞতা। উচ্চ রিফ্রেশ রেটের কারণে স্ক্রিন ট্রানজিশন ও অ্যানিমেশন হয় আরও স্বাভাবিক ও সাবলীল। পাঞ্চ-হোল ডিজাইন স্ক্রিনকে করেছে আরও ইমারসিভ ও পরিপাটি। শক্তিশালী ব্যাটারি থাকা সত্ত্বেও স্মার্ট ২০ বজায় রেখেছে স্লিম ও হালকা গঠন, যা দীর্ঘ সময় হাতে ধরে ব্যবহার করতেও আরামদায়ক।

দেশে সাশ্রয়ী বাজেটের স্মার্ট ২০ ফোন আনল ইনফিনিক্স

এনইআইআর পরীক্ষার জন্য সাময়িক বন্ধ হতে পারে মোবাইল সংযোগ

স্মার্ট ২০-এ ব্যবহার করা হয়েছে মিডিয়াটেক হেলিও জি৮১ অক্টা-কোর প্রসেসর, যা মাল্টিটাস্কিং, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার, ভিডিও স্ট্রিমিং এবং হালকা গেমিংয়ে দেয় স্থিতিশীল পারফরম্যান্স এবং উন্নত শক্তি সাশ্রয়। পাশাপাশি রয়েছে ৪৮ মাস ফ্লুয়েন্সি অপ্টিমাইজেশন সুবিধা, যা দীর্ঘদিন ব্যবহারের পরও ফোনের মসৃণতা বজায় রাখতে সহায়তা করে।

ডিভাইসটি ১.৫ মিটার উচ্চতা থেকে পতন সহনশীল মিলিটারি-গ্রেড সার্টিফিকেশন পেয়েছে, যা পড়ে যাওয়ার মতো সাধারণ দুর্ঘটনায় অতিরিক্ত সুরক্ষা দেয়। পাশাপাশি রয়েছে আইপি৬৪ মানের পানি ও ধুলা প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং স্প্ল্যাশ টাচ সুবিধা। অর্থাৎ হালকা পানির ছিটা বা ধুলাবালির মধ্যেও স্ক্রিন থাকে সচল ও ব্যবহারযোগ্য। প্রতিদিনের যাতায়াত ও অনিশ্চিত আবহাওয়ায় এই সুবিধা বাড়ায় ফোনটির নির্ভরযোগ্যতা।

স্মার্ট ২০-এ রয়েছে আল্ট্রা লিংক ফ্রি কল সুবিধা, যা নেটওয়ার্ক সাময়িকভাবে বিচ্ছিন্ন হলে স্বল্প দূরত্বে যোগাযোগের বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে কাজ করবে।

এছাড়াও ফোনটিতে রয়েছে অলওয়েজ-অন ডিসপ্লে, আইআর ব্লাস্টার এবং এফএম রেডিও-যা দৈনন্দিন ব্যবহারে যোগ করে বাড়তি সুবিধা।

ফোনটি শ্যাডো ব্ল্যাক, সানলাইক অরেঞ্জ, ক্লাউডলাইন ব্লু এবং পোলারিস টাইটানিয়াম এই চার রঙে পাওয়া যাচ্ছে। ইনফিনিক্স স্মার্ট ২০ (৪+৬৪ জিবি) দাম ১২,৯৯৯ টাকা। ফোনটি এখন সারা দেশে অনুমোদিত বিক্রয়কেন্দ্র এবং অনলাইন প্ল্যাটফর্মে পাওয়া যাচ্ছে।

নতুন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের মন্ত্রণালয় বণ্টন করে প্রজ্ঞাপন জারি
নতুন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের মন্ত্রণালয় বণ্টন করে প্রজ্ঞাপন জারি

ঢাকা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয়ের পর গঠিত হয়েছে নতুন সরকার। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে শপথ নেন মন্ত্রিসভার সদস্যরা। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন তারেক রহমান।

শপথ গ্রহণ শেষে রাতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের দায়িত্ব বণ্টন করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। নতুন এই মন্ত্রিসভায় ২৫ মন্ত্রী এবং ২৪ প্রতিমন্ত্রী স্থান পেয়েছেন, যার মধ্যে ৩ জন টেকনোক্র্যাট সদস্য রয়েছেন।

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) তাদের দায়িত্ব বণ্টন করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রিত্বের পাশাপাশি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের দায়িত্বও পালন করবেন তারেক রহমান।

 

অন্যদের মধ্যে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়; আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়; সালাহউদ্দিন আহমদ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, ইকবাল হাসান মাহমুদ বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়; হাফিজ উদ্দিন আহমেদ (বীর বিক্রম) মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়, আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়; ড. খলিলুর রহমান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, আব্দুল আউয়াল মিন্টু পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়; কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়; মিজানুর রহমান মিনু ভূমি মন্ত্রণালয়; নিতাই রায় চৌধুরী সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়; খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, শিল্প মন্ত্রণালয় এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়; আরিফুল হক চৌধুরী শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়; জহির উদ্দিন স্বপন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়; মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ কৃষি মন্ত্রণালয়, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়; আফরোজা খানম রিতা বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়; মো. শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়; আসাদুল হাবিব দুলু দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়; মো. আসাদুজ্জামান আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়; জাকারিয়া তাহের গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, দীপেন দেওয়ান পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়; আ ন ম এহসানুল হক মিলন শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়; সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন (বকুল) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়, ফকির মাহবুব আনাম ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং শেখ রবিউল আলম সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়, রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন। এদিকে নতুন সরকারের প্রতিমন্ত্রীদের মধ্যে এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়; অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়; মো. শরীফুল আলম বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়; শামা ওবায়েদ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়; সুলতান সালাউদ্দিন টুকু কৃষি মন্ত্রণালয়, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়; ব্যারিস্টার কায়সার কামাল ভূমি মন্ত্রণালয়, ফরহাদ হোসেন আজাদ পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়; মো. আমিনুল হক যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়, মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়; হাবিবুর রশিদ সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়, রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়; মো. রাজিব আহসান সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়; মো. আব্দুল বারী জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, মীর শাহে আলম স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়; মো. জুনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি (জুনায়েদ সাকি) অর্থ এবং পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়; ইশরাক হোসেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়, ফারজানা শারমীন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়; শেখ ফরিদুল ইসলাম পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়; মো. নুরুল হক নুর (ভিপি নুর) শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়; ইয়াসের খান চৌধুরী তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়, এম ইকবাল হোসেইন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়, এমএ মুহিত স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়, আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, ববি হাজ্জাজ শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন।

নতুন আইজিপি-ডিএমপি কমিশনার পদে আলোচনায় যারা
নতুন আইজিপি-ডিএমপি কমিশনার পদে আলোচনায় যারা

তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর পুলিশ প্রশাসনের শীর্ষ পর্যায়ে বড় ধরনের পরিবর্তনের জোরালো গুঞ্জন শুরু হয়েছে। বিশেষ করে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ও ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনারের মতো গুরুত্বপূর্ণ দুটি পদে নতুন কারা আসছেন, তা নিয়ে প্রশাসনের অন্দরমহলে চলছে ব্যাপক আলোচনা।

পুলিশসহ নির্ভরযোগ্য সূত্রগুলো বলছে, নতুন আইজিপি হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার বিষয়ে কয়েকজনের নাম আলোচনায় রয়েছে। তাদের মধ্যে ১২তম ব্যাচের কর্মকর্তা হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (অতিরিক্ত আইজিপি) দেলোয়ার হোসেন মিঞা, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক আলী হোসেন ফকির, পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি মো. ছিবগাত উল্লাহ এবং র‍্যাবের মহাপরিচালক এ কে এম শহিদুর রহমানের নাম নতুন আইজিপি হতে পারেন বলে আলোচনা রয়েছে।

চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের পর র‍্যাবের ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য পুলিশের চৌকস কর্মকর্তা শহিদুর রহমানকে র‍্যাবের মহাপরিচালক পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেয় অন্তর্বর্তী সরকার। আগামী ১৫ মার্চ তার চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের মেয়াদ শেষ হবে।

আইজিপি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত আইজিপি মতিউর রহমান শেখের নামও আলোচনায় রয়েছে। এছাড়া আইজিপির আলোচনায় রয়েছেন পুলিশের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার সমন্বয়ক (কো-অর্ডিনেটর, গ্রেড-১) আনসার উদ্দিন খান পাঠান। ২০২২ সালে তিনি অবসরে যান।

নতুন আইজিপি-ডিএমপি কমিশনার পদে আলোচনায় যারা

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানালেন সৌ‌দি যুবরাজ

পুলিশ সদর দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, আইজিপি বাহারুল আলমকে ২০২৪ সালে ২০ নভেম্বর দুই বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেয় অন্তর্বর্তী সরকার। চুক্তি অনুযায়ী তার মেয়াদ আছে আরও প্রায় ৯ মাস।

ডিএমপি কমিশনার হওয়ার আলোচনায় আছেন চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ (সিএমপি) কমিশনার হাসিব আজিজ, অতিরিক্ত আইজিপি (লজিস্টিকস অ্যান্ড অ্যাসেট অ্যাকুইজিশন) মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ। এছাড়া র‍্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক ফারুক আহমেদের নাম নতুন ডিএমপি কমিশনার পদে আলোচনায় রয়েছে। বর্তমান ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলীর চুক্তিভিত্তিক মেয়াদ শেষ হবে চলতি বছরের ২১ নভেম্বর।

একাধিক সূত্র আরও জানায়, বিএনপি সরকার গঠন করায় এখন পুলিশ, র‍্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীতে ব্যাপক রদবদল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

নতুন আইজিপি-ডিএমপি কমিশনার পদে আলোচনায় যারা
নতুন আইজিপি-ডিএমপি কমিশনার পদে আলোচনায় যারা

তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর পুলিশ প্রশাসনের শীর্ষ পর্যায়ে বড় ধরনের পরিবর্তনের জোরালো গুঞ্জন শুরু হয়েছে। বিশেষ করে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ও ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনারের মতো গুরুত্বপূর্ণ দুটি পদে নতুন কারা আসছেন, তা নিয়ে প্রশাসনের অন্দরমহলে চলছে ব্যাপক আলোচনা।

পুলিশসহ নির্ভরযোগ্য সূত্রগুলো বলছে, নতুন আইজিপি হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার বিষয়ে কয়েকজনের নাম আলোচনায় রয়েছে। তাদের মধ্যে ১২তম ব্যাচের কর্মকর্তা হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (অতিরিক্ত আইজিপি) দেলোয়ার হোসেন মিঞা, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক আলী হোসেন ফকির, পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি মো. ছিবগাত উল্লাহ এবং র‍্যাবের মহাপরিচালক এ কে এম শহিদুর রহমানের নাম নতুন আইজিপি হতে পারেন বলে আলোচনা রয়েছে।

চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের পর র‍্যাবের ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য পুলিশের চৌকস কর্মকর্তা শহিদুর রহমানকে র‍্যাবের মহাপরিচালক পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেয় অন্তর্বর্তী সরকার। আগামী ১৫ মার্চ তার চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের মেয়াদ শেষ হবে।

আইজিপি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত আইজিপি মতিউর রহমান শেখের নামও আলোচনায় রয়েছে। এছাড়া আইজিপির আলোচনায় রয়েছেন পুলিশের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার সমন্বয়ক (কো-অর্ডিনেটর, গ্রেড-১) আনসার উদ্দিন খান পাঠান। ২০২২ সালে তিনি অবসরে যান।

নতুন আইজিপি-ডিএমপি কমিশনার পদে আলোচনায় যারা

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানালেন সৌ‌দি যুবরাজ

পুলিশ সদর দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, আইজিপি বাহারুল আলমকে ২০২৪ সালে ২০ নভেম্বর দুই বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেয় অন্তর্বর্তী সরকার। চুক্তি অনুযায়ী তার মেয়াদ আছে আরও প্রায় ৯ মাস।

ডিএমপি কমিশনার হওয়ার আলোচনায় আছেন চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ (সিএমপি) কমিশনার হাসিব আজিজ, অতিরিক্ত আইজিপি (লজিস্টিকস অ্যান্ড অ্যাসেট অ্যাকুইজিশন) মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ। এছাড়া র‍্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক ফারুক আহমেদের নাম নতুন ডিএমপি কমিশনার পদে আলোচনায় রয়েছে। বর্তমান ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলীর চুক্তিভিত্তিক মেয়াদ শেষ হবে চলতি বছরের ২১ নভেম্বর।

একাধিক সূত্র আরও জানায়, বিএনপি সরকার গঠন করায় এখন পুলিশ, র‍্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীতে ব্যাপক রদবদল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

নতুন আইজিপি-ডিএমপি কমিশনার পদে আলোচনায় যারা
নতুন আইজিপি-ডিএমপি কমিশনার পদে আলোচনায় যারা

তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর পুলিশ প্রশাসনের শীর্ষ পর্যায়ে বড় ধরনের পরিবর্তনের জোরালো গুঞ্জন শুরু হয়েছে। বিশেষ করে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ও ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনারের মতো গুরুত্বপূর্ণ দুটি পদে নতুন কারা আসছেন, তা নিয়ে প্রশাসনের অন্দরমহলে চলছে ব্যাপক আলোচনা।

পুলিশসহ নির্ভরযোগ্য সূত্রগুলো বলছে, নতুন আইজিপি হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার বিষয়ে কয়েকজনের নাম আলোচনায় রয়েছে। তাদের মধ্যে ১২তম ব্যাচের কর্মকর্তা হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (অতিরিক্ত আইজিপি) দেলোয়ার হোসেন মিঞা, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক আলী হোসেন ফকির, পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি মো. ছিবগাত উল্লাহ এবং র‍্যাবের মহাপরিচালক এ কে এম শহিদুর রহমানের নাম নতুন আইজিপি হতে পারেন বলে আলোচনা রয়েছে।

চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের পর র‍্যাবের ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য পুলিশের চৌকস কর্মকর্তা শহিদুর রহমানকে র‍্যাবের মহাপরিচালক পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেয় অন্তর্বর্তী সরকার। আগামী ১৫ মার্চ তার চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের মেয়াদ শেষ হবে।

আইজিপি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত আইজিপি মতিউর রহমান শেখের নামও আলোচনায় রয়েছে। এছাড়া আইজিপির আলোচনায় রয়েছেন পুলিশের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার সমন্বয়ক (কো-অর্ডিনেটর, গ্রেড-১) আনসার উদ্দিন খান পাঠান। ২০২২ সালে তিনি অবসরে যান।

নতুন আইজিপি-ডিএমপি কমিশনার পদে আলোচনায় যারা

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানালেন সৌ‌দি যুবরাজ

পুলিশ সদর দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, আইজিপি বাহারুল আলমকে ২০২৪ সালে ২০ নভেম্বর দুই বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেয় অন্তর্বর্তী সরকার। চুক্তি অনুযায়ী তার মেয়াদ আছে আরও প্রায় ৯ মাস।

ডিএমপি কমিশনার হওয়ার আলোচনায় আছেন চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ (সিএমপি) কমিশনার হাসিব আজিজ, অতিরিক্ত আইজিপি (লজিস্টিকস অ্যান্ড অ্যাসেট অ্যাকুইজিশন) মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ। এছাড়া র‍্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক ফারুক আহমেদের নাম নতুন ডিএমপি কমিশনার পদে আলোচনায় রয়েছে। বর্তমান ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলীর চুক্তিভিত্তিক মেয়াদ শেষ হবে চলতি বছরের ২১ নভেম্বর।

একাধিক সূত্র আরও জানায়, বিএনপি সরকার গঠন করায় এখন পুলিশ, র‍্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীতে ব্যাপক রদবদল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

নতুন আইজিপি-ডিএমপি কমিশনার পদে আলোচনায় যারা
নতুন আইজিপি-ডিএমপি কমিশনার পদে আলোচনায় যারা

তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর পুলিশ প্রশাসনের শীর্ষ পর্যায়ে বড় ধরনের পরিবর্তনের জোরালো গুঞ্জন শুরু হয়েছে। বিশেষ করে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ও ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনারের মতো গুরুত্বপূর্ণ দুটি পদে নতুন কারা আসছেন, তা নিয়ে প্রশাসনের অন্দরমহলে চলছে ব্যাপক আলোচনা।

পুলিশসহ নির্ভরযোগ্য সূত্রগুলো বলছে, নতুন আইজিপি হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার বিষয়ে কয়েকজনের নাম আলোচনায় রয়েছে। তাদের মধ্যে ১২তম ব্যাচের কর্মকর্তা হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (অতিরিক্ত আইজিপি) দেলোয়ার হোসেন মিঞা, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক আলী হোসেন ফকির, পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি মো. ছিবগাত উল্লাহ এবং র‍্যাবের মহাপরিচালক এ কে এম শহিদুর রহমানের নাম নতুন আইজিপি হতে পারেন বলে আলোচনা রয়েছে।

চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের পর র‍্যাবের ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য পুলিশের চৌকস কর্মকর্তা শহিদুর রহমানকে র‍্যাবের মহাপরিচালক পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেয় অন্তর্বর্তী সরকার। আগামী ১৫ মার্চ তার চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের মেয়াদ শেষ হবে।

আইজিপি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত আইজিপি মতিউর রহমান শেখের নামও আলোচনায় রয়েছে। এছাড়া আইজিপির আলোচনায় রয়েছেন পুলিশের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার সমন্বয়ক (কো-অর্ডিনেটর, গ্রেড-১) আনসার উদ্দিন খান পাঠান। ২০২২ সালে তিনি অবসরে যান।

নতুন আইজিপি-ডিএমপি কমিশনার পদে আলোচনায় যারা

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানালেন সৌ‌দি যুবরাজ

পুলিশ সদর দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, আইজিপি বাহারুল আলমকে ২০২৪ সালে ২০ নভেম্বর দুই বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেয় অন্তর্বর্তী সরকার। চুক্তি অনুযায়ী তার মেয়াদ আছে আরও প্রায় ৯ মাস।

ডিএমপি কমিশনার হওয়ার আলোচনায় আছেন চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ (সিএমপি) কমিশনার হাসিব আজিজ, অতিরিক্ত আইজিপি (লজিস্টিকস অ্যান্ড অ্যাসেট অ্যাকুইজিশন) মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ। এছাড়া র‍্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক ফারুক আহমেদের নাম নতুন ডিএমপি কমিশনার পদে আলোচনায় রয়েছে। বর্তমান ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলীর চুক্তিভিত্তিক মেয়াদ শেষ হবে চলতি বছরের ২১ নভেম্বর।

একাধিক সূত্র আরও জানায়, বিএনপি সরকার গঠন করায় এখন পুলিশ, র‍্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীতে ব্যাপক রদবদল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

শপথ নিলেন বিএনপির সংসদ সদস্যরা
শপথ নিলেন বিএনপির সংসদ সদস্যরা

প্রথম ধাপে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা (এমপি) শপথগ্রহণ করেছেন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন সংসদ সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করান।

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বেলা পৌনে ১১টার দিকে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের শপথকক্ষে এই শপথ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।

শপথ অনুষ্ঠানে দেশি ও বিদেশি অতিথিরা অংশ নেন।

 

অনুষ্ঠানে শুরুতে নতুন আইনপ্রণেতাদের সামনে কথা বলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি সংবিধান সংস্কার পরিষদের বিষয়ে দলীয় সিদ্ধান্ত জানান। শপথ নেওয়ার পর সংসদ সদস্যরা শপথপত্রে সই করেন।

সূচি অনুযায়ী, এমপি হিসেবে শপথের পর বিএনপির সংসদীয় দলের বৈঠকে তারেক রহমানকে আনুষ্ঠানিকভাবে সংসদ নেতা নির্বাচিত করা হবে। এরপর বিকেল ৪টায় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত বিশেষ অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান ও নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ নেবেন।

শপথ নিলেন বিএনপির সংসদ সদস্যরা
শপথ নিলেন বিএনপির সংসদ সদস্যরা

প্রথম ধাপে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা (এমপি) শপথগ্রহণ করেছেন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন সংসদ সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করান।

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বেলা পৌনে ১১টার দিকে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের শপথকক্ষে এই শপথ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।

শপথ অনুষ্ঠানে দেশি ও বিদেশি অতিথিরা অংশ নেন।

 

অনুষ্ঠানে শুরুতে নতুন আইনপ্রণেতাদের সামনে কথা বলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি সংবিধান সংস্কার পরিষদের বিষয়ে দলীয় সিদ্ধান্ত জানান। শপথ নেওয়ার পর সংসদ সদস্যরা শপথপত্রে সই করেন।

সূচি অনুযায়ী, এমপি হিসেবে শপথের পর বিএনপির সংসদীয় দলের বৈঠকে তারেক রহমানকে আনুষ্ঠানিকভাবে সংসদ নেতা নির্বাচিত করা হবে। এরপর বিকেল ৪টায় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত বিশেষ অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান ও নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ নেবেন।