- রাতে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড় হতে পারে যেসব অঞ্চলে
- রাতে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড় হতে পারে যেসব অঞ্চলে
- রাতে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড় হতে পারে যেসব অঞ্চলে
- রাতে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড় হতে পারে যেসব অঞ্চলে
- test title
- নেতানিয়াহুর আহ্বান ইরানিরা ইসলামী শাসনব্যবস্থা উৎখাত করুক
- ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি ইরানে এমন হামলা চালাব, যা আগে কেউ দেখেনি
- শীর্ষ নেতাদের মধ্যে নিহত যারা যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলা
- ইরানের সমর্থনে দেশে দেশে বিক্ষোভ
- বিপ্লবের মাধ্যমে উত্থান যেভাবে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হয়ে উঠেছিলেন খামেনি
- খামেনিকে হত্যা করাচিতে মার্কিন কনস্যুলেটে বিক্ষোভ সংঘর্ষে নিহত ৯
- পুতিনের বন্ধুত্বেরও সীমা আছে খামেনিকে হত্যা
- তেল-গ্যাস সরবরাহ স্থগিত হরমুজ প্রণালি বন্ধ, ট্যাঙ্কারে হামলা কী প্রভাব পড়বে অর্থনীতিতে
- ওয়াশিংটন পোস্ট ইরানে হামলায় ট্রাম্পকে প্ররোচিত করে ইসরায়েল ও সৌদি আরব
- ইরানে মেয়েদের স্কুলে হামলায় নিহত বেড়ে ১৪৮
- স্ট্যান্ডার্ড ইসলামী ব্যাংক।
- পূবালী ব্যাংক
- মেটলাইফ
- জনতা ব্যাংকের
- ইসলামী ব্যাংক
- ইএফআইসি ব্যাংকে
- ঢাকা কাস্টমস এজেন্ট
- আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকে
- রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ রাজউক ভবন ঢাকা।
- ডিএপি ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিমিটেড
- বিকাশে রেমিট্যান্স পাঠানো ও গ্রহণে রমজানজুড়ে থাকছে আকর্ষণীয় অফার
- মার্চ মাসে জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত থাকছে
- ব্র্যাক ব্যাংকের হেড অব ট্রেজারি হলেন নাজমুল আহসান
- পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া সরিষা ও গমের বাম্পার ফলনে মুখে হাসি কৃষকের
- ময়মনসিংহের ২ বন্দর দিয়ে ভারতীয় কয়লা আমদানি শুরু
- ঈদে গীত আখড়ার লালন গান
- হলিউড সিরিজ থেকে সরে দাঁড়ালেন দীপিকা
- এক রাতের ট্রেন জার্নির প্রচারে ভিন্নতা
- শুভেচ্ছাদূত হলেন মুনমুন
- ওটিটিতে মুক্তি পাওয়া নতুন কনটেন্ট
- ওটিটিতে মুক্তি পাওয়া নতুন কনটেন্ট
- ওটিটিতে মুক্তি পাওয়া নতুন কনটেন্ট
- ওটিটিতে উপেক্ষিত সিনেমার শিল্পীরা
- আলভীর স্ত্রী ইকরার রহস্যজনক মৃত্যু
- যেসব কারণে যুদ্ধ করছে পাকিস্তান-আফগানিস্তান
- সিএনএনকে বিশ্লেষক ইরানের দ্রুত প্রতিক্রিয়া পরীক্ষায় ফেলেছে মার্কিন প্রতিরক্ষাকে
- নতুন যুদ্ধের খবরে তোলপাড় বিশ্ব, নিন্দা-সংযমের আহ্বান
- আলজাজিরার এক্সপ্লেইনার খামেনি কেন মার্কিন হামলার লক্ষ্যবস্তু
- ইরানকে উদ্ধারে কি এগিয়ে আসবে চীন
- ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ ছড়াচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যে
- মধ্যপ্রাচ্যে বিমান চলাচল ব্যাহত বন্ধ আকাশসীমা
- মায়ার এক্সপেরিয়েন্স জোন
- কাশিনাথপুর সোসাইটি
- ইসলামী ব্যাংক
- ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি
- e-Tender (LTM) Notice No : 02/2025-2026
- ব্যাংকার্স ক্লাবের নতুন সভাপতি রাশেদ আকতার সাধারণ সম্পাদক রশীদ-উন-নবী
- মিউচুয়াল ফান্ডে শৃঙ্খলা ফেরাতে কাস্টডিয়ান হচ্ছে সিডিবিএল
- ইসরায়েল-ইরান উত্তেজনা
- চাঁদাবাজি রোধে সামাজিক আন্দোলনের ডাক ডিসিসিআই সভাপতির
- সরকার গঠনের প্রথম সপ্তাহ
- স্বর্ণের দাম ভরিতে বেড়েছে ৪৩৭৪ টাকা
- বরিশালে বিচারক-আইনজীবী বিরোধ সমঝোতার পথে
- তথ্য প্রতিমন্ত্রী সাংবাদিকদের সমস্যা সমাধান ছাড়া গণমাধ্যম বিকশিত হবে না
- রাজধানীতে দোকানে ঢুকে পিস্তল ঠেকিয়ে ছিনতাইচেষ্টা
- ভোলায় এবার বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের সিদ্ধান্ত
- মানুষ কেন ৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে আর চাঁদে যায়নি?
- মানুষের ভাগ্য বদলে কর্মচারীদের কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
- স্থানীয় সরকারমন্ত্রী দুর্নীতিকে কখনো প্রশ্রয় দিইনি দেব না
- সম্পাদক : সন্তোষ শর্মা
- নারিন্দায় গ্যাস লিকেজ থেকে আগুনে দগ্ধ একজনের মৃত্যু
- বারবার বাচ্চা নষ্ট: কারণ প্রতিকার ও চিকিৎসা
- বাংলা ভাষার বিকাশে ঐক্যবদ্ধ প্রয়াস প্রয়োজন
- বাজার ব্যবস্থায় নৈতিকতার সংকট
- নাজির আফজাল মুসলিমবিদ্বেষ ও সহাবস্থানের বাস্তবতা
- স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ
- ব্যয়ের পাহাড়, ফল শূন্য
- তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী গণমাধ্যমের সর্বোচ্চ স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হবে
- মির্জা ফখরুল স্থানীয় সরকার নির্বাচন যথাসময়ে
- ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিল গ্রেপ্তার ৮
- জরায়ুমুখের ক্যানসারের লক্ষণ ও চিকিৎসা
- শিশুপ্রহরের উচ্ছ্বাসে মুখর প্রাঙ্গণ
- তৃণমূল মজবুত করেই স্থানীয় ভোটে নজর দিবে বিএনপি
- এক সারিতে দেখা যাবে ৬ গ্রহ ও চাঁদ
- তৃণমূলের ঐক্যে দুটি আসনেই বিএনপি
- বগুড়ায় শুরু ফ্যামিলি কার্ড প্রধানমন্ত্রী যাচ্ছেন ১০ মার্চ
- আফগানিস্তানে সিরিজ বিমান হামলা পাকিস্তানের
- বিএনপির ঘাঁটিতে এবার নতুন নেতৃত্বে আস্থা
- সাংগঠনিক দুর্বলতায় একটিতে বিএনপির হার
- আঙ্কেল আপনি রোজা রাখেন, প্রধানমন্ত্রীকে প্রশ্ন শিশুর
- হেলায় হেরেছে জাতীয় পার্টি সুযোগ নিয়েছে বিএনপি
- নির্বাচনে আমাদের হক কেড়ে নেওয়া হয়েছে
- পিটিয়ে পানিতে নামিয়ে অজু করাচ্ছেন এমপির নাতি
- বললেন জামায়াত আমির নির্বাচনে আমাদের হক কেড়ে নেওয়া হয়েছে
- আফগানিস্তানে সিরিজ বিমান হামলা পাকিস্তানের
- ঝরঝর করে ভেঙে পড়ল কাঁচা ঘরের টালি
- ফের কাঁপল দেশ, ১১ ভূমিকম্প এক মাসে
- আঙ্কেল আপনি রোজা রাখেন, প্রধানমন্ত্রীকে প্রশ্ন শিশুর
- সম্পাদক : সন্তোষ শর্মা
- অতিষ্ঠ জনজীবন
- বড় ধরনের ঝড় ও বৃষ্টিপাত না হলে মশার উপদ্রব সহজে কমবে না
- তৃণমূল মজবুত করেই স্থানীয় ভোটে নজর দেবে বিএনপি
- উষ্ণ সুপ মসলাদার পুর আর সুগন্ধি দম
- পরিবেশ ও জলবায়ু সংকটে গুরুতর চ্যালেঞ্জের মুখে বিশ্ব : এরদোয়ান
- এ বছর কপ৩১ আয়োজন করবে তুরস্ক
- বৃষ্টি ও তাপমাত্রা নিয়ে আগামী ৫ দিনের পূর্বাভাস
- আজ ঢাকার বাতাস ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’, দূষিত শহরের শীর্ষে লাহোর
- স্কুলের মাঠে পর্যাপ্ত গাছপালা আছে কি, যা বলছে ইউরোপীয় গবেষণা
- এপেক্স স্টাইলে No.1, ঈদ ট্রেন্ডে ফ্যামিলি ফান
- শুরু হলো কনকা ও হাইকোর বিশেষ প্রমোশনাল ক্যাম্পেইন ‘ঘষা দিলেই গোল্ড’
- সোসাইটি ফর স্বরূপকাঠী স্কুল অ্যালামনাই’র দ্বিতীয় ত্রৈ-বার্ষিক সভা অনুষ্ঠিত
- বনভূমির নীরবতায় বিলাসের ঠিকানা
- গ্র্যান্ড ইফতার বাজার-স্বাদ ও সম্প্রীতির এক অনন্য উদযাপন
- সবচেয়ে বড় সুপারমুন দেখা যাবে আজ
- শেষকৃত্য সেরে বাড়ি ফিরে দেখলেন উঠোনে বসে হাসছেন মৃত
- পাখিরা কেন বৈদ্যুতিক তারে বসতে পছন্দ করে, কেন তারা শক খায় না?
- প্রেমিক বিবাহিত, সন্তানও আছে! গোপন তথ্য ফাঁস করল চ্যাটজিপিটি
- মোবাইল ফোনের আসক্তি দূর করার উপায়
- সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য জরুরি নির্দেশ
- বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ আসনে ভোট ৯ এপ্রিল
- ঈদে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রির তারিখ ঘোষণা
- বিএনপি গণতন্ত্র ও আইনের শাসনে বিশ্বাসী : মঈন খান
- প্রবাসীদের সুযোগ-সুবিধার জন্য সব কিছু করব : মন্ত্রী আরিফুল হক
- কিছু মন্ত্রীদের মুখে দয়া করে টেপ লাগিয়ে দিতে বলুন
- সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টার বিরুদ্ধে মুশফিকুল আনসারীর গুরুতর অভিযোগ
- ‘হাসনাত কই, লীগ তো দোকান খোলা শুরু করছে’
- এনসিপির জন্য মেঘনা আলমের ফ্রি কোর্স
- ইফতারের আগে ছাত্রদল সভাপতির জন্য দোয়া চাইলেন ডাকসুর জুমা
- সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামানের ৩ সহযোগী ১০ দিনের রিমান্ডে
- ফারইস্টের সাবেক চেয়ারম্যান খালেক ৩ দিনের রিমান্ডে
- টাকার বিনিময়ে অবৈধ ভ্রমণ, ৩ রেলকর্মী বরখাস্ত
- রাজধানীতে নব্য জেএমবির সহযোগী সদস্য গ্রেপ্তার
- ৬ মাস ধরে বেতন না পাওয়ার অভিযোগ সৌদি প্রবাসীর
- শিশু বারবার ঘামছে? চিন্তার কারণ নয়, তবে সতর্ক থাকা জরুরি
- রুবি গজনবী পুরস্কার-২০২৪ পেল ‘মোনঘর’
- আপনার শিশুকে সবজি খাওয়ানোর সহজ কিছু উপায়
- মেন্টরশিপ, তৃণমূল সংযোগ ও পারিবারিক বাধা : চ্যালেঞ্জের মুখে নারীর রাজনীতি
- নিখোঁজ সেই তরুণীর সন্ধান চায় পিবিআই
- চট্টগ্রাম বন্দরের ১৫ কর্মচারীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা
- অচলাবস্থা কাটিয়ে আবার অপারেশনে ফিরল চট্টগ্রাম বন্দর
- দ্রুত স্থানীয় সরকার নির্বাচন চাইলেন চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন
- বন্দরে কনটেইনার জট, রমজানে পণ্য সরবরাহ নিয়ে শঙ্কা
- বিএনপি-জামায়াত তুমুল সংঘর্ষ
- দায়িত্ব বুঝে নিলেন নতুন চিফ প্রসিকিউটর
- ৪ জেলায় নিয়োগ দিচ্ছে ট্রান্সকম গ্রুপ
- ৪ জেলায় নিয়োগ দিচ্ছে ট্রান্সকম গ্রুপ
- চাকরি দিচ্ছে এসিআই, থাকছে না বয়সসীমা
- মধুমতি ব্যাংকে চাকরি, নেই বয়সসীমা
- বিভিন্ন গ্রেডে নিয়োগ দেবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়
- জনবল নিচ্ছে আবুল খায়ের গ্রুপ
- ব্যাপক বিভ্রাটে ইউটিউব, ভোগান্তিতে ব্যবহারকারীরা
- সিটিজের সভাপতি জাকির, মহাসচিব সাইফ
- রবিন রাফানের ‘এআই মাস্টারক্লাসে’ ১০ হাজারেরও বেশি আন্তর্জাতিক অংশগ্রহণকারী
- এনইআইআর পরীক্ষার জন্য সাময়িক বন্ধ হতে পারে মোবাইল সংযোগ
- দায়িত্ব বুঝে নিলেন নতুন চিফ প্রসিকিউটর
- দেশে সাশ্রয়ী বাজেটের স্মার্ট ২০ ফোন আনল ইনফিনিক্স
- দিশার বাড়িতে গুলিবর্ষণ: লরেন্স বিষ্ণোই চক্রের সদস্য গ্রেপ্তার
- ইতালি ভিসা কেলেঙ্কারি: দুই বাংলাদেশি দালালের কারাদণ্ড
- ইতালিতে বাংলাদেশ দূতাবাসে বিএনপির শুভেচ্ছা ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
- রাশিয়ায় বাংলাদেশিদের আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন
- সৌদিতে পৃথক দুর্ঘটনায় দুই বাংলাদেশির মৃত্যু
- প্যারিসে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত
- তমিজ উদ্দীন লোদীর কবিতা- গোলাপ কুঁড়ি মেলে ফুল হয়ে ফোটে
- রহমান মৃধার কবিতা ‘বেইমান’
- দয়াল দত্তের একুশের অগ্নিশপথ...
- নতুন সরকারের সামনে ‘ভিসি সমীকরণ’
- শহিদুল ইসলাম নিরবের গুচ্ছ গুচ্ছ কবিতা...
- কৌশিক আজাদ প্রণয়ের প্রতীক্ষা
- দেশের ৬ সিটি করপোরেশনে প্রশাসক নিয়োগ
- লাগেজে এয়ারগান, বিমানবন্দর থেকে নূর হোসেন আটক
- মোহাম্মদপুরে থানা ঘেরাও করে জনতার বিক্ষোভ
- রাজধানীতে আজ কোথায় কী
- যাত্রাবাড়ীতে লেগুনা ও বাস সংঘর্ষে নিহত ২
- রোজার জরুরি মাসায়েলে
- ইফতারে খেজুর রাখুন
- অপবিত্র অবস্থায় সেহরি খাওয়া যাবে কি না?
- ২২ ফেব্রুয়ারি : আজকের নামাজের সময়সূচি
- নীরব ঘাতক থাইরয়েড ক্যানসার, এই ৬ লক্ষণ দেখলেই সতর্ক হোন
- নীরবে শরীরে ছড়াচ্ছে ক্যানসার, সকালে এই একটি লক্ষণ দেখা দিলেই সতর্ক হোন
- ফুসফুস ক্যানসারের এই ৫ উপসর্গ সাধারণ অসুখ ভেবে এড়িয়ে যাচ্ছেন না তো?
- নিপাহ ভাইরাসে নারীর মৃত্যু, এশিয়ার বিমানবন্দরগুলোতে উচ্চ সতর্কতা
- দীর্ঘমেয়দি রোগে আক্রান্ত রোগীদের রোজা
- জামায়াত আমিরের অ্যাকাউন্ট হ্যাক, মধ্যরাতে মতিঝিলে ডিবির অভিযান
- রাষ্ট্রপতি কার্যালয়ের সেই প্রোগ্রামার গ্রেপ্তার
- যাত্রাবাড়ীতে দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে মাদ্রাসাছাত্র নিহত
- নেশার টাকার জন্য বাবাকে কুপিয়ে হত্যা করল ছেলে
- নিকেতনে জোর করে ফ্ল্যাট দখলের চেষ্টা, বাসা তছনছ
- গুলশানে ফ্ল্যাট জালিয়াতি টিউলিপ সিদ্দিকের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
- রিজার্ভ চুরি মামলার তদন্ত প্রতিবেদন পেছাল ৯৩ বার
- বিচার চলাকালে আদালতে পাথর নিক্ষেপ
- বোনকে হত্যার ৩১ বছর পর ভাই গ্রেফতার
- সালমান-আনিসুলের প্রথম সাক্ষ্য গ্রহণ আজ
- সামরিক স্থাপনার সুরক্ষায় ইরানের অভিনব পরিকল্পনা
- গণভোটের কোনো আইনগত ভিত্তি নেই : মেজর হাফিজ
- ঈদের আগেই ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণে কমিটি, দায়িত্বে আছেন যারা
- কী ঘটেছিল ইতিহাসের এই দিনে
- ১৬ ফেব্রুয়ারি : ইতিহাসের এই দিনে যা ঘটেছিল
- ডেস্কে বসে কাজ করে ওজন বাড়ছে? যেসব লক্ষণ দেখলে সতর্ক হবেন
- ভোটের মাঠে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় সেনাবাহিনীর সফলতা
- রোজা-ঈদ-বড়দিন উপলক্ষে সারা বিশ্বে চলে মূল্যহ্রাস, আর বাংলাদেশে...
- সংঘাতমুক্ত অবাধ জাতীয় নির্বাচন : পর্যবেক্ষণ থেকে বিশ্লেষণ
- নাসিরউদ্দীন পাটোয়ারী : স্পষ্টভাষিতা, বিতর্ক এবং নতুন রাজনীতির রূপরেখা
- কী কথা ছিল, আর কী হলো
- রোজা-ঈদ-বড়দিন উপলক্ষে সারা বিশ্বে চলে মূল্যহ্রাস, আর বাংলাদেশে...
- কী কথা ছিল, আর কী হলো
- ভোটের মাঠে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় সেনাবাহিনীর সফলতা
- আইনের শাসনই হবে রাষ্ট্র পরিচালনার শেষ কথা : প্রধানমন্ত্রী
- আইনের শাসনই হবে রাষ্ট্র পরিচালনার শেষ কথা : প্রধানমন্ত্রী
- আইনের শাসনই হবে রাষ্ট্র পরিচালনার শেষ কথা : প্রধানমন্ত্রী
- আইনের শাসনই হবে রাষ্ট্র পরিচালনার শেষ কথা : প্রধানমন্ত্রী
- আইনের শাসনই হবে রাষ্ট্র পরিচালনার শেষ কথা : প্রধানমন্ত্রী
- আইনের শাসনই হবে রাষ্ট্র পরিচালনার শেষ কথা : প্রধানমন্ত্রী
- আইনের শাসনই হবে রাষ্ট্র পরিচালনার শেষ কথা : প্রধানমন্ত্রী
- আইনের শাসনই হবে রাষ্ট্র পরিচালনার শেষ কথা : প্রধানমন্ত্রী
- আইনের শাসনই হবে রাষ্ট্র পরিচালনার শেষ কথা : প্রধানমন্ত্রী
- আইনের শাসনই হবে রাষ্ট্র পরিচালনার শেষ কথা : প্রধানমন্ত্রী
- ‘ভেন্টিলেটর সাপোর্টে’ সেলিম খান, হাসপাতালে বিমর্ষ সালমান
- এই লোক কি জিনিস আইডিয়া নাই : ইরফান
- নায়িকাদের চেয়ে নায়কদের সঙ্গেই স্বচ্ছন্দ জন
- বাবাকে হারালেন চিত্রনায়িকা মৌমিতা মৌ
- ‘ঘরোয়া ইফতার’ নিয়ে পর্দায় হাজির নিরব-বর্ষা-আশরাফুলরা
- ১৩২ কোটি প্রেফারেন্স শেয়ার ইস্যুর সম্মতি পেল পাওয়ার গ্রিড
- ১৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত রেমিট্যান্স প্রবাহ ২১.২ শতাংশ বৃদ্ধি
- পৃষ্ঠপোষকতার অর্থনীতি চলতে দেওয়া হবে না : নতুন অর্থমন্ত্রী
- বড় পতনের পর আজ থেকে নতুন দামে স্বর্ণ বিক্রি শুরু
- রেমিট্যান্সে বইছে সুবাতাস, বেড়েছে রিজার্ভও
- চবিতে হল সংসদের নামে জোড়া রুম বরাদ্দের অভিযোগ
- ছাত্ররাজনীতি উন্মুক্তের দাবি করল পাবিপ্রবিতে ছাত্রদল
- কলেজে ঈদের ছুটি শুরু, স্কুলে কবে থেকে
- শিক্ষাব্যবস্থাকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করাই আমার লক্ষ্য : শিক্ষামন্ত্রী মিলন
- নকল, প্রশ্নফাঁস আর ফিরে আসবে না : শিক্ষামন্ত্রী
- অস্ট্রেলিয়াকে উড়িয়ে সুপার এইটে শ্রীলঙ্কা
- কানাডাকে উড়িয়ে সুপার এইটে নিউজিল্যান্ড
- অস্ট্রেলিয়াকে বিদায় করে সুপার এইটে জিম্বাবুয়ে
- সাকিব-মাশরাফিকে নিয়ে চাওয়া জানালেন নতুন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী
- গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়েই সেমিফাইনালে বাংলাদেশ
- যুক্তরাষ্ট্রের হাইস্কুলে বন্দুকধারীর হামলা, নিহত ২
- প্রকাশ্যে মাছ-মাংস বিক্রি বন্ধ ভারতের বিহারে
- যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করতে জেনেভায় আব্বাস আরাগচি
- সৌদিতে রমজানের চাঁদ দেখা গেছে, রোজা শুরু বুধবার
- বাংলাদেশের উদাহরণ টেনে ভারতের নির্বাচন কমিশনকে কটাক্ষ মমতার
- দুটি কারখানার অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন
- দুটি কারখানার অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন
- শ্রমিক নেতাকে মারধরের অভিযোগ
- শ্রমিক নেতাকে মারধরের অভিযোগ
- বসন্তের প্রকৃতি রাঙাতে ফুটেছে ভাঁট
- বসন্তের প্রকৃতি রাঙাতে ফুটেছে ভাঁট
- বিদ্যুৎস্পর্শে প্রাণ গেল মা-ছেলের
- বিদ্যুৎস্পর্শে প্রাণ গেল মা-ছেলের
- সৈকতে ভেসে এলো তরুণ-তরুণীর মরদেহ
- সৈকতে ভেসে এলো তরুণ-তরুণীর মরদেহ
- নতুন প্রধানমন্ত্রীকে জি এম কাদেরের অভিনন্দন
- সাতসকালে ঝাড়ু হাতে রাস্তা পরিষ্কারে জামায়াত আমির
- রাস্তা পরিষ্কারের মাধ্যমে জাতিকে যে বার্তা দিলেন জামায়াত আমির
- সংস্কার পরিষদের শপথ না নেওয়া জুলাইকে অপমানের শামিল
- জাতীয় স্মৃতিসৌধে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
- তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী পদে নিয়োগ করে প্রজ্ঞাপন জারি
- নতুন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের মন্ত্রণালয় বণ্টন করে প্রজ্ঞাপন জারি
- বিকেলে নতুন মন্ত্রিপরিষদের প্রথম বৈঠক
- সবচেয়ে বেশি ও কম মন্ত্রী পেল যে বিভাগ
- প্রধান উপদেষ্টার ফেসবুক পেজ বন্ধের ঘোষণা
- ই-অরেঞ্জের সোনিয়াসহ ৬ জনের বিচার শুরু
- ধানমন্ডিতে ফুল দিয়ে গ্রেপ্তার ৩ শিক্ষার্থী আড়াই মাস আগের মামলায় কারাগারে
- সিলেট জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি ইয়াহইয়া, সম্পাদক জোবায়ের
- এমপিদের শপথ পাঠের পর রহস্যময় স্ট্যাটাস মামুনুল হকের
- গণভোটের ফল বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে রিট
- কবে হচ্ছে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন?
- কবে হচ্ছে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন?
- কবে হচ্ছে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন?
- কবে হচ্ছে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন?
- প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানালেন সৌদি যুবরাজ
- প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানালেন সৌদি যুবরাজ
- প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানালেন সৌদি যুবরাজ
- প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানালেন সৌদি যুবরাজ
- নতুন আইজিপি-ডিএমপি কমিশনার পদে আলোচনায় যারা
- নতুন আইজিপি-ডিএমপি কমিশনার পদে আলোচনায় যারা
- নতুন আইজিপি-ডিএমপি কমিশনার পদে আলোচনায় যারা
- নতুন আইজিপি-ডিএমপি কমিশনার পদে আলোচনায় যারা
- শেরপুরে জামায়াতের সহস্রাধিক নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা
- শেরপুরে জামায়াতের সহস্রাধিক নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা
- শেরপুরে জামায়াতের সহস্রাধিক নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা
- শেরপুরে জামায়াতের সহস্রাধিক নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা
- বড় পতনের পর আজ থেকে নতুন দামে স্বর্ণ বিক্রি শুরু
- বড় পতনের পর আজ থেকে নতুন দামে স্বর্ণ বিক্রি শুরু
- বড় পতনের পর আজ থেকে নতুন দামে স্বর্ণ বিক্রি শুরু
- বড় পতনের পর আজ থেকে নতুন দামে স্বর্ণ বিক্রি শুরু
- বিএনপির যেসব হেভিওয়েট নেতার মন্ত্রিসভায় জায়গা হয়নি
- বিএনপির যেসব হেভিওয়েট নেতার মন্ত্রিসভায় জায়গা হয়নি
- বিএনপির যেসব হেভিওয়েট নেতার মন্ত্রিসভায় জায়গা হয়নি
- সপরিবারে মা-বাবার কবর জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী
- সপরিবারে মা-বাবার কবর জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী
- সপরিবারে মা-বাবার কবর জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী
- সপরিবারে মা-বাবার কবর জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী
- সপরিবারে মা-বাবার কবর জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী
- সপরিবারে মা-বাবার কবর জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী
- নতুন সংসদ সদস্যদের শপথ সকাল ১০টায়
- স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে যাচ্ছেন মির্জা ফখরুল
- ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি ও সরকারি প্লট নেবেন না বিএনপির এমপিরা
- মন্ত্রিসভায় আরও ডাক পেলেন যারা
- ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নেতা নির্বাচিত হলেন তারেক রহমান
- বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে যাচ্ছেন আবদুল আউয়াল মিন্টু
- বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে যাচ্ছেন আবদুল আউয়াল মিন্টু
- স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে যাচ্ছেন খন্দকার মোশাররফ
- স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে যাচ্ছেন খন্দকার মোশাররফ
- শপথ নিলেন বিএনপির সংসদ সদস্যরা
- শপথ নিলেন বিএনপির সংসদ সদস্যরা
- মন্ত্রিসভায় ডাক পেয়েছেন ববি হাজ্জাজ
- মন্ত্রিসভায় ডাক পেয়েছেন ববি হাজ্জাজ
- মন্ত্রিসভায় ডাক পেলেন হাবিবুর রশিদ
- মন্ত্রিসভায় ডাক পেলেন হাবিবুর রশিদ
- শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ঢাকায় মালদ্বীপের প্রধানমন্ত্রী
- সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে আজ শপথ নেবে না বিএনপি
- ফের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাচ্ছেন এহসানুল হক মিলন
- ফের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাচ্ছেন এহসানুল হক মিলন
- ফের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাচ্ছেন এহসানুল হক মিলন
- ফের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাচ্ছেন এহসানুল হক মিলন
- সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী মনোনীত হলেন তারেক রহমান
- সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী মনোনীত হলেন তারেক রহমান
- সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী মনোনীত হলেন তারেক রহমান
- সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী মনোনীত হলেন তারেক রহমান
- সেই ‘আইকনিক’ জার্সি গায়েই শপথ নিলেন হাসনাত আব্দুল্লাহ
- সেই ‘আইকনিক’ জার্সি গায়েই শপথ নিলেন হাসনাত আব্দুল্লাহ
- সেই ‘আইকনিক’ জার্সি গায়েই শপথ নিলেন হাসনাত আব্দুল্লাহ
- সেই ‘আইকনিক’ জার্সি গায়েই শপথ নিলেন হাসনাত আব্দুল্লাহ
- মন্ত্রিপরিষদে ডাক পাচ্ছেন নুরুল হক নুর
- মন্ত্রিপরিষদে ডাক পাচ্ছেন নুরুল হক নুর
- মন্ত্রিপরিষদে ডাক পাচ্ছেন নুরুল হক নুর
- মন্ত্রিপরিষদে ডাক পাচ্ছেন নুরুল হক নুর
- শপথ নিলেন জামায়াত ও স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যরা
- শপথ নিলেন জামায়াত ও স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যরা
- শপথ নিলেন জামায়াত ও স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যরা
- শপথ নিলেন জামায়াত ও স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যরা
দ্রুত স্থানীয় সরকার নির্বাচন চাইলেন চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন
দ্রুত স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের তাগিদ দিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। তিনি বলেন, স্থানীয় পর্যায়ে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি না থাকায় উন্নয়ন কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। নগরবাসীকে সেবা দেওয়া দিন দিন আরও চ্যালেঞ্জিং হয়ে উঠছে।
রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) নগরভবনে ইউরোপীয় ইউনিয়নের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন তিনি।
এ সময় মিশনের দীর্ঘমেয়াদী পর্যবেক্ষক সুজান জিন্ডেল ও সহকারী মো. মাসুক হায়দার উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া সিটি করপোরেশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা আজিজ আহমদও উপস্থিত ছিলেন।
মতবিনিময়কালে জাতীয় নির্বাচন প্রসঙ্গে মেয়র ডা. শাহাদাত বলেন, ২০০১ সালের পর দেশে কোনো সুষ্ঠু নির্বাচন হয়নি। ফলে জনগণ তাদের প্রকৃত প্রতিনিধি নির্বাচনের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছে। এতে গণতন্ত্র ও উন্নয়ন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
তিনি বলেন, সাম্প্রতিক নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ব্যাপক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে এবং তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার গঠনের পথে রয়েছে।
ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান মুক্তিযুদ্ধপরবর্তী অর্থনীতি পুনর্গঠন করেছিলেন এবং বেগম খালেদা জিয়া দেশের অর্থনৈতিক রূপান্তরে ভূমিকা রেখেছিলেন। তারেক রহমানের নেতৃত্বেও বাংলাদেশ উন্নয়নের নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে।
স্থানীয় নির্বাচনের প্রসঙ্গে মেয়র জানান, বর্তমানে সারাদেশে তিনিই একমাত্র নির্বাচিত মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ২০২১ সালের চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে অনিয়মের মাধ্যমে তাকে পরাজিত করা হয়েছিল। পরে আদালতের রায়ে তিনি মেয়রের দায়িত্ব পান। অন্য সিটি করপোরেশনগুলোতে বর্তমানে প্রশাসকের মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
তিনি বলেন, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি না থাকায় স্থানীয় সমস্যাগুলো চিহ্নিত ও সমাধান করা কঠিন হয়ে পড়েছে। চট্টগ্রামে তার সঙ্গে ৪১ জন সাধারণ কাউন্সিলর ও ১৪ জন সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর থাকার কথা থাকলেও বর্তমানে কেউ দায়িত্বে নেই। ফলে এত বড় শহরে একা দায়িত্ব পালন করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে।
ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, একই দিনে শহরের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ছুটতে হচ্ছে। কাউন্সিলর না থাকায় সেবা কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। তাই দ্রুত চট্টগ্রামসহ অন্যান্য সিটি করপোরেশনের নির্বাচন হওয়া জরুরি।
অন্যদিকে প্রতিনিধি দলটি জানায়, বাংলাদেশের জাতীয় আইনি কাঠামো এবং আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক গণতান্ত্রিক মানদণ্ডের ভিত্তিতে সংসদীয় নির্বাচন মূল্যায়ন করা হয়েছে। গত ১৪ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় তারা প্রাথমিক প্রতিবেদন প্রকাশ করে সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করেছে।
নির্বাচনী প্রক্রিয়া পুরোপুরি শেষ হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের কাছে একটি বিস্তারিত চূড়ান্ত প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হবে। এতে ভবিষ্যৎ নির্বাচনী ব্যবস্থার উন্নয়নে প্রয়োজনীয় সুপারিশ থাকবে এবং মিশনের ওয়েবসাইট ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করা হবে বলে জানানো হয়।
সংঘাতমুক্ত অবাধ জাতীয় নির্বাচন : পর্যবেক্ষণ থেকে বিশ্লেষণ
জন্মের পর থেকে বাংলাদেশের ইতিহাসে ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন হিসেবে বিবেচিত হয়েছে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে। স্বাধীনতার পর থেকে অদ্যাবধি দেশে যত জাতীয় নির্বাচন হয়েছে তারমধ্যে ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন ছিল ঐতিহাসিক ও বস্তুনিষ্ঠ এবং জবাবদিহি নির্ভর অবাধ সুষ্ঠ নিরপেক্ষ নির্বাচন। যেখানে দেশজুড়ে কোথাও সংঘাত দলবাজি কেন্দ্র-দখল বোমাবাজি সন্ত্রাস-যজ্ঞ খুন হত্যা মারামারি কিংবা কোনো প্রকার রক্তপাত ছাড়াই নিরপেক্ষ এবং মুক্ত চিত্তে আতংক ছাড়াই ভোট প্রদান-গ্রহণ ও গণনা প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে; যা বাংলাদেশের ইতিহাসে ঐতিহাসিক তো বটে সাথে ১২ ফেব্রুয়ারি দিনটি গণতন্ত্রের বিজয় দিবস হিসেবে বিবেচনা করছেন বিশিষ্টজনেরা।
চব্বিশের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর প্রথমবারের মতো দেশে ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এবারের ভোটে নতুনত্ব ছিল শুধু সরকার গঠনের প্রতিযোগিতা নয়; সাথে সংবিধান সংশোধন ইস্যুতেও এক ধরনের গণভোট হিসেবে দেখানো হয়েছে।
জাতীয় নাগরিক অধিকার ও নির্বাচন বিশ্লেষক হিসেবে গত ১১ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা ৭টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত ভোট দিবসের প্রথম প্রহরে থেকে ভোটদানের শেষ সময়টুকু ও ভোট গ্রহণ শেষে গণনা প্রক্রিয়া পর্যন্ত চট্টগ্রাম মহানগরী এবং জেলার আওতাভুক্ত সকল সংসদীয় আসনে স্পেশাল দায়িত্বভার নিয়ে বিচরণ করে এবং দেশব্যাপী অনুষ্ঠিত হওয়া নির্বাচন প্রক্রিয়া ও সরকার ইসি এবং রাজনৈতিক দলগুলোর ওপর আমার ক্ষুদ্র অবজারভেশনের সংক্ষিপ্ত বিশ্লেষণের সারাংশ তুলে ধরলাম।
পর্যবেক্ষণে মাঠ থেকে উঠে আসে, বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন শক্তিটি স্পষ্টভাবে এগিয়ে আছে বলে ধারণা করা হলেও ডা. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বাধীন জামায়াতে ইসলামীর উল্লেখযোগ্য কর্মকাণ্ড ভিন্ন চিন্তা করতে ভাবিয়েছে।
ভারতীয় গণমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে গুরুত্বপূর্ণ কিছু হেতু বিন্যাস উল্লেখ করা হয়েছে যা বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের সামগ্রিক ফলাফল ও রাজনৈতিক সমীকরণ বদলের ক্ষেত্রে সর্ব মহলের বিবেচক চিত্তে গবেষণার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে দাঁড়ায়।
আনিত বিশ্লেষণের মধ্যে রয়েছে -
অনিশ্চিত বা ভোটারদের ভূমিকা
বাংলাদেশের একটি বড় অংশের ভোটার কেন্দ্রে যাননি। যার দরুন প্রায় ১৪.৫ শতাংশ ভোটার অনিশ্চিত অবস্থায় রয়েছিল। আওয়ামী লীগ নির্বাচনে অংশ না নেওয়ায় তাদের প্রথাগত ১০-২৫ শতাংশ সমর্থক ভিন্ন রাজনৈতিক শক্তির দিকে ঝুঁকেছেন সেটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের অর্ধেক উত্তর হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিএনপির মতো দল এই বড় ভোটব্যাংক এবং তরুণ ভোটারদের নিজেদের পক্ষে আনার জোর প্রচেষ্টায় সফল হয়েছে। জামায়াত মধ্যে কৌশল অবলম্বন করলেও আধুনিক ভাবধারার প্রজন্মের কাছে পৌঁছাতে পারেনি। বিশ্লেষণ করলে বুঝা যায় এই ‘ফেন্স সিটার’ বা দোদুল্যমান ভোটারদের সিদ্ধান্তই শেষ পর্যন্ত নির্বাচনের ফল নির্ধারণে মুখ্য ভূমিকা রাখে। গবেষণায় উঠে এসেছিল তারা যেদিকে ঝুঁকবেন, বিজয়ের পাল্লা সেদিকেই ভারী হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। সমীক্ষায় ঐ বিশ্লেষণটাই সঠিক: প্রকৃত পক্ষে ফলাফল তাই হয়েছে।
ভোটার উপস্থিতির হার (টার্নআউট)
নির্বাচন কমিশনের মক ভোটিংয়ে দেখা গেছে,সাধারণ নির্বাচনের পাশাপাশি গণভোট হওয়ায় ভোট দিতে স্বাভাবিকের চেয়ে ১০ গুণ বেশি সময় লেগেছে। ভোটার উপস্থিতি কম হলেও সেটি জামায়াতের জন্য সুবিধাজনক হতে পারেনি। বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ডেমোক্রেসি অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট-এর রিপোর্ট বলছে, যদি ভোটার উপস্থিতি ৬৫-৬৮ শতাংশ হয় তবে বিএনপি জোটের একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি হবে। উপস্থিতি কমে ৫৩-৫৮ শতাংশে নামলে ক্যাডার-ভিত্তিক ইসলামি দল হিসেবে জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোট এগিয়ে যেতে পারবে। কিন্তু দৃশ্যপট বহুমূলে অনুকূল প্রবাহিত হয়েছে শুধুই বিএনপির পক্ষে।
নারী ও বয়স্ক ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে যেতে অনীহা
ধীরগতির ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া এবং সংঘাতের আশঙ্কায় নারী ও প্রবীণ ভোটাররা কেন্দ্রবিমুখ হতে দেখা গিয়েছে। নারী ভোটারদের মধ্যে ভোটের উৎসাহ গত কয়েক মাসে কমেছে বলে বিভিন্ন সমীক্ষায় উঠে এলেও সহিংসতার শঙ্কায় সাধারণ মানুষ ঘরে বসে থাকেনি। ক্যাডারভিত্তিক হলেও সুশৃঙ্খল ইসলামি দল হিসেবে জামায়াতের তাদের নিশ্চিত ভোটগুলো সংগ্রহ করে নির্বাচনী ফলাফল নিজেদের পক্ষে নিয়ে আসতে কাঠখড় পোহাতে হয়েছে।
উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি
আওয়ামী লীগ বিহীন এই নির্বাচনে দেশের প্রায় অর্ধেক ভোটকেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল। কেননা ৪২ শতাংশ লাইসেন্সকৃত অস্ত্র জমা পড়েনি, যা সহিংসতার আশঙ্কা বাড়িয়ে দিয়েছিল। এরমধ্যে রাজধানী ঢাকাসহ বিভাগীয় শহর এলাকা প্রায় ফাঁকা হয়ে ঈদের মতো মানুষ নাড়ির টানে বাড়ি ফিরছে ভোট দেওয়ার জন্য। এরকম হওয়ার কারণ ছিল বিগত ১৭ বছরের ক্ষোভ, মুক্তির বিপরীতে ভোটাধিকার প্রাপ্তির উৎসবটা ঈদের আমেজে রূপান্তরিত হয়েছে। যার দরুন বিএনপি তাদের এত বছরের রাজপথ লড়াইয়ের ফসল ঘরে তুলতে খুব একটা বেগ পেতে হয়নি। অপর দিকে সুসংগঠিত জামায়াত ক্ষমতার সমীকরণ বদলে দেবে এমন প্রশ্নের উত্তর মেলাতে গিয়ে ব্যালট যুদ্ধে কৌশলগত পরাজয় স্বীকার করেছে তারা।
পর্যবেক্ষণ থেকে বিশ্লেষণ
নির্বাচনের আগের দিন ১১ ফেব্রুয়ারি তারিখ সন্ধ্যা থেকে যখন আমার টিম সরজমিন অনুসন্ধানরত ছিল, তখন দেখা যায় সমস্ত ভোটকেন্দ্র প্রায় দখলের পাঁয়তারা নিচ্ছে জামায়াতের কর্মী বাহিনী। শুরু হয় নানান ধরনের নাশতা সাথে গুজব ছড়ানো তো আছেই। ঠিক তখনই রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারণী মহল থেকে সার্বিক পরিস্থিতি রাত ১১টার পরে গুছিয়ে নেয়ার সিদ্ধান্ত আসে। ঠিক তখনই সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় যৌথবাহিনী নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেয় সমস্ত কেন্দ্র। নির্দেশনা দেয়া হয়েছে এই মুহূর্তে ধানের শীষ ও দাঁড়িপাল্লা প্রধান ইস্যু নয়। গুরুত্বের বিষয় সরকার এবং সেনাবাহিনীর জন্য চ্যালেঞ্জ হলো, যেকোনো মূল্যে দখলমুক্ত ও নাশকতামুক্ত এবং অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে হবে। কেননা সরকার বদ্ধপরিকর ও চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছে যে, দেশের ইতিহাসে সর্বশ্রেষ্ঠ সুষ্ঠু নির্বাচন হিসেবে এ নির্বাচনকে প্রমাণ করার। কেননা রাজনৈতিক দল গুলোর নাশতা নির্ভর নির্বাচনের জন্য রাষ্ট্রের ও প্রজাতন্ত্রের ভিত্তি নিহিত ‘গণভোট’ কে কোন অবস্থায় প্রশ্নবিদ্ধ করা যাবে না। সুতরাং এ নির্বাচনকে সকল করতে সব বিতর্কের ঊর্ধ্বে রাখতে হবে।
এই কনফিডেন্সটিভ তথ্যগুলোর বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, দেশীয় ও আন্তর্জাতিক মহলে বিতর্ক ঠেকাতে এবং সাংবিধানিক দৃষ্টিকোণ থেকে দীর্ঘ ২ বছরের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ও জুলাই বিপ্লবের সনদকে আইনসিদ্ধ করতে ঐতিহাসিক ‘গণভোট’ নিরপেক্ষ হোক বা না হোক বা ‘না’ ভোট জয়যুক্ত হোক কিন্তু বিশৃঙ্খলা ও নাশতা হতে দেবে না প্রশাসন।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ও সশস্ত্র বাহিনী এবং নির্বাচন কমিশন সকলেই বর্তমান ও ভবিষ্যতে আইনসিদ্ধ এবং সাংবিধানিক বৈধতা নির্ভর বাংলাদেশ দিয়ে যেতে বদ্ধপরিকর ছিলেন। কেননা এ নির্বাচন সুষ্ঠ ও অবাধ না হলে আগামীর পথচলায় বাংলাদেশের যে কোন নির্বাচিত সরকার হাজারো বাঁধার সম্মুখীন হতো দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বিচারালয়ে এবং আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে ফেরার আইনি ও সাংবিধানিক বৈধতা ন্যায় সিদ্ধ হয়ে যেতো। তাই শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সংঘাত মুক্ত ও নিরপেক্ষ রাখা হয়েছে। এই সুষ্ঠ নির্বাচন উপহার দিতে পারার একটি উদাহরণ পরিলক্ষিত করেছে গোটা জাতি। আর তা হলো অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ও বিশ্বনন্দিত নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনুস তার নিজের ভোট দিতে এসে ভোটকেন্দ্রের সামনে উপস্থিত সাংবাদিকদের যে আত্মহারা ও বাঁধভাঙা আনন্দে বিমোহিত হয়ে নাচের ভঙ্গিতে নিজের আত্ম তৃপ্তির বহিঃপ্রকাশ করে বলেছেন ‘আজ বাংলাদেশের জন্মদিন ও গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠার দিন’ তিনি আরও বলেন, ‘আজ মহা খুশির দিন আজ মাহা ঈদের দিন’ সুতরাং বাংলাদেশের আপামর জন সাধারণের জন্য এটি কি মেসেজ বা বার্তা ছিল তা বুঝে উঠাই হলো আগামী বাংলাদেশের মাইলফলক।
সমস্ত পর্যবেক্ষণ থেকে বিশ্লেষণ করে এতটুকুই অনুমান ও বিশ্লেষণ হলো: দরজা বন্ধ নির্বাচন কিংবা রাতের ভোট হয়নি এবং হতে দেয়া হতো না। সুতরাং জনপ্রিয় নির্বাচনী প্রতীক যেটাই ছিল জনগণ ওটাতেই রায় দিবে এবং ঐ দল জয়যুক্ত হবে। কিন্তু কোন প্রকার জাল জালিয়াতির আশ্রয় নিতে দেয়া হবে না। ঠিক এই মুহূর্তেই জনরায়ের পবিত্র আকাঙ্ক্ষার দল বিএনপি ছাড়া বিকল্প কোন পথ ছিল না বাঙালি জাতির কাছে। তাই বাংলাদেশের জনগণ ১২ ফেব্রুয়ারি ভুল সিদ্ধান্ত নেয়নি। ধানের শীষে তাদের রায় দিয়েছেন। অপর দিকে জামায়াত একটি মেধাবী রাজনৈতিক দল হলেও মূলত তারা বড্ড বেকুবি পথে পরিচালিত হয়েছে। এখানেই বিশ্লেষণ বলে: হয়তো জামায়াতের ওপর আল্লাহ রাজি নেই বা ছিল না। গভীর বিশ্লেষণ করে আরও পরিষ্কার হওয়া যায় যে, বাংলাদেশের ইতিহাসে ও স্বাধীনতার প্রায় ৫৪ বছরের মধ্যে এটাই ছিল তাদের জন্য সর্বশেষ এবং একমাত্র সুযোগ। যার বরাত দিয়ে বাংলাদেশের নির্বাহী দায়িত্বে যাওয়ার। তাই তারা এটাকে কাজে লাগাতে সর্বোচ্চ চেষ্টাও করছে কিন্তু তাদের পরিকল্পনায় প্রথম ও বড় ভুল ছিল জোটবদ্ধ নির্বাচন করা। তাদের এই জোট আজ তাদের গলার কাটা হয়ে আটকে গেছে যার দরুন চরম মূল্য দিতে হয়েছে দলটিকে। জোটের মধ্যে শরীক দলগুলো যে সবাই তাদের আপন নয় সেটা বুঝে উঠতে পারেনি দেশের বৃহত্তর ইসলামি রাজনৈতিক দল জামায়াতে ইসলামী। এখানে গবেষণা নিহিত হয়েছে যে, দীর্ঘ এত বছর বিএনপির রাজনীতির ধারা ঐক্য ও জোট এবং নির্বাচন করা সহ আন্দোলন সংগ্রাম এক মঞ্চে করে এসেছে। হঠাৎ আলাদা বা একক নির্বাচন বিএনপি ছাড়া অন্য ছোট দল নিয়ে জোটগত নির্বাচন করা ভোটের মাঠে ঠিকতে নানান প্রশ্নের জন্ম তো দিয়েছে পাশাপাশি নীতিগত ও আদর্শের ভাঙন ক্রমশ বৃদ্ধি পেতে থাকে। রাজনীতির গাণিতিক সূত্রাবলীর সঠিক প্রয়োগের ক্ষেত্র বিন্যাস সাধারণ মানুষের মতো লোভে ও মোহে আক্রান্ত আন্দোলনকারী ছাত্র সমাজের বিচ্ছিন্ন কিছু ছাত্রনেতা বুঝে উঠতে পারেনি বলে আমার ধারণা।
সারাদেশের ৩০০ আসন সার্ভে করে দেখা যায় জামায়াত জোটে প্রাপ্ত সংসদীয় আসনগুলো কীভাবে জমেছে? দেশব্যাপী যেখানে তাদের নারী ভোট আছে ২ শতাংশ আর পুরুষ ভোট আছে ১৫ শতাংশ তাহলে দেশের সর্বমোট ভোটারের ভোটের ওপর আসন প্রতি গড়ে ভোট জমে ৯ শতাংশ। তাহলে তারা কীভাবে আশা করে একক সরকার গঠন করার! এখন প্রশ্ন যদি জোটগত নির্বাচন ও জোট সরকারের আসে তাতেও তাদের সর্বমোট গড় জমে ১১ শতাংশ। দেশের স্বতন্ত্র নির্বাচন বিশ্লেষকদের সার্ভে অনুসারে জামায়াতে ইসলামীর একক অংশগ্রহণে সারা দেশে ভোটের মাঠে জয় লাভ করার নিশ্চিত আসন নির্ধারণ করা হয়েছে ২৭টি। আর জোটগতভাবে নির্ণয় করলে তাদের শিবিরে আসন জমে ৩২টি। কিন্তু ত্রয়োদশ নির্বাচনী ফলাফলে জামায়াত এককভাবে পেয়েছে ৬৮ আর শরীকদের কাছ থেকে ৯টি আসন পেয়েছে। যা তাদের রাজনৈতিক ইতিহাসে বিরল ও সর্বোচ্চপ্রাপ্ত আসন। যেখানে এর পূর্বে সর্বশেষ ২০০৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে মাত্র ২টি আসন পেয়েছিল জামায়াতে ইসলামী। তাহলে এই মাঝে সময়ে তারা কোন আলাদীনের চেরাগ পেয়েছে যে একলাফে এত বিপুল পরিমাণ আসন একাট্টা করতে পেরেছে। অথচ প্রেক্ষাপট অনুবলে জুলাই বিপ্লবের দোহাই দিয়ে আরও নতুন সংযুক্তির ভিত্তিতে সর্বমোট ৩৫ টা আসনে এসে আশ্রয় পাওয়ার কথা আওয়ামী লীগের অনুপস্থিতির কারণে। এর বাহিরে প্রশ্নই তো আসে না। তাহলে কি তাদের দ্বিতীয় ও প্রধান প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক দল হিসেবে বিরোধী দলের ভূমিকা রাখার জন্য সৃষ্টি করা হয়েছে? নাকি রাজনীতির মারপ্যাঁচে কুলিয়ে উঠতে পারেনি বিএনপি। প্রশ্নটা অসম্পূর্ণ রেখে গেলাম !
এবার স্বতন্ত্র ও বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে আরও ১৫টা আসন হাত ছাড়া হওয়ার কথা ছিল বিএনপির। কিন্তু প্রত্যাশিত ২৫০ আসন বিএনপি থেকে চিনিয়ে নেয়া কতটা সহজ হয়ে উঠে প্রতিপক্ষ শিবিরে। এটাই এখন গুরুত্বপূর্ণ গবেষণার বিষয়। তাহলে কি জামায়াতের পরিকল্পিত কূটকৌশল বিএনপির অজানা ছিল না। নাকি নির্বাচন ও গ্রহণ যোগ্যতার প্রশ্নের উত্তর তৈরি করে রেখেছেন তারেক রহমান। যেহেতু জামায়াতের রাজনৈতিক চরিত্র ও নীতি আদর্শ নিয়ে বিএনপি অবগত। বিএনপি এ যাত্রায় নাহয় ঘুরে দাঁড়ালো। তাহলে কি তারেক রহমান জামায়াতে ইসলামীকে দ্বিতীয় ও তৃতীয় কোন সুযোগ বর্তমান অবস্থায় দিবে শুধুমাত্র আওয়ামী লীগের অস্তিত্ব বিনাশ করার জন্য। এখানে জামায়াত কে বিশ্বাস করা উচিৎ হবে? না প্রয়োজনে আওয়ামী লীগের অনুপ্রবেশ ঘটবে বিএনপি?। মনে রাখা তো খুবই জরুরি বাংলাদেশের রাজনৈতিক পালা বদলের পালে বাতাস দেয়ার জন্য বৈদেশিক ও কুটনৈতিক ফায়দা নিতে জামায়াত কে সুযোগ করে দিবে রাজনৈতিক শত্রু ও বহিরাগত কুটনৈতিক শক্তি ও চাল। আবার রাষ্ট্রীয় সুবিধার আওতায় রাখলে বা দিলেও তা আগামীর বাংলাদেশের গতিপথ কোন দিকে মোড় নেবে? রাজনীতির এই উল্টো সমীকরণ বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে দীর্ঘ মেয়াদি ক্ষমতার উৎস সৃষ্টি করাকে প্রমোট করবে না জাতীয় সরকার বা জাতীয় ঐক্যের ডাক দিয়ে নতুন কোন ইতিহাস সৃষ্টি করবে তারেক রহমানের নতুন বাংলাদেশ।
লেখক : এস এম আবুল বরকত আকাশ জাতীয় নাগরিক অধিকার ও নির্বাচন বিশ্লেষক
সিলেট জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি ইয়াহইয়া, সম্পাদক জোবায়ের
সিলেট জেলা আইনজীবী সমিতির বার্ষিক নির্বাচনে সভাপতি পদে গোলাম ইয়াহইয়া চৌধুরী (সুহেল) এবং সাধারণ সম্পাদক পদে জোবায়ের বখ্ত জুবের নির্বাচিত হয়েছেন।
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) ভোরে প্রধান নির্বাচন কমিশনার অ্যাডভোকেট মো. ছয়ফুল আলম ফলাফল ঘোষণা করেন।
ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী সভাপতি পদে অ্যাডভোকেট গোলাম ইয়াহইয়া চৌধুরী (সুহেল) ৫৭৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। সাধারণ সম্পাদক পদে অ্যাডভোকেট মো. জোবায়ের বখ্ত জুবের ৩৪৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। সিনিয়র সহসভাপতি পদে অ্যাডভোকেট পান্না লাল দাশ ৪৩৮ ভোট এবং সহসভাপতি পদে অ্যাডভোকেট আব্দুস সোয়েব আহমদ ৫১০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক-১ পদে অ্যাডভোকেট মো. আব্দুল মুকিত (অপি) ৩১৩ ভোট এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক-২ পদে অ্যাডভোকেট মো. হেদায়েত হোসেন তানবীর ৪৮৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। ক্রীড়া ও সমাজ বিষয়ক সম্পাদক পদে অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ মঈনুল ইসলাম ৫৮১ ভোট এবং সহক্রীড়া ও সমাজবিষয়ক সম্পাদক পদে অ্যাডভোকেট দেবব্রত চৌধুরী লিটন ৬৮৯ ভোট ও অ্যাডভোকেট ঝুমকি পুরকায়স্থ ৬৭৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। লাইব্রেরি সম্পাদক পদে অ্যাডভোকেট সৈয়দ ফেরদৌস আহমদ ৭২৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার পদে অ্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদ রিপন ৫৯৭ ভোট ও অ্যাডভোকেট নাজমুল ইসলাম ৫৭৮ ভোট পেয়েছেন। সহকারী নির্বাচন কমিশনার পদে অ্যাডভোকেট সোনিয়া জেরীন চৌধুরী ৬৬২ ভোটে নির্বাচিত হন। অপরদের মধ্যে সম্পাদক পদে অ্যাডভোকেট মো. ওয়ায়েছ কুরুণী উজ্জ্বল ৬৯৪ ভোট ও অ্যাডভোকেট জিয়াউল হক মোস্তাক ৬৭২ ভোট পেয়েছেন।
অন্যদের মধ্যে মহিলাবিষয়ক সম্পাদক পদে অ্যাডভোকেট সৈয়দা হেলেন বেগম ও মহিলা বিষয়ক সহসম্পাদক পদে অ্যাডভোকেট মো. জাহিদুল হক জাবেদ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়া কার্যনির্বাহী কমিটির ৭টি সদস্য পদে অ্যাডভোকেট মো. ইরফানুজ্জামান (৮৯৯), অ্যাডভোকেট মো. আতিকুর রহমান (৮৯৫), অ্যাডভোকেট এ এস এম আব্দুল গফুর (৮৭২), অ্যাডভোকেট মো. আনোয়ার হোসেন (৮৬৯), অ্যাডভোকেট এ কে এম ফখরুল ইসলাম (৮৫৭), অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ জুয়েল (৮৪০) ও অ্যাডভোকেট মো. ওবায়দুর রহমান (৮২২) ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন।
রোববার সকাল ১০টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত সমিতির ২ নম্বর হলের ২য় ও ৩য় তলায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে সমিতির মোট ১৬৬৫ জন ভোটারের মধ্যে ১৩৩৪ জন তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। এবারের নির্বাচনে ২৪টি পদের বিপরীতে ৫৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
এমপিদের শপথ পাঠের পর রহস্যময় স্ট্যাটাস মামুনুল হকের
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ পাঠের পর এক রহস্যময় স্ট্যাটাস দিয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকের এক পোস্টে রহস্যময় বার্তা দেন তিনি।
ফেসবুক পোস্টে মামুনুল হক বলেন, ‘এ জন্যই আমরা গণভোট আগে চেয়েছিলাম!’
এদিকে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দ্বিতীয় ধাপে শপথগ্রহণ করেছেন জামায়াত ও স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যরা (এমপি)। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন তাদের শপথবাক্য পাঠ করান।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের শপথকক্ষে এই শপথ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। শপথ অনুষ্ঠানে দেশি ও বিদেশি অতিথিরা অংশ নেন।
এর আগে প্রথম ধাপে শপথগ্রহণ করেন বিএনপির নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা। তারা বেলা পৌনে ১১টার দিকে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের শপথকক্ষে শপথগ্রহণ করেন।
গণভোটের ফল বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে রিট
গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত গণভোটের বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এ বি এম আতাউল মজিদ তৌহিদ। একই সঙ্গে ১৩ ফেব্রুয়ারি ঘোষিত গণভোটের ফল বাতিলেরও আবেদন জানিয়েছেন তিনি।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) জনস্বার্থে এ রিট দায়ের করেন তিনি। এতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার, মন্ত্রিপরিষদ সচিব ও আইন সচিবকে বিবাদী করা হয়েছে।
আগামী সপ্তাহে বিচারপতি ফাতেমা নজীবের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চে রিট আবেদনটির ওপর শুনানি হতে পারে।
এদিকে, গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়যুক্ত হয়েছে। দেশজুড়ে অনুষ্ঠিত এই গণভোটে মোট ৪ কোটি ৮০ লাখ ৭৪ হাজার ৪২৯ জন ভোটার ‘হাঁ’ ভোট দিয়েছেন। বিপক্ষে অর্থাৎ ‘না’ ভোট দিয়েছেন ২ কোটি ২৫ লাখ ৬৫ হাজার ৬২৭ জন।
উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট ৫১টি রাজনৈতিক দল ও ২৭৪ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। দলগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ ২৯১ আসনে প্রার্থী দেয় সরকার গঠন করতে যাওয়া বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি। তবে তাদের কোনো প্রার্থীকেই জামানত হারাতে হয়নি। অন্যদিকে বিরোধী দলের আসনে বসতে যাওয়া বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ২২৯টি আসনে প্রার্থী দেয়। তাদের মধ্যে তিন প্রার্থী নির্দিষ্টসংখ্যক ভোট না পাওয়ায় জামানত হারান। বিগত সংসদের বিরোধী দল জাতীয় পার্টি এবার ১৯৮ আসনে প্রার্থী দিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। দলটির প্রার্থীদের মধ্যে কেবলমাত্র পাঁচজন তাদের জামানত রক্ষা করতে পেরেছেন। নির্দিষ্টসংখ্যক ভোট না পাওয়ায় বাকি সবাই জামানত হারিয়েছেন। জুলাই অভ্যুত্থানকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা তরুণদের রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ৩২টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। তাদের মধ্যে তিনজন জামানত হারিয়েছেন। এ ছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, সিপিবি, বাসদ, নাগরিক ঐক্যসহ বাকি দলগুলোর বেশিরভাগ প্রার্থীই তাদের জামানত রক্ষা করতে পারেননি।
নতুন সংসদ সদস্যদের শপথ সকাল ১০টায়
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা আজ সকাল ১০টায় শপথ নেবেন। এদিন তাদের জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের শপথ গ্রহণ কক্ষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন শপথ পাঠ করাবেন।
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিবকে দেওয়া ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্যদের শপথ পাঠ আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০টা থেকে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের শপথ গ্রহণ কক্ষে পরিচালনা করবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার।
এদিকে, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বেসরকারি ফলাফলে ২৯৭টি আসনের মধ্যে বিএনপি ২০৯টি এবং জামায়াতে ইসলামী ৬৮টি আসনে জয়লাভ করেছে। আর জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ছয়টি এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা সাতটি আসনে জয়ী হয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস দুটি এবং ইসলামী আন্দোলন ও খেলাফত মজলিস একটি করে আসন জয়লাভ করেছে।
সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনকারী বিএনপি ধানের শীষ প্রতীকে ৪৯ দশমিক ৯৭ শতাংশ ভোট পেয়েছে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসন পাওয়া দল জামায়াতে ইসলামী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ৩১ দশমিক ৭৬ শতাংশ ভোট পেয়েছে। এছাড়া এনসিপি শাপলা কলি প্রতীকে ৩ দশমিক ০৫ শতাংশ, ইসলামী আন্দোলন হাতপাখা প্রতীকে ২ দশমিক ৭০ শতাংশ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস রিকশা প্রতীকে ২ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ ভোট পেয়েছে।
অন্য দলগুলোর প্রাপ্ত ভোটের হার ১ শতাংশের নিচে। এসব দলের মধ্যে আছে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ, খেলাফত মজলিস, ইসলামী ঐক্যজোট, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), গণসংহতি আন্দোলন, বাসদ, বাসদ (মার্ক্সবাদী), গণফোরাম ও নাগরিক ঐক্য।
উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট ৫০টি রাজনৈতিক দল ও ২৭৪ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে।
মন্ত্রিসভায় আরও ডাক পেলেন যারা
সংসদ সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠানের পরপরই নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের আমন্ত্রণ জানানো শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে মন্ত্রিসভার কিছু সদস্যের তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে। আরও কিছু সদস্যদের ব্যাপারে নিশ্চিত হতে পেরেছে কালবেলা।
এর মধ্যে রয়েছে আরিফুল হক চৌধুরী, রেজা কিবরিয়া, জোনায়েদ সাকি, নুরুল হক নুর, মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ এবং শরীফুল আলম। এর মধ্যে কায়কোবাদ ধর্ম মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব সামলানোর দায়িত্ব পেতে পারেন।
আজ মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টার দিকে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ পাঠ অনুষ্ঠিত হবে। সংবিধান অনুযায়ী, মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি।
এর আগে কালবেলার হাতে আসা তথ্য থেকে জানা গেছে, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী কিংবা উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পাচ্ছেন ড. খলিলুর রহমান। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সামলাবেন সালাহউদ্দিন আহমদ। অর্থমন্ত্রী হচ্ছেন আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। খন্দকার মোশাররফ পাচ্ছেন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ে আসবেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বিমানমন্ত্রী হবেন অনিন্দ ইসলাম অমিত। এছাড়া বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে আব্দুল আউয়াল মিন্টু, জ্বালানি ও খনিজ মন্ত্রণালয়ে ইকবাল হাসান টুকু, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ে মির্জা আব্বাস দায়িত্বে আসছেন।
এছাড়া নিতাই রায় চৌধুরী, শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, আন্দালিব পার্থ, আসাদুজ্জামান ও এমদাদুল হক মিলনেরও ডাক পড়বে মন্ত্রিসভায়। আর পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পাচ্ছেন হুমায়ন কবির।
উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা বেলা পৌনে ১১টার দিকে শপথ নিয়েছেন। জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের শপথ গ্রহণ কক্ষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন তাদের শপথ পাঠ করান।
সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে আজ শপথ নেবে না বিএনপি
সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে আজ শপথ নেবে না বিএনপি। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ নিয়েছেন। এদিন তাদেরকে জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের শপথ গ্রহণ কক্ষে সংসদ সদস্য এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ পাঠ করানোর কথা। তবে বিএনপি আজ সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ না নেওয়ার কথা বলছে বিএনপি।
এর আগে গতকাল ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে বলা হয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নির্বাচিত সংসদ-সদস্যদের এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্যদের শপথ পাঠ আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০টা থেকে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের শপথ গ্রহণ কক্ষে পরিচালনা করবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার।
এদিকে, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বেসরকারি ফলাফলে ২৯৭টি আসনের মধ্যে বিএনপি ২০৯টি এবং জামায়াতে ইসলামী ৬৮টি আসনে জয়লাভ করেছে। আর জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ছয়টি এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা সাতটি আসনে জয়ী হয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস দুটি এবং ইসলামী আন্দোলন ও খেলাফত মজলিস একটি করে আসন জয়লাভ করেছে।
সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনকারী বিএনপি ধানের শীষ প্রতীকে ৪৯ দশমিক ৯৭ শতাংশ ভোট পেয়েছে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসন পাওয়া দল জামায়াতে ইসলামী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ৩১ দশমিক ৭৬ শতাংশ ভোট পেয়েছে। এছাড়া এনসিপি শাপলা কলি প্রতীকে ৩ দশমিক ০৫ শতাংশ, ইসলামী আন্দোলন হাতপাখা প্রতীকে ২ দশমিক ৭০ শতাংশ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস রিকশা প্রতীকে ২ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ ভোট পেয়েছে।
অন্য দলগুলোর প্রাপ্ত ভোটের হার ১ শতাংশের নিচে। এসব দলের মধ্যে আছে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ, খেলাফত মজলিস, ইসলামী ঐক্যজোট, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), গণসংহতি আন্দোলন, বাসদ, বাসদ (মার্ক্সবাদী), গণফোরাম ও নাগরিক ঐক্য।
উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট ৫১টি রাজনৈতিক দল ও ২৭৪ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। দলগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ ২৯১ আসনে প্রার্থী দেয় সরকার গঠন করতে যাওয়া বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি। তবে তাদের কোনো প্রার্থীকেই জামানত হারাতে হয়নি। অন্যদিকে বিরোধী দলের আসনে বসতে যাওয়া বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ২২৯টি আসনে প্রার্থী দেয়। তাদের মধ্যে তিন প্রার্থী নির্দিষ্টসংখ্যক ভোট না পাওয়ায় জামানত হারান। বিগত সংসদের বিরোধী দল জাতীয় পার্টি এবার ১৯৮ আসনে প্রার্থী দিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। দলটির প্রার্থীদের মধ্যে কেবলমাত্র পাঁচজন তাদের জামানত রক্ষা করতে পেরেছেন। নির্দিষ্টসংখ্যক ভোট না পাওয়ায় বাকি সবাই জামানত হারিয়েছেন। জুলাই অভ্যুত্থানকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা তরুণদের রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ৩২টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। তাদের মধ্যে তিনজন জামানত হারিয়েছেন। এ ছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, সিপিবি, বাসদ, নাগরিক ঐক্যসহ বাকি দলগুলোর বেশিরভাগ প্রার্থীই তাদের জামানত রক্ষা করতে পারেননি।
সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী মনোনীত হলেন তারেক রহমান
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করায় বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে সর্বসম্মতিক্রমে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে।
জাতীয় সংসদে বিএনপির নব-নির্বাচিত সদস্যদের শপথ শেষে তারেক রহমানের সভাপতিত্বে সংসদীয় দলের সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানেই সর্বসম্মতিক্রমে তারেক রহমানকে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত করা হয়।
এর আগে মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বেলা পৌনে ১১টার দিকে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের শপথকক্ষে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা (এমপি) শপথগ্রহণ করেন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন সংসদ সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করান।
শপথ অনুষ্ঠানে দেশি ও বিদেশি অতিথিরা অংশ নেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে নতুন আইনপ্রণেতাদের সামনে কথা বলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি সংবিধান সংস্কার পরিষদের বিষয়ে দলীয় সিদ্ধান্ত জানান। শপথ নেওয়ার পর সংসদ সদস্যরা শপথপত্রে সই করেন।
সূচি অনুযায়ী, বিকেল ৪টায় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত বিশেষ অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিনের কাছে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান ও নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ নেবেন। আজ সন্ধ্যায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে নতুন মন্ত্রীদের দপ্তর বণ্টন ও আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।
সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী মনোনীত হলেন তারেক রহমান
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করায় বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে সর্বসম্মতিক্রমে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে।
জাতীয় সংসদে বিএনপির নব-নির্বাচিত সদস্যদের শপথ শেষে তারেক রহমানের সভাপতিত্বে সংসদীয় দলের সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানেই সর্বসম্মতিক্রমে তারেক রহমানকে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত করা হয়।
এর আগে মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বেলা পৌনে ১১টার দিকে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের শপথকক্ষে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা (এমপি) শপথগ্রহণ করেন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন সংসদ সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করান।
শপথ অনুষ্ঠানে দেশি ও বিদেশি অতিথিরা অংশ নেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে নতুন আইনপ্রণেতাদের সামনে কথা বলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি সংবিধান সংস্কার পরিষদের বিষয়ে দলীয় সিদ্ধান্ত জানান। শপথ নেওয়ার পর সংসদ সদস্যরা শপথপত্রে সই করেন।
সূচি অনুযায়ী, বিকেল ৪টায় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত বিশেষ অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিনের কাছে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান ও নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ নেবেন। আজ সন্ধ্যায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে নতুন মন্ত্রীদের দপ্তর বণ্টন ও আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।
সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী মনোনীত হলেন তারেক রহমান
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করায় বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে সর্বসম্মতিক্রমে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে।
জাতীয় সংসদে বিএনপির নব-নির্বাচিত সদস্যদের শপথ শেষে তারেক রহমানের সভাপতিত্বে সংসদীয় দলের সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানেই সর্বসম্মতিক্রমে তারেক রহমানকে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত করা হয়।
এর আগে মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বেলা পৌনে ১১টার দিকে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের শপথকক্ষে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা (এমপি) শপথগ্রহণ করেন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন সংসদ সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করান।
শপথ অনুষ্ঠানে দেশি ও বিদেশি অতিথিরা অংশ নেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে নতুন আইনপ্রণেতাদের সামনে কথা বলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি সংবিধান সংস্কার পরিষদের বিষয়ে দলীয় সিদ্ধান্ত জানান। শপথ নেওয়ার পর সংসদ সদস্যরা শপথপত্রে সই করেন।
সূচি অনুযায়ী, বিকেল ৪টায় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত বিশেষ অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিনের কাছে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান ও নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ নেবেন। আজ সন্ধ্যায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে নতুন মন্ত্রীদের দপ্তর বণ্টন ও আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।
সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী মনোনীত হলেন তারেক রহমান
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করায় বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে সর্বসম্মতিক্রমে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে।
জাতীয় সংসদে বিএনপির নব-নির্বাচিত সদস্যদের শপথ শেষে তারেক রহমানের সভাপতিত্বে সংসদীয় দলের সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানেই সর্বসম্মতিক্রমে তারেক রহমানকে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত করা হয়।
এর আগে মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বেলা পৌনে ১১টার দিকে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের শপথকক্ষে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা (এমপি) শপথগ্রহণ করেন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন সংসদ সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করান।
শপথ অনুষ্ঠানে দেশি ও বিদেশি অতিথিরা অংশ নেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে নতুন আইনপ্রণেতাদের সামনে কথা বলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি সংবিধান সংস্কার পরিষদের বিষয়ে দলীয় সিদ্ধান্ত জানান। শপথ নেওয়ার পর সংসদ সদস্যরা শপথপত্রে সই করেন।
সূচি অনুযায়ী, বিকেল ৪টায় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত বিশেষ অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিনের কাছে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান ও নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ নেবেন। আজ সন্ধ্যায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে নতুন মন্ত্রীদের দপ্তর বণ্টন ও আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।
মন্ত্রিপরিষদে ডাক পাচ্ছেন নুরুল হক নুর
গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও পটুয়াখালী-৩ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) নুরুল হক নুর নতুন সরকারের মন্ত্রিসভায় ডাক পাচ্ছেন।
নুরকে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বলে সংবাদমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন গণঅধিকার পরিষদের উচ্চতর পরিষদ সদস্য ও গণমাধ্যম সমন্বয়ক আবু হানিফ।
তিনি বলেন, তিনি (নুর) মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে শপথ নেবেন। তাকে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে।
নুরুল হক নুর জাতীয় রাজনীতিতে পরিচিতি পান ২০১৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের মাধ্যমে। দীর্ঘ ২৮ বছর পর অনুষ্ঠিত ওই নির্বাচনে তিনি কোটা সংস্কার আন্দোলনের নেতা হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে তৎকালীন ছাত্রলীগ সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভনকে পরাজিত করে সহ-সভাপতি (ভিপি) নির্বাচিত হন। এরপর থেকেই তিনি ভিপি নুর নামে পরিচিতি পান।
মন্ত্রিপরিষদে ডাক পাচ্ছেন নুরুল হক নুর
গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও পটুয়াখালী-৩ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) নুরুল হক নুর নতুন সরকারের মন্ত্রিসভায় ডাক পাচ্ছেন।
নুরকে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বলে সংবাদমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন গণঅধিকার পরিষদের উচ্চতর পরিষদ সদস্য ও গণমাধ্যম সমন্বয়ক আবু হানিফ।
তিনি বলেন, তিনি (নুর) মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে শপথ নেবেন। তাকে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে।
নুরুল হক নুর জাতীয় রাজনীতিতে পরিচিতি পান ২০১৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের মাধ্যমে। দীর্ঘ ২৮ বছর পর অনুষ্ঠিত ওই নির্বাচনে তিনি কোটা সংস্কার আন্দোলনের নেতা হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে তৎকালীন ছাত্রলীগ সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভনকে পরাজিত করে সহ-সভাপতি (ভিপি) নির্বাচিত হন। এরপর থেকেই তিনি ভিপি নুর নামে পরিচিতি পান।
মন্ত্রিপরিষদে ডাক পাচ্ছেন নুরুল হক নুর
গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও পটুয়াখালী-৩ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) নুরুল হক নুর নতুন সরকারের মন্ত্রিসভায় ডাক পাচ্ছেন।
নুরকে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বলে সংবাদমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন গণঅধিকার পরিষদের উচ্চতর পরিষদ সদস্য ও গণমাধ্যম সমন্বয়ক আবু হানিফ।
তিনি বলেন, তিনি (নুর) মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে শপথ নেবেন। তাকে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে।
নুরুল হক নুর জাতীয় রাজনীতিতে পরিচিতি পান ২০১৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের মাধ্যমে। দীর্ঘ ২৮ বছর পর অনুষ্ঠিত ওই নির্বাচনে তিনি কোটা সংস্কার আন্দোলনের নেতা হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে তৎকালীন ছাত্রলীগ সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভনকে পরাজিত করে সহ-সভাপতি (ভিপি) নির্বাচিত হন। এরপর থেকেই তিনি ভিপি নুর নামে পরিচিতি পান।
