শিরোনাম
সবচেয়ে বেশি ও কম মন্ত্রী পেল যে বিভাগ
সবচেয়ে বেশি ও কম মন্ত্রী পেল যে বিভাগ

ঢাকা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয়ের পর গঠিত হয়েছে নতুন সরকার। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিনের কাছে শপথ নেন মন্ত্রিসভার সদস্যরা। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন তারেক রহমান।

শপথ গ্রহণ শেষে রাতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের দায়িত্ব বণ্টন করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। নতুন এ মন্ত্রিসভায় ২৫ মন্ত্রী এবং ২৪ প্রতিমন্ত্রী স্থান পেয়েছেন, যার মধ্যে ৩ জন টেকনোক্র্যাট সদস্য রয়েছেন।

মঙ্গলবার তাদের দায়িত্ব বণ্টন করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রিত্বের পাশাপাশি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের দায়িত্বও পালন করবেন তারেক রহমান।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নতুন সরকারে সবচেয়ে বেশি মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হয়েছেন ঢাকা বিভাগ থেকে। তাদের মধ্যে নির্বাচনী আসন ও জন্মসূত্রে ঢাকা বিভাগের ১৩ জন। অন্য দিকে সিলেট বিভাগ থেকে সবচেয়ে কম মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হয়েছেন। সিলেট বিভাগের বাসিন্দারা পেয়েছেন দুজন পূর্ণ মন্ত্রী।

সংখ্যার দিক থেকে দ্বিতীয় অবস্থানে আছে চট্টগ্রাম বিভাগ; এ বিভাগ থেকে ১১ জন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হয়েছেন। পাঁচজন করে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী রাজশাহী, রংপুর ও বরিশাল বিভাগের। খুলনা ও ময়মনসিংহ পেয়েছে চারজন করে।

কে কোন বিভাগের

ঢাকা বিভাগ : মন্ত্রীদের মধ্যে খলিলুর রহমান (টেকনোক্র্যাট), শামা ওবায়েদ ইসলাম, আফরোজা খানম রিতা, সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল, ফকির মাহবুব আনাম, শেখ রবিউল আলম এবং প্রতিমন্ত্রীদের মধ্যে শরিফুল আলম, সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, আমিনুল হক (টেকনোক্র্যাট), হাবিবুর রশিদ, ইশরাক হোসেন, ববি হাজ্জাজ ও আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম ঢাকা বিভাগের।

চট্টগ্রাম বিভাগ : মন্ত্রীদের মধ্যে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ, আব্দুল আউয়াল মিন্টু, কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ, শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, জাকারিয়া তাহের, দীপেন দেওয়ান, আ ন ম এহছানুল হক, মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ (টেকনোক্র্যাট) এবং প্রতিমন্ত্রীদের মধ্যে মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন ও জোনায়েদ সাকি চট্টগ্রাম বিভাগের।

রাজশাহী বিভাগ : মন্ত্রীদের মধ্যে ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, মিজানুর রহমান মিনু এবং প্রতিমন্ত্রীদের মধ্যে মীর শাহে আলম, ফারজানা শারমিন ও এমএ মুহিত রাজশাহী বিভাগের।

রংপুর বিভাগ : মন্ত্রীদের মধ্যে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন, আসাদুল হাবিব দুলু এবং প্রতিমন্ত্রীদের মধ্যে ফরহাদ হোসেন আজাদ ও আব্দুল বারী রংপুর বিভাগের।

বরিশাল বিভাগ : মন্ত্রীদের মধ্যে হাফিজ উদ্দিন আহমদ ও জহির উদ্দিন স্বপন এবং প্রতিমন্ত্রীদের মধ্যে রাজীব আহসান, আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর ও নুরুল হক নুর বরিশাল বিভাগের।

খুলনা বিভাগ : মন্ত্রীদের মধ্যে নিতাই রায় চৌধুরী, মো. আসাদুজ্জামান এবং প্রতিমন্ত্রীদের মধ্যে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত ও শেখ ফরিদুল ইসলাম খুলনা বিভাগের।

ময়মনসিংহ বিভাগ : এ বিভাগ থেকে কেউ মন্ত্রী হতে পারেননি। এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, কায়সার কামাল, ইয়াসের খান চৌধুরী, এম ইকবাল হোসেন প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন।

সিলেট বিভাগ : খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির ও আরিফুল হক চৌধুরী মন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন। এই বিভাগ থেকে কেউ প্রতিমন্ত্রী হননি।

শপথ নিলেন বিএনপির সংসদ সদস্যরা
শপথ নিলেন বিএনপির সংসদ সদস্যরা

প্রথম ধাপে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা (এমপি) শপথগ্রহণ করেছেন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন সংসদ সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করান।

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বেলা পৌনে ১১টার দিকে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের শপথকক্ষে এই শপথ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।

শপথ অনুষ্ঠানে দেশি ও বিদেশি অতিথিরা অংশ নেন।

 

অনুষ্ঠানে শুরুতে নতুন আইনপ্রণেতাদের সামনে কথা বলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি সংবিধান সংস্কার পরিষদের বিষয়ে দলীয় সিদ্ধান্ত জানান। শপথ নেওয়ার পর সংসদ সদস্যরা শপথপত্রে সই করেন।

সূচি অনুযায়ী, এমপি হিসেবে শপথের পর বিএনপির সংসদীয় দলের বৈঠকে তারেক রহমানকে আনুষ্ঠানিকভাবে সংসদ নেতা নির্বাচিত করা হবে। এরপর বিকেল ৪টায় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত বিশেষ অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান ও নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ নেবেন।

শপথ নিলেন বিএনপির সংসদ সদস্যরা
শপথ নিলেন বিএনপির সংসদ সদস্যরা

প্রথম ধাপে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা (এমপি) শপথগ্রহণ করেছেন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন সংসদ সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করান।

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বেলা পৌনে ১১টার দিকে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের শপথকক্ষে এই শপথ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।

শপথ অনুষ্ঠানে দেশি ও বিদেশি অতিথিরা অংশ নেন।

 

অনুষ্ঠানে শুরুতে নতুন আইনপ্রণেতাদের সামনে কথা বলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি সংবিধান সংস্কার পরিষদের বিষয়ে দলীয় সিদ্ধান্ত জানান। শপথ নেওয়ার পর সংসদ সদস্যরা শপথপত্রে সই করেন।

সূচি অনুযায়ী, এমপি হিসেবে শপথের পর বিএনপির সংসদীয় দলের বৈঠকে তারেক রহমানকে আনুষ্ঠানিকভাবে সংসদ নেতা নির্বাচিত করা হবে। এরপর বিকেল ৪টায় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত বিশেষ অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান ও নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ নেবেন।