শিরোনাম
রহমান মৃধার কবিতা ‘বেইমান’
রহমান মৃধার কবিতা ‘বেইমান’

বেইমান জন্মেছিল মানুষের সাথেই, প্রথম প্রতিশ্রুতির আগেই তার ছায়া। বিশ্বাসের পাশে দাঁড়িয়ে থেকেও সে নীরবে শিখেছে ভাঙার কৌশল।

একদিন শপথ ছিল অগ্নির মতো, আজ তা কুয়াশা, স্পর্শে মিলিয়ে যায়। মঞ্চে উচ্চারণ করা শব্দগুলো পথে নামলেই বদলে ফেলে রঙ।

জুলাইয়ের সেই সনদের পাতায় যে অক্ষরগুলো কাঁপছিল আশায়, সেগুলো কি এখনো বেঁচে আছে, নাকি ইতিহাসের ধুলায় চাপা?

ভোটের আগে প্রতিশ্রুতির বৃষ্টি, ভোটের পরে শুষ্ক মরুভূমি। যে হাত ধরেছিল মানুষের, সে হাতই কি আজ দূরে সরে যায়?

রহমান মৃধার কবিতা ‘বেইমান’

কবি মৃধা আলাউদ্দিনের জন্মদিন ও কাব্যসন্ধ্যা

চব্বিশের সেই গণঅভ্যুত্থানের আগুনে যারা পথ খুলে দিয়েছিল প্রত‍্যাবর্তনের, যারা রক্তে লিখেছিল ফিরে আসার অধিকার, তাদের প্রতিই যদি ফিরিয়ে দাও অবহেলা, তাদের স্বপ্নেই যদি বসাও অবিশ্বাসের ছুরি, তবে এ শুধু বেইমানি নয়, এ ভবিষ্যতের জন্য এক কঠিন শিক্ষা।

মানুষ একবার প্রতারিত হলে দ্বিতীয়বার আর কাঁধ বাড়ায় না। বিপদের দিনে যে ফিরে তাকায় না, তার জন্য বিপদের সময়ও কেউ দাঁড়ায় না।

স্মরণ রেখো, সময়ের কাছে সব হিসাব জমা থাকে। যদি সেই আগুনের ঋণ অস্বীকার করো, তবে একদিন চারদিক ভরে যাবে নীরবতায়। ডাক দেবে, কেউ সাড়া দেবে না। তখন ক্ষমতা থাকবে, পতাকা থাকবে, কিন্তু পাশে থাকবে না মানুষ।

আর মানুষহীন ক্ষমতা শেষ পর্যন্ত শুধুই একা এক শূন্যতা।

রাজনৈতিক পতাকার নিচে যারা স্লোগানে মুখর ছিল, অরাজনৈতিক ব্যানারে যারা নৈতিকতার আলো জ্বালিয়েছিল, সামাজিক সংগঠনের কর্মীরা যারা স্বপ্ন এঁকেছিল রাস্তায় রাস্তায়, সাংস্কৃতিক মঞ্চের শিল্পীরা যারা কণ্ঠে তুলেছিল প্রতিবাদের সুর, সবাই কি একদিন একই প্রশ্নে দাঁড়ায় না?

কোথায় গেল সেই অঙ্গীকার, কোথায় গেল সেই প্রতিজ্ঞা? ক্ষমতার চৌকাঠ পেরোলেই কেন বদলে যায় উচ্চারণের মানে?

বেইমানি শুধু ব্যক্তি নয়, এ এক অভ্যাস, এক প্রথা, যা সময়ের সাথে রূপ বদলায়, কিন্তু মর্মে থেকে যায় একই।

আর শেষে প্রশ্নটা ফিরে আসে আমাদের নিজের দিকে।

কে বেইমান নয়? সাধারণ জনগণ কি বলতে পারে তার হাতে কোনো ফাঁকি নেই? ক্রেতা কি পারে বলতে কখনো সে মাপে কম নেয়নি? বিক্রেতা কি শপথ করবে দামে কখনো বাড়তি রাখেনি? প্রশাসন কি বুকের ওপর হাত রেখে বলবে তার কলম ছিল সম্পূর্ণ নির্মল? শিক্ষক কি বলতে পারবেন তার বিবেকে ছিল না কোনো আপস?

আমরা কি কেউ পারি নির্ভয়ে উচ্চারণ করতে আমি বেইমান নই?

যে অন্যায়ে চুপ থেকেছি, যে সত্য জানতাম তবু বলিনি, যে সুবিধার জন্য নীরব থেকেছি, সেই নীরবতাও কি এক ধরনের বেইমানি নয়?

ওই যে বলেছিলাম, বেইমান শুধু বাইরে নয়, সে নিত্যদিনের সাথী। সে আমার ভেতরে, আমার সুবিধা, আমার ভয়, আমার আপসের নাম।

বেইমান সেতো আমারই আরেক মুখ, যাকে আয়নায় দেখলে আমি নিজেই চমকে উঠি।

তাই বিচার শুরুর আগে আঙুল তোলার আগে একবার বুকের ভেতর তাকাই।

হয়তো সেদিন বেইমানির গল্প বদলাবে, যেদিন আমরা স্বীকার করব বেইমান সেতো অন্য কেউ নয়, বেইমান সেতো আমার আমি।

দয়াল দত্তের একুশের অগ্নিশপথ...
দয়াল দত্তের একুশের অগ্নিশপথ...

শোনো ইতিহাসের ডাক— রক্তমাখা এক প্রভাতের কথা। রাজপথ কাঁপে, কাঁপে আকাশ, কাঁপে অন্যায়ের প্রাচীর।

‘বাংলা আমার অধিকার!’ গর্জে ওঠে তরুণ কণ্ঠ, বুক চিরে ঝরে রক্ত— তবু থামে না উচ্চারণ।

ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত সংসদের মঞ্চে দাঁড়িয়ে প্রথম যে আগুন জ্বালালেন, সে আগুন নিভেনি— সে আগুন আজও জ্বলছে প্রতিটি হৃদয়ে।

একুশ মানে মাথা নত নয়, একুশ মানে প্রতিবাদের মুষ্টিবদ্ধ হাত। সালাম! বরকত! রফিক! জব্বার! তোমাদের নাম উচ্চারিত হলেই কম্পিত হয় অন্যায়ের সিংহাসন।

দয়াল দত্তের একুশের অগ্নিশপথ...           

দয়াল দত্তের কবিতা— ভালোবাসায় কবিতা

বাহান্ন থেকে একাত্তর— একটি ভাষা, একটি জাতি, একটি অগ্নিসংগ্রাম! শৃঙ্খল ছিঁড়ে জন্ম নেয় স্বাধীনতা, রক্তের বিনিময়ে লেখা হয় পতাকার রঙ।

ষড়যন্ত্র ছিল, আছে, থাকবে— দেশ ভাঙার, মন ভাঙার, চেতনাকে মুছে ফেলার অপচেষ্টা। কিন্তু বাঙালির কণ্ঠরোধ করা যায় না!

ইউনেস্কো যখন স্বীকৃতি দেয় বিশ্বমাঝে— মাতৃভাষার অধিকার মানবতার অধিকার, তখন একুশ হয়ে ওঠে বিশ্বমানবের অঙ্গীকার।

প্রগতির পথ রুদ্ধ হয় না, চক্রান্তের দেয়াল টেকে না। যুগান্তরে জ্বলে ওঠে একুশের শিখা— স্বাধীন চেতনার দ্বীপশিখা।

বল একসাথে— বাংলা আমার অহংকার! বাংলা আমার অস্তিত্ব! বাংলা আমার মুক্তির উচ্চারণ!

একুশ মানে— চির অমর অগ্নিশপথ।

শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ঢাকায় মালদ্বীপের প্রধানমন্ত্রী
শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ঢাকায় মালদ্বীপের প্রধানমন্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ঢাকায় পৌঁছেছেন মালদ্বীপের রাষ্ট্রপতি ড. মোহাম্মদ মুইজ্জু। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়া‌রি) দেশ‌টির ঢাকার হাইক‌মিশন এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

হাইকমিশন জানায়, মালদ্বীপের রাষ্ট্রপতি ড. মোহাম্মদ মুইজ্জু নতুন মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে আজ ঢাকায় এসেছেন। ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানান পররাষ্ট্র উপদেষ্টা এম তৌহিদ হোসেন।

নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ঢাকায় এসেছেন পা‌কিস্তানের পরিকল্পনা, উন্নয়ন ও বিশেষ উদ্যোগ বিষয়ক ফেডারেল মন্ত্রী আহসান ইকবাল।

এদিকে, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বেসরকারি ফলাফলে ২৯৭ আসনের মধ্যে বিএনপি ২০৯ এবং জামায়াতে ইসলামী ৬৮ আসনে জয়লাভ করেছে। আর জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ছয়টি এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা সাতটি আসনে জয়ী হয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস দুটি এবং ইসলামী আন্দোলন ও খেলাফত মজলিস একটি করে আসন জয়লাভ করেছে।

সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনকারী বিএনপি ধানের শীষ প্রতীকে ৪৯ দশমিক ৯৭ শতাংশ ভোট পেয়েছে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসন পাওয়া দল জামায়াতে ইসলামী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ৩১ দশমিক ৭৬ শতাংশ ভোট পেয়েছে। এছাড়া এনসিপি শাপলা কলি প্রতীকে ৩ দশমিক ০৫ শতাংশ, ইসলামী আন্দোলন হাতপাখা প্রতীকে ২ দশমিক ৭০ শতাংশ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস রিকশা প্রতীকে ২ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ ভোট পেয়েছে।

অন্য দলগুলোর প্রাপ্ত ভোটের হার ১ শতাংশের নিচে। এসব দলের মধ্যে আছে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ, খেলাফত মজলিস, ইসলামী ঐক্যজোট, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), গণসংহতি আন্দোলন, বাসদ, বাসদ (মার্ক্সবাদী), গণফোরাম ও নাগরিক ঐক্য।

উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট ৫১ রাজনৈতিক দল ও ২৭৪ স্বতন্ত্র প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। দলগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ ২৯১ আসনে প্রার্থী দেয় সরকার গঠন করতে যাওয়া বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। তবে তাদের কোনো প্রার্থীকেই জামানত হারাতে হয়নি। অন্যদিকে বিরোধী দলের আসনে বসতে যাওয়া বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ২২৯টি আসনে প্রার্থী দেয়। তাদের মধ্যে তিন প্রার্থী নির্দিষ্টসংখ্যক ভোট না পাওয়ায় জামানত হারান। বিগত সংসদের বিরোধী দল জাতীয় পার্টি এবার ১৯৮ আসনে প্রার্থী দিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। দলটির প্রার্থীদের মধ্যে শুধু পাঁচজন তাদের জামানত রক্ষা করতে পেরেছেন। নির্দিষ্টসংখ্যক ভোট না পাওয়ায় বাকি সবাই জামানত হারিয়েছেন। জুলাই অভ্যুত্থানকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা তরুণদের রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ৩২টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। তাদের মধ্যে তিনজন জামানত হারিয়েছেন। এ ছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, সিপিবি, বাসদ, নাগরিক ঐক্যসহ বাকি দলগুলোর বেশিরভাগ প্রার্থীই তাদের জামানত রক্ষা করতে পারেননি।

সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে আজ শপথ নেবে না বিএনপি
সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে আজ শপথ নেবে না বিএনপি

সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে আজ শপথ নেবে না বিএনপি। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ নিয়েছেন। এদিন তাদেরকে জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের শপথ গ্রহণ কক্ষে সংসদ সদস্য এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ পাঠ করানোর কথা। তবে বিএনপি আজ সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ না নেওয়ার কথা বলছে বিএনপি।

এর আগে গতকাল ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে বলা হয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নির্বাচিত সংসদ-সদস্যদের এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্যদের শপথ পাঠ আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০টা থেকে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের শপথ গ্রহণ কক্ষে পরিচালনা করবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার।

এদিকে, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বেসরকারি ফলাফলে ২৯৭টি আসনের মধ্যে বিএনপি ২০৯টি এবং জামায়াতে ইসলামী ৬৮টি আসনে জয়লাভ করেছে। আর জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ছয়টি এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা সাতটি আসনে জয়ী হয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস দুটি এবং ইসলামী আন্দোলন ও খেলাফত মজলিস একটি করে আসন জয়লাভ করেছে।

সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনকারী বিএনপি ধানের শীষ প্রতীকে ৪৯ দশমিক ৯৭ শতাংশ ভোট পেয়েছে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসন পাওয়া দল জামায়াতে ইসলামী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ৩১ দশমিক ৭৬ শতাংশ ভোট পেয়েছে। এছাড়া এনসিপি শাপলা কলি প্রতীকে ৩ দশমিক ০৫ শতাংশ, ইসলামী আন্দোলন হাতপাখা প্রতীকে ২ দশমিক ৭০ শতাংশ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস রিকশা প্রতীকে ২ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ ভোট পেয়েছে।

অন্য দলগুলোর প্রাপ্ত ভোটের হার ১ শতাংশের নিচে। এসব দলের মধ্যে আছে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ, খেলাফত মজলিস, ইসলামী ঐক্যজোট, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), গণসংহতি আন্দোলন, বাসদ, বাসদ (মার্ক্সবাদী), গণফোরাম ও নাগরিক ঐক্য।

উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট ৫১টি রাজনৈতিক দল ও ২৭৪ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। দলগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ ২৯১ আসনে প্রার্থী দেয় সরকার গঠন করতে যাওয়া বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি। তবে তাদের কোনো প্রার্থীকেই জামানত হারাতে হয়নি। অন্যদিকে বিরোধী দলের আসনে বসতে যাওয়া বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ২২৯টি আসনে প্রার্থী দেয়। তাদের মধ্যে তিন প্রার্থী নির্দিষ্টসংখ্যক ভোট না পাওয়ায় জামানত হারান। বিগত সংসদের বিরোধী দল জাতীয় পার্টি এবার ১৯৮ আসনে প্রার্থী দিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। দলটির প্রার্থীদের মধ্যে কেবলমাত্র পাঁচজন তাদের জামানত রক্ষা করতে পেরেছেন। নির্দিষ্টসংখ্যক ভোট না পাওয়ায় বাকি সবাই জামানত হারিয়েছেন। জুলাই অভ্যুত্থানকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা তরুণদের রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ৩২টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। তাদের মধ্যে তিনজন জামানত হারিয়েছেন। এ ছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, সিপিবি, বাসদ, নাগরিক ঐক্যসহ বাকি দলগুলোর বেশিরভাগ প্রার্থীই তাদের জামানত রক্ষা করতে পারেননি।

সেই ‘আইকনিক’ জার্সি গায়েই শপথ নিলেন হাসনাত আব্দুল্লাহ
সেই ‘আইকনিক’ জার্সি গায়েই শপথ নিলেন হাসনাত আব্দুল্লাহ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দ্বিতীয় ধাপে শপথগ্রহণ করেছেন জামায়াত ও স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যরা (এমপি)। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন তাদের শপথবাক্য পাঠ করান।

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের শপথকক্ষে এই শপথ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। শপথ অনুষ্ঠানে দেশি ও বিদেশি অতিথিরা অংশ নেন।

এদিন হাসনাত আব্দুল্লাহকে সেই সবুজ রঙের জার্সি গায়ে সংসদে উপস্থিত হতে দেখা যায়। এই জার্সি পরেই সংসদে শপথগ্রহণ করেন তিনি।

হাসনাতের পরা সেই জার্সিটি সবুজ রঙের। সামনে স্পষ্ট করে লেখা ছিল তার বিভাগের নাম, আর বাম দিকের ওপরের অংশে ফুটে উঠেছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোগো। জার্সির পেছনে ছিল তার নাম ‘হাসনাত’, সেই সঙ্গে রয়েছে ১০ নম্বর।

এর আগে, জাতীয় নাগরিক কমিটি ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের উদ্যোগে নতুন রাজনৈতিক দল ‘জাতীয় নাগরিক পার্টি’র আত্মপ্রকাশের দিনও হাসনাত আব্দুল্লাহকে সেই জার্সি গায়ে দেখা যায়।

এদিন বেলা পৌনে ১১টার দিকে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের শপথকক্ষে প্রথম ধাপে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা (এমপি) শপথগ্রহণ করেছেন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন সংসদ সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করান।

শপথ অনুষ্ঠানে দেশি ও বিদেশি অতিথিরা অংশ নেন।

সূচি অনুযায়ী, এমপি হিসেবে শপথের পর বিএনপির সংসদীয় দলের বৈঠকে তারেক রহমানকে আনুষ্ঠানিকভাবে সংসদ নেতা নির্বাচিত হয়েছেন। এরপর বিকেল ৪টায় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত বিশেষ অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিনের কাছে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান ও নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ নেবেন।

আজ সন্ধ্যায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে নতুন মন্ত্রীদের দপ্তর বণ্টন ও আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

সেই ‘আইকনিক’ জার্সি গায়েই শপথ নিলেন হাসনাত আব্দুল্লাহ
সেই ‘আইকনিক’ জার্সি গায়েই শপথ নিলেন হাসনাত আব্দুল্লাহ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দ্বিতীয় ধাপে শপথগ্রহণ করেছেন জামায়াত ও স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যরা (এমপি)। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন তাদের শপথবাক্য পাঠ করান।

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের শপথকক্ষে এই শপথ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। শপথ অনুষ্ঠানে দেশি ও বিদেশি অতিথিরা অংশ নেন।

এদিন হাসনাত আব্দুল্লাহকে সেই সবুজ রঙের জার্সি গায়ে সংসদে উপস্থিত হতে দেখা যায়। এই জার্সি পরেই সংসদে শপথগ্রহণ করেন তিনি।

হাসনাতের পরা সেই জার্সিটি সবুজ রঙের। সামনে স্পষ্ট করে লেখা ছিল তার বিভাগের নাম, আর বাম দিকের ওপরের অংশে ফুটে উঠেছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোগো। জার্সির পেছনে ছিল তার নাম ‘হাসনাত’, সেই সঙ্গে রয়েছে ১০ নম্বর।

এর আগে, জাতীয় নাগরিক কমিটি ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের উদ্যোগে নতুন রাজনৈতিক দল ‘জাতীয় নাগরিক পার্টি’র আত্মপ্রকাশের দিনও হাসনাত আব্দুল্লাহকে সেই জার্সি গায়ে দেখা যায়।

এদিন বেলা পৌনে ১১টার দিকে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের শপথকক্ষে প্রথম ধাপে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা (এমপি) শপথগ্রহণ করেছেন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন সংসদ সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করান।

শপথ অনুষ্ঠানে দেশি ও বিদেশি অতিথিরা অংশ নেন।

সূচি অনুযায়ী, এমপি হিসেবে শপথের পর বিএনপির সংসদীয় দলের বৈঠকে তারেক রহমানকে আনুষ্ঠানিকভাবে সংসদ নেতা নির্বাচিত হয়েছেন। এরপর বিকেল ৪টায় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত বিশেষ অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিনের কাছে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান ও নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ নেবেন।

আজ সন্ধ্যায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে নতুন মন্ত্রীদের দপ্তর বণ্টন ও আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

সেই ‘আইকনিক’ জার্সি গায়েই শপথ নিলেন হাসনাত আব্দুল্লাহ
সেই ‘আইকনিক’ জার্সি গায়েই শপথ নিলেন হাসনাত আব্দুল্লাহ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দ্বিতীয় ধাপে শপথগ্রহণ করেছেন জামায়াত ও স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যরা (এমপি)। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন তাদের শপথবাক্য পাঠ করান।

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের শপথকক্ষে এই শপথ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। শপথ অনুষ্ঠানে দেশি ও বিদেশি অতিথিরা অংশ নেন।

এদিন হাসনাত আব্দুল্লাহকে সেই সবুজ রঙের জার্সি গায়ে সংসদে উপস্থিত হতে দেখা যায়। এই জার্সি পরেই সংসদে শপথগ্রহণ করেন তিনি।

হাসনাতের পরা সেই জার্সিটি সবুজ রঙের। সামনে স্পষ্ট করে লেখা ছিল তার বিভাগের নাম, আর বাম দিকের ওপরের অংশে ফুটে উঠেছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোগো। জার্সির পেছনে ছিল তার নাম ‘হাসনাত’, সেই সঙ্গে রয়েছে ১০ নম্বর।

এর আগে, জাতীয় নাগরিক কমিটি ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের উদ্যোগে নতুন রাজনৈতিক দল ‘জাতীয় নাগরিক পার্টি’র আত্মপ্রকাশের দিনও হাসনাত আব্দুল্লাহকে সেই জার্সি গায়ে দেখা যায়।

এদিন বেলা পৌনে ১১টার দিকে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের শপথকক্ষে প্রথম ধাপে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা (এমপি) শপথগ্রহণ করেছেন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন সংসদ সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করান।

শপথ অনুষ্ঠানে দেশি ও বিদেশি অতিথিরা অংশ নেন।

সূচি অনুযায়ী, এমপি হিসেবে শপথের পর বিএনপির সংসদীয় দলের বৈঠকে তারেক রহমানকে আনুষ্ঠানিকভাবে সংসদ নেতা নির্বাচিত হয়েছেন। এরপর বিকেল ৪টায় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত বিশেষ অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিনের কাছে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান ও নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ নেবেন।

আজ সন্ধ্যায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে নতুন মন্ত্রীদের দপ্তর বণ্টন ও আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

সেই ‘আইকনিক’ জার্সি গায়েই শপথ নিলেন হাসনাত আব্দুল্লাহ
সেই ‘আইকনিক’ জার্সি গায়েই শপথ নিলেন হাসনাত আব্দুল্লাহ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দ্বিতীয় ধাপে শপথগ্রহণ করেছেন জামায়াত ও স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যরা (এমপি)। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন তাদের শপথবাক্য পাঠ করান।

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের শপথকক্ষে এই শপথ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। শপথ অনুষ্ঠানে দেশি ও বিদেশি অতিথিরা অংশ নেন।

এদিন হাসনাত আব্দুল্লাহকে সেই সবুজ রঙের জার্সি গায়ে সংসদে উপস্থিত হতে দেখা যায়। এই জার্সি পরেই সংসদে শপথগ্রহণ করেন তিনি।

হাসনাতের পরা সেই জার্সিটি সবুজ রঙের। সামনে স্পষ্ট করে লেখা ছিল তার বিভাগের নাম, আর বাম দিকের ওপরের অংশে ফুটে উঠেছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোগো। জার্সির পেছনে ছিল তার নাম ‘হাসনাত’, সেই সঙ্গে রয়েছে ১০ নম্বর।

এর আগে, জাতীয় নাগরিক কমিটি ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের উদ্যোগে নতুন রাজনৈতিক দল ‘জাতীয় নাগরিক পার্টি’র আত্মপ্রকাশের দিনও হাসনাত আব্দুল্লাহকে সেই জার্সি গায়ে দেখা যায়।

এদিন বেলা পৌনে ১১টার দিকে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের শপথকক্ষে প্রথম ধাপে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা (এমপি) শপথগ্রহণ করেছেন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন সংসদ সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করান।

শপথ অনুষ্ঠানে দেশি ও বিদেশি অতিথিরা অংশ নেন।

সূচি অনুযায়ী, এমপি হিসেবে শপথের পর বিএনপির সংসদীয় দলের বৈঠকে তারেক রহমানকে আনুষ্ঠানিকভাবে সংসদ নেতা নির্বাচিত হয়েছেন। এরপর বিকেল ৪টায় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত বিশেষ অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিনের কাছে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান ও নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ নেবেন।

আজ সন্ধ্যায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে নতুন মন্ত্রীদের দপ্তর বণ্টন ও আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।