শিরোনাম
প্রবাসীদের সুযোগ-সুবিধার জন্য সব কিছু করব : মন্ত্রী আরিফুল হক
প্রবাসীদের সুযোগ-সুবিধার জন্য সব কিছু করব : মন্ত্রী আরিফুল হক

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেছেন, রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের টাকায় আমরা মন্ত্রণালয়ে বসে থাকি। তাই তাদের সুযোগ-সুবিধার জন্য যা যা প্রয়োজন সব করব। এ ছাড়া প্রবাসীদের লাশ কোনো খরচ ছাড়া দেশে নিয়ে আসার সর্বোচ্চ ব্যবস্থা করব।

মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টায় ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডে নতুন যুক্ত হওয়া দুটি ফ্রিজিং অ্যাম্বুলেন্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য এসব কথা বলেন তিনি। প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় প্রাঙ্গণে এ অনুষ্ঠান হয়।

মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, আমাদের প্রবাসীরা যখন বিদেশে থাকেন তখন তারা বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেন। প্রত্যেকেই বাংলাদেশের একেকটি পতাকা হয়ে কাজ করেন, বিষয়টির স্বীকৃতি প্রয়োজন। প্রবাসীরা ফেরত আসার পর দেশে যে ইতিবাচক ভূমিকা রাখেন সেগুলোও হিসাবের মধ্যে থাকা বাঞ্চনীয়। স্বাস্থ্য সেবা, শিক্ষার চাহিদা, সামাজিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে তাদের অবদানকে মূল্যায়ন করা উচিত। এক্ষেত্রে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড প্রবাসী কর্মী ও তাদের পরিবারের সার্বিক কল্যাণে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, আমরা নতুন দায়িত্বে এসেছি এখন সব কিছু জানি না। তবে আগামী ১৮০ দিনের মধ্যে প্রবাসীদের জন্য দেওয়া আমাদের নির্বাচনী ইস্তেহার বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। তাই অন্তত কিছুদিন পর সব বিষয়ে জানতে চাইলে ভালো হয়। এ ছাড়া কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ে জানার থাকলে আমার জনসংযোগ কর্মকর্তার মাধ্যমে জানাতে পারেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক বলেন, বিদেশে অনেকে বিএমইটি রেজিস্ট্রেশন ছাড়াই যান এতে তারা সুবিধাবঞ্চিত হন। রেজিস্ট্রেশন করে গেলে সবার জন্য ভালো। নতুন দুই অ্যাম্বুলেন্স কিছুটা চাহিদা মেটাবে। আগামীতে আরও অনেক কিছু যুক্ত করা হবে। এ ছাড়া বিদেশের বিভিন্ন মার্কেটপ্লেস উন্মুক্ত করতে সবার সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

নতুন সংযোজিত ফ্রিজিং অ্যাম্বুলেন্সগুলোরর সুবিধা হলো— মরদেহ সংরক্ষণে আন্তর্জাতিক মান নিশ্চিত করা সম্ভব হবে; বিমানবন্দর থেকে নিজ নিজ গন্তব্যে মরদেহ পরিবহন আরও সুশৃঙ্খল ও সম্মানজনক হবে; প্রবাসী পরিবারগুলোর ভোগান্তি কমবে এবং জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সেবা প্রদান নিশ্চিত হবে।

মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. নেয়ামত উল্যাহ ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের মহাপরিচালক ব্যারিস্টার মো. গোলাম সারোয়ার ভূঁইয়া, সহকারী পরিচালক মো. নাজমুল হকসহ মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এই লোক কি জিনিস আইডিয়া নাই : ইরফান
এই লোক কি জিনিস আইডিয়া নাই : ইরফান

নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর শিক্ষাব্যবস্থায় সম্ভাব্য কঠোরতা আসতে পারে— এমন ইঙ্গিত দিয়ে শিক্ষার্থীদের আগাম সতর্কবার্তা দিলেন ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা ইরফান সাজ্জাদ। সদ্য দায়িত্ব পাওয়া শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি ফেসবুকে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় ফিরে আসার আহ্বান জানিয়েছেন।

নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক প্রোফাইলে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলনের একটি ছবি পোস্ট করে ইরফান সাজ্জাদ লেখেন, “বাচ্চারা তোমরা যারা আগের দিন টিকটক করে পরের দিন পরীক্ষা দিয়ে পাস করে গেছো আল্লাহর ওয়াস্তে পড়তে বসো! এই লোক কি জিনিস তোমাদের কোনো আইডিয়া নাই!”

অতীতের কঠোর পরীক্ষাব্যবস্থার কথা মনে করিয়ে দিয়ে অভিনেতা লেখেন, “আমাদের এসএসসি পরীক্ষার সময় পাসের হার ছিল ২৮ শতাংশ। আর সেই সময়ে এই ভদ্রলোক (এহসানুল হক মিলন) ছিলেন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী।” তার এই বক্তব্যে স্পষ্ট যে, তিনি শিক্ষার্থীদের আসন্ন কঠিন সময়ের জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত হতে বলেছেন।

পোস্টটি মুহূর্তেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়। মন্তব্য ঘরে নেটিজেনরা মিশ্র প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছেন। কেউ কেউ পুরোনো দিনের সেই কড়াকড়ি ও নকলমুক্ত পরীক্ষার স্মৃতিচারণ করছেন। আবার কেউ কেউ রসিকতা করে প্রশ্ন তুলেছেন— সবাই যদি পড়াশোনায় ব্যস্ত হয়ে যায়, তবে অভিনেতাদের নাটক দেখবে কে? সব মিলিয়ে ইরফানের এই স্ট্যাটাস শিক্ষাঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

শিক্ষাব্যবস্থাকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করাই আমার লক্ষ্য : শিক্ষামন্ত্রী মিলন
শিক্ষাব্যবস্থাকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করাই আমার লক্ষ্য : শিক্ষামন্ত্রী মিলন

শিক্ষাব্যবস্থাকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার লক্ষ্যে কাজ করার ঘোষণা দিয়েছেন নতুন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, শিক্ষাব্যবস্থাকে কার্যকর ও আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করাই আমার লক্ষ্য। বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে এমন জায়গায় নিতে হবে, যাতে উন্নত দেশগুলোও আমাদের শিক্ষা ও গবেষণাকে মূল্যায়ন করে।

বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে নিজ সভাকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনি এ কথা বলেন।

নতুন শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘দেশের নেতৃত্বে থাকা তারেক রহমান শিক্ষা খাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছেন। তার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে আমি কাজ করতে চাই। সম্মিলিতভাবে কাজ করলে অল্প সময়ের মধ্যেই দৃশ্যমান অগ্রগতি সম্ভব।’ এ সময় শিক্ষাব্যবস্থাকে ‘হাস্যকর অবস্থান’ থেকে উন্নত পর্যায়ে নিতে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতাও কামনা করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, শিক্ষাখাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার না দিলে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন সম্ভব নয়। বাজেটে শিক্ষার বরাদ্দ জিডিপির তুলনায় এখনো কম। আগে অগ্রাধিকার ঠিক করতে হবে। তারপর বরাদ্দ বাড়ানোর বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে।

কারিকুলাম নিয়ে বিতর্ক প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে বিভিন্ন সময়ে পাঠ্যক্রম পরিবর্তন হয়েছে এবং তা নিয়ে আলোচনা-সমালোচনাও হয়েছে। যেকোন পরিবর্তন বাস্তবতা ও প্রয়োজনের আলোকে হতে হবে। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

মন্ত্রী আরো বলেন, একটি রাষ্ট্র গঠনের প্রাথমিক পর্যায়ে খাদ্য ও নিরাপত্তা খাতে গুরুত্ব দেওয়া স্বাভাবিক। তবে ৫৪ বছর পরও যদি শিক্ষা খাত সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার না পায়, তাহলে তা হতাশাজনক। আগে ঠিক করতে হবে আমরা কী চাই। অগ্রাধিকার ঠিক না করলে বাজেট বণ্টনেও কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আসবে না। পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর তুলনায় বাংলাদেশের শিক্ষাবাজেট কম। নেপাল ও শ্রীলঙ্কার চেয়েও কম বরাদ্দের বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি বলেন, বড় জ্ঞানী না হলেও বোঝা যায়, শিক্ষা খাতে বিনিয়োগ বাড়ানো জরুরি।

এহছানুল হক মিলন বলেন, অতীতে শিক্ষা খাতকে যথাযথভাবে প্রাধান্য দেওয়া হয়নি। ফলে বাজেটে জিডিপির অনুপাতে বরাদ্দ দুই শতাংশের কাছাকাছি রয়ে গেছে। এটি পাঁচ বা ছয় শতাংশে উন্নীত করা প্রয়োজন।

সাকিব-মাশরাফিকে নিয়ে চাওয়া জানালেন নতুন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী
সাকিব-মাশরাফিকে নিয়ে চাওয়া জানালেন নতুন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

সাকিব-মাশরাফিকে নিয়ে চাওয়া জানিয়েছেন নতুন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। তিনি সাকিব আল হাসান ও মাশরাফি বিন মুর্তজার বিরুদ্ধে থাকা মামলার সমাধানের কথা বলেছেন।

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

আমিনুল হক বলেন, ক্রীড়াঙ্গনের ক্ষেত্রে রাজনীতি বিবেচনা না করে এগোতে চান। সরকার সাকিব ও মাশরাফির ব্যাপারে নমনীয় অবস্থান নেবে বলে আশাপ্রকাশ করেন তিনি। এমনকি সাকিবকে দেশে ফেরানোর আশ্বাসও দেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী।

নিজ কার্যালয়ে হাসতে হাসতে বললেন, আমি আগের আমিনুলই আছি ও থাকব। প্রায় মিনিট দশেক দলের ও নিজের ক্রীড়াঙ্গন নিয়ে পরিকল্পনা বললেন। এরপর সাংবাদিকরা একে একে প্রশ্ন করতে থাকলেন। সেই পর্ব বিশ মিনিট পার হয়েছে। কোনো ক্লান্তি নেই, উত্তর দিয়েই যাচ্ছেন।

আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলন শেষে আবার সেই চিরচেনা আমিনুল। সাংবাদিকদের জটলায় একেক জন বিক্ষিপ্তভাবে অভিনন্দন, প্রশ্ন করতে থাকলেন। এর মধ্যে আবার বলতে থাকলেন, আমি মন্ত্রী হয়েছি বা যাই হয়েছি৷ আপনাদের সেই আমিনুলই রয়েছি এবং থাকব৷ সবার পরামর্শ ও সহযোগিতায় ক্রীড়াঙ্গন ও দেশ এগিয়ে নিতে চাই।

।জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলন শেষের পর সাংবাদিকরা তার কার্যালয় থেকে বের হতে গিয়ে পড়েন জনস্রোতে। মিরপর, পল্লবী তার এলাকাবাসী ও ক্রীড়াঙ্গনের ব্যক্তিবর্গ এসেছেন শুভেচ্ছা জানাতে। দ্বিতীয় তলা থেকে মাইকে সবার উদ্দেশ্যে বলেন, আপনাদের ভালোবাসা আমি গ্রহণ করেছি। আপনারা আমাকে ভোট দিয়েছেন ও দোয়া করেছেন৷ প্রধানমন্ত্রী আমাকে দায়িত্ব দিয়েছেন, সেই দায়িত্ব আমি যথাযথ পালন করব৷ আমার দরজা আপনাদের জন্য সব সময় উন্মুক্ত

এমপিদের শপথ পাঠের পর রহস্যময় স্ট্যাটাস মামুনুল হকের
এমপিদের শপথ পাঠের পর রহস্যময় স্ট্যাটাস মামুনুল হকের

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ পাঠের পর এক রহস্যময় স্ট্যাটাস দিয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক।

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকের এক পোস্টে রহস্যময় বার্তা দেন তিনি।

ফেসবুক পোস্টে মামুনুল হক বলেন, ‘এ জন্যই আমরা গণভোট আগে চেয়েছিলাম!’

 

এদিকে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দ্বিতীয় ধাপে শপথগ্রহণ করেছেন জামায়াত ও স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যরা (এমপি)। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন তাদের শপথবাক্য পাঠ করান।

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের শপথকক্ষে এই শপথ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। শপথ অনুষ্ঠানে দেশি ও বিদেশি অতিথিরা অংশ নেন।

 

এর আগে প্রথম ধাপে শপথগ্রহণ করেন বিএনপির নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা। তারা বেলা পৌনে ১১টার দিকে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের শপথকক্ষে শপথগ্রহণ করেন।

ফের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাচ্ছেন এহসানুল হক মিলন
ফের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাচ্ছেন এহসানুল হক মিলন

বিএনপি সরকারের মন্ত্রিসভায় শপথগ্রহণের জন্য ডাক পেয়েছেন চাঁদপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য ও সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন। তিনি ২০০১ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। ২০২৬ সালে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

এহসানুল হক মিলন ১৯৫৭ সালের ২৬ মার্চ চাঁদপুর জেলার কচুয়া উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি শের-ই-বাংলা নগর সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক এবং গভ. ইন্টারমিডিয়েট টেকনিক্যাল কলেজ (বর্তমান সরকারী বিজ্ঞান কলেজ) থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করেন। এরপর তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রসায়নে স্নাতক সম্পন্ন করে ১৯৮২ সালে যুক্তরাষ্ট্রে গমন করেন। তিনি নিউ ইয়র্ক ইন্সটিটিউট অফ টেকনোলজি থেকে এমবিএ ডিগ্রি অর্জন করেন।

তিনি ব্রুকলিন কলেজ এবং বোরো অব ম্যানহাটন কমিউনিটি কলেজে সহকারী প্রভাষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং কর্মজীবনে ওষুধ শিল্পে রসায়নবিদ হিসেবে কাজ করেন। ২০১৮ সালে তিনি মালয়েশিয়ার আন্তর্জাতিক ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। তার গবেষণাপত্রের মূল বিষয় ছিল বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের ভূমিকা।

 

মিলন ১৯৯৬ সালের সাধারণ নির্বাচনে বাংলাদেশ-২৬০ চাঁদপুর-১ আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন নিয়ে প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল নির্বাহী কমিটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক। ২০০১ সালে ৮ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পুনরায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। যাতে তিনি আওয়ামী লীগ দলীয় প্রার্থী প্রাক্তন মন্ত্রী মহিউদ্দীন খান আলমগীরকে পরাজিত করেছিলেন।

ফের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাচ্ছেন এহসানুল হক মিলন
ফের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাচ্ছেন এহসানুল হক মিলন

বিএনপি সরকারের মন্ত্রিসভায় শপথগ্রহণের জন্য ডাক পেয়েছেন চাঁদপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য ও সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন। তিনি ২০০১ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। ২০২৬ সালে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

এহসানুল হক মিলন ১৯৫৭ সালের ২৬ মার্চ চাঁদপুর জেলার কচুয়া উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি শের-ই-বাংলা নগর সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক এবং গভ. ইন্টারমিডিয়েট টেকনিক্যাল কলেজ (বর্তমান সরকারী বিজ্ঞান কলেজ) থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করেন। এরপর তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রসায়নে স্নাতক সম্পন্ন করে ১৯৮২ সালে যুক্তরাষ্ট্রে গমন করেন। তিনি নিউ ইয়র্ক ইন্সটিটিউট অফ টেকনোলজি থেকে এমবিএ ডিগ্রি অর্জন করেন।

তিনি ব্রুকলিন কলেজ এবং বোরো অব ম্যানহাটন কমিউনিটি কলেজে সহকারী প্রভাষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং কর্মজীবনে ওষুধ শিল্পে রসায়নবিদ হিসেবে কাজ করেন। ২০১৮ সালে তিনি মালয়েশিয়ার আন্তর্জাতিক ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। তার গবেষণাপত্রের মূল বিষয় ছিল বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের ভূমিকা।

 

মিলন ১৯৯৬ সালের সাধারণ নির্বাচনে বাংলাদেশ-২৬০ চাঁদপুর-১ আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন নিয়ে প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল নির্বাহী কমিটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক। ২০০১ সালে ৮ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পুনরায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। যাতে তিনি আওয়ামী লীগ দলীয় প্রার্থী প্রাক্তন মন্ত্রী মহিউদ্দীন খান আলমগীরকে পরাজিত করেছিলেন।

ফের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাচ্ছেন এহসানুল হক মিলন
ফের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাচ্ছেন এহসানুল হক মিলন

বিএনপি সরকারের মন্ত্রিসভায় শপথগ্রহণের জন্য ডাক পেয়েছেন চাঁদপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য ও সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন। তিনি ২০০১ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। ২০২৬ সালে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

এহসানুল হক মিলন ১৯৫৭ সালের ২৬ মার্চ চাঁদপুর জেলার কচুয়া উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি শের-ই-বাংলা নগর সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক এবং গভ. ইন্টারমিডিয়েট টেকনিক্যাল কলেজ (বর্তমান সরকারী বিজ্ঞান কলেজ) থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করেন। এরপর তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রসায়নে স্নাতক সম্পন্ন করে ১৯৮২ সালে যুক্তরাষ্ট্রে গমন করেন। তিনি নিউ ইয়র্ক ইন্সটিটিউট অফ টেকনোলজি থেকে এমবিএ ডিগ্রি অর্জন করেন।

তিনি ব্রুকলিন কলেজ এবং বোরো অব ম্যানহাটন কমিউনিটি কলেজে সহকারী প্রভাষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং কর্মজীবনে ওষুধ শিল্পে রসায়নবিদ হিসেবে কাজ করেন। ২০১৮ সালে তিনি মালয়েশিয়ার আন্তর্জাতিক ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। তার গবেষণাপত্রের মূল বিষয় ছিল বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের ভূমিকা।

 

মিলন ১৯৯৬ সালের সাধারণ নির্বাচনে বাংলাদেশ-২৬০ চাঁদপুর-১ আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন নিয়ে প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল নির্বাহী কমিটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক। ২০০১ সালে ৮ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পুনরায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। যাতে তিনি আওয়ামী লীগ দলীয় প্রার্থী প্রাক্তন মন্ত্রী মহিউদ্দীন খান আলমগীরকে পরাজিত করেছিলেন।

ফের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাচ্ছেন এহসানুল হক মিলন
ফের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাচ্ছেন এহসানুল হক মিলন

বিএনপি সরকারের মন্ত্রিসভায় শপথগ্রহণের জন্য ডাক পেয়েছেন চাঁদপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য ও সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন। তিনি ২০০১ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। ২০২৬ সালে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

এহসানুল হক মিলন ১৯৫৭ সালের ২৬ মার্চ চাঁদপুর জেলার কচুয়া উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি শের-ই-বাংলা নগর সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক এবং গভ. ইন্টারমিডিয়েট টেকনিক্যাল কলেজ (বর্তমান সরকারী বিজ্ঞান কলেজ) থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করেন। এরপর তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রসায়নে স্নাতক সম্পন্ন করে ১৯৮২ সালে যুক্তরাষ্ট্রে গমন করেন। তিনি নিউ ইয়র্ক ইন্সটিটিউট অফ টেকনোলজি থেকে এমবিএ ডিগ্রি অর্জন করেন।

তিনি ব্রুকলিন কলেজ এবং বোরো অব ম্যানহাটন কমিউনিটি কলেজে সহকারী প্রভাষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং কর্মজীবনে ওষুধ শিল্পে রসায়নবিদ হিসেবে কাজ করেন। ২০১৮ সালে তিনি মালয়েশিয়ার আন্তর্জাতিক ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। তার গবেষণাপত্রের মূল বিষয় ছিল বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের ভূমিকা।

 

মিলন ১৯৯৬ সালের সাধারণ নির্বাচনে বাংলাদেশ-২৬০ চাঁদপুর-১ আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন নিয়ে প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল নির্বাহী কমিটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক। ২০০১ সালে ৮ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পুনরায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। যাতে তিনি আওয়ামী লীগ দলীয় প্রার্থী প্রাক্তন মন্ত্রী মহিউদ্দীন খান আলমগীরকে পরাজিত করেছিলেন।