শিরোনাম
২২ ক্যারেটের ভরি ২ লাখ ২৪ হাজার টাকা
২২ ক্যারেটের ভরি ২ লাখ ২৪ হাজার টাকা

দেশের বাজারে টানা দুই দফা দাম কমার পর আবারও বেড়েছে স্বর্ণের দাম। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বাজুস এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, নতুন দাম সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে।

নতুন মূল্য অনুযায়ী, ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৪ হাজার ৯৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৩ হাজার ৮৮৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের প্রতি ভরি ১ লাখ ৫০ হাজার ২৩২ টাকা।

বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি (পিওর) স্বর্ণের দাম বৃদ্ধির কারণে নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এ দাম কার্যকর থাকবে।

তবে অলঙ্কারের নকশাভেদে মজুরি প্রযোজ্য হবে। স্বর্ণ ও রৌপ্য অলঙ্কারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত থাকায় গ্রাহকদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না।

চলতি বছরে এখন পর্যন্ত স্বর্ণের দাম ৮৫ বার সমন্বয় করেছে বাজুস। এর মধ্যে ৪২ বার দাম বেড়েছে, ৪২ বার কমেছে এবং একবার ভ্যাট সমন্বয় করা হয়েছে।

বিশ্ববাজারে তেলের দাম ৩ মাসের মধ্যে সর্বনিম্নে
বিশ্ববাজারে তেলের দাম ৩ মাসের মধ্যে সর্বনিম্নে

ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার যুদ্ধ অবসান ও নিষেধাজ্ঞা শিথিলের সম্ভাবনার খবরে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দামে বড় ধরনের পতন দেখা দিয়েছে। বুধবার (১৭ জুন) ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৮০ ডলারের নিচে নেমে আসে, যা গত তিন মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন।

বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা কমে আসা এবং কৌশলগত হরমুজ প্রণালিতে সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার প্রত্যাশাই তেলের দামে এই নিম্নমুখী প্রবণতা তৈরি করেছে। এর আগে টানা অস্থিরতার কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে দামের ঊর্ধ্বগতি দেখা গিয়েছিল।

গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইরান অঞ্চল ঘিরে সামরিক উত্তেজনা বাড়ার পর থেকে বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ ব্যবস্থায় চাপ তৈরি হয়। বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালিতে বিঘ্ন ঘটায় বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ অনিশ্চিত হয়ে পড়ে।

বিশ্লেষকদের ধারণা, ইরান পুনরায় তেল রপ্তানিতে সক্রিয় হলে বৈশ্বিক সরবরাহে প্রায় ২ শতাংশ পর্যন্ত ঘাটতি পূরণ সম্ভব হতে পারে। তবে এ বিষয়ে স্থায়ী সমাধান নির্ভর করছে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও নিষেধাজ্ঞা শিথিলের বাস্তব অগ্রগতির ওপর।

আগামী শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরের সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানা গেছে। যদিও চুক্তির বিস্তারিত এখনো প্রকাশ করা হয়নি, তবে এ সংবাদের প্রভাবেই আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।