শিরোনাম

১৯৯৯ সালের পর ইউরোপে বিরল পূর্ণ সূর্যগ্রহণের সাক্ষী হতে চলেছে বিশ্ব

১৯৯৯ সালের পর ইউরোপে বিরল পূর্ণ সূর্যগ্রহণের সাক্ষী হতে চলেছে বিশ্ব

বিরল এক মহাজাগতিক ঘটনার সাক্ষী হতে যাচ্ছে বিশ্ব। আগামী বুধবার (১২ আগস্ট) ২০২৬ সালের পূর্ণ সূর্যগ্রহণ সংঘটিত হবে। প্রায় দুই মিনিট ১৮ সেকেন্ড পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে পূর্ণগ্রাসের সর্বোচ্চ সময়।

এবারের পূর্ণ সূর্যগ্রহণের পূর্ণগ্রাসের পথ পড়বে গ্রিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড, উত্তর রাশিয়া, আটলান্টিক মহাসাগর, স্পেন এবং পর্তুগালের কিছু অংশে। এসব অঞ্চলের নির্দিষ্ট স্থান থেকে চাঁদকে সূর্যকে পুরোপুরি ঢেকে দিতে দেখা যাবে।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্থানীয় সময় অনুযায়ী গ্রহণের বিভিন্ন পর্যায় বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে ভিন্ন সময়ে দৃশ্যমান হবে। পূর্ণগ্রাসের সর্বোচ্চ স্থায়িত্ব প্রায় দুই মিনিট ১৮ সেকেন্ড। ইউরোপের মূল ভূখণ্ডে ১৯৯৯ সালের পর এমন পূর্ণ সূর্যগ্রহণ বিরল ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

উত্তর স্পেনের বিভিন্ন শহর ও অঞ্চলের ওপর দিয়ে পূর্ণগ্রাসের পথ অতিক্রম করবে। অন্যদিকে মাদ্রিদ ও বার্সেলোনার মতো বড় শহরগুলো পূর্ণগ্রাসের মূল পথের বাইরে থাকলেও সেখানে সূর্যের প্রায় সম্পূর্ণ অংশ ঢেকে যেতে পারে।

এবারের গ্রহণটি আংশিকভাবে ইউরোপের বড় অংশ, উত্তর-পশ্চিম আফ্রিকা এবং উত্তর আমেরিকার কিছু এলাকায় দেখা যাবে। তবে বাংলাদেশ থেকে এই পূর্ণ সূর্যগ্রহণ দৃশ্যমান হওয়ার কথা নয়।

কেন হয় পূর্ণ সূর্যগ্রহণ?

চাঁদ যখন পৃথিবী ও সূর্যের মাঝখানে এসে সূর্যের পুরো চাকতিকে আড়াল করে ফেলে, তখন পূর্ণ সূর্যগ্রহণ ঘটে। পৃথিবী থেকে সূর্য ও চাঁদের আপাত আকার প্রায় সমান দেখায় বলেই এমন বিরল মহাজাগতিক দৃশ্য সম্ভব হয়।

বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, সূর্যগ্রহণের সময় খালি চোখে সূর্যের দিকে তাকানো বিপজ্জনক। পূর্ণগ্রাসের সময় ছাড়া গ্রহণের অন্য পর্যায়ে অবশ্যই অনুমোদিত সৌর পর্যবেক্ষণ চশমা বা যথাযথ সৌর ফিল্টার ব্যবহার করতে হবে।

মহাকাশবিজ্ঞানীদের মতে, ১২ আগস্টের এই সূর্যগ্রহণ জ্যোতির্বিজ্ঞানপ্রেমীদের জন্য বিশেষ আকর্ষণীয় হতে যাচ্ছে। এরই মধ্যে পূর্ণগ্রাসের পথের বিভিন্ন এলাকায় গ্রহণ পর্যবেক্ষণে ব্যাপক প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন
সর্বশেষ সব খবর
জনপ্রিয় সব খবর