শিরোনাম

তথ্য গোপন করে প্রধান পরীক্ষকের দায়িত্বে রাণীশংকৈলের শিক্ষক

তথ্য গোপন করে প্রধান পরীক্ষকের দায়িত্বে রাণীশংকৈলের শিক্ষক

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় নিজের সন্তান এসএসসি পরীক্ষার্থী হওয়া সত্ত্বেও তথ্য গোপন করে বাংলা দ্বিতীয় পত্রের প্রধান পরীক্ষকের (হেড এক্সামিনার) দায়িত্ব পালন করার অভিযোগ উঠেছে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অভিভাবক ও স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

অভিযুক্ত মোশাররফ হোসেন রাণীশংকৈল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক। তিনি দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের অধীনে চলমান এসএসসি পরীক্ষায় বাংলা দ্বিতীয় পত্রের প্রধান পরীক্ষকের দায়িত্বে ছিলেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তার ছেলে এবার পার্বতীপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে। শিক্ষা বোর্ডের নীতিমালা অনুযায়ী, কোনো শিক্ষকের সন্তান বা নিকটাত্মীয় পরীক্ষার্থী হলে তিনি খাতা মূল্যায়ন বা প্রধান পরীক্ষকের দায়িত্ব পালন করতে পারেন না। অভিযোগ রয়েছে, মোশাররফ হোসেন এ তথ্য গোপন করে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন অভিভাবক বলেন, প্রধান পরীক্ষকের নিজের সন্তান পরীক্ষার্থী হলে নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। এতে অন্য শিক্ষার্থীরা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

অভিযুক্ত শিক্ষক মোশাররফ হোসেন নিজের সন্তান পরীক্ষার্থী হওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে এ দায়িত্ব পালন করছেন। তবে নিয়ম অনুযায়ী তার এ দায়িত্বে থাকা ঠিক হয়নি বলেও স্বীকার করেন তিনি।

দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর মো. বোরহান উদ্দিন বলেন, পরীক্ষক নিয়োগের সময় শিক্ষকদের কাছ থেকে লিখিত অঙ্গীকারনামা নেওয়া হয়। তথ্য গোপনের অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে এবং এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রাণীশংকৈল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজ খাদিজা বেগম জানান, শিক্ষা বোর্ড ইতোমধ্যে অভিযুক্ত শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে। বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন
সর্বশেষ সব খবর
জনপ্রিয় সব খবর