শিরোনাম

নীলফামারীর জ্যেষ্ঠ রাজনীতিবিদ ও সাবেক ছাত্রনেতা এস কে মালেক আর নেই

নীলফামারীর জ্যেষ্ঠ রাজনীতিবিদ ও সাবেক ছাত্রনেতা এস কে মালেক আর নেই

নীলফামারীর জ্যেষ্ঠ রাজনীতিবিদ ও নব্বইয়ের দশকের বর্ষীয়ান ছাত্রনেতা এস কে মালেক (৫৫) আর নেই। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত আনুমানিক ১২টা ১০ মিনিটে সৈয়দপুরে শ্বশুরবাড়িতে তিনি ইন্তেকাল করেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে হৃদরোগে ভুগছিলেন।

মরহুম এস কে মালেক নীলফামারী সদরের মাস্টারপাড়া এলাকার বাসিন্দা এবং জেলা জাদুঘরের প্রতিষ্ঠাতা মরহুম এটিএম মুজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠ পুত্র। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টায় নীলফামারী ডাকবাংলা ঈদগাহ মাঠে বাদ জোহর তার জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। পরে ডাকবাংলা কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। জানাজায় সর্বস্তরের বিপুলসংখ্যক মানুষ এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।

জানাজার আগে স্মৃতিচারণ ও সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন নীলফামারী জেলা পরিষদের প্রশাসক মিজানুর রহমান চৌধুরী শামীম, বিজ্ঞ জিপি অ্যাডভোকেট আবু মোহাম্মদ সোয়েম, নীলফামারী চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি ও মরহুমের বন্ধু মাহবুবুর রহমান মাহবুব, বীর মুক্তিযোদ্ধা জয়নাল আবেদীনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

এস কে মালেক ১৯৭১ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি নীলফামারী শহরের মাস্টারপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি নীলফামারী সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং নীলফামারী সরকারি কলেজ থেকে স্নাতক (বিএ) ডিগ্রি অর্জন করেন।

শিক্ষাজীবন থেকেই তিনি সক্রিয় রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন। তিনি নীলফামারী জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে সদর উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক হিসেবে নেতৃত্ব দেন। জীবনের শেষ পর্যায়ে তিনি নীলফামারী জেলা বিএনপির সদস্য হিসেবে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত ছিলেন।

তার মৃত্যুতে নীলফামারীর রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ তার মৃত্যুতে গভীর শোক ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন
সর্বশেষ সব খবর
জনপ্রিয় সব খবর