ভারতের কলকাতায় হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার আলিমুজ্জামান সাজুর মরদেহ দেশে ফিরেছে। শনিবার (২২ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে তার মরদেহ দেশে পৌঁছায়। পরে পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়। আজ শনিবার আছরের নামাজের পর জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।
ভোমরা ইমিগ্রেশন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সজিব বালা বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ভোমরা ইমিগ্রেশন দিয়ে সাজুর মরদেহ দেশে পৌঁছানোর পর পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
সাজুর বড় ভাই সাহেব সরদার বলেন, ভোমরা স্থলবন্দর থেকে মরদেহ গ্রহণ করে তারা বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন। আছরের নামাজের পর জানাজা ও দাফনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
শনিবার দুপুরে কালিগঞ্জের বরেয়া গ্রামে সাজুর বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, সকাল থেকেই স্বজনেরা মরদেহের অপেক্ষায় ছিলেন। বাড়ির পাশে কবর খনন করে রাখা হয়েছে। মরদেহ পৌঁছানোর পরই দাফনের কার্যক্রম শুরু হবে বলে পরিবারের সদস্যরা জানান।
এর আগে গত বুধবার (১৯ আগস্ট) রাতে কলকাতার ‘শিখা ইন’ আবাসিক হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় সাজুর মৃত্যুর খবর স্বজনদের কাছে পৌঁছায়। চিকিৎসা শেষে শনিবার দেশে ফেরার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত মরদেহ হয়ে দেশে ফিরলেন তিনি।
এদিকে একই অগ্নিকাণ্ডে নিহত সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার তেঁতুলিয়া গ্রামের রেবতী সরকারের শেষকৃত্য কলকাতায় সম্পন্ন হয়েছে। তার দুই সন্তান ভারতে থাকায় শুক্রবার কলকাতার নিমতলা ঘাটে তার শেষকৃত্য সম্পন্ন করা হয়। এ সময় রেবতীর স্বামীও উপস্থিত ছিলেন।
শনিবার সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন রেবতীর দেবর তপন সরকার।
উল্লেখ্য, গত বুধবার রাতে কলকাতার একটি আবাসিক হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় কয়েকজনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা সাজু ও রেবতী সরকারও ছিলেন।