শিরোনাম
হামের প্রকোপে আরও ২ শিশুর মৃত্যু, মৃত ৭৪৭
হামের প্রকোপে আরও ২ শিশুর মৃত্যু, মৃত ৭৪৭

দেশে হামের সংক্রমণ এখনো উদ্বেগজনক পর্যায়ে রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ৯৪৬ জনের শরীরে হাম ও এর উপসর্গ শনাক্ত হয়েছে। ফলে গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হামে ও এর উপসর্গে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৪৭ জনে।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত হামবিষয়ক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা ও সিলেট বিভাগে হামের উপসর্গ নিয়ে একজন করে মোট দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে এ সময়ে হামে আক্রান্ত হয়ে সরাসরি কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি।

একই সময়ে দেশে নতুন করে ১২৮ জনের শরীরে হাম নিশ্চিত হয়েছে। এছাড়া আরও ৮১৮ জনের মধ্যে হামের উপসর্গ দেখা গেছে। সব মিলিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত দেশে মোট এক লাখ ৮ হাজার ৯৯৮ জনের মধ্যে হামের উপসর্গ শনাক্ত হয়েছে। এদের মধ্যে ১৩ হাজার ১৯৮ জনের শরীরে পরীক্ষার মাধ্যমে হাম নিশ্চিত করা হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, একই সময়ে হামে ও এর উপসর্গ নিয়ে সারাদেশে মোট ৯২ হাজার ৩১ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে চিকিৎসা শেষে ৮৮ হাজার ৪১৯ জন হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন।

হামে আরও ৪ জনের মৃত্যু, চলতি বছরে মোট প্রাণহানি ৬৬১
হামে আরও ৪ জনের মৃত্যু, চলতি বছরে মোট প্রাণহানি ৬৬১

দেশে হামের উপসর্গে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এতে চলতি বছরে হামে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬৬১ জনে।

বুধবার (১৭ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রকাশিত সর্বশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১ হাজার ৭৭ জন হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে ১১১ জনের শরীরে পরীক্ষার মাধ্যমে হাম শনাক্ত হয়েছে। বাকি ৯৬৬ জনের ক্ষেত্রে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে।

এই সময়ে সিলেটে ৩ জন এবং ময়মনসিংহে ১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গে মৃত্যুর সংখ্যা ৫৬৮ জন, আর নিশ্চিতভাবে শনাক্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে আরও ৯৩ জনের।

চলতি বছরে মোট ৮৮ হাজার ৮৯৫ জনের মধ্যে হামের উপসর্গ দেখা গেছে, যার মধ্যে ১০ হাজার ৬৩৪ জনের শরীরে পরীক্ষায় হাম শনাক্ত হয়েছে।

আক্রান্তদের মধ্যে ৭৩ হাজারের বেশি রোগী হাসপাতালে ভর্তি হলেও ৬৯ হাজারের বেশি চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।