শিরোনাম
উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ
উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ

উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন উত্তর উড়িষ্যা-পশ্চিমবঙ্গ উপকূলীয় এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে। এর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর, বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা এবং সমুদ্রবন্দরগুলোর ওপর দিয়ে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

শনিবার (৪ জুলাই) সহকারী আবহাওয়াবিদ আফরোজা সুলতানার স্বাক্ষরিত এক সতর্কবার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।

সতর্কবার্তায় চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, লঘুচাপের প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর উত্তাল থাকতে পারে। এ কারণে উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সতর্কতার সঙ্গে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

মোংলা বন্দরের নতুন চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল আরিফ আহমেদ মোস্তফা
মোংলা বন্দরের নতুন চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল আরিফ আহমেদ মোস্তফা

মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন বাংলাদেশ নৌবাহিনীর জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা রিয়ার অ্যাডমিরাল আরিফ আহমেদ মোস্তফা (এনইউপি, এনডিসি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি, বিএন)।

রোববার (৭ জুন) তিনি দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্রবন্দর মোংলা বন্দরের চেয়ারম্যান হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনি বন্দরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং চলমান উন্নয়ন প্রকল্প ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা সম্পর্কে অবহিত হন।

মতবিনিময়কালে তিনি বলেন, প্রশাসনিক জটিলতা কমানো গেলে বন্দরের কার্যক্রম আরও গতিশীল ও কার্যকর হবে। একই সঙ্গে আয় বৃদ্ধি, ব্যয় সংকোচন, দায়িত্বশীলতা ও দলগত কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। বন্দরের সার্বিক উন্নয়নের স্বার্থে ব্যবহারকারীদের সঙ্গে দ্রুত আলোচনা সভা আয়োজনেরও নির্দেশনা দেন।

এর আগে তিনি বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৯০ সালে বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে যোগদানকারী রিয়ার অ্যাডমিরাল আরিফ আহমেদ মোস্তফা ১৯৯২ সালে কমিশন লাভ করেন। দীর্ঘ তিন দশকের কর্মজীবনে তিনি নৌবাহিনীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কমান্ড ও স্টাফ দায়িত্ব সফলভাবে পালন করেছেন।

বন্দর সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, তাঁর অভিজ্ঞ নেতৃত্বে মোংলা বন্দরের কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে এবং চলমান উন্নয়ন প্রকল্পগুলো নতুন গতি পাবে।