শিরোনাম

শব্দদূষণে অতিষ্ঠ সৈয়দপুর, ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস প্রশাসন-পুলিশের

শব্দদূষণে অতিষ্ঠ সৈয়দপুর, ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস প্রশাসন-পুলিশের

উচ্চশব্দের মাইক, গাড়ির হর্ন ও শিল্পকারখানার যন্ত্রপাতির বিকট শব্দে নাকাল হয়ে পড়েছেন নীলফামারীর সৈয়দপুর শহরের বাসিন্দারা। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত বিভিন্ন বাণিজ্যিক প্রচারণা, দোকান উদ্বোধন, খেলাধুলা ও সামাজিক অনুষ্ঠানে জোড়া মাইক ব্যবহারে তীব্র শব্দদূষণের সৃষ্টি হচ্ছে। এতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়ছেন শিশু, পরীক্ষার্থী ও অসুস্থ রোগীরা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, শহরের গুরুত্বপূর্ণ মোড় থেকে আবাসিক এলাকা—কোথাও থামছে না উচ্চশব্দের মাইকিং। পাশাপাশি যানবাহনের অতিরিক্ত হর্ন, ট্রাফিকের শব্দ এবং কারখানার ভারী যন্ত্রপাতির বিকট আওয়াজ পরিস্থিতিকে আরও অসহনীয় করে তুলেছে।

এক প্রবীণ বাসিন্দা বলেন, সাধারণ বাণিজ্যিক প্রচারণাতেও সকাল থেকে রাত পর্যন্ত মাইক বাজানো হচ্ছে। জরুরি ঘোষণা ও জনসচেতনতামূলক প্রচারণার বাইরে এ ধরনের লাগাতার শব্দদূষণ বন্ধ হওয়া দরকার।

অভিজ্ঞ মহলের মতে, অননুমোদিত মাইকিং বন্ধে নিয়মিত নজরদারি ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান প্রয়োজন।

সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারাহ ফাতেহা তাকমিলা জানান, বিষয়টি সম্পর্কে তিনি অবগত হয়েছেন। অননুমোদিত মাইকিং বন্ধে দ্রুত প্রয়োজনীয় আইনগত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সৈয়দপুর থানার ওসি রেজাউল করিম রেজা বলেন, অননুমোদিত মাইকিং ও শব্দদূষণের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতালের আরএমও ডা. নাজমুল হুদা বলেন, অতিরিক্ত শব্দের কারণে শ্রবণশক্তি হ্রাস, উচ্চ রক্তচাপ, অনিদ্রা, হৃদরোগ ও মানসিক অস্থিরতার মতো স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

শহরবাসীর দাবি, শুধু আশ্বাস নয়—শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে দ্রুত কার্যকর অভিযান চান তারা।

আপনার মতামত লিখুন
সর্বশেষ সব খবর
জনপ্রিয় সব খবর