শিরোনাম

মঞ্চে না ডাকায় সাতক্ষীরায় জেলা প্রশাসনের অনুষ্ঠান থেকে বেরিয়ে যাওয়ার অভিযোগ বিএনপি-জামায়াত নেতাদের

মঞ্চে না ডাকায় সাতক্ষীরায় জেলা প্রশাসনের অনুষ্ঠান থেকে বেরিয়ে যাওয়ার অভিযোগ বিএনপি-জামায়াত নেতাদের

জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসনের আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে মঞ্চে আমন্ত্রণ না পাওয়ার অভিযোগে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর কয়েকজন শীর্ষ নেতা অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করেছেন বলে দাবি করেছে সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক নেতারা। তবে জেলা প্রশাসন এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

বুধবার (৫ আগস্ট) সকালে জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে শহীদ পরিবারের সদস্য ও জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা এবং সম্মানী প্রদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে চারটি শহীদ পরিবারের সদস্যকে মাথাপিছু ১ হাজার ৫০০ টাকার প্রাইজ বন্ড এবং ৯৭ জন আহত জুলাই যোদ্ধাকে মাথাপিছু ৫০০ টাকার প্রাইজ বন্ডসহ মোট ১০১ জনের মধ্যে সম্মানী প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রশাসক ও সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুল ইসলাম হাবিব, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক রাহমাতুল্লাহ পলাশ, সদস্যসচিব আবু জাহিদ ডাবলু, জেলা জামায়াতের আমির শহীদুল ইসলাম মুকুল, সেক্রেটারি মাওলানা আজিজুর রহমানসহ বিএনপি ও জামায়াতের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।

প্রত্যক্ষদর্শী ও দলীয় সূত্রের দাবি, আলোচনা সভা শেষে সম্মানী বিতরণ পর্বে জেলা প্রশাসক মিজ কাউসার আজিজ ও পুলিশ সুপার আবু সালেহ মো. আশরাফুল আলম মঞ্চে থেকে সম্মানী বিতরণ করেন। এ সময় উপস্থিত রাজনৈতিক দলগুলোর নেতাদের কাউকে মঞ্চে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করে বিএনপি ও জামায়াতের নেতারা দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করেন বলে দাবি করা হয়।

জেলা জামায়াতের আমির শহীদুল ইসলাম মুকুল বলেন, রাজনৈতিক নেতাদের মঞ্চে না ডাকায় তারা অনুষ্ঠান থেকে বেরিয়ে আসেন।

জেলা বিএনপির আহ্বায়ক রাহমাতুল্লাহ পলাশও দাবি করেন, জেলা পরিষদের প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম হাবিবের নেতৃত্বে বিএনপি ও জামায়াতের নেতারা অনুষ্ঠান ত্যাগ করেন।

তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মিজ কাউসার আজিজ। তিনি বলেন, রাজনৈতিক নেতারা অনুষ্ঠান ত্যাগ করেননি, সবাই শেষ পর্যন্ত উপস্থিত ছিলেন। তিনি জানান, শহীদ পরিবারের সদস্যদের হাতে সম্মানী তুলে দেন তিনি ও পুলিশ সুপার, আর আহত জুলাই যোদ্ধাদের মধ্যে সম্মানী বিতরণ করেন জেলা প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তারা।

ঘটনাটি নিয়ে জেলা প্রশাসনের বক্তব্য এবং রাজনৈতিক নেতাদের দাবির মধ্যে ভিন্নতা দেখা দিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা-সমালোচনা চলছে।

আপনার মতামত লিখুন
সর্বশেষ সব খবর
জনপ্রিয় সব খবর