শিরোনাম

‘নীলফামারী মেডিকেল কলেজ শুধু চিকিৎসক তৈরির প্রতিষ্ঠান নয়, স্বাস্থ্যসেবার ভিত্তি’

‘নীলফামারী মেডিকেল কলেজ শুধু চিকিৎসক তৈরির প্রতিষ্ঠান নয়, স্বাস্থ্যসেবার ভিত্তি’

নীলফামারী মেডিকেল কলেজকে আধুনিক ও যুগোপযোগী প্রতিষ্ঠানে রূপ দিতে স্থায়ী ক্যাম্পাস, একাডেমিক ভবন ও হোস্টেলসহ প্রয়োজনীয় অবকাঠামো গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) অধ্যাপক ডা. নাজমুল হোসেন।

তিনি বলেন, একটি মেডিকেল কলেজ শুধু চিকিৎসক তৈরির প্রতিষ্ঠান নয়, এটি একটি অঞ্চলের স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নেরও গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি।

রোববার (৩০ আগস্ট) নীলফামারী মেডিকেল কলেজের অষ্টম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এ উপলক্ষে কলেজ প্রাঙ্গণে বর্ণাঢ্য র‍্যালি, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অধ্যাপক ডা. নাজমুল হোসেন বলেন, বর্তমান সরকার চিকিৎসা ও শিক্ষাখাতের উন্নয়নকে বিশেষ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করছে। এর ধারাবাহিকতায় নীলফামারী মেডিকেল কলেজের অবকাঠামোগত উন্নয়নেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। খুব শিগগিরই কলেজটিতে স্থায়ী ক্যাম্পাস, একাডেমিক ভবন ও হোস্টেলসহ আধুনিক ও মানসম্মত শিক্ষা পরিবেশ গড়ে তোলা হবে।

তিনি আরও বলেন, চিকিৎসা শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করার পাশাপাশি স্থানীয় মানুষের স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার সুযোগ বাড়াতে মেডিকেল কলেজগুলোর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। নীলফামারী মেডিকেল কলেজকে আধুনিক ও সময়োপযোগী প্রতিষ্ঠানে রূপ দিতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।

মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. জিম্মা হোসেনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (মানবসম্পদ ও ব্যবস্থাপনা) ডা. মো. মাছুদুর রহমান এবং পরিচালক (চিকিৎসা শিক্ষা) অধ্যাপক ডা. সাকি মো. জাকিউল আলম।

এ ছাড়া বক্তব্য দেন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) রংপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক কমিটির আহ্বায়ক ডা. নিখিলেন্দ্র শংকর গুহ রায়, রংপুর মেডিকেল কলেজ শাখা ড্যাবের আহ্বায়ক অধ্যাপক ডা. মো. জাবেদ আখতার, রংপুর মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মো. আনোয়ার হোসেন এবং দিনাজপুর মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. শেখ সাদেক আলী।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সকালে কলেজ প্রাঙ্গণ থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে কলেজে ফিরে আসে। এতে শিক্ষক, চিকিৎসক ও শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।

দিনব্যাপী কর্মসূচির শেষ পর্যায়ে বিকেলে কলেজ প্রাঙ্গণে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচির সমাপ্তি ঘটে।

আপনার মতামত লিখুন
সর্বশেষ সব খবর
জনপ্রিয় সব খবর