ভারতের ৮০তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দরের জিরো পয়েন্টে বাংলাদেশ ও ভারতের ব্যবসায়ী এবং সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদস্যদের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ শুভেচ্ছা ও উপহার বিনিময় হয়েছে।
শনিবার (১৫ আগস্ট) দুপুরে ভোমরা-ঘোজাডাঙ্গা স্থলবন্দরের জিরো পয়েন্টে এ সৌহার্দ্য বিনিময় অনুষ্ঠিত হয়। ফুল, মিষ্টি ও উত্তরীয় বিনিময়ের মাধ্যমে দুই দেশের প্রতিনিধিরা বন্ধুত্ব, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং সীমান্তবর্তী মানুষের মধ্যে সম্প্রীতির বার্তা দেন।
অনুষ্ঠানে ভারতের ঘোজাডাঙ্গা এক্সপোর্টার্স অ্যান্ড ইমপোর্টার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি জিয়াউল হক চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক রাজু সাহাজি এবং ভোমরা স্থলবন্দর আমদানি-রপ্তানিকারক গ্রুপের সভাপতি রামকৃষ্ণ চক্রবর্তী ও সাধারণ সম্পাদক ওহিদুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় দুই দেশের ব্যবসায়ী নেতারা পরস্পরকে ফুল ও মিষ্টি দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। ভারতীয় ব্যবসায়ী নেতারা ভোমরা স্থলবন্দর আমদানি-রপ্তানিকারক গ্রুপের নেতাদের উত্তরীয় ও ব্যাজ পরিয়ে বরণ করে নেন। পরে ভোমরা স্থলবন্দর আমদানি-রপ্তানিকারক গ্রুপের পক্ষ থেকেও ভারতীয় ব্যবসায়ী নেতাদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়।
একই সময়ে ভোমরা বিজিবির কোম্পানি কমান্ডার আফজাল হোসেন ভারতের ঘোজাডাঙ্গা বিএসএফ ক্যাম্পের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক শুভেচ্ছা ও উপহার বিনিময় করেন।
সৌহার্দ্য বিনিময়কালে দুই দেশের প্রতিনিধিরা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সম্প্রসারণ, পারস্পরিক বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার এবং সীমান্তের উভয় পাড়ের মানুষের দীর্ঘদিনের সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
ভোমরা-ঘোজাডাঙ্গা সীমান্ত দুই দেশের বাণিজ্যিক যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রবেশদ্বার। এ পথে নিয়মিত আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম পরিচালিত হয়। পাশাপাশি সীমান্তের দুই পাড়ের ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে যোগাযোগ রয়েছে।
এদিকে ভারতের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সরকারি ছুটি থাকায় শনিবার ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশ-ভারতের নিয়মিত আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য বন্ধ ছিল। তবে বাণিজ্যিক কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও জিরো পয়েন্টে দুই দেশের ব্যবসায়ী ও সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদস্যদের মধ্যে সৌহার্দ্য বিনিময়ের এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।