শিরোনাম
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যদের ঘিরে জল্পনা
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যদের ঘিরে জল্পনা

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কে হচ্ছেন—তা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের দাবি, বিএনপির বাইরে নয়, দলটির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্যদের মধ্য থেকেই পরবর্তী রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হতে পারেন।

দলীয় ও সরকারি সূত্র জানায়, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে বিএনপির শীর্ষ পর্যায়ে প্রস্তুতি চলছে। যদিও এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে দলীয় ফোরামে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

রাষ্ট্রপতি পদে শুরু থেকেই বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, আবদুল মঈন খান ও নজরুল ইসলাম খানের নাম আলোচনায় ছিল। সাম্প্রতিক সময়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণি এবং একজন সাবেক প্রধান বিচারপতির নামও সম্ভাব্যদের তালিকায় যুক্ত হয়েছে।

তবে বিএনপির একাধিক দায়িত্বশীল সূত্রের ভাষ্য, শারীরিক সক্ষমতাসহ বিভিন্ন বাস্তবতা বিবেচনায় কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতা আলোচনায় কিছুটা পিছিয়ে পড়েছেন। এর মধ্যে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী এবং বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নাম নতুন করে গুরুত্ব পাচ্ছে। দলটির একটি অংশ তাঁকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে দেখতে আগ্রহী বলেও জানা গেছে।

এদিকে, অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাষ্ট্রপতি পদে ‘সেরা প্রার্থী’ বলে মত প্রকাশ করেছেন। তাঁর ভাষ্য, শেখ হাসিনার শাসনামলে দলের নেতৃত্ব, রাজনৈতিক ত্যাগ, সংযত আচরণ ও গ্রহণযোগ্যতার কারণে মির্জা ফখরুল এ পদের জন্য যোগ্য।

একইভাবে ব্র্যাকের নির্বাহী পরিচালক আসিফ সালেহও পৃথক এক ফেসবুক পোস্টে মির্জা ফখরুলকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে উপযুক্ত বলে মত দেন।

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করছেন।

সংবিধানের ১২৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদ সদস্যদের ভোটে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে। সংসদে বিএনপির সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় দলটির মনোনীত প্রার্থীর নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।

তবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হতে এখনো কিছু সময় রয়েছে। রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তনের সঙ্গে সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকাতেও পরিবর্তন আসতে পারে। ফলে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত এ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা অব্যাহত থাকবে।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যদের ঘিরে জল্পনা
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যদের ঘিরে জল্পনা

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কে হচ্ছেন—তা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের দাবি, বিএনপির বাইরে নয়, দলটির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্যদের মধ্য থেকেই পরবর্তী রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হতে পারেন।

দলীয় ও সরকারি সূত্র জানায়, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে বিএনপির শীর্ষ পর্যায়ে প্রস্তুতি চলছে। যদিও এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে দলীয় ফোরামে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

রাষ্ট্রপতি পদে শুরু থেকেই বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, আবদুল মঈন খান ও নজরুল ইসলাম খানের নাম আলোচনায় ছিল। সাম্প্রতিক সময়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণি এবং একজন সাবেক প্রধান বিচারপতির নামও সম্ভাব্যদের তালিকায় যুক্ত হয়েছে।

তবে বিএনপির একাধিক দায়িত্বশীল সূত্রের ভাষ্য, শারীরিক সক্ষমতাসহ বিভিন্ন বাস্তবতা বিবেচনায় কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতা আলোচনায় কিছুটা পিছিয়ে পড়েছেন। এর মধ্যে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী এবং বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নাম নতুন করে গুরুত্ব পাচ্ছে। দলটির একটি অংশ তাঁকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে দেখতে আগ্রহী বলেও জানা গেছে।

এদিকে, অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাষ্ট্রপতি পদে ‘সেরা প্রার্থী’ বলে মত প্রকাশ করেছেন। তাঁর ভাষ্য, শেখ হাসিনার শাসনামলে দলের নেতৃত্ব, রাজনৈতিক ত্যাগ, সংযত আচরণ ও গ্রহণযোগ্যতার কারণে মির্জা ফখরুল এ পদের জন্য যোগ্য।

একইভাবে ব্র্যাকের নির্বাহী পরিচালক আসিফ সালেহও পৃথক এক ফেসবুক পোস্টে মির্জা ফখরুলকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে উপযুক্ত বলে মত দেন।

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করছেন।

সংবিধানের ১২৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদ সদস্যদের ভোটে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে। সংসদে বিএনপির সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় দলটির মনোনীত প্রার্থীর নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।

তবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হতে এখনো কিছু সময় রয়েছে। রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তনের সঙ্গে সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকাতেও পরিবর্তন আসতে পারে। ফলে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত এ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা অব্যাহত থাকবে।

রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের গুঞ্জন
রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের গুঞ্জন

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন শিগগিরই পদত্যাগ করতে পারেন বলে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা চলছে। একাধিক দায়িত্বশীল সূত্রের দাবি, শারীরিক অসুস্থতাকে কারণ হিসেবে দেখিয়ে তিনি দায়িত্ব ছাড়তে পারেন। তবে বুধবার (২২ জুলাই) পর্যন্ত রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের বিষয়ে বঙ্গভবন কিংবা সরকারের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি।

সরকার ও বিএনপির সংশ্লিষ্ট কয়েকটি সূত্রের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে পদত্যাগের বিষয়ে বিএনপির উচ্চপর্যায় থেকে বার্তা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তাঁর সম্ভাব্য উত্তরসূরি নিয়েও আলোচনা চলছে। তবে এসব তথ্যের বিষয়ে কোনো পক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে মন্তব্য করেনি।

বঙ্গভবন-সংশ্লিষ্ট একটি সূত্রের দাবি, রাষ্ট্রপতি তাঁর ঘনিষ্ঠ কর্মকর্তাদের শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন। পদত্যাগের পর কিছুদিন বিশ্রাম নেওয়া এবং চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে বলে সূত্রটি জানিয়েছে। তবে এ বিষয়ে রাষ্ট্রপতির দপ্তর থেকে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এদিকে সম্ভাব্য নতুন রাষ্ট্রপতি হিসেবে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ একটি পদে চুক্তিভিত্তিক দায়িত্ব পালনকারী একজন সচিবের নাম আলোচনায় রয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে। এর আগে বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতা খন্দকার মোশাররফ হোসেন ও আবদুল মঈন খানের নামও আলোচনায় আসে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, “আমি এ বিষয়ে কিছুই জানি না। এমন কিছু ঘটলে অনেক নামই আলোচনায় আসবে, এটাই স্বাভাবিক।”

সংবিধানে যা বলা আছে

বাংলাদেশের সংবিধানের ৫০(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি স্পিকারের উদ্দেশে স্বাক্ষরযুক্ত পত্রের মাধ্যমে পদত্যাগ করতে পারেন। আর ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে বা তিনি দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

এ ছাড়া সংবিধানের ১২৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, পদ শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদ সদস্যদের ভোটে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে।

মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তাঁর পাঁচ বছরের মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত থাকার কথা।

উল্লেখ্য, রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো সরকারি ঘোষণা বা বঙ্গভবনের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ফলে বিষয়টি এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত নয়।

রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের গুঞ্জন
রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের গুঞ্জন

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন শিগগিরই পদত্যাগ করতে পারেন বলে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা চলছে। একাধিক দায়িত্বশীল সূত্রের দাবি, শারীরিক অসুস্থতাকে কারণ হিসেবে দেখিয়ে তিনি দায়িত্ব ছাড়তে পারেন। তবে বুধবার (২২ জুলাই) পর্যন্ত রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের বিষয়ে বঙ্গভবন কিংবা সরকারের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি।

সরকার ও বিএনপির সংশ্লিষ্ট কয়েকটি সূত্রের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে পদত্যাগের বিষয়ে বিএনপির উচ্চপর্যায় থেকে বার্তা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তাঁর সম্ভাব্য উত্তরসূরি নিয়েও আলোচনা চলছে। তবে এসব তথ্যের বিষয়ে কোনো পক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে মন্তব্য করেনি।

বঙ্গভবন-সংশ্লিষ্ট একটি সূত্রের দাবি, রাষ্ট্রপতি তাঁর ঘনিষ্ঠ কর্মকর্তাদের শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন। পদত্যাগের পর কিছুদিন বিশ্রাম নেওয়া এবং চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে বলে সূত্রটি জানিয়েছে। তবে এ বিষয়ে রাষ্ট্রপতির দপ্তর থেকে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এদিকে সম্ভাব্য নতুন রাষ্ট্রপতি হিসেবে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ একটি পদে চুক্তিভিত্তিক দায়িত্ব পালনকারী একজন সচিবের নাম আলোচনায় রয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে। এর আগে বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতা খন্দকার মোশাররফ হোসেন ও আবদুল মঈন খানের নামও আলোচনায় আসে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, “আমি এ বিষয়ে কিছুই জানি না। এমন কিছু ঘটলে অনেক নামই আলোচনায় আসবে, এটাই স্বাভাবিক।”

সংবিধানে যা বলা আছে

বাংলাদেশের সংবিধানের ৫০(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি স্পিকারের উদ্দেশে স্বাক্ষরযুক্ত পত্রের মাধ্যমে পদত্যাগ করতে পারেন। আর ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে বা তিনি দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

এ ছাড়া সংবিধানের ১২৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, পদ শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদ সদস্যদের ভোটে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে।

মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তাঁর পাঁচ বছরের মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত থাকার কথা।

উল্লেখ্য, রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো সরকারি ঘোষণা বা বঙ্গভবনের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ফলে বিষয়টি এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত নয়।