শিরোনাম
বর্তমান পরিস্থিতিতে মিথ্যা মামলা মেনে নেয়া কঠিন

কমিটি গঠনের দিনই মামলায় জড়ানোর অভিযোগ, স্ট্যাটাসে যা লিখলেন পলাশ থানা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক

কমিটি গঠনের দিনই মামলায় জড়ানোর অভিযোগ, স্ট্যাটাসে যা লিখলেন পলাশ থানা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক

গত ৪ জুলাই পলাশ থানা যুবদলের নতুন কমিটি গঠনের একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন পলাশ থানা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি আবেগঘন স্ট্যাটাস প্রকাশ করেন।
স্ট্যাটাসে তিনি উল্লেখ করেন, ফ্যাসিস্ট আমলে নিজের বিরুদ্ধে হওয়া ১২টি মিথ্যা মামলা মেনে নেওয়া গেলেও, বর্তমান পরিস্থিতিতে এ ধরনের মামলা মেনে নেওয়া কঠিন। তার ভাষায়, এসব ঘটনার মাধ্যমে তিনি গভীরভাবে ব্যথিত ও হতাশ।
নিচে সাইদুর রহমানের ফেসবুক স্ট্যাটাসটি হুবহু তুলে ধরা হলো—

"ত্যাগী পরিক্ষীত নেতৃত্ব কে প্রতিহিংসা পরায়ন হয়ে হঠাৎ করে পলাশ থানা যুব দলের পকেট কমিটি করার দিন শেষ ।"
 উল্লেখ্য ফ্যাসিষ্ট আওয়ামিলীগ আমলের ১২ মিথ্যা মামলার আসামি কারাবরন কারী যুব দলের আমি অদম গোনাগার  , যুব দলের সাবেক সাধারন সম্পাদক ।বর্তমান যুবদলের আহ্বায়ক , যুবদলের বর্তমান সিং যুগ্ম আহ্বায়ক ,আমি দুর্ভাগা, এবং যুব দল পলাশ উপজেলার সদস্য সচিব কে ০৪\০৭\\২০২৬ইং তারিখে এক রহস্যজনক কারনে আমাদের পিতৃ তুল্য অভিবাক ,পাচবারের সফল এম পি সাবেক সফল মন্রী তরিগরি করে  যুবদলের  গঠন তন্র অনুসরন না করে  কলমের এক খোচায় বিদ্যমান কমিটি বাতিল করে পলাশ থানার নতুন কমিটি ঘোষনা করে.।  ঐ দিন  ই আমার  নামে পলাশ থানায় মিথ্যা মাদক মামলা এফ, আই আর করে । হায়রে  রাজনীতি , হায়রে আমার কপাল ফ্যাসিষ্ট আমলের মিথ্যা মামলা , মেনে নেয়া যায় । অনেক ত্যাগের বিনিময়ে জনগনের সরাসরি ভোটে জনাব তারেখ রহমানের গতিশীল নেতৃত্বে বর্তমানে রাষ্টপরিচালনার.দায়িত্ব নিয়েছেন ।  প্রতিহিংসা পরায়ন হয়ে কতিপয় বি , এন পির নাম দারী দালাল পদলেহন  কারি আমার নামে পলাশ থানায় মিথ্যা মামলা দায়ের করেছে । আমার দোষ আমি অদম আমার নেতার অনুরোধে ২০০৯ সালে আমার পারুলিয়া মোড় থেকে পবিত্র  রোজার মাসে ভ্যান গাড়ী  করে পলাশ উপজেলার সদর স্কুলে নিজের টাকায় ইফতার নিয়ে গিয়ে দলের লোক দের  ইফতারের  ব্যাবস্থা করেছিলাম । আমার ক্ষমার অযুগ্যা অপরাধ.আমার পরম শ্রদ্ধেয়  নেতার অনুরোধে ২০০৯ সালে যখন তিনি বি এন পির জাতীয় স্হায়ী কমিটির সদস্য হন তখন নেতাকে সংবর্ধনা দিতে গিয়ে জীবনের মায়া ত্যাগ করে ১৪৪ধারা  ভেংগে সর্বশেষ লোক টি স্টেজ থেকে পুলিশের বেদরক  লাঠি পিঠা খেয়ে আমাকে দ্রুত বিচার সহ ৪মিথ্যা মামলা দিয়ে জেলে বন্দি করেছিলো বিনা ভোটের এম পি দিলীপ বাবু । আমার শ্রদ্ধেয় অভিবাক আপনার নিশ্চয় মনে আছে আমি তখন পরিবার নিয়ে আমাদের ঘোরাশাল সারকার গেটে বসবাস করি । আপনি.২০১১সনে পলাশের কোথাও যায়গা না পয়ে আমার.বাসার তিন তলায়  মিটিং করেছিলেন । তার যের  হিসাবে  সি দিন ই রাতে দিলীপ বাবুর পেটুয়া  পুলিশ আমাকে গ্রেফতার  করার জন্য আমার বাসা তছনছ । আমার মেয়ে তখন  সবে  ঘোরাশাল স্কুলে  ৪র্থ শ্রেনীতে পরে ।  আমাকে না পেয়ে পুলিশ সে দিন আমার বাসায় জোর পুর্বক প্রবেশ করেএলবাম নিয়ে আসতে বলে । ছোট মেয়ে, আমার পরিবার ভয়ে এলবাম আনলে এলবাম দেখে আমার ছবি নিয়ে যায় ছবি দেখে আমাকে গ্রেফতার করার জন্য । আমার সেই একমাত্র  মেয়ে ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয় থেকে সাইকোলজিতে ওনার্স মাস্টারস্ করে ।  কিছু দিন পর লেখা পড়া করার জন্য অস্টোলিয়া চলে যাবে ।গত এক বছর আগে তার বিয়ে তে আপনাকে দাওয়াত দেয়ার জন্য অনেক বার ফোন করেছি । ব্যাক্তিগত ভাবে চেষ্টা করেছি । আপনি ফোন ও ধরেন নি দেখা করার সুযোগ  ও দেন নি । ২০১৪ সনে বিনা ভোটের নির্বচনে মাফিয়া  চরম দুর্নীতি বাজ ফোটন. আমাকে সহ অন্যান্য বি
বি এন পি নেতাকে ৪ টি মিথ্যা মামলা দায়ের করেছে  আমাকে দমানের  জন্য । আমি ভেংগে পারিনি । আপনার  নির্দেশে যুব দলের কার্য্য ক্রম গতিশীল করার জন্য কাজ করেছি । ২০১৮ সনের জাতীয় নির্বচনের প্রাক কালে আমাকে দিলীপ বাবু আমাকে সহ অন্যান্য কে অর ও ৩ টি মিথ্যা মামলা দায়ের করে । যার মাঝে একটি  হলো হত্যা চেষ্টা মামলা ।যে জন্য আজ ও আমাকে নরসিংদি কোটে  হাজিরা দিতে হয় । আমার কষ্ষে অর্জিত টাকায় ৫ আগষ্টের পর  আপনি যখন পলাশ অঠিটরিয়ামে প্রথম ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথী হিসাবে মন্চে আর হন করেন তখন আমার জায়গা হয়ে ছিলো মন্চের নিচে এক কোনে । অথচ এই ইফতার আমার গরু কিনার  এক লক্ষ টাকা ছিলো আমি বেক্কেল আপনার এক জন নগন্য কর্মির ।আমার কি দুর্ভাগ্য  আপনার ১২ ফেব্রায়ারী জাতীয় নির্বাচনে গজারিয়া ইছাখালি মাদ্রাসার সেন্টারের দায়িত্বে আমি ছিলাম ।.আপনি ধানের শীষে ব্যালটেভোট পয়েছেন সম্ভত ১৩৬৯ জামাত দারি পাল্লা নির্বাচনে প্রচনা না করে ও ভোট পেয়েছে ৮৫০ ওর কাছা কাছি । ভাগ্যিস আমি ঢাকা থেকে এই সেন্টারের দায়িত্ব নিয়ে ছিলাম না হলে হয়ত অন্য.রকম হতো ।  আমি ভোট দেই খাসহাওলা সেন্টারে  সেখানের ও আমি মুল দায়িত্বে ছিলাম । জন গন শহীদ রাষ্টপতি জিয়ার রহমানের হাতে গরা দল , আপোষ হীন নেত্রী সদ্য প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়ার দল  এবং বি.এন পির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেখ রহমানের গতিশীল নেতৃত্ব জনগনভোট দিয়ে রাষ্টপরিচালনার দায়িত্ব অর্পন করে ছে । মন্রী সভা ঘটিত হয়েছে । ত্যাগি পরিক্ষীত দের মুল্যায়ন করেছে ।এখন আপনি   প্রভাবশালী এম পি । এখন ও আমার নামে পলাশ থানায় মাদক আইনে মামলা রুজু হয় । আজ আমি বড় ই অসহায় ।  আমার কোন ক্ষমতা নেই । আপনি আমাদের কে জেলা বি এন পি  , কেন্দীয় বি.এন পির সাথে যোগাযোগ রাখতে অঘোষিত নিশেদাগ্যা রেখে ছিলেন । আপনার নিতী হলো খোদা এক নেতা এক । এখন আপনার দ্বারা পরিচালিত পলাশ থানার বি এন পির  রাজনিতীর আমি আর থাকবোনা । তাই আমি স্বেচ্ছায় আপনার স্বৈরাচারী রাজনিতীর বলয় থেকে বের হয়ে সাংগঠনিক রাজনীতি তথা কেন্দীয় রাজনিতীর সুযোগ পাইলে চেষ্টা করবো নতুন করে রাজনিতী করার । পলাশে আমার সিনিয়র বি এন পির নেতাকর্মী দুঃখে কষ্টে মৃত্যুর করেছে । আপনি অনেকের কবর পর্যন্ত যাওয়ার করেন নি । আমি জানি আমি মারা গেলে আমার জানাজায়  আসার সময় হবে না আপনার ।  কারন আপনার কাছে এখন আর মুল্য নাই । আমার বয়স ৬০ কাছা কাছি । আমার ছাত্র জীবন , যৌবন ব্যায় করেছি এই দলের পিছনে । আমার পরিবারে সবাই সরকারি প্রথম শ্রেনীর কর্মকর্তা । খালাত ভাই সচিব হিসাবে অবসর নিয়েছে । আরেক ভাই কর্নেল । আরেক ভাই বি সি এস কেডার ডাক্তার ।  শুধু আমি রাজনিতীতে জরিয়েছি ।জানি ত্যাগিদের মুল্যায়ন আপনার কাছে নেই । আপনি রাজনীতির তৃনমুল থেকে আসেন নি । আপনে রাজনিতী আসলেন এম পি হলেন মন্রী হলেন । যেখানে আপোষ হীন নেত্রী খালেদা জিয়া জেল খেটেছেন । বর্তমান প্রধান মন্রী নির্যাতন ভোগ করেছেন ।  জেল খেটেছেন ।সেখানে আপনি কোন জেল খাটেন নি ।সম্ভবত আপনি স্হায়ী কমিটির একমাত্র সদস্যা যে ১৭ বছরে এক দিন ও জেল খাটে নি। জানি এ গুলো আপনার সোনার কোন সময় নেই ।   আমার নামে পলাশ থানায় দায়ের হওয়া মামলায় আমি যদি দোষী হই কিংবা  ভাবে জরিত থাকি তা হলে দয়া করে পুলিশ দিয়ে আমাকে গ্রেফতার করে হাতে হেনকাপ পরিয়ে জেলে দিবেন  । আর যদি আমি দোষী না হই তা হলেএম পি হিসাবে যারা এই অপকর্ম করেছে তাদের ও আইনের আওতায় আনবেন । বিগত ত্রিশ বছর আপনার মুখ থেকে আইনের শাসনের  কথা অনেক বার শেনেছি স্যার । আমি ভাল করে জানি আপনার কাছে এর বিচার নেই । আমি মহান রব, বিচার দিবসের মালিক মহান আল্লাহর  কাছে বিচার দিলাম । যদি আমার সুযোগ হয় মাননীয় প্রধান মন্রী জনাব তারেখ রহমানের কাছে পলাশের প্রতিটি অন্যায়ের বিচার চাইব । বিচার চাইব   পলাশের নোংরা কুৎসিত, অপ রাজনীতির । যেখানে টাকার কাছে বিক্রি হয়ে যায় আদর্শ , সততা ,ন্যায় নিতী। দীক  সে অপরাজনিতীর ।সতদীক স্বার্থপরতার । পৃথিবীর হাজার বছরের ইতিহাস বলে নিজের একান্ত কাছের মানুষের.জন্য বহু সামরাজ্য ধংষ হয়েছে ।.ক্ষমতার পতন হয়েছে । আমি একান্ত ভাবে ভাবি আমনার চার পাশে যারা ক্ষমতার মধু খাওয়ার জন্য ঘোর ঘোর করে মধু খাওয়া শেষ তারা দুঃসময়ে কত টুকু পাশে থাকবে তা ভেবে আমি  ঘোরের মাঝে থাকি । আমি একান্ত চিন্তা করি বি এন পির পরিক্ষীত রাজ পথ কাপানু  এরশাদ বিরুদি ছাত্রনেতা আমার বন্দু মোশরফের প্রকাশ্য দিবালোকে. হত্যা কারী আজ পৌর বি এন গুরুত্ব পুর্ন পদে আসীন । জানি না পলাশের কুলশীত রাজনিতী আবার নতুন করে মোশারফের মত জীবন দিতে হয় কিনা । ইতিহাস বলে যে একবার বিশ্বাসঘাতকতা করে সে ভার ভার করে । আমি পলাশের রাজনিতীতে আর জরাবো না । দলকে ভালবাসি । দঃস্বময়ে ছিলাম সু সময়ে আমার প্রয়োজন নেই আপনার । এখন বাকিটা জীবন একজন সমাজ কর্মী হিসাবে সময় কাটবো । আমি আর আপনার মাথা ব্যাথার কারন হবো না । আপনি শক্তি শালী লোক কে ভয় পান । আপনার ভয়ের কারন হবো না আমার পরম শ্রদ্দেয় স্যার ।ভাল থাকবেন স্যার । পলাশের কোন বি এন পির নেতা সম্মান জনক বিদায় হয় নি । তার ই ধারা বাহিকতায় আমার হয় নি । আপনার শেষ বিদায় টা যেন মহান আল্লাহ পাক ভাল ভাবে স্ব সম্মানে পলাশ বাসি দেয় সেই কামনা করি 
পলাশের মজলুম  জনগনের পক্ষে । ।.শুভকামনা অভিরাম

আপনার মতামত লিখুন
সর্বশেষ সব খবর
জনপ্রিয় সব খবর