শিরোনাম

জরায়ুমুখ ক্যান্সার প্রতিরোধে রংপুরে ২ লাখের বেশি কিশোরী পাবে এইচপিভি টিকা

জরায়ুমুখ ক্যান্সার প্রতিরোধে রংপুরে ২ লাখের বেশি কিশোরী পাবে এইচপিভি টিকা

জরায়ুমুখ ক্যান্সার প্রতিরোধে রংপুর জেলায় ২ লাখ ৪ হাজার ৬৪১ জন কিশোরীকে বিনামূল্যে এক ডোজ এইচপিভি (HPV) টিকা দেওয়া হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উদ্যোগে এবং ইউনিসেফের সহযোগিতায় চলতি বছর পঞ্চম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত ও বিদ্যালয়ের বাইরে থাকা ১০ বছর বয়সী কিশোরীদের এ টিকা প্রদান করা হবে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সকালে রংপুরের আরডিআরএস বেগম রোকেয়া মিলনায়তনে আয়োজিত এইচপিভি ভ্যাকসিন বিষয়ক বিভাগীয় অ্যাডভোকেসি সভায় এ তথ্য জানানো হয়।

রংপুর বিভাগের ভারপ্রাপ্ত স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. ওয়াজেদ আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিভাগীয় কমিশনার শহিদুল ইসলাম।

সভায় প্রবন্ধ ও পরিসংখ্যান উপস্থাপন করেন ইউনিসেফের স্বাস্থ্যবিষয়ক ম্যানেজার রিয়াদ মাহমুদ, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের বিভাগীয় পরিচালক বিকাশ রায় এবং বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক ডা. মেসকাতুল আবেদ।

সভায় জানানো হয়, বাংলাদেশে প্রতি বছর জরায়ুমুখ ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে প্রায় ৭ হাজার নারীর মৃত্যু হয়। এ রোগের চিকিৎসায় বিপুল অর্থ ব্যয় করতে গিয়ে অনেক পরিবার আর্থিক সংকটে পড়ে। তাই এইচপিভি টিকাদান কর্মসূচির মাধ্যমে ভবিষ্যতে এ রোগের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

বক্তারা জানান, এইচপিভি টিকাদান কর্মসূচিতে ২০২৫ সালে রংপুর বিভাগ দেশের মধ্যে সবচেয়ে পিছিয়ে ছিল। আর ২০২৬ সালে আট বিভাগের মধ্যে সপ্তম অবস্থানে রয়েছে। নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে দুর্গম এলাকা, বিদ্যালয়ের বাইরে থাকা এবং ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে বসবাসকারী কিশোরীদের টিকার আওতায় আনার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

এ সময় টিকা নিয়ে গুজব প্রতিরোধ, অভিভাবক, শিক্ষক, ধর্মীয় নেতা এবং কিশোরীদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধিতে সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান জানানো হয়।

ইউনিসেফের সহযোগিতায় স্বাস্থ্য বিভাগের আয়োজিত এ সভায় রংপুর বিভাগের ৫৮টি উপজেলার স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, সিভিল সার্জন, ইসলামিক ফাউন্ডেশন, সমাজসেবা অধিদপ্তর, বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং গণমাধ্যমকর্মীরা অংশ নেন।

আপনার মতামত লিখুন
সর্বশেষ সব খবর
জনপ্রিয় সব খবর