শিরোনাম
বিএনপি-জামায়াত তুমুল সংঘর্ষ
বিএনপি-জামায়াত তুমুল সংঘর্ষ

চট্টগ্রামের কর্ণফুলীতে বিএনপির অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ১৬ জন আহত হয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে।

শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার বড়উঠান ফাজিল খাঁর হাট এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

বিএনপির দাবি, সংঘর্ষে উপজেলা যুবদলের সদস্য শাহেদুল আলম টিটু, বড়উঠান ইউনিয়ন কৃষকদলের সদস্য মঞ্জুর আলম, ছাত্রদল নেতা মো. ইমনসহ অন্তত ৮ জন আহত হয়েছেন।

অন্যদিকে জামায়াতের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, জামায়াত নেতা আলমগীর, এনাম ও মামুনসহ ৮ থেকে ১০ জন আহত হয়েছেন।

দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য এস এম ফারুক হোসেন অভিযোগ করেন, নির্বাচনের দিন জামায়াতের নেতাকর্মীদের সঙ্গে বাগবিতণ্ডার জেরে এ হামলার ঘটনা ঘটে। তিনি বলেন, স্থানীয় যুবদল ও ছাত্রদলের কয়েকজন নেতাকর্মী দৌলতপুর জামে মসজিদে নামাজ পড়তে গেলে জামায়াতের যুব সংগঠনের সেক্রেটারির নেতৃত্বে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাদের ওপর হামলা করা হয়।

অন্যদিকে কর্ণফুলী জামায়াতে ইসলামীর আমির মনির আবছার চৌধুরী অভিযোগ করে বলেন, শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে স্থানীয় বিএনপি ও মাদক ব্যবসায়ীদের মাধ্যমে জামায়াত কর্মীদের বাড়িতে দফায় দফায় হামলা চালানো হয়। পরে বিষয়টি সমাধানের জন্য ফাজিল খাঁর হাট বাজারে গেলে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা টিটুর নেতৃত্বে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হামলা চালানো হয় এবং কয়েকটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ভাঙচুর করা হয়।

কর্ণফুলী থানার ওসি মো. শাহীনুর আলম বলেন, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ থানায় অভিযোগ করেনি। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জামায়াত আমিরের অ্যাকাউন্ট হ্যাক, মধ্যরাতে মতিঝিলে ডিবির অভিযান
জামায়াত আমিরের অ্যাকাউন্ট হ্যাক, মধ্যরাতে মতিঝিলে ডিবির অভিযান

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের ভেরিফায়েড ‘এক্স’ অ্যাকাউন্ট হ্যাকের ঘটনায় মধ্যরাতে অভিযান শুরু করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। রাজধানীর মতিঝিল এজিবি কলোনি এ অভিযান চলছে।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ১২টার পর অভিযান শুরু হয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এক উর্ধ্বতন সূত্র জানিয়েছে, জামায়াত আমিরের এক্স হ্যান্ডেল হ্যাককারীকে ধরতে মতিঝিলের এজিবি কলোনিতে অভিযান চলছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত পরে জানানো হবে।

এর আগে অ্যাকাউন্ট হ্যাকের ঘটনায় রাজধানীর হাতিরঝিল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে জামায়াত। গত শনিবার (৩১ জানুয়ারি) রাত ৪টার দিকে দলের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য ও ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি সিরাজুল ইসলাম এ জিডি করেন।

জামায়াত আমিরের অ্যাকাউন্ট হ্যাক, মধ্যরাতে মতিঝিলে ডিবির অভিযান

জামায়াতপ্রার্থী খালিদুজ্জামানের ভিডিও নিয়ে তোলপাড়, যা বলল আইএসপিআর

জামায়াত সূত্র জানায়, শনিবার (৩১ জানুয়ারি) বিকেল ৪টার দিকে জামায়াত আমিরের এক্স অ্যাকাউন্টটি হ্যাক করা হয়। পরে সাড়ে ৪টার দিকে হ্যাকড অ্যাকাউন্ট থেকে একটি অপ্রত্যাশিত ও আপত্তিকর পোস্ট দেওয়া হয়। বিষয়টি নজরে আসার সঙ্গে সঙ্গেই জামায়াতে ইসলামীর সাইবার টিম অ্যাকাউন্ট উদ্ধারে কাজ শুরু করে। বিকেল ৫টার কিছু সময় পরে অ্যাকাউন্টের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ ফিরে পাওয়া সম্ভব হয়।

জামায়াতের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সিরাজুল ইসলাম বলেন, হ্যাকড অবস্থায় দেওয়া ওই পোস্টটি নারীদের অবমাননাকর ছিল, যা আমিরের চিন্তা-চেতনা ও পূর্বের বক্তব্যের সঙ্গে একেবারেই সাংঘর্ষিক। এটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অপচেষ্টা।

জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে সাংবাদিক ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলা হয়েছে, যাচাই ছাড়া কোনো কনটেন্ট শেয়ার না করতে এবং শুধু অফিসিয়াল ও বিশ্বস্ত সূত্র থেকে তথ্য গ্রহণ করতে।

রাষ্ট্রপতি কার্যালয়ের সেই প্রোগ্রামার গ্রেপ্তার
রাষ্ট্রপতি কার্যালয়ের সেই প্রোগ্রামার গ্রেপ্তার

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের এক্স আইডি (সাবেক টুইটার) হ্যাকডের ঘটনায় যথেষ্ট প্রমাণ পাওয়ায় রাষ্ট্রপতি কার্যালয়ের সহকারী প্রোগ্রামার ছরওয়ারে আলমকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) রাতে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) অতিরিক্ত কমিশনার শফিকুল ইসলাম।

তিনি জানান, জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমানের এক্স হ্যান্ডেল আইডি হ্যাকডের বিষয়ে গ্রেপ্তার ছরওয়ারে আলমের সম্পৃক্ততার যথেষ্ট প্রমাণ আছে। এ কারণে তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছে ডিএমপি। তার ব্যবহৃত মোবাইল, ল্যাপটপসহ আরও কিছু সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের অনুমতি নিয়েই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জব্দ করা সরঞ্জামগুলো ফরেনসিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হবে। এ ছাড়া তদন্তের স্বার্থে প্রয়োজনে জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমানের মোবাইল ডিভাইসও ফরেনসিক পরীক্ষা করা হবে।

রাষ্ট্রপতি কার্যালয়ের সেই প্রোগ্রামার গ্রেপ্তার

ডিবি হেফাজতে বঙ্গভবনের প্রোগ্রামার, ১৯ ঘণ্টায়ও হয়নি কোনো সিদ্ধান্ত

এদিকে জামায়াত আমিরের এক্স আইডি হ্যাক ও অনাকাঙ্ক্ষিত পোস্ট দেওয়ার ঘটনায় রাজধানীর হাতিরঝিল থানায় সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫-এর কয়েকটি ধারায় মামলা করা হয়েছে। জাতীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটি-২০২৬ এর সদস্য ও ক্যাম্পেইন ডিভিশনের সমন্বয়ক মো. সিরাজুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলাটি করেছেন।

সাতসকালে ঝাড়ু হাতে রাস্তা পরিষ্কারে জামায়াত আমির
সাতসকালে ঝাড়ু হাতে রাস্তা পরিষ্কারে জামায়াত আমির

সাতসকালে নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে রাস্তা পরিষ্কারে নেমেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর মনিপুর এলাকায় এই কর্মসূচি পালন করেন তিনি।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারিত এক ভিডিওতে দেখা গেছে, ফজরের পর নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে রাস্তা পরিষ্কারে নেমেছেন জামায়াত আমির। এ সময় তিনি ঝাড়ু দিয়ে রাস্তার আবর্জনা পরিষ্কার করেন। সঙ্গে থাকা নেতাকর্মীরা পলিথিনে ওসব আবর্জনা তুলে নেন। এভাবে প্রায় ১৫ থেকে ২০ মিনিট পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতায় ব্যয় করেন তিনি।

ভিডিওতে জামায়াত আমিরের সঙ্গে ঝাড়ু হাতে ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিনকেও দেখা গেছে।

কর্মসূচি শেষে জামায়াত আমির সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন। এ সময় তিনি বলেন, আমরা রাষ্ট্র সংস্কারের মাধ্যমে দেশের সব ধরনের আবর্জনা দূর করতে চাই। আমরা একটি পরিচ্ছন্ন দেশ গড়ব। নিজ নিজ আঙিনা পরিষ্কার করলে দেশ পরিষ্কার হয়ে যাবে।

 

তিনি আরও বলেন, জুলাই না এলে তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হতে পারতেন না। আমিও হতে পারতাম না বিরোধী দলীয় প্রধান। তাই আমাদের সবার উচিত সংসদে জুলাইয়ের চেতনা বাস্তবায়ন করা।

উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা হয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। মঙ্গলবার সংসদ সদস্যদের শপথ শেষে সংসদীয় দলের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এর আগে একই দিন দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে জামায়াতের সংসদ সদস্যরা শপথ নেন। পরে শপথ নেন এনসিপির সংসদ সদস্যরা। সংসদ সদস্যের পাশাপাশি সংবিধান সংস্কার পরিষদেরও শপথ নেন ১১-দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের সংসদ সদস্যরা।

রাস্তা পরিষ্কারের মাধ্যমে জাতিকে যে বার্তা দিলেন জামায়াত আমির
রাস্তা পরিষ্কারের মাধ্যমে জাতিকে যে বার্তা দিলেন জামায়াত আমির

রাষ্ট্র সংস্কারের মাধ্যমে দেশের সব ধরনের আবর্জনা দূর করতে চাই বলে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির এবং প্রধান বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।

বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর মিরপুরে মনিপুর এলাকায় রাস্তা পরিষ্কার কর্মসূচি শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এমন মন্তব্য করেন তিনি।

জামায়াত আমির বলেন, আমরা রাষ্ট্র সংস্কারের মাধ্যমে দেশের সব ধরনের আবর্জনা দূর করতে চাই। আমরা একটি পরিচ্ছন্ন দেশ গড়ব। নিজ নিজ আঙিনা পরিষ্কার করলে দেশ পরিষ্কার হয়ে যাবে।

তিনি আরও বলেন, জুলাই না এলে তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হতে পারতেন না এবং আমিও বিরোধীদলীয় প্রধান হতে পারতাম না। তাই আমাদের সবার উচিত সংসদে জুলাইয়ের চেতনা বাস্তবায়ন করা।

রাস্তা পরিষ্কারের মাধ্যমে জাতিকে যে বার্তা দিলেন জামায়াত আমির

সাতসকালে ঝাড়ু হাতে রাস্তা পরিষ্কারে জামায়াত আমির

এর আগে ফজরের পর নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে রাস্তা পরিষ্কারে নেমেছেন জামায়াত আমির। এ সময় তিনি ঝাড়ু দিয়ে রাস্তার আবর্জনা পরিষ্কার করেন। সঙ্গে থাকা নেতাকর্মীরা পলিথিনে ওসব আবর্জনা তুলে নেন। এভাবে প্রায় ১৫ থেকে ২০ মিনিট পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতায় ব্যয় করেন তিনি।

ভিডিওতে জামায়াত আমিরের সঙ্গে ঝাড়ু হাতে ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিনকেও দেখা গেছে।

সংস্কার পরিষদের শপথ না নেওয়া জুলাইকে অপমানের শামিল
সংস্কার পরিষদের শপথ না নেওয়া জুলাইকে অপমানের শামিল

বিএনপির সংস্কার পরিষদের শপথ না নেওয়াকে জুলাইয়ের অপমানের শামিল বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির এবং প্রধান বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। এরপর তিনি বলেন, কারণ জুলাই না এলে তারেক রহমান যেমন প্রধানমন্ত্রী হতে পারতেন না, আমিও বিরোধীদলীয় নেতা হতে পারতাম না।’

বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর মিরপুরে মনিপুর এলাকায় রাস্তা পরিষ্কার কর্মসূচি শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এমন মন্তব্য করেন তিনি।

জামায়াত আমির বলেন, ‘এই কাজ আমি শুরু করলাম। আমি ঢাকায় থাকলে প্রতিদিন এখানে এসে রাস্তা ঝাড়ু দেব, আর ঢাকার বাইরে যেখানে যাব, সেখানেই সহকর্মীদের নিয়ে একই কাজ করব।’

বিরোধীদলীয় এই নেতা বলেন, ‘এটা লোক দেখানো কাজ নয়। আমাদের প্রত্যেক ইউনিট ফজরের নামাজের পর কমপক্ষে আধাঘণ্টা এই পরিচ্ছন্নতার কাজ করবে। সরকারের ফান্ড পাই বা না পাই, এই এলাকাকে মডেল এলাকা করতে চাই। তবে সরকার যেন ন্যায্য পাওনাটা দেয়।’

সংস্কার পরিষদের শপথ না নেওয়া জুলাইকে অপমানের শামিল

রাস্তা পরিষ্কারের মাধ্যমে জাতিকে যে বার্তা দিলেন জামায়াত আমির

তিনি আরও বলেন, ‘শুধু আমি নই, আমার প্রতিদ্বন্দ্বীদেরও ওয়াদা ছিল ভালো মিরপুর-কাফরুল গড়ব। প্রতিদ্বন্দ্বীদেরও অভিনন্দন জানাই। আমি সবার সহযোগিতা নিয়ে কাজ করতে চাই। আমাদের কাজের মাধ্যমে জনগণকে প্রশান্তি দেওয়া, জনগণের নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনা ও সব শঙ্কা দূর করে ভ্রাতৃত্বমূলক সমাজব্যবস্থা গড়ে তুলতে চাই। দল-মত ও ধর্মের ঊর্ধ্বে উঠে এ কাজ করতে চাই। সারা দেশে আমাদের সহকর্মীদের প্রতি একই বার্তা থাকবে।’

এর আগে ফজরের পর নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে রাস্তা পরিষ্কারে নেমেছেন জামায়াত আমির। এ সময় তিনি ঝাড়ু দিয়ে রাস্তার আবর্জনা পরিষ্কার করেন। সঙ্গে থাকা নেতাকর্মীরা পলিথিনে ওসব আবর্জনা তুলে নেন। এভাবে প্রায় ১৫ থেকে ২০ মিনিট তিনি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতায় ব্যয় করেন।

ভিডিওতে জামায়াত আমিরের সঙ্গে ঝাড়ু হাতে ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিনকেও দেখা গেছে।

শেরপুরে জামায়াতের সহস্রাধিক নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা
শেরপুরে জামায়াতের সহস্রাধিক নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা

শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানে বিএনপি ও জামায়াত সমর্থকের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় জামায়াত ইসলামীর নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে নতুন করে দুটি মামলা হয়েছে। ঝিনাইগাতী সিআর আমলি আদালতে ঝিনাইগাতী উপজেলার শালচুড়া গ্রামের আমজাদ ও ভারুয়া গ্রামের হাসিবুল হাসান শান্ত বাদী হয়ে গত ১০ ফেব্রুয়ারি মামলা করেন।

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে মামলার বিষয়টি প্রকাশ পাওয়ার পর থেকেই গ্রেপ্তার আতঙ্কে রয়েছে জামায়াত নেতারা।

জামায়াত নেতাদের দাবি, আমাদের নেতা হত্যার বিচারের খবর নাই, উল্টা নির্বাচনে চাপে ফেলতে মামলা করেছে বিএনপি। তবে বিএনপি নেতাদের দাবি, জামায়াত নেতাদের হামলায় আহত পরিবারের সদস্যরাই এ মামলা করেছে।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, দুটি মামলায় মোট ২৪৪ জনের নাম উল্লেখ করে এবং ৮০০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে। এছাড়াও শ্রীবরদী উপজেলার পশ্চিম তাতীহাটি এলাকার মৃত বাচ্চু মিয়ার ছেলে উপজেলা জামায়াতের আমির আজহারুল ইসলাম মিস্টারকে (৫০) দুটি মামলাতেই প্রধান আসামি করা হয়েছে।

শেরপুরে জামায়াতের সহস্রাধিক নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা

শ্রমিক নেতাকে মারধরের অভিযোগ

একই ঘটনায় বিএনপি কর্মীদের হামলায় জামায়াত নেতা রেজাউল করিম হত্যা হওয়ায় তার স্ত্রী মারজিয়া বেগম বাদী হয়ে সাবেক সংসদ সদস্য মাহমুদুল হক রুবেলকে প্রধান আসামি করে বিএনপি ও অঙ্গসহযোগী সংগঠনের শ্রীবরদী ও ঝিনাইগাতীর ২৩১ জন নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ করে এবং ৫০০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করেছে। তবে ইতোমধ্যে বিএনপির প্রার্থী ও সাবেক এমপি মাহমুদুল হক রুবেলসহ অধিকাংশ নেতাকর্মী উচ্চ আদালত থেকে জামিনে রয়েছেন।

ঝিনাইগাতী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মো. আব্দুল মান্নান বলেন, গত ২৮ জানুয়ারি উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে ঝিনাইগাতী উপজেলা মিনি স্টেডিয়াম মাঠে শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানে জামায়াত নেতা-কর্মীদের হামলায় বিএনপির শতাধিক নেতাকর্মী আহত হয়। ওই ঘটনায় ঝিনাইগাতী উপজেলার শালচুড়া গ্রামের আমজাদ ও ভারুয়া গ্রামের হাসিবুল হাসান শান্ত বাদী হয়ে গত ১০ ফেব্রুয়ারি ঝিনাইগাতী সিআর আমলি আদালতে পৃথক দুটি মামলা করেছেন।

জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা হাফিজুর রহমান বলেন, তারা আমাদের কর্মীকে প্রকাশ্যে হত্যা করেছে। আমরা সেই হত্যারই বিচার পাইনি। উল্টা তারা আমাদের নামে মিথ্যা মামলা করেছে। তারা মূলত কাউন্টার মামলা দিয়ে আমাদের কর্মীদের মাঠছাড়া করার পাঁয়তারা করছে। শেরপুর-৩ আসনে স্থগিত হওয়া নির্বাচনে যেন আমাদের কোনো নেতাকর্মীরা মাঠে না থাকতে পারে। তবে আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। আমরা বিষয়টিকে আইনিভাবে মোকাবিলা করব।

শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান ভুঁঞা বলেন, আদালত থেকে ঝিনাইগাতী থানাকে মামলা নথিভুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী পুলিশ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে।

উল্লেখ্য, শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল ৪ ফেব্রুয়ারি মারা গেলেন এ আসনে নির্বাচন স্থগিত করা হয়।

শেরপুরে জামায়াতের সহস্রাধিক নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা
শেরপুরে জামায়াতের সহস্রাধিক নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা

শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানে বিএনপি ও জামায়াত সমর্থকের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় জামায়াত ইসলামীর নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে নতুন করে দুটি মামলা হয়েছে। ঝিনাইগাতী সিআর আমলি আদালতে ঝিনাইগাতী উপজেলার শালচুড়া গ্রামের আমজাদ ও ভারুয়া গ্রামের হাসিবুল হাসান শান্ত বাদী হয়ে গত ১০ ফেব্রুয়ারি মামলা করেন।

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে মামলার বিষয়টি প্রকাশ পাওয়ার পর থেকেই গ্রেপ্তার আতঙ্কে রয়েছে জামায়াত নেতারা।

জামায়াত নেতাদের দাবি, আমাদের নেতা হত্যার বিচারের খবর নাই, উল্টা নির্বাচনে চাপে ফেলতে মামলা করেছে বিএনপি। তবে বিএনপি নেতাদের দাবি, জামায়াত নেতাদের হামলায় আহত পরিবারের সদস্যরাই এ মামলা করেছে।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, দুটি মামলায় মোট ২৪৪ জনের নাম উল্লেখ করে এবং ৮০০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে। এছাড়াও শ্রীবরদী উপজেলার পশ্চিম তাতীহাটি এলাকার মৃত বাচ্চু মিয়ার ছেলে উপজেলা জামায়াতের আমির আজহারুল ইসলাম মিস্টারকে (৫০) দুটি মামলাতেই প্রধান আসামি করা হয়েছে।

শেরপুরে জামায়াতের সহস্রাধিক নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা

শ্রমিক নেতাকে মারধরের অভিযোগ

একই ঘটনায় বিএনপি কর্মীদের হামলায় জামায়াত নেতা রেজাউল করিম হত্যা হওয়ায় তার স্ত্রী মারজিয়া বেগম বাদী হয়ে সাবেক সংসদ সদস্য মাহমুদুল হক রুবেলকে প্রধান আসামি করে বিএনপি ও অঙ্গসহযোগী সংগঠনের শ্রীবরদী ও ঝিনাইগাতীর ২৩১ জন নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ করে এবং ৫০০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করেছে। তবে ইতোমধ্যে বিএনপির প্রার্থী ও সাবেক এমপি মাহমুদুল হক রুবেলসহ অধিকাংশ নেতাকর্মী উচ্চ আদালত থেকে জামিনে রয়েছেন।

ঝিনাইগাতী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মো. আব্দুল মান্নান বলেন, গত ২৮ জানুয়ারি উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে ঝিনাইগাতী উপজেলা মিনি স্টেডিয়াম মাঠে শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানে জামায়াত নেতা-কর্মীদের হামলায় বিএনপির শতাধিক নেতাকর্মী আহত হয়। ওই ঘটনায় ঝিনাইগাতী উপজেলার শালচুড়া গ্রামের আমজাদ ও ভারুয়া গ্রামের হাসিবুল হাসান শান্ত বাদী হয়ে গত ১০ ফেব্রুয়ারি ঝিনাইগাতী সিআর আমলি আদালতে পৃথক দুটি মামলা করেছেন।

জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা হাফিজুর রহমান বলেন, তারা আমাদের কর্মীকে প্রকাশ্যে হত্যা করেছে। আমরা সেই হত্যারই বিচার পাইনি। উল্টা তারা আমাদের নামে মিথ্যা মামলা করেছে। তারা মূলত কাউন্টার মামলা দিয়ে আমাদের কর্মীদের মাঠছাড়া করার পাঁয়তারা করছে। শেরপুর-৩ আসনে স্থগিত হওয়া নির্বাচনে যেন আমাদের কোনো নেতাকর্মীরা মাঠে না থাকতে পারে। তবে আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। আমরা বিষয়টিকে আইনিভাবে মোকাবিলা করব।

শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান ভুঁঞা বলেন, আদালত থেকে ঝিনাইগাতী থানাকে মামলা নথিভুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী পুলিশ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে।

উল্লেখ্য, শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল ৪ ফেব্রুয়ারি মারা গেলেন এ আসনে নির্বাচন স্থগিত করা হয়।

শেরপুরে জামায়াতের সহস্রাধিক নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা
শেরপুরে জামায়াতের সহস্রাধিক নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা

শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানে বিএনপি ও জামায়াত সমর্থকের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় জামায়াত ইসলামীর নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে নতুন করে দুটি মামলা হয়েছে। ঝিনাইগাতী সিআর আমলি আদালতে ঝিনাইগাতী উপজেলার শালচুড়া গ্রামের আমজাদ ও ভারুয়া গ্রামের হাসিবুল হাসান শান্ত বাদী হয়ে গত ১০ ফেব্রুয়ারি মামলা করেন।

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে মামলার বিষয়টি প্রকাশ পাওয়ার পর থেকেই গ্রেপ্তার আতঙ্কে রয়েছে জামায়াত নেতারা।

জামায়াত নেতাদের দাবি, আমাদের নেতা হত্যার বিচারের খবর নাই, উল্টা নির্বাচনে চাপে ফেলতে মামলা করেছে বিএনপি। তবে বিএনপি নেতাদের দাবি, জামায়াত নেতাদের হামলায় আহত পরিবারের সদস্যরাই এ মামলা করেছে।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, দুটি মামলায় মোট ২৪৪ জনের নাম উল্লেখ করে এবং ৮০০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে। এছাড়াও শ্রীবরদী উপজেলার পশ্চিম তাতীহাটি এলাকার মৃত বাচ্চু মিয়ার ছেলে উপজেলা জামায়াতের আমির আজহারুল ইসলাম মিস্টারকে (৫০) দুটি মামলাতেই প্রধান আসামি করা হয়েছে।

শেরপুরে জামায়াতের সহস্রাধিক নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা

শ্রমিক নেতাকে মারধরের অভিযোগ

একই ঘটনায় বিএনপি কর্মীদের হামলায় জামায়াত নেতা রেজাউল করিম হত্যা হওয়ায় তার স্ত্রী মারজিয়া বেগম বাদী হয়ে সাবেক সংসদ সদস্য মাহমুদুল হক রুবেলকে প্রধান আসামি করে বিএনপি ও অঙ্গসহযোগী সংগঠনের শ্রীবরদী ও ঝিনাইগাতীর ২৩১ জন নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ করে এবং ৫০০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করেছে। তবে ইতোমধ্যে বিএনপির প্রার্থী ও সাবেক এমপি মাহমুদুল হক রুবেলসহ অধিকাংশ নেতাকর্মী উচ্চ আদালত থেকে জামিনে রয়েছেন।

ঝিনাইগাতী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মো. আব্দুল মান্নান বলেন, গত ২৮ জানুয়ারি উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে ঝিনাইগাতী উপজেলা মিনি স্টেডিয়াম মাঠে শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানে জামায়াত নেতা-কর্মীদের হামলায় বিএনপির শতাধিক নেতাকর্মী আহত হয়। ওই ঘটনায় ঝিনাইগাতী উপজেলার শালচুড়া গ্রামের আমজাদ ও ভারুয়া গ্রামের হাসিবুল হাসান শান্ত বাদী হয়ে গত ১০ ফেব্রুয়ারি ঝিনাইগাতী সিআর আমলি আদালতে পৃথক দুটি মামলা করেছেন।

জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা হাফিজুর রহমান বলেন, তারা আমাদের কর্মীকে প্রকাশ্যে হত্যা করেছে। আমরা সেই হত্যারই বিচার পাইনি। উল্টা তারা আমাদের নামে মিথ্যা মামলা করেছে। তারা মূলত কাউন্টার মামলা দিয়ে আমাদের কর্মীদের মাঠছাড়া করার পাঁয়তারা করছে। শেরপুর-৩ আসনে স্থগিত হওয়া নির্বাচনে যেন আমাদের কোনো নেতাকর্মীরা মাঠে না থাকতে পারে। তবে আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। আমরা বিষয়টিকে আইনিভাবে মোকাবিলা করব।

শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান ভুঁঞা বলেন, আদালত থেকে ঝিনাইগাতী থানাকে মামলা নথিভুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী পুলিশ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে।

উল্লেখ্য, শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল ৪ ফেব্রুয়ারি মারা গেলেন এ আসনে নির্বাচন স্থগিত করা হয়।

শেরপুরে জামায়াতের সহস্রাধিক নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা
শেরপুরে জামায়াতের সহস্রাধিক নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা

শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানে বিএনপি ও জামায়াত সমর্থকের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় জামায়াত ইসলামীর নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে নতুন করে দুটি মামলা হয়েছে। ঝিনাইগাতী সিআর আমলি আদালতে ঝিনাইগাতী উপজেলার শালচুড়া গ্রামের আমজাদ ও ভারুয়া গ্রামের হাসিবুল হাসান শান্ত বাদী হয়ে গত ১০ ফেব্রুয়ারি মামলা করেন।

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে মামলার বিষয়টি প্রকাশ পাওয়ার পর থেকেই গ্রেপ্তার আতঙ্কে রয়েছে জামায়াত নেতারা।

জামায়াত নেতাদের দাবি, আমাদের নেতা হত্যার বিচারের খবর নাই, উল্টা নির্বাচনে চাপে ফেলতে মামলা করেছে বিএনপি। তবে বিএনপি নেতাদের দাবি, জামায়াত নেতাদের হামলায় আহত পরিবারের সদস্যরাই এ মামলা করেছে।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, দুটি মামলায় মোট ২৪৪ জনের নাম উল্লেখ করে এবং ৮০০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে। এছাড়াও শ্রীবরদী উপজেলার পশ্চিম তাতীহাটি এলাকার মৃত বাচ্চু মিয়ার ছেলে উপজেলা জামায়াতের আমির আজহারুল ইসলাম মিস্টারকে (৫০) দুটি মামলাতেই প্রধান আসামি করা হয়েছে।

শেরপুরে জামায়াতের সহস্রাধিক নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা

শ্রমিক নেতাকে মারধরের অভিযোগ

একই ঘটনায় বিএনপি কর্মীদের হামলায় জামায়াত নেতা রেজাউল করিম হত্যা হওয়ায় তার স্ত্রী মারজিয়া বেগম বাদী হয়ে সাবেক সংসদ সদস্য মাহমুদুল হক রুবেলকে প্রধান আসামি করে বিএনপি ও অঙ্গসহযোগী সংগঠনের শ্রীবরদী ও ঝিনাইগাতীর ২৩১ জন নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ করে এবং ৫০০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করেছে। তবে ইতোমধ্যে বিএনপির প্রার্থী ও সাবেক এমপি মাহমুদুল হক রুবেলসহ অধিকাংশ নেতাকর্মী উচ্চ আদালত থেকে জামিনে রয়েছেন।

ঝিনাইগাতী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মো. আব্দুল মান্নান বলেন, গত ২৮ জানুয়ারি উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে ঝিনাইগাতী উপজেলা মিনি স্টেডিয়াম মাঠে শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানে জামায়াত নেতা-কর্মীদের হামলায় বিএনপির শতাধিক নেতাকর্মী আহত হয়। ওই ঘটনায় ঝিনাইগাতী উপজেলার শালচুড়া গ্রামের আমজাদ ও ভারুয়া গ্রামের হাসিবুল হাসান শান্ত বাদী হয়ে গত ১০ ফেব্রুয়ারি ঝিনাইগাতী সিআর আমলি আদালতে পৃথক দুটি মামলা করেছেন।

জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা হাফিজুর রহমান বলেন, তারা আমাদের কর্মীকে প্রকাশ্যে হত্যা করেছে। আমরা সেই হত্যারই বিচার পাইনি। উল্টা তারা আমাদের নামে মিথ্যা মামলা করেছে। তারা মূলত কাউন্টার মামলা দিয়ে আমাদের কর্মীদের মাঠছাড়া করার পাঁয়তারা করছে। শেরপুর-৩ আসনে স্থগিত হওয়া নির্বাচনে যেন আমাদের কোনো নেতাকর্মীরা মাঠে না থাকতে পারে। তবে আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। আমরা বিষয়টিকে আইনিভাবে মোকাবিলা করব।

শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান ভুঁঞা বলেন, আদালত থেকে ঝিনাইগাতী থানাকে মামলা নথিভুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী পুলিশ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে।

উল্লেখ্য, শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল ৪ ফেব্রুয়ারি মারা গেলেন এ আসনে নির্বাচন স্থগিত করা হয়।

শপথ নিলেন জামায়াত ও স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যরা
শপথ নিলেন জামায়াত ও স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যরা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দ্বিতীয় ধাপে শপথগ্রহণ করেছেন জামায়াত ও স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যরা (এমপি)। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন তাদের শপথবাক্য পাঠ করান।

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের শপথকক্ষে এই শপথ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। শপথ অনুষ্ঠানে দেশি ও বিদেশি অতিথিরা অংশ নেন।

এর আগে প্রথম ধাপে শপথগ্রহণ করেন বিএনপির নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা। তারা বেলা পৌনে ১১টার দিকে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের শপথকক্ষে শপথগ্রহণ করেন।

এদিকে, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বেসরকারি ফলাফলে ২৯৭টি আসনের মধ্যে বিএনপি ২০৯টি এবং জামায়াতে ইসলামী ৬৮টি আসনে জয়লাভ করেছে। আর জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ছয়টি এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা সাতটি আসনে জয়ী হয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস দুটি এবং ইসলামী আন্দোলন ও খেলাফত মজলিস একটি করে আসন জয়লাভ করেছে।

শপথ নিলেন জামায়াত ও স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যরা

ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি ও সরকারি প্লট নেবেন না বিএনপির এমপিরা

সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনকারী বিএনপি ধানের শীষ প্রতীকে ৪৯ দশমিক ৯৭ শতাংশ ভোট পেয়েছে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসন পাওয়া দল জামায়াতে ইসলামী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ৩১ দশমিক ৭৬ শতাংশ ভোট পেয়েছে। এছাড়া এনসিপি শাপলা কলি প্রতীকে ৩ দশমিক ০৫ শতাংশ, ইসলামী আন্দোলন হাতপাখা প্রতীকে ২ দশমিক ৭০ শতাংশ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস রিকশা প্রতীকে ২ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ ভোট পেয়েছে।

অন্য দলগুলোর প্রাপ্ত ভোটের হার ১ শতাংশের নিচে। এসব দলের মধ্যে আছে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ, খেলাফত মজলিস, ইসলামী ঐক্যজোট, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), গণসংহতি আন্দোলন, বাসদ, বাসদ (মার্ক্সবাদী), গণফোরাম ও নাগরিক ঐক্য।

উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট ৫১টি রাজনৈতিক দল ও ২৭৪ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। দলগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ ২৯১ আসনে প্রার্থী দেয় সরকার গঠন করতে যাওয়া বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি। তবে তাদের কোনো প্রার্থীকেই জামানত হারাতে হয়নি। অন্যদিকে বিরোধী দলের আসনে বসতে যাওয়া বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ২২৯টি আসনে প্রার্থী দেয়। তাদের মধ্যে তিন প্রার্থী নির্দিষ্টসংখ্যক ভোট না পাওয়ায় জামানত হারান। বিগত সংসদের বিরোধী দল জাতীয় পার্টি এবার ১৯৮ আসনে প্রার্থী দিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। দলটির প্রার্থীদের মধ্যে কেবলমাত্র পাঁচজন তাদের জামানত রক্ষা করতে পেরেছেন। নির্দিষ্টসংখ্যক ভোট না পাওয়ায় বাকি সবাই জামানত হারিয়েছেন। জুলাই অভ্যুত্থানকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা তরুণদের রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ৩২টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। তাদের মধ্যে তিনজন জামানত হারিয়েছেন। এ ছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, সিপিবি, বাসদ, নাগরিক ঐক্যসহ বাকি দলগুলোর বেশিরভাগ প্রার্থীই তাদের জামানত রক্ষা করতে পারেননি।

শপথ নিলেন জামায়াত ও স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যরা
শপথ নিলেন জামায়াত ও স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যরা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দ্বিতীয় ধাপে শপথগ্রহণ করেছেন জামায়াত ও স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যরা (এমপি)। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন তাদের শপথবাক্য পাঠ করান।

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের শপথকক্ষে এই শপথ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। শপথ অনুষ্ঠানে দেশি ও বিদেশি অতিথিরা অংশ নেন।

এর আগে প্রথম ধাপে শপথগ্রহণ করেন বিএনপির নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা। তারা বেলা পৌনে ১১টার দিকে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের শপথকক্ষে শপথগ্রহণ করেন।

এদিকে, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বেসরকারি ফলাফলে ২৯৭টি আসনের মধ্যে বিএনপি ২০৯টি এবং জামায়াতে ইসলামী ৬৮টি আসনে জয়লাভ করেছে। আর জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ছয়টি এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা সাতটি আসনে জয়ী হয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস দুটি এবং ইসলামী আন্দোলন ও খেলাফত মজলিস একটি করে আসন জয়লাভ করেছে।

শপথ নিলেন জামায়াত ও স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যরা

ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি ও সরকারি প্লট নেবেন না বিএনপির এমপিরা

সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনকারী বিএনপি ধানের শীষ প্রতীকে ৪৯ দশমিক ৯৭ শতাংশ ভোট পেয়েছে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসন পাওয়া দল জামায়াতে ইসলামী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ৩১ দশমিক ৭৬ শতাংশ ভোট পেয়েছে। এছাড়া এনসিপি শাপলা কলি প্রতীকে ৩ দশমিক ০৫ শতাংশ, ইসলামী আন্দোলন হাতপাখা প্রতীকে ২ দশমিক ৭০ শতাংশ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস রিকশা প্রতীকে ২ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ ভোট পেয়েছে।

অন্য দলগুলোর প্রাপ্ত ভোটের হার ১ শতাংশের নিচে। এসব দলের মধ্যে আছে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ, খেলাফত মজলিস, ইসলামী ঐক্যজোট, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), গণসংহতি আন্দোলন, বাসদ, বাসদ (মার্ক্সবাদী), গণফোরাম ও নাগরিক ঐক্য।

উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট ৫১টি রাজনৈতিক দল ও ২৭৪ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। দলগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ ২৯১ আসনে প্রার্থী দেয় সরকার গঠন করতে যাওয়া বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি। তবে তাদের কোনো প্রার্থীকেই জামানত হারাতে হয়নি। অন্যদিকে বিরোধী দলের আসনে বসতে যাওয়া বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ২২৯টি আসনে প্রার্থী দেয়। তাদের মধ্যে তিন প্রার্থী নির্দিষ্টসংখ্যক ভোট না পাওয়ায় জামানত হারান। বিগত সংসদের বিরোধী দল জাতীয় পার্টি এবার ১৯৮ আসনে প্রার্থী দিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। দলটির প্রার্থীদের মধ্যে কেবলমাত্র পাঁচজন তাদের জামানত রক্ষা করতে পেরেছেন। নির্দিষ্টসংখ্যক ভোট না পাওয়ায় বাকি সবাই জামানত হারিয়েছেন। জুলাই অভ্যুত্থানকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা তরুণদের রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ৩২টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। তাদের মধ্যে তিনজন জামানত হারিয়েছেন। এ ছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, সিপিবি, বাসদ, নাগরিক ঐক্যসহ বাকি দলগুলোর বেশিরভাগ প্রার্থীই তাদের জামানত রক্ষা করতে পারেননি।

শপথ নিলেন জামায়াত ও স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যরা
শপথ নিলেন জামায়াত ও স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যরা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দ্বিতীয় ধাপে শপথগ্রহণ করেছেন জামায়াত ও স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যরা (এমপি)। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন তাদের শপথবাক্য পাঠ করান।

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের শপথকক্ষে এই শপথ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। শপথ অনুষ্ঠানে দেশি ও বিদেশি অতিথিরা অংশ নেন।

এর আগে প্রথম ধাপে শপথগ্রহণ করেন বিএনপির নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা। তারা বেলা পৌনে ১১টার দিকে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের শপথকক্ষে শপথগ্রহণ করেন।

এদিকে, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বেসরকারি ফলাফলে ২৯৭টি আসনের মধ্যে বিএনপি ২০৯টি এবং জামায়াতে ইসলামী ৬৮টি আসনে জয়লাভ করেছে। আর জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ছয়টি এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা সাতটি আসনে জয়ী হয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস দুটি এবং ইসলামী আন্দোলন ও খেলাফত মজলিস একটি করে আসন জয়লাভ করেছে।

শপথ নিলেন জামায়াত ও স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যরা

ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি ও সরকারি প্লট নেবেন না বিএনপির এমপিরা

সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনকারী বিএনপি ধানের শীষ প্রতীকে ৪৯ দশমিক ৯৭ শতাংশ ভোট পেয়েছে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসন পাওয়া দল জামায়াতে ইসলামী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ৩১ দশমিক ৭৬ শতাংশ ভোট পেয়েছে। এছাড়া এনসিপি শাপলা কলি প্রতীকে ৩ দশমিক ০৫ শতাংশ, ইসলামী আন্দোলন হাতপাখা প্রতীকে ২ দশমিক ৭০ শতাংশ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস রিকশা প্রতীকে ২ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ ভোট পেয়েছে।

অন্য দলগুলোর প্রাপ্ত ভোটের হার ১ শতাংশের নিচে। এসব দলের মধ্যে আছে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ, খেলাফত মজলিস, ইসলামী ঐক্যজোট, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), গণসংহতি আন্দোলন, বাসদ, বাসদ (মার্ক্সবাদী), গণফোরাম ও নাগরিক ঐক্য।

উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট ৫১টি রাজনৈতিক দল ও ২৭৪ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। দলগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ ২৯১ আসনে প্রার্থী দেয় সরকার গঠন করতে যাওয়া বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি। তবে তাদের কোনো প্রার্থীকেই জামানত হারাতে হয়নি। অন্যদিকে বিরোধী দলের আসনে বসতে যাওয়া বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ২২৯টি আসনে প্রার্থী দেয়। তাদের মধ্যে তিন প্রার্থী নির্দিষ্টসংখ্যক ভোট না পাওয়ায় জামানত হারান। বিগত সংসদের বিরোধী দল জাতীয় পার্টি এবার ১৯৮ আসনে প্রার্থী দিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। দলটির প্রার্থীদের মধ্যে কেবলমাত্র পাঁচজন তাদের জামানত রক্ষা করতে পেরেছেন। নির্দিষ্টসংখ্যক ভোট না পাওয়ায় বাকি সবাই জামানত হারিয়েছেন। জুলাই অভ্যুত্থানকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা তরুণদের রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ৩২টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। তাদের মধ্যে তিনজন জামানত হারিয়েছেন। এ ছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, সিপিবি, বাসদ, নাগরিক ঐক্যসহ বাকি দলগুলোর বেশিরভাগ প্রার্থীই তাদের জামানত রক্ষা করতে পারেননি।

শপথ নিলেন জামায়াত ও স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যরা
শপথ নিলেন জামায়াত ও স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যরা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দ্বিতীয় ধাপে শপথগ্রহণ করেছেন জামায়াত ও স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যরা (এমপি)। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন তাদের শপথবাক্য পাঠ করান।

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের শপথকক্ষে এই শপথ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। শপথ অনুষ্ঠানে দেশি ও বিদেশি অতিথিরা অংশ নেন।

এর আগে প্রথম ধাপে শপথগ্রহণ করেন বিএনপির নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা। তারা বেলা পৌনে ১১টার দিকে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের শপথকক্ষে শপথগ্রহণ করেন।

এদিকে, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বেসরকারি ফলাফলে ২৯৭টি আসনের মধ্যে বিএনপি ২০৯টি এবং জামায়াতে ইসলামী ৬৮টি আসনে জয়লাভ করেছে। আর জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ছয়টি এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা সাতটি আসনে জয়ী হয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস দুটি এবং ইসলামী আন্দোলন ও খেলাফত মজলিস একটি করে আসন জয়লাভ করেছে।

শপথ নিলেন জামায়াত ও স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যরা

ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি ও সরকারি প্লট নেবেন না বিএনপির এমপিরা

সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনকারী বিএনপি ধানের শীষ প্রতীকে ৪৯ দশমিক ৯৭ শতাংশ ভোট পেয়েছে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসন পাওয়া দল জামায়াতে ইসলামী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ৩১ দশমিক ৭৬ শতাংশ ভোট পেয়েছে। এছাড়া এনসিপি শাপলা কলি প্রতীকে ৩ দশমিক ০৫ শতাংশ, ইসলামী আন্দোলন হাতপাখা প্রতীকে ২ দশমিক ৭০ শতাংশ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস রিকশা প্রতীকে ২ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ ভোট পেয়েছে।

অন্য দলগুলোর প্রাপ্ত ভোটের হার ১ শতাংশের নিচে। এসব দলের মধ্যে আছে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ, খেলাফত মজলিস, ইসলামী ঐক্যজোট, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), গণসংহতি আন্দোলন, বাসদ, বাসদ (মার্ক্সবাদী), গণফোরাম ও নাগরিক ঐক্য।

উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট ৫১টি রাজনৈতিক দল ও ২৭৪ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। দলগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ ২৯১ আসনে প্রার্থী দেয় সরকার গঠন করতে যাওয়া বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি। তবে তাদের কোনো প্রার্থীকেই জামানত হারাতে হয়নি। অন্যদিকে বিরোধী দলের আসনে বসতে যাওয়া বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ২২৯টি আসনে প্রার্থী দেয়। তাদের মধ্যে তিন প্রার্থী নির্দিষ্টসংখ্যক ভোট না পাওয়ায় জামানত হারান। বিগত সংসদের বিরোধী দল জাতীয় পার্টি এবার ১৯৮ আসনে প্রার্থী দিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। দলটির প্রার্থীদের মধ্যে কেবলমাত্র পাঁচজন তাদের জামানত রক্ষা করতে পেরেছেন। নির্দিষ্টসংখ্যক ভোট না পাওয়ায় বাকি সবাই জামানত হারিয়েছেন। জুলাই অভ্যুত্থানকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা তরুণদের রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ৩২টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। তাদের মধ্যে তিনজন জামানত হারিয়েছেন। এ ছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, সিপিবি, বাসদ, নাগরিক ঐক্যসহ বাকি দলগুলোর বেশিরভাগ প্রার্থীই তাদের জামানত রক্ষা করতে পারেননি।