শিরোনাম
সরিষাবাড়ীতে বিদ্যুতের তার চুরি করতে গিয়ে যুবকের মৃত্যু
সরিষাবাড়ীতে বিদ্যুতের তার চুরি করতে গিয়ে যুবকের মৃত্যু

জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলায় বিদ্যুতের তার চুরি করতে গিয়ে বিদ্যুতায়িত হয়ে নিপু (৩৫) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।

সোমবার (৮ জুন) উপজেলার কামরাবাদ ইউনিয়নের বীর বড়বাড়ীয়া গামার বিল এলাকায় একটি সেচ পাম্পের বিদ্যুৎ সংযোগ লাইনের পাশে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত নিপু বড়বাড়ীয়া পূর্বপাড়া গ্রামের উসমান আলীর ছেলে। তিনি বিদেশ ফেরত এবং দুই সন্তানের জনক ছিলেন।

স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, গভীর রাতে একটি সেচ পাম্পের বিদ্যুৎ সংযোগের সার্ভিস তার কাটার সময় বিদ্যুতায়িত হয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। সকালে স্থানীয়রা তাকে বিদ্যুতের তারে জড়ানো অবস্থায় দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন।

খবর পেয়ে সরিষাবাড়ী থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।

সরিষাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

সরিষাবাড়ীতে বিদ্যুতের তার চুরি করতে গিয়ে যুবকের মৃত্যু
সরিষাবাড়ীতে বিদ্যুতের তার চুরি করতে গিয়ে যুবকের মৃত্যু

জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলায় বিদ্যুতের তার চুরি করতে গিয়ে বিদ্যুতায়িত হয়ে নিপু (৩৫) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।

সোমবার (৮ জুন) উপজেলার কামরাবাদ ইউনিয়নের বীর বড়বাড়ীয়া গামার বিল এলাকায় একটি সেচ পাম্পের বিদ্যুৎ সংযোগ লাইনের পাশে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত নিপু বড়বাড়ীয়া পূর্বপাড়া গ্রামের উসমান আলীর ছেলে। তিনি বিদেশ ফেরত এবং দুই সন্তানের জনক ছিলেন।

স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, গভীর রাতে একটি সেচ পাম্পের বিদ্যুৎ সংযোগের সার্ভিস তার কাটার সময় বিদ্যুতায়িত হয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। সকালে স্থানীয়রা তাকে বিদ্যুতের তারে জড়ানো অবস্থায় দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন।

খবর পেয়ে সরিষাবাড়ী থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।

সরিষাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

কবরের গাছ চুরির ঘটনায় অনন্য দৃষ্টান্ত, ফুলে ভরছে পুরো গ্রাম
কবরের গাছ চুরির ঘটনায় অনন্য দৃষ্টান্ত, ফুলে ভরছে পুরো গ্রাম

দাদি ও বাবার কবরের পাশে শখ করে লাগানো তিনটি ফুলগাছ চুরি হয়ে যায়। এমন ঘটনায় সাধারণত ক্ষোভ, অভিযোগ বা প্রতিশোধের পথই বেছে নেন অনেকে। কিন্তু ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার পূর্ব শ্যামপুর গ্রামের যুবক হাওলাদার শামীম আহমেদ বেছে নিয়েছেন এক ভিন্ন পথ—যা এখন এলাকায় প্রশংসার জোয়ার তুলেছে।

কবরের পাশ থেকে চুরি হওয়া তিনটি ফুলগাছের বদলে তিনি পুরো গ্রামজুড়ে রোপণ করেছেন ১ হাজার ৫০০টি ফুলগাছ।

জানা যায়, কয়েক মাস আগে দাদি ও বাবার কবরের পাশে হাসনাহেনা, কামিনী ও শিউলী গাছ লাগান শামীম। নিয়মিত পরিচর্যায় গাছগুলো বড় হয়ে ওঠে, এমনকি একটি গাছে ফুলও ফোটে। কিন্তু একদিন সকালে কবরস্থানে গিয়ে তিনি দেখেন, তিনটি গাছই উধাও।

ঘটনায় কষ্ট পেলেও চোরের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ না করে তিনি ভাবতে শুরু করেন অন্যভাবে। তার বিশ্বাস, গাছগুলো যে চুরি করেছে, সে হয়তো ফুল ভালোবাসে। সেই ভাবনা থেকেই জন্ম নেয় ব্যতিক্রমী এক উদ্যোগ।

নিজ অর্থায়নে শ্রমিক নিয়োগ করে তিনি পূর্ব শ্যামপুর গ্রামের প্রায় দুই কিলোমিটার সড়কের দুই পাশে থাকা ৫০০টি বাড়ির সামনে তিনটি করে মোট ১ হাজার ৫০০টি ফুলগাছ রোপণ করেন। প্রতিটি বাড়ির সামনে লাগানো হয়েছে হাসনাহেনা, কামিনী ও শিউলীর চারা।

শুধু গাছ লাগিয়েই থেমে থাকেননি শামীম। স্থানীয় বাসিন্দাদের গাছগুলোর যত্ন নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। এতে সাড়া দিয়েছেন গ্রামবাসীরাও। তাদের আশা, কয়েক মাসের মধ্যেই ফুলের সুবাসে ভরে উঠবে পুরো গ্রাম।

হাওলাদার শামীম আহমেদ বলেন, “আমি মনে করেছি, যে ব্যক্তি গাছগুলো চুরি করেছে, সে হয়তো ফুল ভালোবাসে। তাই তাকে খুঁজে বের করার চেষ্টা করিনি। বরং এমন ব্যবস্থা করেছি যাতে পুরো গ্রামেই ফুলগাছ থাকে। হয়তো আমার লাগানো কোনো গাছ এখন তার বাড়িতেও রয়েছে। সে যদি নিজের ভুল বুঝতে পারে, সেটাই হবে আমার সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।”

তিনি আরও বলেন, “আমার লক্ষ্য শুধু একটি ঘটনার প্রতিক্রিয়া নয়; আমি চাই গ্রামকে সবুজ, পরিচ্ছন্ন ও সৌন্দর্যমণ্ডিত করে তুলতে। ভবিষ্যতে সদরপুর উপজেলার প্রতিটি গ্রামে ফুল ও ঔষধি গাছ রোপণের পরিকল্পনা রয়েছে।”

স্থানীয়দের মতে, ব্যক্তিগত ক্ষতিকে সামাজিক কল্যাণে রূপ দেওয়ার এমন উদ্যোগ বিরল। একটি নেতিবাচক ঘটনাকে ইতিবাচক পরিবর্তনের অনুপ্রেরণায় পরিণত করে হাওলাদার শামীম আহমেদ এখন অনেকের কাছেই উদাহরণ হয়ে উঠেছেন।

নরসিংদীতে ইত্যাদি'র শুটিং স্পট থেকে শতাধিক মুঠোফোন চুরি
নরসিংদীতে ইত্যাদি'র শুটিং স্পট থেকে শতাধিক মুঠোফোন চুরি

নরসিংদীতে বাংলাদেশ টেলিভিশনের জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘ইত্যাদি’র শুটিং চলাকালে সাংবাদিকসহ শতাধিক দর্শকের মোবাইল ফোন চুরির ঘটনা ঘটেছে।

বুধবার (২০ মে) সন্ধ্যায় রায়পুরা উপজেলার রামনগর হাই স্কুল মাঠসংলগ্ন বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান গ্রন্থাগার ও স্মৃতি জাদুঘর প্রাঙ্গণে এ ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, আমন্ত্রিত অতিথিদের জন্য পাস ব্যবস্থা থাকলেও প্রবেশপথে চরম বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়। হাজারো দর্শকের চাপ ও ঠেলাঠেলির সুযোগে ভিড়ের মধ্যে সক্রিয় একটি চক্র একাধিক দর্শকের পকেট ও ব্যাগ থেকে মোবাইল ফোন চুরি করে নেয়।

অনুষ্ঠানে প্রায় ৩ হাজার আসন থাকলেও পাসবিহীন আরও বহু মানুষ ভিড় করে প্রবেশ করেন বলে জানা গেছে। এতে নিরাপত্তা ব্যবস্থায় চাপ তৈরি হয় এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে হিমশিম খায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

চুরির শিকারদের মধ্যে বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকও রয়েছেন। অন্তত ৭ জন সাংবাদিকসহ কয়েক ডজন দর্শকের ফোন হারানোর তথ্য পাওয়া গেছে। অনেকেই পরে পুলিশকে বিষয়টি জানান।

একজন ভুক্তভোগী সাংবাদিক জানান, ভিড়ের মধ্যে প্রবেশের সময়ই মোবাইল হারিয়ে যায়। পরে আরও অনেকে একই অভিযোগ করেন, তবে তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া যায়নি বলে অভিযোগ ওঠে।

নরসিংদীর পুলিশ সুপার আবদুল্লাহ আল-ফারুক বলেন, ভিড়ের মধ্যে পকেটমার চক্র ঢুকে থাকতে পারে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ও প্রযুক্তিগতভাবে ফোন উদ্ধারের চেষ্টা করা হবে।