মাগুরায় এবার মাত্র ২০ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিপরীতে ২৯ হাজার ১৩৮ টাকা বিল দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। মাগুরা সদর উপজেলার গোপালগ্রাম ইউনিয়নের সংকোচখালী গ্রামের গ্রাহক বাবু মোল্যার (৫৫) নামে এ বিল দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় নতুন করে এলাকায় আলোচনা তৈরি হয়েছে।
বিলের কাগজে বাবু মোল্যার ব্যবহৃত বিদ্যুতের পরিমাণ ২০ ইউনিট দেখানো হলেও মোট বিল ধরা হয়েছে ২৯ হাজার ১৩৮ টাকা। অথচ তিনি দীর্ঘদিন ধরে প্রতি মাসে প্রায় ২০০ থেকে ২৫০ টাকা বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করে আসছেন বলে জানান।
ভুক্তভোগী বাবু মোল্যা বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে আমি আমার বাড়ির বিদ্যুৎ বিল ২০০ থেকে ২৫০ টাকা করে দিয়ে আসছি। এবার যে বিদ্যুৎ বিল দিয়ে গেছে, তাতে ২০ ইউনিট ব্যবহারের বিপরীতে প্রায় ৩০ হাজার টাকা বিল দেখানো হয়েছে। এতে আমি চিন্তিত ও অবাক। এটা এক ধরনের ভোগান্তি।”
এ বিষয়ে মাগুরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির এজিএম ফজলুল আনোয়ার বলেন, “এ বিষয়ে দেখা হচ্ছে।”
এদিকে বিলের বিষয়ে জানতে অফিসে যাওয়ার আগে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির লোকজন তাঁকে বিভিন্নভাবে হয়রানি করেছেন বলেও অভিযোগ করেন বাবু মোল্যা। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এর আগে মাগুরায় আলেয়া নামে এক গ্রাহকের ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিপরীতে ৫০৬ কোটি টাকার বেশি বিল আসার ঘটনা আলোচনায় আসে। ওই ঘটনার পর আবারও মাত্র ২০ ইউনিটের বিপরীতে প্রায় ২৯ হাজার টাকা বিলের অভিযোগ সামনে এলো।
পরপর এমন অস্বাভাবিক বিলের ঘটনায় বিল প্রস্তুত ও মিটার রিডিংয়ের প্রক্রিয়া খতিয়ে দেখে দায় নির্ধারণ এবং ভুক্তভোগীদের হয়রানি বন্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন ব্যক্তিরা।