শিরোনাম

বড় ভাইয়ের পর ১২ দিনের ব্যবধানে ছোট ভাইকে কুপিয়ে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ

বড় ভাইয়ের পর ১২ দিনের ব্যবধানে ছোট ভাইকে কুপিয়ে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ

মানিকগঞ্জ সদর উপজেলায় বড় ভাইকে কুপিয়ে হত্যাচেষ্টার ১২ দিনের মাথায় ছোট ভাইকেও কুপিয়ে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (৭ অক্টোবর) রাত পৌনে ৯টার দিকে নবগ্রাম ইউনিয়নের দিঘলিয়া এলাকায় কালীগঙ্গা নদীর পাড়ে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী খলিল বিশ্বাস বিজয় (৩৪) পেশায় ওষুধ ব্যবসায়ী। তিনি বর্তমানে মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

খলিল বিশ্বাস বিজয় দিঘলিয়া গ্রামের খোয়াজ বিশ্বাসের ছেলে। ওই গ্রামে ‘বিশ্বাস মেডিকেল হল’ নামে তাঁর একটি ওষুধের দোকান রয়েছে। বিজয়ের অভিযোগ, বুধবার রাতে দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফেরার সময় তাঁকে দোকানের সামনে থেকে তুলে কালীগঙ্গা নদীর পাড়ে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে তাঁকে হত্যার চেষ্টা করা হয়।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিজয় জানান, গত ২৫ সেপ্টেম্বর তাঁর বড় ভাই মহসিন বিশ্বাসকেও কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা করা হয়। ওই ঘটনায় তাঁর ভাবি আফরোজা বেগম মানিকগঞ্জ সদর থানায় মামলা করেন। মামলায় ছালাম হোসেন (৩৪) চার নম্বর আসামি।

বিজয়ের দাবি, ছালাম হোসেনের সঙ্গে তাঁর ১৬ লাখ টাকার চেক ডিজঅনারের একটি মামলাও চলমান রয়েছে। ওই মামলায় আদালত ছালামের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন।

বিজয় অভিযোগ করেন, বুধবার রাত ৮টা ৪০ মিনিটের দিকে দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফেরার সময় দিঘলিয়া গ্রামের নিজাম উদ্দীনের ছেলে ছালাম হোসেন, তাঁর ছেলে রাব্বি (১৯), স্থানীয় মিয়ো (২৬) এবং অজ্ঞাতনামা আরও দুজন তাঁকে মেডিকেল হলের সামনে থেকে তুলে নদীর পাড়ে নিয়ে যান। সেখানে মামলা তুলে নিতে চাপ দেওয়া হয়। তিনি রাজি না হওয়ায় তাঁকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা করা হয়। তাঁর চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা পালিয়ে যান বলে দাবি করেন তিনি।

বিজয় জানান, হামলার পর তিনি নিজেই জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করেন। পরে স্বজনেরা তাঁকে প্রথমে মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখান থেকে মানিকগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, পরে এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং এরপর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসা শেষে তাঁকে আবার মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এ বিষয়ে নবগ্রাম ইউনিয়নের বিট পুলিশ উপপরিদর্শক (এসআই) পুলক কুমার দাস মজুমদার বলেন, ৯৯৯ নম্বরে ফোন করার বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না। বিজয়ের ওপর হামলার বিষয়েও তাঁকে কেউ জানাননি। অভিযোগ পেলে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বক্তব্য প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন
সর্বশেষ সব খবর
জনপ্রিয় সব খবর