ফুসফুসের ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে কলকাতায় মৃত্যু, মরদেহ হস্তান্তরে উপ-হাইকমিশনের অনাপত্তিপত্র
নিষিদ্ধ সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটনের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার অনুমতি মিলেছে। ভারতের কলকাতায় ফুসফুসের ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন থাকার পর শনিবার (১০ অক্টোবর) সকালে একটি হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়।
কলকাতার বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শনিবার সকাল সোয়া ৭টায় কলকাতার রুবি জেনারেল হাসপাতালে মারা যান রোটন।
উপ-হাইকমিশনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৯ আগস্ট ভারতের হরিদাসপুর স্থলবন্দর দিয়ে দেশটিতে প্রবেশ করেছিলেন তিনি। বাংলাদেশের বেনাপোল স্থলবন্দরের বিপরীতে অবস্থিত এই স্থলবন্দর দিয়ে ভারতে প্রবেশের পর তিনি সেখানে অবস্থান করছিলেন।
রোটনের মরদেহ বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনার আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে অনুমতিপত্র ইস্যু করেছে কলকাতার বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন। ওই অনুমতিপত্রে মরদেহ বিমানে অথবা সড়কপথে বাংলাদেশে নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া তাঁর আত্মীয় সোহানুর রহমানের কাছে মরদেহ হস্তান্তরের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অনাপত্তিপত্র দেওয়া হয়েছে।
তবে রোটনের মরদেহ কবে এবং কোন পথে দেশে আনা হবে, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন রোটন
মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটন ২০০৬ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ওই কমিটির সভাপতি ছিলেন মাহমুদ হাসান রিপন।